Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

অসমান ত্বকের রঙের যত্ন

অসমান ত্বকের রঙের যত্ন
ঈদের আগেই অসমান ত্বকের রঙয়ের সমস্যাটি কমিয়ে আনা যাবে
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

অসমান ত্বকের রঙের সমস্যাটি খুবই কমন।

আয়নার কাছে গিয়ে ভালোমতো খেয়াল করে দেখলে বোঝা যাবে যে, চোখের চারপাশ ও নিচের অংশ, ঠোঁটের কোনার দিকের অংশ, গলা ও ঘাড়ের অংশ অন্যান্য অংশের ত্বকের তুলনায় অনেকখানি কালচে। এমনটা বহু কারণেই হতে পারে। এর মাঝে প্রধান কারণগুলো হলো রোদের আলো, হাইপারপিগমেন্টেশন, হরমোনাল চেঞ্জ, হরমোনাল ইমব্যালেন্স ও বয়সজনিত কারণ।

মেকআপের আস্তরণে অসমান ত্বকের সমস্যা সাময়িকভাবে ঢেকে রাখা গেলেও পুরোপুরিভাবে দূর করতে চাইলে ত্বকে প্রয়োজনীয় উপাদান ব্যবহারের বিকল্প নেই। আসন্ন ঈদের আগে জেনে নিন ত্বকের অসমান রঙের সমস্যাটি কমিয়ে আনতে সাহায্য করবে এমন কয়েকটি ফেসপ্যাকের বিবরণ।

ময়দা ও বেকিং সোডার মিশ্রণ

এই ফেসপ্যাক তৈরির জন্য লাগবে দুই চা চামচ গরুর দুধ, এক চা চামচ ময়দা ও এক চা চামচ বেকিং সোডা। এই সকল উপাদান একটি পরিষ্কার পাত্রে একসাথে মিশিয়ে ত্বক ম্যাসাজ করে রেখে দিতে হবে। শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানিতে ত্বক ধুয়ে নিতে হবে।

দুধ ত্বকের pH এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। অন্যদিকে বেকিং সোডা এবং ময়দা প্রাকৃতিক এক্সফলিয়েটর হিসেবে কাজ করে। ফলে ত্বক ভেতর থেকে পরিষ্কার হয় এবং ত্বকের আর্দ্রতাও ভালোভাবে বজায় থাকে।

লেবু, চিনি ও নারিকেল তেলের মিশ্রণ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/06/1565093624941.jpg

এই ফেসপ্যাক তৈরিতে এক চা চামচ নারিকেল তেল, এক টেবিল চামচ চিনি ও আধা চা চামচ লেবুর রস প্রয়োজন হবে। সকল উপাদান একসাথে মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করতে হবে। অসমান রঙের ত্বকের অংশে এই স্ক্রাব ধীরে ধীরে ঘষতে হবে এবং অবশ্যই চোখের আশেপাশের অংশ এড়িয়ে যেতে হবে। পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করার পর কুসুম গরম পানিতে ত্বক ধুয়ে নিতে হবে।

লেবুর রসে আছে অ্যাস্ট্রিজেন্ট উপাদান। যা কালো দাগকে কমিয়ে আনতে কাজ করে। এছাড়া চিনি এক্সফলিয়েটর হিসেবে এবং নারিকেল তেল ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে।

দই হলুদের মিশ্রণ

দুই টেবিল চামচ টকদই, এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া ও আধা চা চামচ লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে ত্বকে মিনিট দুয়েক ম্যাসাজ করে ঠাণ্ডা পানিতে ত্বক ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।

এখানে ব্যবহৃত দই ও লেবু, উভয় উপাদানই ত্বককে উজ্জ্বল করতে ও ত্বকের কালচেভাবকে কমিয়ে আনতে কাজ করে। সাথে হলুদ গুঁড়ায় থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ফ্রি রেডিক্যালের ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে, ত্বককে সুস্থ রাখে ও ত্বকে বয়সের প্রভাব পড়তে বাধাদান করে।

আরও পড়ুন: ত্বকের যত্নে কেন এক্সফলিয়েট করা প্রয়োজনীয়?

আরও পড়ুন: তিন উপাদানে দূর হবে ব্ল্যাক হেডস

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র