বিশ্বের সঙ্গে সমানতালে এগিয়ে নিতে হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে



অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক
অলঙ্করণ: মামুনুর রশীদ

অলঙ্করণ: মামুনুর রশীদ

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শতবর্ষ প্রাচীন একটি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠার সময় থেকে এই অঞ্চলের মানুষের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়টি জ্ঞান বিতরণে অবদান রেখে আসছে। বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের প্রাক্কালে যখন আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল্যায়ন করছি, তখনও আমরা জানি যে, উচ্চ শিক্ষার এই বিদ্যাপীঠটি আগামীর সম্বৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে বলিষ্ঠভাবে ভূমিকা রেখে যাবে।

বিশ্বনাগরিক গড়ে তোলার কারখানা বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়কে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিটি যুগের ছেলে-মেয়েদের সুশিক্ষিত-প্রশিক্ষিত করে তোলে, যাতে তারা তাদের সময়ে অর্থাৎ সামনের দিনগুলিতে দেশ ও জাতিকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন। কেবলমাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বলছি না, সারা দুনিয়ার সব বিশ্ববিদ্যালয় একই কাজ করে থাকে। সেদিক থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ভূমিকা, তা অবিস্মরণীয়!

পৃথিবীতে বহু বিশ্ববিদ্যালয় আছে, কিন্তু কোনো বিশ্ববিদ্যালয় একটি জাতির মুক্তিতে এতটা ভূমিকা রেখেছে, তা কখনও দেখা যায়নি। এইদিক থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতিক্রমী প্রতিষ্ঠান হিসেবে মর্যাদার সঙ্গে মাথা উঁচু করে আছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই তাঁর ছাত্র রাজনীতির উৎকর্ষ লাভ করেছিলেন। এখান থেকেই তিনি যে যাত্রা শুরু করলেন, সেই যাত্রার পথ ধরেই আমাদের দেশের স্বাধীনতার নেতৃত্ব দিয়েছেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধে এই বিশ্ববিদ্যালয় যে অসাধারণ ভূমিকা পালন করেছে, ইতিহাসে তা স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়ে জীবনদান করে দেশটিকে স্বাধীন করেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের পরে ফ্রান্সের দার্শনিক আঁদ্রে মালরো ঢাকা সফরে এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-ছাত্রদের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘আমি আজ পৃথিবীর এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছি, যে বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবিত ছাত্র-ছাত্রীদের চেয়ে মৃত ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যা অনেক অনেক বেশি’!

এই মৃত ছাত্র-ছাত্রী কারা! তাঁরা হচ্ছেন-মহান মুক্তিযুদ্ধে শরীরের রক্ত ঢেলে দিয়ে দেশকে স্বাধীন করা বীরসন্তানেরা! পরবর্তী সময়ে যদি আমরা দেখি, তবে দেখবো, দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রণী ভূমিকা। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আজ প্রতিষ্ঠা দিবস। এই দিবসে আমরা আশা করবো, এই একবিংশ শতাব্দীর যে বাস্তবতা, এই শতাব্দীর যে চ্যালেঞ্জ, সেটি মোকাবিলা করার জন্য শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষা দেওয়া এবং তাদের মানসিক পূর্ণ বিকাশে; বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ যা আমাদের অস্তিত্বের সঙ্গে মিশে আছে,তার আদর্শে তাদের গড়ে তোলা, মানসিকতাকে সম্বৃদ্ধ করার মতো কাজগুলো বিশ্ববিদ্যালয় অবিরামভাবে করে যাবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষেরও বেশি সময়ের ইতিহাসে এই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের যে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আছেন, তাঁরা যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক মেধাবী এবং অনেক বেশি যোগ্য ও দক্ষ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকগণ প্রায় সবাই পৃথিবীর বিভিন্ন খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর গবেষণা ডিগ্রি নিয়েছেন। গবেষণায় বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয় পিছিয়ে আছে বলে বিভিন্ন সময় যে সংবাদ প্রকাশিত হয়, তার একটা মূল কারণ হচ্ছে- বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গবেষণাখাতে যতটুকু বরাদ্দ দেওয়া দরকার, যে পর্যাপ্ত ল্যাবরেটরি থাকা দরকার, সেগুলোর কিছুটা ঘাটতি আছে। অবকাঠামোগত কিছু দুর্বলতা আছে। সেকারণে আমার মনে হয়, গবেষণার ক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়ে থাকে বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু বর্তমান সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেভাবে বিষয়গুলো মোকাবিলার চেষ্টা করছে, তাতে আমার ধারণা অচিরেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এই ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে যাবে।

আমাদের এও মনে রাখতে হবে যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় সবসময়ই যে পিছিয়ে ছিল তা নয়, আমরা জানি, অধ্যাপক সত্যেন বোস থেকে শুরু করে অনেক গুণী শিক্ষক ও গবেষকগণ যাঁরা বিভিন্ন সময় অধ্যয়ন, গবেষণা করেছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে, তাঁরা যে অবদান বিজ্ঞানচর্চায়, সমাজবিজ্ঞানে কিংবা দর্শনের ক্ষেত্রে রেখেছেন, তা সারা পৃথিবীতে আজও সমাদৃত।

আমার মনে হয়, সবকিছু মিলিয়েই একটি বিশ্ববিদ্যালয়! বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা থাকবে, লেখাপড়ার পরিবেশ থাকবে; রাজনীতি সচেতন জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার চেষ্টা থাকবে। সেখানে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড থাকবে। আজ যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে খেলাধুলা কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে, তা আমরা দেখতে পাচ্ছি। খেলাধুলায় যাতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে না পড়ে, তারা যেন তাদের শারীরিক ও মানসিক গঠনে ভূমিকা পালন করতে পারে, সেই বিষয়গুলিও আমাদের দেখার প্রয়োজন আছে।

আমরা এখন একটা গ্লোবাল ভিলেজে বসবাস করি। হার্ভার্ড, প্রিন্সটন, ক্যামব্রিজ, অক্সফোর্ডের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমানতালে আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে হবে। সেটাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত। শিক্ষা ও গবেষণাকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং রাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোতে যাঁরা আছেন, তাঁরা আর্থিক বরাদ্দ ও অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করবেন, সেটাই কাঙ্ক্ষিত!

অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক: সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

শ্রুতিলিখন: নিউজরুম, বার্তা২৪.কম

২১, ২৩ ও ২৫ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
এইচএসসি পরীক্ষা

এইচএসসি পরীক্ষা

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী ২১, ২৩ ও ২৫ জুলাইয়ের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তবে ২৮ জুলাই থেকে অনুষ্ঠেয় পূর্ব ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী অন্যান্য পরীক্ষা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে অনিবার্য কারণে আগামী ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য সব শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। স্থগিত হওয়া পরীক্ষার পরিবর্তিত সময়সূচি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।

কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের পূর্বঘোষিত কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ উত্তরা-আজমপুর এলাকায় সড়ক অবরোধ করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় গুলিতে শিক্ষার্থী-পথচারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। তাদের মরদেহ কুয়েতমৈত্রী হাসপাতালে রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে হাসপাতালটিতে আহত হয়ে আরও শতাধিক চিকিৎসা নিতে এসেছেন।

;

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটাবিরোধী আন্দোলনের কারণে আগামী শুক্র, শনি ও রোববারের (১৯, ২০ ও ২১ জুলাই) সব পরীক্ষা স্থগিত করেছে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি)।

বুধবার (১৭ জুলাই) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. আ ফ ম মেজবাহ উদ্দিনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত থাকবে। এছাড়া, একই তারিখের মাস্টার্স ইন ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (এমডিএস), মাস্টার্স অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট (এমডিএম), সার্টিফিকেট ইন ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ প্রফিসিয়েন্সি (সিইএলপি), এমএস ইন ইরিগেশন অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট, এমএস ইন এনাটমোলজি, এমএস ইন অ্যাগ্রোনমি, এমএস ইন অ্যাকুয়া কালচার, এমএস ইন পোলট্রি সায়েন্স, সার্টিফিকেট ইন পিসিকালচার অ্যান্ড ফিশ প্রসেসিং (সিপিএফপি), সার্টিফিকেট ইন লাইভস্টক অ্যান্ড পোলট্রি (সিএলপি), মাস্টার অব ডিসঅ্যাবিলিটি ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিহ্যাবিলিয়েশন (এমডিএমআর) স্থগিত করা হয়েছে।

২০ জুলাই অনুষ্ঠাতব্য এমডিএম, এমডিএমআর এবং ২১ জুলাইয়ের বিএ ও বিএসএস পরীক্ষা-২০২৩ (বাংলাদেশ নিশ-২) স্থগিত করা হয়েছে। স্থগিত পরীক্ষাগুলোর তারিখ পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।

;

কৃষিগুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত



বাকৃবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
কৃষিগুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত

কৃষিগুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত

  • Font increase
  • Font Decrease

কৃষি বিজ্ঞান ডিগ্রি প্রদানকারী ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিগুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষাটি আগামি ২০ জুলাই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো।

সোমবার (১৫ জুলাই) কৃষিগুচ্ছ ভর্তি কার্যক্রমের নেতৃত্বে থাকা চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস (সিভাসু) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভর্তি কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিভাসুর জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের সিনিয়র উপপরিচালক খলিলুর রহমান।

তিনি বলেন, অনিবার্য কারণবশত কৃষিগুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে। পরীক্ষার নতুন তারিখ ও সময়সূচি পরবর্তীতে জানিয়ে দেওয়া হবে।

;

একাদশে চূড়ান্ত ভর্তি শুরু, চলবে ২৫ জুলাই পর্যন্ত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

একাদশ শ্রেণিতে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে চূড়ান্ত ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে আজ সোমবার (১৫ জুলাই) থেকে। একযোগে দেশের সব কলেজে এ ভর্তি প্রক্রিয়া চলবে আগামী ২৫ জুলাই পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে একজন শিক্ষার্থীকে অনলাইনে আবেদন করে যে কলেজে নির্বাচিত হয়ে ফি জমা দিয়ে নিশ্চায়ন করেছেন, তাকে সশরীরে সেই কলেজে গিয়ে ভর্তি হতে হবে। ভর্তি শেষে অনুষ্ঠানিকভাবে সারাদেশে একযোগে ক্লাস শুরু হবে আগামী ৩০ জুলাই।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি ও একাদশে ভর্তির ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ভর্তি ফি পরিশোধসহ অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্ন করে একাদশে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে তার নির্বাচিত কলেজের বিজ্ঞপ্তি ও নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ভর্তি নীতিমালা মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ফি আদায়ের নির্দেশনাও দিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।

বোর্ড সূত্র জানায়, শিক্ষার্থীকে তার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার মার্কসশিট সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। তাছাড়া অনলাইনে আবেদন করে কলেজ পাওয়ার পর নিশ্চায়ন করে চূড়ান্ত নির্বাচনের যে পিডিএফ কপি দেওয়া হয়েছে, তা ডাউনলোড দিয়ে প্রিন্ট করে সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে।

কোন কলেজে ভর্তি ফি কত
ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনে ৫ হাজার টাকা, মেট্রোপলিটন (ঢাকা ছাড়া) বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনে ৩ হাজার টাকা, জেলায় ২ হাজার টাকা এবং উপজেলা ও মফস্বলে দেড় হাজার টাকা।

অন্যদিকে, নন-এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলা ভার্সনে সাড়ে ৭ হাজার টাকা, ইংরেজি ভার্সনে সাড়ে ৮ হাজার টাকা, মেট্রোপলিটন (ঢাকা ছাড়া) বাংলা ভার্সনে ৫ হাজার টাকা ও ইংরেজি ভার্সনে ৬ হাজার টাকা, জেলায় বাংলা ভার্সনে ৩ হাজার টাকা ও ইংরেজি ভার্সনে আড়াই হাজার টাকা এবং উপজেলা ও মফস্বলে বাংলা ভার্সনে আড়াই হাজার টাকা ও ইংরেজি ভার্সনে তিন হাজার টাকা।

চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পাস করেন ১৬ লাখ ৭২ হাজার ১৫৩ জন। ফল পুনঃনিরীক্ষণে আরও প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেন। তবে সারাদেশে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে ২৫ লাখের মতো। সব শিক্ষার্থী ভর্তি হলেও একাদশ শ্রেণিতে ৮ লাখের বেশি আসন ফাঁকা থাকার কথা।

চলতি বছর এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১৬ লাখ ৭২ হাজার ১৫৩ জন। সারাদেশে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন আছে ২৫ লাখের মতো।

;