Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে চার পদ্ধতিতে চিয়া সিডস

ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে চার পদ্ধতিতে চিয়া সিডস
চিয়া সিডস, ছবি: সংগৃহীত
লাইফস্টাইল ডেস্ক
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চিয়া সিডস তথা বীজ পুষ্টি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমূহে পরিপূর্ণ একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য উপাদান।

সেলভিয়া হিসপানিকা (Salvia hispanica) নামক উদ্ভিদ থেকে সংগৃহীত এই কালো বীজ বিভিন্নভাবে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারিতা বহন করে।

বিশেষত দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যা তথা টাইপ-২ ডায়বেটিস থাকে, তাহলে খাদ্যের তালিকায় চিয়া সিডস রাখলে উপকার পাওয়া যাবে, কারণ এটি ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে। ডায়বেটিসের মতো ক্রনিক শারীরিক সমস্যা থাকলে অবশ্যই খাদ্যাভ্যাসের দিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। এমন খাদ্য উপাদান গ্রহণ করতে হবে, যা শরীর সুস্থ রাখতে, রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে ও কার্ডিওভাস্কুলার তথা হৃদরোগ প্রতিরোধে কাজ করবে। সেদিক থেকে বলতেই হয়, চিয়া সিডস অন্যতম একটি উপকারী প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563165156580.jpg

কার্যকরী এই বীজের বিশেষ গুণ হলো এটি শরীরে স্বল্প পরিমাণ ক্যালরির সাথে প্রচুর পরিমানে পুষ্টি প্রদান করে। চিয়া বীজে আঁশ, প্রোটিন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম ও বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে। চিয়া বীজ গ্লুটেনমুক্ত ও সহজে হজমে সহায়ক। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, চিয়া বীজ গ্লুকোজ ও ইনসুলিন সহনশীলতায় সাহায্য করে।

এছাড়া চিয়া বীজে ওজন কমাতেও সাহায্য করে। যেহেতু এটি আঁশপূর্ণ একটি খাদ্য, তাই চিয়া সিডস গ্রহণে দীর্ঘ সময় ক্ষুদাভাব দেখা দেয় না এবং পেট ভরা থাকে।

ওজন কিংবা ডায়বেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চিয়া বীজকে ডায়বেটিক খাদ্য তালিকায় যেভাবে রাখতে পারেন তার কয়েকটি স্বাস্থ্যকর ও মজাদার পুষ্টিসমৃদ্ধ উপায় জেনে রাখুন।

চিয়া সালাদ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563165174505.png

সবুজ সালাদ রেসিপিতে চিয়া বীজ একটি দারুণ জুটি। পছন্দের সালাদকে স্বাস্থ্যকর ও আঁশপূর্ণ করতে সবুজ সবজির সালাদের উপরে চিয়া বীজ ছিটিয়ে দিন।

চিয়া পুডিং

বেশ জনপ্রিয় একটি উপায় হচ্ছে চিয়া বীজ দিয়ে পুডিং তৈরি। দুধ বা জুসের এক চতুর্থাংশ কাপে চিয়া বীজ মিশ্রিত করতে পারেন। সাথে স্বাদের জন্য ভ্যানিলা ও কোকোয়া ফ্লেভার দিতে পারেন। চিয়া পুডিং ডায়বেটিস ব্যাক্তিদের জন্য স্বাস্থ্যকর ও উপকারী খাদ্য হতে পারে।

স্মুদির সাথে চিয়া বীজ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563165187767.jpg

চিয়া বীজ যেকোনো স্মুদিতে দেয়া যেতে পারে, যেটা স্মুদিকে আরও পুষ্টিসমৃদ্ধ করে তুলবে। শুধু খেয়াল রাখতে হবে, চিয়া বীজ স্মুথিতে দেওয়ার আগে জেল তৈরি করতে বীজ ভিজিয়ে রাখতে হবে।

চিয়া পানি

চিয়া পানি তৈরি করা সবথেকে সহজ ও সাধারণ একটি পদ্ধতি। ১/৪ কাপ (৪০ গ্রাম) চিয়া বীজ নিয়ে ৪ কাপ পানিতে ২০-৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে, সাথে পছন্দমতো ১ টুকরো লেবু বা ফলের টুকরো দেওয়া যেতে পারে। এটি পানিকে ফ্লেভারযুক্ত ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পূর্ণ করতে সাহায্য করে। এটি মূলত যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য বেশ উপকারী।

আরও পড়ুন: ডায়বেটিস রোগীর খাদ্য তালিকায় থাকুক ঘি

আরও পড়ুন: খেতে হবে ‘স্বাস্থ্যকর’ ফ্যাটযুক্ত খাবার

আপনার মতামত লিখুন :

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল
ফালাফেল

মধ্যপ্রাচ্যের সকাল ও বিকালের নাশতার অন্যতম একটি প্রচলিত খাবারের নাম হলো ফালাফেল।

নাম শুনে অনেকেই ভাববেন, এই খাবারটি সম্ভবত ফল দিয়ে তৈরি করা হয়। আদতে খাবারটি তৈরি হয় ছোলা কিংবা মটরশুঁটিতে। তেলে ভাজা বিভিন্ন মসলার সংমিশ্রণে তৈরি ফালাফেল ডুবো তেলে কড়া করে ভেজে দইয়ের রায়তার সাথে খেতে চমৎকার ভালো লাগে।

পরিচিত বড়া বা পেঁয়াজুর বাইরে নতুন ও হালকা কোন নাশতার খাবার খেতে চাইলে দেখে নিন ফালাফেল তৈরির রেসিপি।

ফালাফেল তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566653988942.JPG

১. এক কাপ শুকনো ছোলা।

২. একটি ছোট পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. এক চা চামচ রসুন কুঁচি।

৪. তিন টেবিল চামচ ধনিয়া পাতা কুঁচি।

৫. আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়া।

৬. এক চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া।

৭. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

৮. ১/৪ চা চামচ কালো গোলমরিচ গুঁড়া।

৯. এক টেবিল চামচ ময়দা।

১০. স্বাদমতো লবণ।

১১. ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল।

ফালাফেল যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566654005300.JPG

১. ছোলা ধুয়ে পরিষ্কার পানিতে সারারাতের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং সময় হলে পানি থেকে তুলে শুকিয়ে নিতে হবে এবং ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

২. এতে পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, ধনিয়া পাতা কুঁচি, জিরা গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া, কালো গোলমরিচ গুঁড়া ও ময়দা মেশাতে হবে। সাথে পরিমাণমতো লবণ ও লেবুর রস যোগ করতে হবে এবং ব্লেন্ড করতে হবে।

৩. ব্লেন্ড শেষে সকল উপাদান মিশে অমসৃণ ও অসূক্ষ্ম মিশ্রণ তৈরি হবে। এতে পানি যোগ করা যাবে না, তবে যদি ব্লেন্ড করতে সমস্যা হয় ১-৩ টেবিল চামচ পানি আলাদাভাবে যোগ করতে হবে।

৪. ফালাফেল মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে প্রয়োজন ও স্বাদ অনুযায়ী মসলা ও লবণ যোগ করতে হবে এবং হাতের সাহায্যে মাখিয়ে ছোট ছোট গোল ফালাফেল তৈরি করে নিতে হবে।

৫. এবারে কড়াইতে তেল গরম করে ফালাফেল দিয়ে দেখতে হবে তা ভেঙে যায় কিনা। যদি ভেঙে যায় তবে মিশ্রণের সাথে ময়দা যোগ করে এরপর ভাজতে হবে।

৬. ফালাফেল বাদামী-সোনালি হয় আসলে নামিয়ে নিয়ে দইয়ের রায়তা কিংবা ঘরে তৈরি পাতার চাটনির সাথে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?
কেএফসির ফ্রাইড চিকেন

গরম মুচমুচে কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের মতো মজাদার খাবার যেন আর হয় না।

অন্যান্য রেস্টুরেন্টের ফ্রাইড চিকেন যতই মজাদার হোক না কেন, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনে সবসময়ই ভিন্নতা বজায় থাকে। কিন্তু কেন কেএফসির চিকেন অন্যান্য রেস্টুরেন্টের চিকেনের চাইতে আলাদা ও ভিন্ন? এর প্রধান কারণ, মুরগির মাংস প্রস্তুতে মসলার ব্যবহার। ব্যতিক্রমী ও অন্য ধাঁচের মসলার নিয়ন্ত্রিত ও সঠিক ব্যবহারের ফলে, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের স্বাদ সহজেই আলাদা হয়ে ওঠে।

১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637051338.jpg

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী স্বাদ ঘরে বসে পেতে চাইলে, বিষয়টি খুব একটা সহজ হবে না। তবে কাছাকাছি স্বাদ তৈরি করা যেতে পারে ১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহারে। মসলাগুলো হলো-

১. ২/৩ টেবিল চামচ লবণ।

২. ৩ টেবিল চামচ সাদা গোলমরিচের গুঁড়া।

৩. ১ টেবিল চামচ কালো গোলমরিচের গুঁড়া।

৪. ১/২ টেবিল চামচ বাসিল।

৫. ১ টেবিল চামচ সেলেরি সল্ট।

৬. ১ টেবিল চামচ শুকনো সরিষা।

৭. ২ টেবিল চামচ গার্লিক সল্ট।

৮. ১ টেবিল চামচ আদা গুঁড়া।

৯. ১/৩ টেবিল চামচ অরিগানো।

১০. ৪ টেবিল চামচ প্যাপরিকা।

১১. ১/২ টেবিল চামচ থাইম।

চিকেন ফ্রাই করার কৌশল আছে কী?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637102106.jpg

ব্যাটার তৈরি করে মুরগির মাংসে মিশিয়ে তেলে গড়িয়ে নিলেই যদি কেএফসির চিকেন ফ্রাই হয়ে যেতো, তাহলে তো কথাই ছিল না। ফ্রাইড চিকেন তৈরির মসলা নয়, চিকেন ফ্রাই করার কৌশলেও থাকে ভিন্নতা। ফলে অন্যান্য ফ্রাইড চিকেনের তুলনায় কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ও চিকেন ক্রাস্ট হয় আলাদা। কয়েকটি কৌশল জেনে রাখুন।

দ্রুত ভেজে ফেলা

অনেকেই চিকেন ব্যাটার ও ময়দায় মাখিয়ে বেশ অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর তেলে ভাজেন। কিন্তু কেএফসির ক্ষেত্রে নিয়ম একেবারে উল্টো। ‘ফ্রম ফ্লাওয়ার টু ফ্রায়ার’ এই নীতিতে কাজ করে কেএফসি। অর্থাৎ ময়দায় মুরগির মাংস গড়িয়ে সরাসরি ফ্রায়ারে ছেড়ে দেওয়া। এতে করে বাইরের আবরণ অতিরিক্ত শক্তও হবে না আবার মুচমুচে থাকবে এবং ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার সময় সহজেই চিকেন থেকে খুলে আসবে।

ফ্রায়ারে ভিন্নতা

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের এক্সট্রা ক্রিস্পিভাব তৈরি করা হয় বিশেষ ইনডাস্ট্রিয়াল-স্ট্রেনথ প্রেশার ফ্রায়ার ব্যবহারে। কেএফসির মতো ফ্রায়ার ঘরে পাওয়া সম্ভব না হলেও, গভীর কোন পাত্রে ৩৫০-৩৬০ ডিগ্রীতে তেল গরম করে প্রতিটি মুরগির পিস ঘড়ি ধরে ১২ মিনিট ভাজলে কেএফসির কাছাকাছি ফ্রাইড চিকেন তৈরি করা সম্ভব হবে।

সাথে সাথেই না খাওয়া

কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ভাজার পর অন্তত বিশ মিনিট ১৭৫ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ওভেন সেটে রেখে দেওয়া হয়। এরপর এই ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। তেল থেকে ওঠানোর সাথে সাথে কেএফসির ফ্রাইড চিকেন পরিবেশন করা হয় না। ২০ মিনিট ওভেন সেটে রাখার ফলে মাংসের ভেতরের অংশ গরম থাকে এবং বাইরের অংশ থাকে মুচমুচে। এছাড়া মাংসে বাড়তি তেল থাকলে সেটাও ঝরে যায় সহজেই।

আরও পড়ুন: মাংসের ঝোলের ঘ্রানে কেএফসি’র সেন্টেড ক্যান্ডেল

আরও পড়ুন: কেএফসি যে কারণে নাম পরিবর্তন করেছিল!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র