কালীগঞ্জে বাজারে মানুষের ভিড়, বাড়ছে করোনা ঝুঁকি



নিয়াজ আহমেদ শিপন, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লালমনিরহাট
বাজারে কমছে না জনসমাগম, ছবি: বার্তা২৪.কম

বাজারে কমছে না জনসমাগম, ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

গরু কেনা-বেচার জন্য দেশের উত্তর জনপদের সবচেয়ে বড় বাজার চাপারহাট। একই সঙ্গে মাছ, মাংস, মুরগি, ডালসহ বিভিন্ন সবজি ওঠে। সারাদেশে করোনাভাইরাস আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও এখন পর্যন্ত ক্রেতাদের উপচে ভিড় এই হাটে।

সোমবার (২৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের সীমান্তবর্তী চাপারহাটে এমন চিত্র দেখা গেছে। ফলে মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে এ অঞ্চলের মানুষ।

এদিকে, জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন লালমনিরহাটে এখন পর্যন্ত ১২২ জন বাড়িতে সঙ্গরোধে এবং একজন সদর হাসপাতালে আইসোলেশনে রয়েছেন।

করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি থাকলেও বাজারে রয়েছে মানুষের ভিড়

জেলার পাঁচ উপজেলার হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কমছে না জনসমাগম। এতে ভাইরাস সংক্রমিত হতে পারে জেনেও সচেতন হচ্ছে না মানুষ। প্রশাসন থেকে জনসমাগম না হতে মাইকিং করলেও চাপারহাটের ইজারাদার নিয়ম না মেনে লোক সমাগম করে হাট পরিচালনা করছেন। আর ওই হাট সীমান্তবর্তী হওয়াতে ভারতীয় গরু ব্যবসায়ীরা বেশি আসেন। এতে করে চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন এই অঞ্চলের মানুষরা।

অভিযোগ রয়েছে, নজরদারিতে রাখা তালিকাভুক্ত বিদেশ ফেরতরাও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন হাট-বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে। ফলে অনেকের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

চাপারহাটের ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতি সপ্তাহে আমরা হাটে কেনা-বেচা করি। সেনাবাহিনী নামছে শুনে আজ আরও বেশি ভিড় হয়েছে।’

জনসমাগমে করোনাভাইরাস সংক্রমিত হতে পারে, জানেন কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘ভাইরাস আক্রমণ করবেই, কিন্তু হাটে না আসলে সংসার চলবে কীভাবে।’

মাইকিং করলেও নিয়ম মানছে না কেউ

হাট খোলা রাখার বিষয়ে জানতে চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের ভাই ও হাটের ইজারাদার শাহ আলম হাজির মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি রিসিভ করেননি।

তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রবিউল হাসান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘আপাতত হাট-বাজার বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে মঙ্গলবার সকাল থেকে সেনাবাহিনী নামলে হাট-বাজার নিয়ন্ত্রণ হয়ে যাবে বলে আশা করছি।’