এক অনন্ত ঘোরাঘুরি



তানিয়া চক্রবর্তী
গ্রাফিক: বার্তা২৪.কম

গ্রাফিক: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কবিতা ও কবি দুজনে জুড়ে থেকেও জুড়ে নেই। এটাই সবচেয়ে বড় বিস্ময় আর এটাই সবচেয়ে বড় সত্য। যে কোনো সৃষ্টি আসলে জীবন্ত কেননা তা প্রাণ থেকেই উৎসারিত। ফলে প্রাণ পাওয়া সবকিছুই তার উৎসের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়েও স্বাধীন হতে চায়। আমি যদি নিজেকে কবি বলে স্বীকৃতি দিয়ে থাকি সেই আঙ্গিক থেকে বলব কবিতা অনন্ত উৎসের অংশ তাকে প্রতীকে দৈব, অতিপ্রাকৃত বলতেই পারি। এর যুক্তি নিশ্চয় কোথাও নির্ধারিত হচ্ছে কারণ যে অবস্থানে এটি টিকে আছে তাও যুক্তিযুক্তই কারণ উপাদান সমস্ত এখানকার কিন্তু তার সম্যক রূপ অজানা। আমার নিজস্ব কবিতা আগমনের পথ আমার কাছে খুব সুস্পষ্ট নয় তাই আমি এটিকে শক্তিজনিত মানি।

উপলব্ধি এটা বলেছিল শব্দ, উচ্চারিত শব্দ আসলে আমার টুকরো টুকরো অংশ যা মুক্তভাবে প্রকৃতির সঙ্গে নিজস্ব বিনিময় চাইছে, আমি তার মাধ্যম। এবারে কবি মাধ্যমে অভ্যস্ত হতে হতে নিজেকে হোতা ভাবতে শুরু করে সে যতই ভ্রম হোক না কেন! এরকম বহুবার হয়েছে পূর্বে লেখা কবিতা পরবর্তীতে আমার কাছে একেবারে অচেনা, বিসদৃশ হয়েও প্রতিভাত হয়েছে। বুঝেছি ওটা সময় তার প্রেক্ষিতে সচেতন, অচেতন মুহূর্ত ধরে প্রকাশ করেছে। রিলকের কথা ভীষণভাবে নিজস্ব মনে হয় তা হলো—নিঃসঙ্গতার যাপন,যন্ত্রণাকে প্রতিস্থাপিত না করার চেষ্টা, আর যা নিয়তি তা আসলে অন্তর থেকেই উৎসারিত।

একান্ত কবিতার মুহূর্তরা আসলে খুব অধরা। কবিতা নিভৃতের আয়না যাকে সামনে রেখে কৈফিয়তের ভয় ভুলে, দায়ের চিন্তা ভুলে, উত্তরের প্রতিক্রিয়া ভেবে বিচলিত হতে হয় না, যার সামনে প্রতিবিম্ব দাঁড়িয়ে থাকে প্রকৃত গঠন নিয়ে। এই মুহূর্তগুলো বিদ্যুৎচমকের মতো, কখন আসবে, কেন আসবে, কতক্ষণ থাকবে সব অধরা। আসলে মুহূর্ত তো মুহূর্তই, যাকে ধরতে গেলে হারিয়ে যায়। সে শুধু ছাপ রেখে যায়—সে কবিতা। ফলে কবিতার জন্মমুহূর্তরা খুব অতিপ্রাকৃত। ঐ কবিতাটুকুই সব। আমি মনে করি কবিতা নিজে তার জন্মমুহূর্তকে স্বীকার করে না, সে নিজে তার অস্তিত্বে এত অধিক স্বয়ম্ভূ।

তানিয়া চক্রবর্তীর কবিতার বইয়ের প্রচ্ছদ

কবিতার জন্ম মূহূর্ত গোপন ও অবৈধ, তাই সে বার্থসার্টিফিকেট চায় না। সে শুধু নিজের অস্তিত্বকে জানান দিতে চায়। এভাবেই নিজের কবিতাকে দেখে এসেছি, তাই এখনো পর্যন্ত কবিতা লিখে তার নিচে সময়, তারিখ লিখতে পারিনি। যেহেতু সময় এখনো পর্যন্ত লিখে রাখায় বিশ্বাসী নয় কারণ সময় আমার কাছে স্রোত মনে হয় আর স্রোতের কোনো নির্দিষ্ট স্তর সুষ্পষ্ট নয়! শিশু যেমন অন্ধকারে ঘুমের সময় বাড়ে অবয়বে, কবিতাও তেমনি। ভিড়ে সে প্রকাশিত হতেই পারে, কিন্তু তার বৃদ্ধি গোপনে, অন্ধকারে, সুরক্ষায় হয়। আর যে গোপনকে আশ্রয় করে সে কী করে নিয়মের সময়কে সহ্য করবে?

মনে হয় মুক্ত সময়ের কসমসের মধ্যে অবিরত কবিতা ঘুরতে থাকে। লেখক একটা নির্দিষ্ট সময়ের মাধ্যম এতখানি কবিতার মহাকালকে কে ধরে রাখার! যে পাঠক, সে তাকে যে কোনো সময়ের কিম্বা অনির্ধারিত সময়ের জন্য ভেবে নিতে পারে, স্বাধীনতা তাঁর। যখন থেকে সে কবিতা পড়ে সেই কবিতার জন্ম নির্ধারণ সেই করে, পালক পিতা-মাতার মতো। কারণ কবিতার মুহূর্ত এক মিশ্রিত অনুভূতির যা কোনো এক বেগে ক্রমাগত বেরিয়ে আসতে চায় কিন্তু সেই মুহূর্ত স্থায়ী না অস্থায়ী সুখের না অসুখের তা সে জানতে পারে না। কবিতাকে যে গর্ভে ধরে সে না পারে ফেলতে না পারে ছাড়তে এই দোটানার কুহকে কবিতা চলে আসে আলোয়। কবিতা অতিজীবনের কোনো এক সূত্র থেকে আসে যাকে বোঝা যায় না। কবিতাকে বোঝার চেষ্টা করা যায় কেবল। কবিতা খুব গোপন, নিভৃতে আগলে রাখা অপার মায়ার সৃষ্টি। কবিতার কোনো আক্ষরিক জন্মমূহূর্তের কথা না ভাবাই ভালো—সে এত ব্যাপক, এত অধরা যে তার দেওয়া ঐ পুলকিত মূহূর্তটুকু ছাড়া বাকি সব কুহক।

যারা পেলেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার ২০২২



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২২ ঘোষণা করা হয়েছে। সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় এ বছর ১১টি ক্যাটাগরিতে ১৫ জন এই পুরস্কার পাচ্ছেন।

মঙ্গলবার বাংলা একাডেমির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়।


বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২২ প্রাপ্তরা হলেন— কবিতায় ফারুক মাহমুদ ও তারিক সুজাত, কথাসাহিত্যে তাপস মজুমদার ও পারভেজ হোসেন, প্রবন্ধ বা গবেষণায় মাসুদুজ্জামান, অনুবাদে আলম খোরশেদ, নাটকে মিলন কান্তি দে ও ফরিদ আহমদ দুলাল, শিশুসাহিত্যে ধ্রুব এষ, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় মুহাম্মদ শামসুল হক, বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণায় সুভাষ সিংহ রায়, বিজ্ঞান, কল্পবিজ্ঞান বা পরিবেশ বিজ্ঞানে মোকারম হোসেন, আত্মজীবনী, স্মৃতিকথা বা ভ্রমণকাহিনীতে ইকতিয়ার চৌধুরী, ফোকলোরে আবদুল খালেক ও মুহম্মদ আবদুল জলিল।

;

মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মবার্ষিকী আজ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত

মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত

  • Font increase
  • Font Decrease

মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৯তম জন্মবার্ষিকী আজ মঙ্গলবার। মাইকেল মদুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোরের কেশবপুর উপজেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে বিখ্যাত দত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

মহাকবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার জন্মভূমি যশোরের সাগরদাঁড়িতে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলার আয়োজন করা হয়েছে। সকালে মহাকবির প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সাগরদাঁড়ির মধুমঞ্চে কবির জীবনীর ওপর আলোচনা সভা। এছাড়া রয়েছে কবিতা আবৃত্তি।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকালে মেলা উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ। দুই বছর পর মেলা ঘিরে মধুপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। এ ছাড়াও মধুসূদন দত্তের নামে সংস্কৃতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন করছে যশোরবাসী।

মধুসূদনের পিতা রাজনারায়ণ দত্ত ছিলেন জমিদার। মা ছিলেন জাহ্নবী দেবী। তার প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় মা জাহ্নবী দেবীর কাছে। তেরো বছর বয়সে মদুসূদন দত্ত কলকাতা যান এবং স্থানীয় একটি স্কুলে কিছুদিন পড়াশোনার পর তিনি সেসময়কার হিন্দু কলেজে (বর্তমানে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হন।

তিনি বাংলা, ফরাসি ও সংস্কৃত ভাষায় শিক্ষালাভ করেন। এরপর তিনি কলকাতার বিশপস কলেজে অধ্যয়ন করেন। সেখানে তিনি গ্রিক, ল্যাটিন ও সংস্কৃত ভাষা শেখেন। পরবর্তীতে আইনশাস্ত্রে পড়ার জন্য তিনি ইংল্যান্ড যান।

মাইকেল মদুসূদন দত্ত বাংলা ভাষায় সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক ছিলেন। তিনি বাংলা সাহিত্যের পাশাপাশি ইংরেজি সাহিত্যেও অসামান্য অবদান রাখায় বিশ্ববাসী এ ধীমান কবিকে মনে রেখেছে কৃতজ্ঞচিত্তে। তার সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রামায়ণের উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত মেঘনাদবধ কাব্য নামক মহাকাব্য।

তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থাবলি হলো দ্য ক্যাপটিভ লেডি, শর্মিষ্ঠা, কৃষ্ণকুমারী (নাটক), পদ্মাবতী (নাটক), বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ, একেই কি বলে সভ্যতা, তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য, বীরাঙ্গনা কাব্য, ব্রজাঙ্গনা কাব্য, চতুর্দশপদী কবিতাবলী, হেকটর বধ ইত্যাদি।

এ মহাকবির জন্মের কারণেই সাগরদাঁড়ি ও কপোতাক্ষ নদ জগৎবিখ্যাত। কালের প্রবাহে কপোতাক্ষ নদের যৌবন বিলীন হলেও মাইকেলের কবিতার কপোতাক্ষ নদ যুগে যুগে বয়ে চলেছে।

১৮৭৩ সালে ২৯ জুন কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এ মহাকবি। কলকাতায় তাকে সমাধিস্থ করা হয়।

;

কলকাতা আলিপুর জেলে নজরুল স্মৃতির শতবর্ষ স্মরণে ছায়ানট



মায়াবতী মৃন্ময়ী, কন্ট্রিবিউটিং করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
কলকাতা আলিপুর জেলে নজরুল স্মৃতির শতবর্ষ স্মরণে ছায়ানট

কলকাতা আলিপুর জেলে নজরুল স্মৃতির শতবর্ষ স্মরণে ছায়ানট

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামে জীবন, কর্ম ও সৃষ্টির বহুমাত্রিক প্রভা শুধু সাহিত্য ক্ষেত্রেই নয়, অবিভক্ত বঙ্গদেশের সামাজিক-রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক অঙ্গনকেও প্রবলভাবে আলোড়িত করে। শতবর্ষের আলোকধারায় স্নাত নজরুল প্রতিভা বাঙালির চিরকালের দ্রোহ, সংগ্রাম ও সঙ্কল্পের প্রতিধ্বনি হয়ে জাগ্রত ও প্রাণিত করে জাতিসত্তাকে।

কলকাতার নজরুলচর্চায় নিবেদিত সংস্থা 'ছায়ানট' বিভিন্ন আয়োজনে নজরুল-স্মৃতি ও অধ্যায়গুলোকে জীবন্ত রাখার প্রয়াসে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে পালন করেছে কলকাতা আলিপুর জেলে নজরুল স্মৃতির শতবর্ষ।

কারাদণ্ড প্রাপ্ত কাজী নজরুল ইসলামের আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে আগমনের শতবর্ষ উপলক্ষ্যে গত ১৭ জানুয়ারি,২০২৩ আলিপুর মিউজিয়ামে ছায়ানট (কলকাতা) - 'বিদ্রোহী নজরুল' শীর্ষক একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সমগ্র অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনা ও পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন ছায়ানট (কলকাতা) - এর সভাপতি সোমঋতা মল্লিক। অনুষ্ঠানটির বিশেষ সহযোগিতায় আলিপুর মিউজিয়াম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন WBHIDCO - এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর দেবাশিস সেন, বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী এবং সমাজসেবী অলকানন্দা রায়, প্রেসিডেন্সি জেলের ডিআইজি অরিন্দম সরকার এবং আলিপুর মিউজিয়ামের কিউরেটর অনিমেষ ভট্টাচার্য্য।

'ধূমকেতু' পত্রিকায় প্রকাশিত 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতার জন্য ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকচক্রের দ্বারা কারাদণ্ড প্রাপ্ত কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ১৯২৩ সালের ১৭ জানুয়ারি আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে নিয়ে আসা হয়। প্রায় ৮৭ দিন তিনি এখানে ছিলেন।

নজরুল জীবনের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণ করেই ছায়ানটের এই বিশেষ আয়োজনটি সাজানো হয়েছিল কাজী নজরুল ইসলামের দেশাত্মবোধক গান এবং কবিতা দিয়ে। সমগ্র অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন সৌভিক শাসমল।

;

‘বাঙালির অহংকার বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা’ বই প্রকাশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী ২৯ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজশাহীতে আগমন উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে 'বাঙালির অহংকার বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা' গ্রন্থটি। গ্রন্থটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের হাতে তুলে দেন আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট এর পরিচালক প্রফেসর মো. মতিউর রহমান এবং উপ-পরিচালক ও বইটির লেখক মুসতারী হাকিম ইভা।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু গবেষক, বরেন্দ্র রিসার্চ মিউজিয়ামের সাবেক পরিচালক প্রফেসর ড. আলী রেজা মুহাম্মদ আবদুল মজিদ এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সালেহ মো. নুর-ই-সাইদ।


‘বাঙালির অহংকার বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা’ গ্রন্থটিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাঙ্গালি জাতির আদ্যন্ত পরিচয় ফুটে ওঠেছে। নারী তত্ত্বের সার্বিক বিশ্লেষণসহ জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা নির্মাণে তার জ্যেষ্ঠ কন্যার রাজনৈতিক দূরদর্শিতার মানদণ্ড ও জাতির টেকসই উন্নয়নের সার্বিক অগ্রগতি প্রকাশ করা হয়েছে। সর্বোপরি গ্রন্থটিতে বাংলার গরিব দুঃখী মেহনতি মানুষের শেষ ঠিকানা 'বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা'— তা প্রতিফলিত হয়েছে।

বইটি সর্ম্পকে এএইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন জানিয়েছেন, পতিসরের এই ইনস্টিটিউটটি সবসময়ই ভালোমানের বই প্রকাশনা করে। বিভিন্ন সময়ে তাদের প্রকাশিত বিভিন্ন বই আমি পড়েছি। মুসতারীর রচনায় এই বইটিও নিশ্চয়ই পাঠকের মনের চাহিদা পূরণ করবে।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত নওগাঁর পতিসরে আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হয়েছে।

;