অনেকক্ষণ ডুবে থাকতে পারে ছোট ডুবুরি



বিভোর বিশ্বাস, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ভয় পেয়ে দৌড়ে যাচ্ছে ছোট-ডুবুরির দল। ছবি: ইনাম আল হক

ভয় পেয়ে দৌড়ে যাচ্ছে ছোট-ডুবুরির দল। ছবি: ইনাম আল হক

  • Font increase
  • Font Decrease

নির্জন জলাভূমি আজ খুঁজে পাওয়া কঠিন। প্রাকৃতিক জলাশয়গুলো নানাভাবে মানুষের দ্বারা ব্যবহৃত হওয়ায় আজ গভীর সংকটে জলজ প্রাণীরা। তাদের জীবন আজ টিকে থাকার সংগ্রামমুখর। বাংলাদেশের অন্যতম জলচর পাখি ‘ছোট-ডুবুরি’। এর ইংরেজি নাম Little Grebe।

বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রখ্যাত পাখি বিশেষজ্ঞ ইনাম আল হক বলেন, এ পাখিটা সবার চোখের সামনে আছে অথচ চোখে ধরা পড়ে না- সেটা হলো আমাদের ‘ছোট ডুবুরি’। পৃথিবীতে ‘ডুবুরি’ পাখি আছে মাত্র ২০ প্রজাতির। আর আমাদের দেশে ১টি মাত্র প্রজাতি আর সে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট-ডুবুরি। সে সারাবছর আমাদের দেশে থাকে। অন্যডুবুরিরা শীতে আসে এখানে। ২৫ থেকে ২৯ সেন্টিমিটারের পাখি সে।

তিনি আরো বলেন, ‘এই জলজপাখিটা অতি সুন্দর একটা পাখি। হঠাৎ ডুবে যায়; অনেকক্ষণ পর অনেক দূরে গিয়ে ভেসে ওঠে। পানির নিচে থাকার তার কোনো ইচ্ছে নেই; একমাত্র ভয় পেলেই কেবল সে এটা করে। বাচ্চা হলে বাচ্চাদের সঙ্গ নিয়ে পানিতে ভেসে বেড়ায়; এতো সুন্দর লাগে দেখতে তখন! বর্ষাকালে প্রজনন মৌসুমে ওর গলাটা খয়েরি রং ধারণ করে। এমনিতে সে হালকা মেটে রং। জলজউদ্ভিদের সাথে সহজে মিশে যায়; দেখা যায় না।’

একাকী ঘুরে বেড়াচ্ছে ছোট-ডুবুরি। ছবি: ইনাম আল হক

ভেসে থাকা সম্পর্কে তিনি বলেন, ডুব দিয়ে সে বহুক্ষণ পানির নিচে থাকতে পারে এরকম পাখি খুব কম আছে। যেমন- পানকৌড়ি। কারণ ওর ডানার পালকগুলো পানিতে ভিজে যায়। ভিজলে পানির নিচে থাকা যায়। যে পালক পানিতে ভিজে না; সেগুলো পানির নিচে বেশিক্ষণ থাকতে পারে না; কিন্তু ডুবুরি আবার ভিন্ন। ডুবুরি পালক কিন্তু পানিতে ভিজে না। ওর পালকটা তুলার পিন্ডর মতো; সহজে ভেতরে পানি ঢুকে না।

‘সে পায়ের জোরে পানির একেবারে নিচে যেতে পারে। ওর পা আবার ভিন্ন। সাধারণত পাখির পা যেমন থাকে তেমন নয়। ওর প্রতিটি আংগুল অনেকখানি চওড়া চওড়া; একেবারে গাছের পাতা বা বৈঠার মতো। ফলে ছোটডুবুরি সহজে পানিতে ঢাক্কা দিয়ে নিচে চলে যেতে পারে।’

ভিন্ন নাম প্রসঙ্গে ইনাম বলেন, এরা বাইক্কাবিলসহ চা বাগানের বিভিন্ন নির্জন জলাশয়গুলোতে আছে। সে পানির যে কোনো জায়গা টিকে থাকতে পারে। সে জলে বিচরণ করা পোকামাকড়, লতাপাতা, ক্ষুদে মাছের পোনা এগুলো খেয়ে দিব্বি দিন কেটে যায়। বাংলাদেশের প্রতিটি ডুবায় এরা এক সময় ছিল। আমি প্রায় ৩০ বছর আগেও তাকে সব জায়গায় দেখেছি। তখন মানুষ চিনতো। এখন তো মানুষ চিনে না। যদি আপনি বলেন- ‘ডুবুরি’ বলে কোনো পাখি আছে? চিনবে না। বাংলাদেশের বেশিভাগ গ্রামের লোকেরা এই পাখিটাকে বলে ‘ছ্যারছ্যারি’। ও ভয় পেলে পানির উপর দিয়ে অনেক দূরে উড়ে যায় বলে এই নাম।

ছোট-ডুবুরির দল। ছবি: ইনাম আল হক

তিনি আরো বলেন, শীতের দিনে পানি কমে গেলে ওরা একত্রিত হয়ে দল বেঁধে থাকে। কোনো কোনো দলে ১০০/২০০ পাখিও আমি খুঁজে পেয়েছি। এখনো কোনো কোনো বিলে আমি দেখতে পাই তাদের। লোকে নৌকা নিয়ে গেলে ওরা পানির উপর দিয়ে ভয়ে দৌঁড়ে পালিয়ে যেতো। এমন একটা ভাব তার যে- না উড়ছে, না ডুবছে। সে পানির উপর দিয়ে দৌঁড়াচ্ছে।

পাখিটি ছোট থাকায় সুবিধে হলো- খাবার কম লাগে। অল্প জায়গায় থাকাসহ সহজে লুকতে পারে। আর অসুবিধা হলো- এর ডিমটা খুবই ছোট। ফলে টিকটিকি, গিরগিটি, অঞ্জন প্রভৃতি সরীসৃপরা এর ডিম খেয়ে ফেলতে পারে। এছাড়াও চিল, গুইসাপ প্রভৃতি ওর শত্রু রয়েছে। ও তো পানির উপরের পাতার মধ্যেই ডিম পাড়ে; ডিমে তা দেয়া, ছানাদের বড় করা এ বড়ই কঠিন কাজ। ও আগে যেসব প্রাকৃতিক বিল-হাওরগুলোতে ছিল, এখন তো এসব প্রাকৃতিক বিলে মানুষের আনাগোনা। নিড়িবিলি থাকতে দিচ্ছে না। প্রাকৃতিক জলাভূমিগুলো কোনো না কোনোভাবে ব্যবহার করে ফেলা হচ্ছে বলে জানান প্রখ্যাত পাখি বিশেষজ্ঞ ইনাম আল হক।

   

ইতিহাসের পাতায় আজ ২৪ ফেব্রুয়ারি



ফিচার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
প্রিন্স চার্লস এবং লেডি ডায়ানা

প্রিন্স চার্লস এবং লেডি ডায়ানা

  • Font increase
  • Font Decrease

মানব সভ্যতার ইতিহাসে ঘটে নানা ঘটনা। বছর পার হয়ে গেলেও, সেসব স্মৃতি রয়ে যায় অমলিন। বছর পরিবর্তনের সাথে সাথে সেই তারিখগুলো তার ইতিহাসের স্মৃতি বয়ে নিয়ে আসে বার বার। আজ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ইতিহাসের পাতা স্মৃতিচারণ করলে পাওয়া যায় বেশ কিছু ঐতিহাসিক ঘটনা। চলুন তবে আজ জেনে নিই, না জানা অনেক কিছু।

১৯৫৫ সালে এই দিনে যুক্তরাজ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। তুষারপাতের ফলে ৩০ ফুট মোটা স্তর পড়ে এবং ৭০টির বেশি রাস্তায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এইদিন অতিরিক্ত কম তাপমাত্রার কারণে হাজার হাজার ভেড়া মারা গিয়েছিল।

কিন্ডার গার্ডেনের শিক্ষকতা ছেড়ে ব্রিটেনের রাজ পরিবারে লেডি ডায়ানার প্রবেশের পথ প্রশস্ত হয়েছিল এই দিনেই। ১৯৮১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রিন্স চার্লস এবং লেডি ডায়ানার বাগদান সম্পন্ন হয়। ব্রিটিশ রাজ পরিবারের এই বিয়ে বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে সাড়া জাগানো বিয়ের অনুষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

২০২২ সালের এই দিনে রাশিয়ার বর্তমান নেতা ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে একটি ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই যুদ্ধ দ্বিতীয় বছর পেরিয়ে তিনে, সহসাই এ যুদ্ধ থামার কোনো লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না। দিন দিন সংকট আরও জটিল হওয়ায় ক্লান্ত ও হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন ইউক্রেনের নাগরিকরা।

৮ম পোপ গ্রেগরি ১৫৮২ সালে আজকের তারিখে দিন গণনার নতুন পদ্ধতি ঘোষণা করেছিলেন। সেই দিনপঞ্জিকা ‘গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার’ নামে পরিচিত ছিল।

১৭৩৯ সালে কার্নালের যুদ্ধে ইরানের শাসক নাদির শাহের সেনাবাহিনী ভারতের মুঘল সম্রাট মুহাম্মদ শাহের বাহিনীকে পরাজিত করেছিল।

;

৪ মাসের শিশুর বিশ্ব রেকর্ড



ফিচার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
শিশু কৈবল্যের বিশ্ব রেকর্ড

শিশু কৈবল্যের বিশ্ব রেকর্ড

  • Font increase
  • Font Decrease

কোনটা পাখি, কোনটা বই! শাকসবজি, ছবি-নবকজাতকদের বুদ্ধিমত্তায় এসব চিহ্নিত করা দুষ্কর ব্যাপার। সাধারণত দেড়-দু’বছর বয়েসে শিশুরা এসব আলাদা করতে শুরু করে।

মাত্র ৪ মাস বয়স। এসময় শিশুরা সাধারণত বুকের ওপর ভর দেওয়া শিখতে শুরু করে। শারীরিক অসুবিধা হলে কান্না করা ছাড়া আর বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করতে সামর্থ্য হওয়ার কথা নয়! প্রতিদিন দেখা পারিবারিক সদস্যদের চিনতেও অনেক শিশু হিমশিম খায়। সেই বয়সেইসর্বোচ্চ জিনিস চিহ্নিত করতে পারার বিশ্ব রেকর্ড অর্জন করা, যেন অবিশ্বাস্য ব্যাপার!   

২-৪ টি নয়, পুরো ১২০টির বেশি চিহ্নিত করে নোবেল ওয়ার্ল্ড রেকর্ডেসের সনদ অর্জন করেছে ৪ মাস বয়সী শিশু। ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের নাদিগামা শহরে জন্ম হয়েছিল সেই শিশুর। তার নাম কৈবল্য। তার মা হেমার নজরেই প্রথম মেয়ের প্রতিভা ধরা পড়ে এবং তিনি তা প্রকাশ্যে আনার সিদ্ধান্ত নেন।

একটি ভিডিওতে শিশু কন্যার বিভিন্ন বস্তু চিনতে পারার একটি ভিডিও করে তিনি কর্তৃপক্ষকে পাঠায়। যা দেখে নোবেল ওয়ার্ল্ড রেকর্ড দলের সকল অবাক হয়ে যায়। তারপর তারা শিশু কৈবল্যের প্রতিভা পরীক্ষা করে এবং তাকে যোগ্য মনে করে স্বীকৃতি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়।

কৈবল্যের বাবা মা এতে অনেক বেশি আনন্দিত। মেয়ের জন্য তারা সকলের কাছে আশির্বাদ প্রার্থনা করেন। সকলের ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন।   

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

;

ইতিহাসের পাতায় আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি



ফিচার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তৈরি করা শহীদ মিনার

১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তৈরি করা শহীদ মিনার

  • Font increase
  • Font Decrease

ক্যালেন্ডারে সালের সংখ্যার পুনরাবৃত্তি না ঘটলেও প্রতি বছর ঘুরে ফিরে আসে একই তারিখ! ইতিহাসে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনাও, প্রতি বছরের সাথে ঘুরে ঘুরে স্মরণ করে মানুষ। আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক,  বিশ্বের ইতিহাসে আজকের দিনে কি হয়েছিল।

১৯৫২ সালে ভিত্তি স্থাপন করার পর নানা পরিবর্তনের পর বর্তমানে শহীদ মিনার  

এই দিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মাঠে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগকে স্বীকৃতি দিতে শহীদ মিনার তৈরি করা হয়। ছাত্রদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাত্র একদিন পরই গর্ব শহীদ মিনার মাথা তুলে দাঁড়ায়। যা এখন বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। রাতারাতি তৈরি হওয়া শহীদ মিনারের সাথেই স্থায়ীভাবে বাঙালির ঐতিহ্যের ভিত্তি গড়ে উঠতে শুরু করে।

জাপান মেরিন বাহিনীকে হারিয়ে মার্কিন সেনাদের বিজয় উল্লাস

১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র ইয়ো জিমার উপর পতাকা উত্তোলন করে। অবতরণের ৪ দিন পর মার্কিন সেনারা জাপানের আগ্নেয়গিরি এই দ্বীপটি দখল করে নেয়। জাপানের সৈন্যরা আমৃত্যু চেষ্টা করেও তাদের রুখতে পারেননি। রাজধানী টোকিও থেকে ৬৫০ মাইল দূরের এই দ্বীপটি পরবর্তীতে জাপানের উপর বোমা হামলা করার সময় ব্যবহার করা হয়।

ফিলিস্তিনি সন্ত্রাসীদের হাইজ্যাক করা প্লেন

টানা দুই দিন ভারতের আকাশে ১৭২ জন বন্দী করে রাখার পর, লুফথানসায় যাত্রীদের মুক্ত করে ফিলিস্তিনের সন্ত্রাসী দল। ১৯৭২ সালের এইদিনে আত্মসমর্পণ করে সেই সন্ত্রাসীরা। ৫শ মিলিয়ন ইউএস ডলার মুক্তিপণের বিনিময়ে ‘পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অফ ফিলিস্তিন’ দলের সদস্যরা যাত্রীদের মুক্তি দেয়।

স্পেনে বিদ্রোহী বাহিনীর দখল

স্পেনে এইদিনে ১৯৮১ সালে বিদ্রোহী সেনাবাহিনীর দখলদারিত্ব শুরু হয়। নতুন সরকার গঠন বিতর্কের জের ধরে ৩৫০ জন এমপিকে বন্দী করে নেয় তারা।
ইতিহাসের বয়ে চলা স্রোতের টানে কেবল পুরানো সব গল্প ভাসিয়ে আনে। দিন বয়ে যায়, প্রতিদিনের সেসব গল্প বছর ঘুরে ঘুরে বার বার ফিরে আসে। 

;

বসন্তের বিকেলে ঝুম বৃষ্টিতে ভিজল রাজধানী!



ফিচার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আগুন রাঙা পলাশ-শিমুল আর কোকিলের ডাক। বসন্তের বৈশিষ্ট্য বলতে তো এই-ই! বসন্তের আবহাওয়া মানেই হিমেল হাওয়ার প্রকোপ শিথিল হওয়া আর আকাশ ঝকঝকে পরিষ্কার। কিন্তু প্রচলিত বৈশিষ্ট্যের প্রথা ভেঙে বসন্তের আকাশে ভিড় জমিয়েছে কালো মেঘ। ঝকঝকে সূর্য যেন আড়ালে লুকিয়ে দেখছে প্রকৃতির ভিন্ন রূপের লীলাখেলা।

বসন্তের বিকেলে নামা ঝুম বৃষ্টিতে রাজধানীর পিচ ঢালা রাস্তা ভিজে উঠলো। সাধারণত যা দেখা যায় বৈশাখে। যখন আসে কাল বৈশাখী ঝড়।

২০২৪ সালের শুরু থেকেই অপ্রকৃত প্রাকৃতিক রূপ যেন জানান দিচ্ছে পুরো বছর জুড়েই প্রকৃতি থাকবে বৈরী। স্বাভাবিক নয়, অস্বাভাবিক আবহাওয়ার সাথে আপোস করতে হবে বছর জুড়ে।

অন্যান্য বছরের চেয়ে এবছর শীত ছিল তুলনামূলক বেশি। প্রায় প্রতিবছরই শীতে কয়েকদিন শ্বৈতপ্রবাহ হয় । তবে ২০২৪ সালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নতুন রেকর্ডে পৌঁছেছিল। বছরের প্রথম দিকেই আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা জানিয়ে দেয় এই বছর প্রচণ্ড গরম পড়বে। এলনিনোর প্রভাবে এবছরের বৈশ্বিক তাপমাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়বে। যদিও শতভাগ নিশ্চিত হয়ে বলা সম্ভব নয়। তবে সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বছরের প্রথম মাসের কড়া শীতের মাঝেই আকাশ থেকে নেমে আসে জলের ধারা। শীতকালে বৃষ্টি দেখে অবাক বনে যায় সবাই। এবার বসন্তেও বৃষ্টিস্নাত হলো প্রকৃতি।

কালবৈশাখী আসতে এখনো ঢের দেরী। গ্রীষ্ম দূরে থাক, মাত্র তো বসন্ত এলো। বসন্ত আসার এক সপ্তাহের মাথায় এই বৃষ্টির আগমন সবাইকে অবাক করে দিয়েছে। অবুঝ শিশুরা মনের আনন্দে প্রথম বৃষ্টিতে আনন্দ করছে।

অন্যদিকে, প্রকৃতি মাতার এই অপরিচিত রূপও অনেকের মনে আশঙ্কা ও ভয় ধরিয়ে দিয়েছে।

;