ঝুঁকিপূর্ণ সেতুতে ১০ গ্রামের মানুষের চলাচল

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুড়িগ্রাম
রেলিং না থাকার কারণে হেঁটেই সাইকেল নিয়ে রাস্তা পার হতে হয়, ছবি: বার্তা২৪.কম

রেলিং না থাকার কারণে হেঁটেই সাইকেল নিয়ে রাস্তা পার হতে হয়, ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের কাইম বড়াইবাড়ী এলাকার ঢেলখাওয়ার পুল নামক সেতুটির দুই দিকে রেলিং না থাকায় প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন ১০টি গ্রামের শত শত মানুষ। গ্রামগুলো হলো- কাইম বড়াইবাড়ী, চর বড়াইবাড়ী, হলোখানা, ঢেপরীর চর, খোচাবাড়ী, শান্তির চর, শুংশুঙ্গির হাট, ভাংড়ীর বাজার, ফকিরটারী, রাঙ্গামাটি।

শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) রেলিং বিহীন সেতুটি দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে লোকজনের চলাচলের চিত্র দেখা যায়।

জানা যায়, ব্রিজটির রেলিং গত ১০-১২ বছর আগেই ভেঙে গেছে। এরপর আর কখনো মেরামত করা হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহজালাল, আলী হোসেন ও জবু মিয়া বলেন, আমাদের এলাকায় কোনো ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হলে চিকিৎসার প্রয়োজনে তাকে সহজে হাসপাতালে নেওয়া যায়না। ব্রিজে রেলিং না থাকার কারণে অ্যাম্বুলেন্স প্রবেশ করতে চায় না। জরুরি গাড়িগুলোও প্রবেশ করে না।

কুড়িগ্রামে রেলিং নেই ব্রিজে
ব্রিজে রেলিং না থাকায় জরুরি গাড়ি প্রবেশ করে না

তারা আরও বলেন, এলাকার ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা ব্রিজ দিয়ে চলাচল করে। এতে আতঙ্কিত থাকতে হয় আমাদের।

পথচারী তাইজুল ইসলাম ও লুৎফর রহমান বলেন, ব্রিজের রেলিং না থাকায় রাতের বেলায় সাইকেল নিয়ে অনেক সাবধানে চলাচল করতে হয়। অনেক সময় হেঁটেই সাইকেল নিয়ে ব্রিজ পার হতে হয়। এছাড়া, এখন শীতকাল। ঘন কুয়াশার কারণে প্রায় সময় ব্রিজের কিনারা দেখা যায় না। যে কারণে গরু ছাগল এমনকি মানুষও উপর থেকে পড়ে আহত হয়।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান বলেন, আমার ইউনিয়নের এই ব্রিজটি মধ্যকুমরপুর ও কাইম বড়াইবাড়ী সংযোগ স্থল। এখান দিয়ে প্রতিনিয়ত শত শত মানুষ চলাচল করে। এখানে একটি গার্লস স্কুল, একটি বয়েজ স্কুল, একটি কলেজ ও একটি দাখিল মাদরাসার শত শত শিক্ষার্থী এই ব্রিজটি দিয়ে পারাপার হয়।

কুড়িগ্রাম এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আ. আজিজ মোবাইলফোনে বলেন, অনেকগুলো ব্রিজের সংস্কারের তালিকা দেওয়া হয়েছে। আমি দেখব এ ব্রিজটি তালিকায় আছে কিনা।

আপনার মতামত লিখুন :