চিরঘুমের দেশে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়

সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলার সংগীত জগতের এক স্বর্ণযুগের অবসান। না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়।

মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৯০ বছর।

কিংবদন্তি এই শিল্পীর প্রয়াণের খবর টুইট করে জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ শান্তনু সেন।

শিল্পীর প্রয়াণে শোকাহত অনুরাগীরা। শোক প্রকাশ করেছেন বিনোদন ও সংস্কৃতি জগতের বিশিষ্টরা।

দিন কয়েক আগেই করোনামুক্ত হয়েছিলেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। হয়েছিলো তার কোমরের হাড়ে অস্ত্রোপচারও। কেননা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে বাথরুমে পড়ে গিয়ে কোমরে প্রচণ্ড চোট পেয়েছিলেন।

অস্ত্রোপচারের পর সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলেও মঙ্গলবার ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন। যার জেরে কোনওরকম ঝুঁকি না নিয়েই শিল্পীকে তড়িঘড়ি দেওয়া হয়েছিল আইসিইউতে।

এদিন হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছিল, গায়িকার শারীরিক পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক। প্রথমত, পেট ব্যথা। দ্বিতীয়ত, সকাল থেকেই হঠাৎ রক্তচ্চাপ কমা শুরু করে। যার জন্য সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে ভেসোপ্রেসার সাপোর্টে রাখা হয়েছে। এরপরই কোনওরকম ঝুঁকি না নিয়ে গীতশ্রীকে আইসিইউতে স্থানান্তরিত করা হয়ে। তবে ওষুধ দেওয়ার পর রক্তচ্চাপ নিয়ন্ত্রণে এসেছিলো। ৫ সদস্যে মেডিকেল টিমের কড়া পর্যবেক্ষণে ছিলেন তিনি। তবে শেষরক্ষা হলো না।

১৯৩১ সালের ৪ অক্টোবর কলকাতার ঢাকুরিয়াতে জন্মগ্রহণ করেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। বাবা নরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় রেলে চাকরি করতেন। ছয় বোনের কনিষ্ঠতম সন্ধ্যার শৈশব থেকেই গানের প্রতি আলাদা টান ছিল। পণ্ডিত সন্তোষ কুমার বসু, চিন্ময় লাহিড়ীর কাছে গানে হাতেখড়ি করেছেন। উস্তাদ বড়ে গুলাম আলি, এমনকি তার ছেলে উস্তাদ মুনাবর আলি খানের কাছেও শাস্ত্রীয় সংগীতের তালিম নিয়েছিলেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়।

১৯৪৮ সালে প্লে-ব্যাক গায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ক্লাসিক্যাল সঙ্গীতের পাশাপাশি ফিল্মি দুনিয়াতেও সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের গাওয়া গানের সংখ্যা নেহাত কম নয়। এই পথ যদি না শেষ হয়, এ শুধু গানের দিন, এসো মা লক্ষ্মী বোসো ঘরে, চম্পা চামেলি গোলাপেরই বাগে, আমি স্বপ্নে তোমায় দেখেছি.. তার কণ্ঠে এমন অজস্র গান শ্রোতাদের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

একসময়ে হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেও চুটিয়ে গান গেয়েছেন তিনি। ১৭টি হিন্দি ছবিতে প্লে-ব্যাক করেছেন। পাশাপাশি নিজস্ব অ্যালবামও বের করেছেন। পঞ্চাশের দশকে মুম্বাইতে সন্ধ্য়া মুখোপাধ্যায়ের ক্যারিয়ার যখন মধ্যগগনে তখন বিয়ের জন্য কলকাতায় ফিরে আসেন। মনস্থ করেন এখানে থেকেই সংসার গুছিয়ে পাশাপাশি গানের ক্যারিয়ার চালিয়ে যাবেন। শচীন দেব বর্মন, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, সলিল চৌধুরি, অনিল বিশ্বাস, মদন মোহন, রোশন প্রমুখের মতো খ্যাতনামা সঙ্গীত পরিচালকের সঙ্গে কাজ করেছেন।

স্বর্ণযুগের এই কিংবদন্তি গায়িকা ভূষিত হয়েছেন গীতশ্রী সম্মানেও। পেয়েছেন বঙ্গবিভূষণ। এমনকি, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের হাতে উঠেছিল জাতীয় সম্মানও। কালের নিয়মে তিনিও শিরোনাম থেকে হারিয়েই গিয়েছিলেন। জন্মদিন ছাড়া তাঁকে নিয়ে কলমের আঁচড় সাধারণত আর পড়ত না। তবে সাধারণতন্ত্র দিবসের আগের বিকেলে পদ্ম সম্মান-এর ঘোষণাই ফের আলোড়ন ফেলে দিল। কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া পদ্ম-প্রস্তাব পত্রপাঠ প্রত্যাখ্যান করে দিলেন বাঙালি কিংবদন্তি গায়িকা। দৃঢ় কণ্ঠে বলেছিলেন, “আমার দেশ আমাকে যেভাবে ভালোবাসে, সেখানে আমার পদ্মশ্রী কিংবা কোনও শ্রীর-ই প্রয়োজন নেই।”

   

হারিয়ে যাওয়া মহানায়িকার গল্পে দীপনের নতুন সিনেমা



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উপমহাদেশের একমাত্র সশস্ত্র নারী বিপ্লবী দল কুমিল্লার ছাত্রী সংঘ, শান্তি-সুনীতি আর ইতিহাসে হারিয়ে যাওয়া নেপথ্যের মহানায়িকা প্রফুল্ল নলিনী ব্রক্ষ। তার অবিশ্বাস্য অভিযান নিয়ে ঐতিহাসিক থ্রিলার নির্মাণ করতে যাচ্ছেন 'ঢাকা অ্যাটাক' খ্যাত নির্মাতা দীপংকর দীপন। এটি তার চতুর্থ সিনেমা। এর শিরোনাম 'ছাত্রী সংঘ'।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় কুমিল্লার কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের মুক্ত মঞ্চে এক আয়োজনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে সিনেমাটির লোগো ও পোস্টার উন্মোচন করা হয়। একই আয়োজনে যাত্রা শুরু হলো সিনেমাটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান 'রজত ফিল্মস'।

নির্মাতা দীপঙ্কর দীপন জানান, এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে উঠে আসবে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধের প্রথম ধাপ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে কুমিল্লার নারী বিপ্লবী শান্তি-সুনীতির অভিযান ও ইতিহাসের হারিয়ে যাওয়া তাদের নেপথ্যের মহানায়িকা প্রফুল্ল নলিনী ব্রক্ষের অজানা গল্প। কীভাবে কুমিল্লাতে তারা গড়ে তুলেছিল উপমহাদেশের প্রথম বিপ্লবী নারী দল আর সেই দলের অপারেশনের অজানা গল্প তুলে ধরবে ছাত্রী সংঘ।

অনুষ্ঠানে রজত ফিল্মসের চেয়ারম্যান তুহিন রেজা জানান, কুমিল্লাতে যেই গল্পের শুরু তার গল্প তুলে ধরার সূচনা করতে এবং এই বিপ্লবী দলের সূচনাকে সম্মান জানানোর উদ্দেশে কুমিল্লাতেই এই সিনেমার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করা হচ্ছে।

চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে নির্মাতা দীপঙ্কর দীপন বলেন, গল্পটা জেনে আমি বিস্মিত হয়েছিলাম। কারণ কিছু ছাত্রী মিলে একটা পূর্ণ বিপ্লবী দল গড়ে তুলে এমন একটা অপারেশন করেছিল, যা ভয় পাইয়ে দিয়েছিল অত্যাচারী ব্রিটিশরাজকে। এরকম সশস্ত্র নারী বিপ্লবী দল ভারত উপমহাদেশে আর কোথাও নেই। এই দলকে দেখতে নেতাহী সুভাষ চন্দ্র বসু এসেছিলেন কুমিল্লাতে। অথচ এত বড় ঘটনা ইতিহাসের পাতায় হারিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, আমি অনেক খুঁজে রীতিমতো টানটান উত্তেজনার এক অসাধারণ সিনেমাটিক প্লট পেয়েছি। আমি বই লিখব না, একটা গতিশীল টানটান সিনেমা বানাতে চাই। কুমিল্লার এই গল্পের সূচনা করতে পেরে আমি খুবই আনন্দ বোধ করছি। কুমিল্লার মাটির ঋণ কিছুটা হলেও শোধ হবে।

'ছাত্রী সংঘ' সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছেন সৌনাভ বসু। তবে কারা অভিনয় করবেন এই মুহূর্তে তা জানাতে চান না নির্মাতা। শিগগিরই ঢাকায় একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিস্তারিত জানাতে চান তিনি। তবে এতটুকু জানালেন, ঈদ-উল-ফিতরের পর সিনেমাটির দৃশ্যধারণের কাজ শুরু করবেন। আর বছরের শেষ দিকে এটি মুক্তির পরিকল্পনা করছেন।

'ছাত্রী সংঘ' সিনেমার ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান। তিনি ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে তুলে আনার এই প্রয়াসকে সাধুবাদ জানান।

সমাপনী বক্তব্যে কুমিল্লার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বলেন, রজত ফিল্মসের এই উদ্যোগের ফলে কুমিল্লার এমন এক ঐতিহাসিক ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারবে, যার সম্পর্কে দেশের মানুষ জানেন না বললেই চলে। এই যাত্রায় আমরা সবসময় পাশে থাকব।

এই আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন- গবেষক ও সাবেক রিডার জিয়া উদ্দিন ঠাকুর, নওয়াব ফয়জুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রাশিদা আক্তার, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের সাবেক শিক্ষক ও লেখক শান্তি রঞ্জুন ভৌমিক, বেগম রোকেয়া পদক জয়ী সাংস্কৃতিক কর্মী পাপড়ি বোস ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড: আবু জাফর। তারা সবাই সিনেমাটির গল্পের সঙ্গে কোন না কোনভাবে যুক্ত।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

;

আবারও ক্যানসারে আক্রান্ত সাবিনা ইয়াসমিন



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ওরাল ক্যানসারে আক্রান্ত দেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন ।

শিল্পীর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, নতুন করে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। উন্নত চিকিৎসা চলছে সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালের ন্যাশনাল ক্যানসার সেন্টারে। এরই মধ্যে একটি সার্জারি সম্পন্ন হয়েছে। খুব দ্রুত দেয়া হবে রেডিওথেরাপিও।

এর আগে ২০০৭ সালে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন দেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। সে সময় চিকিৎসা নিয়ে ক্যানসার জয় করে গানে নিয়মিত হয়েছিলেন তিনি। এবার ফের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন এ শিল্পী। চিকিৎসা নিচ্ছেন সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের ন্যাশনাল ক্যানসার সেন্টারে। জানা গেছে, ওরাল ক্যানসারে আক্রান্ত তিনি।

শিল্পীর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, নতুন করে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। চলতি মাসের শুরুতে উন্নত চিকিৎসা জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের ন্যাশনাল ক্যানসার সেন্টারে তিনি ভর্তি আছেন। এরই মধ্যে একটি সার্জারি সম্পন্ন হয়েছে। দ্রুত তাকে রেডিওথেরাপিও দেয়া হবে।

পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে গানের ভুবনে বিচরণ করছেন সাবিনা ইয়াসমিন। উপমহাদেশের বিখ্যাত দুই কণ্ঠশিল্পী কিশোর কুমার ও মান্না দে’র সঙ্গেও গান গেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের গানের পাশাপাশি তিনি দেশাত্মবোধক গান থেকে শুরু করে উচ্চাঙ্গ, ধ্রুপদী, লোকসঙ্গীত ও আধুনিক বাংলা গানসহ বিভিন্ন ধারার নানান আঙ্গিকের সুরে গান গেয়ে নিজেকে দেশের অন্যতম সেরা সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি ১৪টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন। শিল্পকলার সঙ্গীত শাখায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক এবং ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।

সাবিনা শৈশব থেকে গানের তালিম নেয়া শুরু করেন। তিনি সাত বছর বয়সে প্রথম মঞ্চানুষ্ঠানে অংশ নেন এবং খেলাঘর নামে একটি বেতার অনুষ্ঠানে ছোটদের গান করতেন। ১৯৬২ সালে নতুন সুর চলচ্চিত্রে রবীন ঘোষের সুরে ছোটদের গানে অংশ নেন। চলচ্চিত্রে পূর্ণ নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে ১৯৬৭ সালে আগুন নিয়ে খেলা চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে। ১৯৭২ সালে অবুঝ মন চলচ্চিত্রের ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’ গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি প্রথম জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

এ শিল্পীর উল্লেখযোগ্য গানগুলোর মধ্যে রয়েছে: সব সখীরে পার করিতে, এই পৃথীবির পরে, মন যদি ভেঙে যায়, ও আমার রসিয়া বন্ধুরে, জীবন মানেই যন্ত্রণা, জন্ম আমার ধন্য হলো মা গো, সব ক’টা জানালা খুলে দাও না, ও আমার বাংলা মা, মাঝি নাও ছাড়িয়া দে, সুন্দর সুবর্ণ, একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার প্রভৃতি।

সাবিনা ইয়াসমিন শেষ প্লেব্যাক করেছেন প্রয়াত চিত্রনায়িকা ও নির্মাতা কবরী পরিচালিত ‘এই তুমি সেই তুমি’ ছবির ‘দুটি চোখে ছিল কিছু নীরব কথা’ শিরোনামের একটি গানে। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে গানটিতে কণ্ঠ দেন তিনি। এ ছাড়া কবরীর ‘এই তুমি সেই তুমি’ ছবির চারটি গানে সুরও দেন তিনি। এর মাধ্যমে ক্যারিয়ারে প্রথমবার তিনি সুরকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।

;

‘টাইগার ভার্সেস পাঠান’-এর শুটিং ২০২৬ সালে



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
শাহরুখ খান ও সালমান খান

শাহরুখ খান ও সালমান খান

  • Font increase
  • Font Decrease

‘টাইগার ভার্সেস এবং পাঠান’ ছবিটির জন্য মুখিয়ে আছেন ভক্তরা। দুই সুপার স্পাই ‘টাইগার’ আর ‘পাঠান’ মুখোমুখি হবেন ‘টাইগার ভার্সেস পাঠান’-এ। সম্প্রতি পাওয়া গেল সিদ্ধার্থ আনন্দের এই ছবির নতুন আপডেট।

ভারতীয় গণমাধ্যম বলিউড হাঙ্গামাকে সিনেমার এক কাছের সূত্র জানিয়েছেন, এই ছবিতে সালমান ও শাহরুখের লড়াই দেখানো হবে। ছবির শুটিং হবে টানা ১০০ দিন। শুটিং শুরু হবে ২০২৬ সালে।

আরও জানা গেছে, ছবির এখনও অনেক প্রস্তুতি বাকি। এক ছবিতে সালমান ও শাহরুখকে নেয়া মানে প্রত্যাশাও বেশি। তাই কোনো কিছুতে কমতি রাখতে চান না আদিত্য চোপড়া। এত কম সময়ে এত বড় বাজেটের ছবির শুটিং করা সহজও হবে না। তাই আদিত্য চোপড়া তার ওয়াইএফএক্স টিমকে শুটিং শুরুর আগে ‘টাইগার ভার্সেস পাঠান’-এর প্রি-ভিজুয়ালাইজেশন তৈরি করতে বলেছেন।

সূত্র আরও জানিয়েছেন, প্রি-প্রোডাকশনের কাজ শুরু হয়ে গেছে। সিনেমাটি ২০২৭-এ মুক্তি পাবে।

তথ্যসূত্র : কইমই

 

;

পিছিয়ে গেলেন রবার্ট প্যাটিনসন



Masid Rono
রবার্ট প্যাটিনসন /  ছবি : সংগৃহীত

রবার্ট প্যাটিনসন / ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

না, ব্যক্তিগত জীবন কিংবা ক্যারিয়ারে পিছিয়ে নেই বিশ্বের অন্যতম আবেদনময় পুরুষ তারকা রবার্ট প্যাটিনসন। তবে তার সিনেমা মুক্তির তারিখ পিছিয়ে গেলো!

অস্কারজয়ী দক্ষিণ কোরিয়ান নির্মাতা বং জুন হোর পরবর্তী চলচ্চিত্রের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন রবার্ট প্যাটিনসন। ‘মিকি সেভেনটিন’ নামের এই সায়েন্স ফিকশন চলচ্চিত্রটি চলতি বছর মুক্তির কথা ছিল। তবে সিনেমাপ্রেমীদের অপেক্ষা আরও বাড়লো। মুক্তি পিছিয়ে গেল ছবিটির।

 ‘মিকি সেভেনটিন’ সিনেমায় রবার্ট প্যাটিনসন 

চলতি বছরের ২৯ মার্চ মুক্তির কথা ছিল ছবিটির। কিন্তু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ভ্যারাইটি জানিয়েছে, ২০২৫-এর ৩১ জানুয়ারি মুক্তি পাবে ‘মিকি সেভেন্টিন’।
গত বছর দীর্ঘ সময় ধরে হলিউড ছিল উত্তাল। সেই আন্দোলনের প্রভাবেই পিছিয়ে গেছে ‘মিকি সেভেন্টিন’।

ভ্যারাইটি-তে আরো বলা হয়েছে জানুয়ারিতে সাধারণত বড় কোনো ছবি মুক্তি দেয়া হয় না। বেশিরভাগ বড় ছবি ডিসেম্বরেই মুক্তি পেয়ে যায়। তাই ফাকা মাঠে গোল দেয়ার সুযোগ পেয়ে যেতে পারে ‘মিকি সেভেন্টিন’। এই ছবি মুক্তির দুই সপ্তাহ পরে মুক্তি পাবে মার্ভেলের ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা: ব্রেভ নিউ ওয়ার্ল্ড।’ অর্থাৎ দুই সপ্তাহ চুটিয়ে ব্যবসা করার সুযোগ পাচ্ছে বং জুন হো-এর ছবি।

রবার্ট প্যাটিনসন 

এডওয়ার্ড অ্যাশটনের ২০২২ সালে লেখা ‘মিকি সেভেন’ বইয়ের ওপর ভিত্তি করে বং জুন হো চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য লিখেছেন। একটি দূরবর্তী গ্রহের উপনিবেশ স্থাপনের মিশন নিয়ে লেখা হয়েছে বইটি। প্রতিটি উপনিবেশে একজন ক্রু সদস্য থাকে যারা মিশনে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলো করে। কাজগুলো তাদের নিশ্চিত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। তাদের স্মৃতিগুলোর ‘ব্যাকআপ’ রাখা হয় এবং তাদের মৃত্যুর পরে ক্লোন করা দেহে সেই স্মৃতি ‘রিস্টোর’ করা হয়।

রবার্ট প্যাটিনসন ছাড়াও ছবির অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করছেন মার্ক রাফালো, নোপ চলচ্চিত্রের স্টিভেন ইউন, হেরেডিটারি চলচ্চিত্রের টনি কোলেত্তে এবং স্টার ওয়ার্স: দ্য রাইজ অফ স্কাইওয়াকার্সের নাওমি অ্যাকি।

রবার্ট প্যাটিনসন ও অস্কারজয়ী দক্ষিণ কোরিয়ান নির্মাতা বং জুন হো

তথ্যসূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

;