Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

অ্যালোভেরা জেল যখন মেকআপ রিমুভার!

অ্যালোভেরা জেল যখন মেকআপ রিমুভার!
অ্যালোভেরা জেল।
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতিদিনই হালকা কিংবা ভারী মেকআপ ব্যবহার করা হয় নানান কারণে।

ঘরোয়া অনুষ্ঠান কিংবা বড় কোন অফিসিয়াল পার্টিতে থাকা চাই মেকআপের ছোঁয়া। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় মেকআপ তোলার ক্ষেত্রে। দীর্ঘ সময় নিয়ে মেকআপ করা হলেও মেকআপ তোলার সময় যেন আমাদের বড্ড তাড়াহুড়া। কিন্তু মনে রাখা প্রয়োজন, মেকআপ মুখে দীর্ঘ সময় রেখে দেবার ফলে দেখা দিতে পারে ব্রণ সহ ত্বকের নানান ধরণের সমস্যা।

আরো পড়ুন: ১ মিনিটে পরিস্কার বিউটি ব্লেন্ডার

মেকআপ তোলার ক্ষেত্রে সাধারণত কেমিক্যালযুক্ত মেকআপ রিমুভার ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এইসকল মেকআপ রিমুভার ত্বকের উপর নেতিবাচক প্রভাব তৈরি করে। কারণ এই সকল পণ্যে উচ্চমাত্রায় কেমিক্যাল পণ্য ব্যবহার করা হয়। তাইতো মেকআপ তোলার ক্ষেত্রে সবচেয়ে উপযোগী হলো প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি মেকআপ রিমুভার ব্যবহার করা। এক্ষেত্রে অ্যালোভেরা জেল সবচেয়ে উপকারী উপাদান। অ্যালোপভেরা জেলের প্রদাহ বিরোধী উপাদান ও অ্যান্টিসেপটিক উপাদান ত্বকে র‍্যাশ, ব্রণ ও কালচে ছোপ দেখা দেওয়া প্রতিরোধ করে।

চলুন জেনে নেওয়া যায় অ্যালোভেরার জেল দিয়ে তৈরি দুইটি সহজ ও উপকারী মেকআপ রিমুভার তৈরির পদ্ধতি।

অ্যালোভেরা জেল ও মধুর মেকআপ রিমুভার

/uploads/files/Pw4hDu2OY19dCGjysxx5ygUITcx5RAKHYfHMANZI.jpeg

এটা তৈরিতে প্রয়োজন হবে- ১/৪ কাপ অ্যালোভেরা পাতার জেল, ১/৪ কাপ মধু প ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল/ নারিকেল তেল। এই সকল উপাদান একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করতে হবে। একটি পরিষ্কার ভেজা কাপড়ের সাহায্যে পেস্ট নিয়ে মেকআপ ধীরে ধীরে তুলে ফেলতে হবে। বাকি পেস্টটুকু একটি মুখবন্ধ কাঁচের জারে পরবর্তি ব্যবহারের জন্য তুলে রাখতে হবে। এই পেস্টটির মেয়াদ থাকবে সাতদিন।

আরো পড়ুন: মাশকারার মজার কিছু টিপস!

অ্যালোভেরা জেল ও গোপালজলের মেকআপ রিমুভার

সকল ধরণের ত্বকের সাথে মানানসই এই মেকআপ রিমুভার তৈরিতে প্রয়োজন হবে- ১/৪ কাপ অ্যালোভেরা জেল, ১/২ কাপ গোলাপজল ও ২ চা চামচ গ্লিসারিন। সকল উপকরণ একসাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করার পর ব্যবহার করতে হবে। এই মিশ্রণটি মুখে সরাসরি অথবা কাপড়ের সাহায্যেও ব্যবহার করা যাবে। মুখে সরাসরি ব্যবহার করলে পরবর্তিতে কুসুম গরম পানির সাহায্যে মুখ ধুয়ে নিতে হবে।

অ্যালোভেরা জেল ও আমন্ড অয়েলের মেকআপ রিমুভার

/uploads/files/TVj8dA02RQXbKzymdw2yoUXBkbQDBbh4bsvAWjoB.jpeg

খুবই সহজ এই মেকআপ রিমুভার তৈরির জন্য পাঁচ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা পাতার জেল ও দুই চা চামচ আমন্ড অয়েল প্রয়োজন হবে। দুইটি উপাদান একসাথে ভালোভাবে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করতে হবে। এরপর তুলার বলের সাহায্যে খুব প্রথমে চোখের মেকআপ ও পরবর্তিতে সম্পূর্ণ মুখের মেকআপ তুলতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল
ফালাফেল

মধ্যপ্রাচ্যের সকাল ও বিকালের নাশতার অন্যতম একটি প্রচলিত খাবারের নাম হলো ফালাফেল।

নাম শুনে অনেকেই ভাববেন, এই খাবারটি সম্ভবত ফল দিয়ে তৈরি করা হয়। আদতে খাবারটি তৈরি হয় ছোলা কিংবা মটরশুঁটিতে। তেলে ভাজা বিভিন্ন মসলার সংমিশ্রণে তৈরি ফালাফেল ডুবো তেলে কড়া করে ভেজে দইয়ের রায়তার সাথে খেতে চমৎকার ভালো লাগে।

পরিচিত বড়া বা পেঁয়াজুর বাইরে নতুন ও হালকা কোন নাশতার খাবার খেতে চাইলে দেখে নিন ফালাফেল তৈরির রেসিপি।

ফালাফেল তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566653988942.JPG

১. এক কাপ শুকনো ছোলা।

২. একটি ছোট পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. এক চা চামচ রসুন কুঁচি।

৪. তিন টেবিল চামচ ধনিয়া পাতা কুঁচি।

৫. আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়া।

৬. এক চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া।

৭. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

৮. ১/৪ চা চামচ কালো গোলমরিচ গুঁড়া।

৯. এক টেবিল চামচ ময়দা।

১০. স্বাদমতো লবণ।

১১. ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল।

ফালাফেল যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566654005300.JPG

১. ছোলা ধুয়ে পরিষ্কার পানিতে সারারাতের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং সময় হলে পানি থেকে তুলে শুকিয়ে নিতে হবে এবং ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

২. এতে পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, ধনিয়া পাতা কুঁচি, জিরা গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া, কালো গোলমরিচ গুঁড়া ও ময়দা মেশাতে হবে। সাথে পরিমাণমতো লবণ ও লেবুর রস যোগ করতে হবে এবং ব্লেন্ড করতে হবে।

৩. ব্লেন্ড শেষে সকল উপাদান মিশে অমসৃণ ও অসূক্ষ্ম মিশ্রণ তৈরি হবে। এতে পানি যোগ করা যাবে না, তবে যদি ব্লেন্ড করতে সমস্যা হয় ১-৩ টেবিল চামচ পানি আলাদাভাবে যোগ করতে হবে।

৪. ফালাফেল মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে প্রয়োজন ও স্বাদ অনুযায়ী মসলা ও লবণ যোগ করতে হবে এবং হাতের সাহায্যে মাখিয়ে ছোট ছোট গোল ফালাফেল তৈরি করে নিতে হবে।

৫. এবারে কড়াইতে তেল গরম করে ফালাফেল দিয়ে দেখতে হবে তা ভেঙে যায় কিনা। যদি ভেঙে যায় তবে মিশ্রণের সাথে ময়দা যোগ করে এরপর ভাজতে হবে।

৬. ফালাফেল বাদামী-সোনালি হয় আসলে নামিয়ে নিয়ে দইয়ের রায়তা কিংবা ঘরে তৈরি পাতার চাটনির সাথে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?
কেএফসির ফ্রাইড চিকেন

গরম মুচমুচে কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের মতো মজাদার খাবার যেন আর হয় না।

অন্যান্য রেস্টুরেন্টের ফ্রাইড চিকেন যতই মজাদার হোক না কেন, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনে সবসময়ই ভিন্নতা বজায় থাকে। কিন্তু কেন কেএফসির চিকেন অন্যান্য রেস্টুরেন্টের চিকেনের চাইতে আলাদা ও ভিন্ন? এর প্রধান কারণ, মুরগির মাংস প্রস্তুতে মসলার ব্যবহার। ব্যতিক্রমী ও অন্য ধাঁচের মসলার নিয়ন্ত্রিত ও সঠিক ব্যবহারের ফলে, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের স্বাদ সহজেই আলাদা হয়ে ওঠে।

১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637051338.jpg

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী স্বাদ ঘরে বসে পেতে চাইলে, বিষয়টি খুব একটা সহজ হবে না। তবে কাছাকাছি স্বাদ তৈরি করা যেতে পারে ১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহারে। মসলাগুলো হলো-

১. ২/৩ টেবিল চামচ লবণ।

২. ৩ টেবিল চামচ সাদা গোলমরিচের গুঁড়া।

৩. ১ টেবিল চামচ কালো গোলমরিচের গুঁড়া।

৪. ১/২ টেবিল চামচ বাসিল।

৫. ১ টেবিল চামচ সেলেরি সল্ট।

৬. ১ টেবিল চামচ শুকনো সরিষা।

৭. ২ টেবিল চামচ গার্লিক সল্ট।

৮. ১ টেবিল চামচ আদা গুঁড়া।

৯. ১/৩ টেবিল চামচ অরিগানো।

১০. ৪ টেবিল চামচ প্যাপরিকা।

১১. ১/২ টেবিল চামচ থাইম।

চিকেন ফ্রাই করার কৌশল আছে কী?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637102106.jpg

ব্যাটার তৈরি করে মুরগির মাংসে মিশিয়ে তেলে গড়িয়ে নিলেই যদি কেএফসির চিকেন ফ্রাই হয়ে যেতো, তাহলে তো কথাই ছিল না। ফ্রাইড চিকেন তৈরির মসলা নয়, চিকেন ফ্রাই করার কৌশলেও থাকে ভিন্নতা। ফলে অন্যান্য ফ্রাইড চিকেনের তুলনায় কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ও চিকেন ক্রাস্ট হয় আলাদা। কয়েকটি কৌশল জেনে রাখুন।

দ্রুত ভেজে ফেলা

অনেকেই চিকেন ব্যাটার ও ময়দায় মাখিয়ে বেশ অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর তেলে ভাজেন। কিন্তু কেএফসির ক্ষেত্রে নিয়ম একেবারে উল্টো। ‘ফ্রম ফ্লাওয়ার টু ফ্রায়ার’ এই নীতিতে কাজ করে কেএফসি। অর্থাৎ ময়দায় মুরগির মাংস গড়িয়ে সরাসরি ফ্রায়ারে ছেড়ে দেওয়া। এতে করে বাইরের আবরণ অতিরিক্ত শক্তও হবে না আবার মুচমুচে থাকবে এবং ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার সময় সহজেই চিকেন থেকে খুলে আসবে।

ফ্রায়ারে ভিন্নতা

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের এক্সট্রা ক্রিস্পিভাব তৈরি করা হয় বিশেষ ইনডাস্ট্রিয়াল-স্ট্রেনথ প্রেশার ফ্রায়ার ব্যবহারে। কেএফসির মতো ফ্রায়ার ঘরে পাওয়া সম্ভব না হলেও, গভীর কোন পাত্রে ৩৫০-৩৬০ ডিগ্রীতে তেল গরম করে প্রতিটি মুরগির পিস ঘড়ি ধরে ১২ মিনিট ভাজলে কেএফসির কাছাকাছি ফ্রাইড চিকেন তৈরি করা সম্ভব হবে।

সাথে সাথেই না খাওয়া

কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ভাজার পর অন্তত বিশ মিনিট ১৭৫ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ওভেন সেটে রেখে দেওয়া হয়। এরপর এই ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। তেল থেকে ওঠানোর সাথে সাথে কেএফসির ফ্রাইড চিকেন পরিবেশন করা হয় না। ২০ মিনিট ওভেন সেটে রাখার ফলে মাংসের ভেতরের অংশ গরম থাকে এবং বাইরের অংশ থাকে মুচমুচে। এছাড়া মাংসে বাড়তি তেল থাকলে সেটাও ঝরে যায় সহজেই।

আরও পড়ুন: মাংসের ঝোলের ঘ্রানে কেএফসি’র সেন্টেড ক্যান্ডেল

আরও পড়ুন: কেএফসি যে কারণে নাম পরিবর্তন করেছিল!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র