পিকনিক মৌসুমে প্রস্তুতি নিচ্ছে বিনোদন কেন্দ্রগুলো



বর্ণালী জামান ,স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

শীত সমাগমে দর্শনার্থীদের মাঝে বিনোদন স্পটগুলোতে ভ্রমণের আগ্রহ বাড়ে। সাধারণত শীত এলেই ভ্রমণপিপাসু মানুষের বিনোদন আকাঙ্ক্ষা বেড়ে যায় অনেকাংশেই। 

বিশেষ করে শীত মানেই পিকনিক উৎসব। শীতের ৩ থেকে ৪ মাস পর্যন্ত আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে স্থানীয় বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করে থাকেন সৌখিন মানুষেরা।

শীত মৌসুমে পিকনিকে অংশ নিয়ে দেহমনে প্রফুল্ল আনতে আগ্রহী ব্যক্তির সংখ্যা নিহায়েত কম নয়। এই সময় তাই পিকনিক স্পট গুলোতেও থাকে ভেজায় ভিড়। এ মৌসুমকে ঘিরে রংপুরের পিকনিক স্পটগুলো এখন প্রস্তুতি নিতে ব্যস্ত। অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ, স্থাপনার সুরক্ষা ও সৌন্দর্যের জন্য রঙ করা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাসহ দর্শনার্থীদের আনন্দদানের নানাবিধ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা গ্রহণের চেষ্টাও চলছে।

রংপুর এলাকায় যে সকল পিকনিক স্পট বা বিনোদন পার্ক রয়েছে তার মধ্যে রংপুর পাগলাপীর এলাকার ভিন্নজগৎ, পীরগঞ্জের আনন্দনগর, মাহিগঞ্জ এলাকার তাজহাট জমিদার বাড়ি, রংপুর চিড়িয়াখানা অন্যতম। এছাড়াও শহরের চিকলি ওয়াটার পার্ক, মিঠাপুকুরের ইকোপার্কসহ আরও কিছু স্থান রয়েছে, যে জায়গাগুলোতেও বিনোদন প্রত্যাশী মানুষের উপস্থিতিতে ব্যাপক সমাগম ঘটে।

এ নিয়ে ভিন্ন জগতের দায়িত্বরত সুপারভাইজার শরিফুল ইসলাম জানান, বিনোদন পার্কগুলোতে সারা বছরের ব্যবসায়িক সফলতা সাধারণত মৌসুমের ব্যবসার উপর অনেকটা নির্ভর করে। সেই লক্ষ্যে ভিন্নজগৎ কর্তৃপক্ষ নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডও এগিয়ে চলছে। প্রতিবছরের মতো এ বছর শীত মৌসুমেও ব্যবসায় লাভের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি। 

পীরগঞ্জের আনন্দনগরেও বিনোদনপ্রেমীদের অধিক হারে আকর্ষণ করার নানাবিধ প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। যুক্ত করা হচ্ছে বেশকিছু নতুন নতুন রাইডসহ নির্দশন। 

সব মিলিয়ে নির্মল আনন্দদানে বিনোদন পার্কগুলো আরও বেশি আন্তরিক হবে- এই প্রত্যাশা বিনোদন প্রেমীদের। 

 

   

ইতিহাসের পাতায় ৪ মার্চ



ফিচার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
মুকাভিনেতা চার্লি চ্যাপলিনের নাইট উপাধি প্রাপ্তি

মুকাভিনেতা চার্লি চ্যাপলিনের নাইট উপাধি প্রাপ্তি

  • Font increase
  • Font Decrease

বছর ঘুরে তারিখগুলো যেমন ফিরে আসে, তেমনি ফিরে আসে সেই তারিখের সাথে সম্পর্কিত ঘটনাগুলো। স্মৃতিচারণ করিয়ে সুখে-দুঃখে ঘেরা পুরানো স্মৃতিগুলো। তেমনভাবেই ইতিহাসও প্রতিবছর তারিখের সাথে ফিলে আসে অতীতের গল্পগুলো শোনাতে। 

আজ ৪ মার্চ, ২০২৪। আজকের দিনে ঘটে যাওয়া ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো জেনে নিই! 

কিংবদন্তী মুকাভিনেতা চার্লি চ্যাপলিন

বিখ্যাত কৌতুক অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিনকে ‘স্যার চার্লস’ নাইট উপাধি দেওয়া হয়। জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে তিনি ব্যাপক সম্মান অর্জন করেন। মৃত্যুর মাত্র ২ বছর আগে ১৯৭৫ সালের এই দিনে বাকিংহাম প্যালেসে ধুমধাম অনুষ্ঠানে অভিনেতাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়। 

অ্যানি ম্যাগুইয়ার

১৯৭৬ সালে ইংল্যান্ডে এক আয়ারল্যান্ড বংশোদ্ভুত নারীকে তাদের লন্ডনের বাড়িতে বিস্ফোরণের দায়ে হেফাজতে নেয় পুলিশ। পরে তদন্ত করে জানা যায় ৪০ বছর বয়েসি অ্যানি ম্যাগুইয়ার নামের সেই নারীর সাথে তার পরিবারের ৫জন এবং ১ জন ঘনিষ্ট বন্ধুও জড়িত ছিল। তার কাছে নাইট্রো-গ্লিসারিন পাওয়া গিয়েছিল, যা পরবর্তীতে আইআরএ-র সন্ত্রাসীদের কাছে বোমা তৈরি করার জন্য সরবরাহ করা হতো। ৪ মার্চ অ্যানির ১৪ বছরের শাস্তি হয়েছিল।

যমজ সন্ত্রাসী রনি এবং রেজি

১৯৬৯ সালে যমজ ভাই রোনাল্ড ক্রে এবং রেজিনাল্ড ক্রে-কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জ্যাক ম্যাকভিটি নামক  এক ব্যক্তিকে খুনের দায়ে শাস্তি হয় তাদের।  এই দুই ভাইকে কুখ্যাত ইস্ট এন্ড গ্যাংস্টার বলা হয়।

জিম্বাবুয়ের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রধানমন্ত্রী রবার্ট মুগাবে
 

১৯৮০ সালের ৪ মার্চ রবার্ট মুগাবে জিম্বাবুয়ের নির্বাচনে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নেতা হিসেবে জয়লাভ করেন। দীর্ঘ ১০ বছর নির্বাসন কাটানোর পর নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে দেশে ফেরেন মুগাবে। তারপরও ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় জয়লাভ করে মুগাবের কট্টপন্থী ‘জিম্বাবুয়ে আফ্রিকান ন্যাশনাল ইউনিয়ন’ বা জানু।          

 

তথ্যসূত্র: বিবিসি

;

ইতিহাসের পাতায় ৩ মার্চ



ফিচার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
১৯৭৪ সালের ভয়ংকর বিমান দুর্ঘটনা

১৯৭৪ সালের ভয়ংকর বিমান দুর্ঘটনা

  • Font increase
  • Font Decrease

সময় এক সোনার হরিণ! তাকে কিছুই বাগে রাখা যায় না। সময় চলে গেলেও, রেখে যায় তার স্মৃতি। ইতিহাসের পাতাও লিখে রাখে তার বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা।

আজ ০৩ মার্চ, ২০২৪। আজকের তারিখে বিশ্বে ঘটেছিল বিভিন্ন ঘটনা। তাতে চোখ বুলিয়ে দেখে স্মৃতিচারণ করে নেওয়া যাক!  

প্রায় সাড়ে ৩শ লোকের প্রান যায় তুর্কির বিমান ক্র‌্যাশে

১৯৭৪ সালে তুর্কিতে জেট বিমান ‘ডিসি১০’ প্যারিসের কাছাকাছি ক্রাশল্যান্ড করে। সেখানে ২০০শ যাত্রীসহ ৩৪৫ জন নিহত হন। প্যারিসের পথ ধরেই আঙ্কারা থেকে লন্ডনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিল জেটপ্লেনটি। এই ঘটনাটিকে এখনো অবধি বিশ্বের সবচেয়ে দুঃখজনক বিমান দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৮৫ সালে খনি শ্রমিকরা বছর ব্যাপী ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত ত্যাগ করেন। গ্রেট ব্রিটেনের ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব মাইনওয়ার্কার্স বা ‘এনইউএম’- এর সদস্যরা  শান্তিচুক্তি ছাড়াই নির্বাচন করে এই সিদ্দান্ত নেন। তাদের নেতা আর্থার স্কারগিল জানান, তাদের শ্রমিকরা অনেক কঠিন সময় পার করেছেন। তাই তারা কাজে ফিরবেন, তবে চাকরি হারানোর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখবেন।  

মহাত্মা গান্ধী

১৯৩৯ সালের ৩ মার্চ ভারতের মুম্বাইতে মহাত্মা গান্ধী অনশন শুরু করেন। ইংরেজদের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে তিনি এই পদক্ষেপ গ্রহন করেন।

১৯৪৩ সালে বিসমার্ক সাগরে ভয়াবহ যুদ্ধ হয়। অস্ট্রেলিয়ান এবং আমেরিকান বিমান বাহিনী ৩ মার্চ জাপানের নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজকে ধ্বংস করে।  

;

বদলে গেছে বুড়িগঙ্গা, বদলায়নি আহসান মঞ্জিল



রাসেল মাহমুদ ভূঁইয়া, নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বদলে গেছে বুড়িগঙ্গা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কত স্রোত বয়ে গেছে এ নদী দিয়ে। বদলে গেছে নদীপাড়ের মানুষের জীবনযাত্রা। হারিয়ে গেছে বুড়িগঙ্গার সেই খরস্রোতা রূপ। নেই সেই ভরা নদীর সৌন্দর্য, নেই মোঘল নবাবদের সেই বিচরণও!

তবু কালের সাক্ষী হিসেবে রয়ে গেছে মোঘল আমলের বাকরখানি। রয়েছে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সেই শাহী বিরিয়ানি। সেইসঙ্গে বুড়িগঙ্গার তীরে এখনো মাথা উঁচু করে সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহাসিক আহসান মঞ্জিল।

কালের সাক্ষী ইতিহাস ও ঐতিহ্যের এই নিদর্শনকে নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও কৌতূহল রয়েছে পর্যটনপ্রেমী মানুষদের।


রাজধানী ঢাকাকে বলা হয়- যাদুর শহর। রাজধানী ঢাকার কর্মব্যস্ত ভ্রমণপিপাসু বাসিন্দারা একটু অবসর পেলেই ছুটে আসেন বুড়িগঙ্গার তীরে, আহসান মঞ্জিলে।

আহসান মঞ্জিল

দোতলা ভবন। ভবনের দেওয়ালে নান্দনিক কারুকার্য। দোতলা থেকে একটি বড় সিঁড়ি নেমে এসে মিশে গেছে সবুজ মাঠের সঙ্গে। সামনেই রয়েছে চমৎকার ফুলের বাগান। পাশ দিয়ে বয়ে গেছে বুড়িগঙ্গা। দোতলা এই প্রাসাদের প্রতিটি কক্ষ অষ্ট-কোণ বিশিষ্ট। ভবনের ভেতরে রয়েছে খাবার ঘর, দরবার হল, বিলিয়ার্ড খেলার ঘর এবং জলসাঘর। মার্বেল পাথর দিয়ে তৈরি করা হয়েছে প্রাসাদের বারান্দা ও মেঝে। এই প্রাসাদের দ্বিতীয়তলায় গেলে দেখা যাবে, অতিথিদের থাকার কক্ষ, বৈঠকখানা, গ্রন্থাগার, নাচঘর এবং বসবাসের আরও কিছু কক্ষ।

ছবি: নাইমুল হাসান মাসুম

আহসান মঞ্জিল মূলত দুটি অংশে বিভক্ত। পূর্ব পাশের গম্বুজযুক্ত অংশ হলো—প্রাসাদ ভবন বা রঙমহল আর পশ্চিমাংশের ভবনকে বলা হয়—অন্দরমহল।

আহসান মঞ্জিল ঢাকা শহরের প্রথম ইটপাথরের ভবন বলে মিথ রয়েছে। এর নির্মাণকাজ শুরু হয়, ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে আর শেষ হয় ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে। ২৩টি গ্যালারিসহ এই ভবনে প্রায় সাড়ে চার হাজার প্রদর্শনীর জিনিসপত্র রয়েছে।

বর্তমানে আহসান মঞ্জিল ঢাকার ইতিহাসের ‘জাদুঘর’ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এতে প্রদর্শনের জন্য রাখা হয়েছে—নবাব আমলের ডাইনিং রুম, আলমারি, সিন্দুক, নবাব আমলের বিভিন্ন ধরনের অলঙ্কৃত রূপা ও ক্রিস্টালের তৈরি চেয়ার-টেবিল, বড় বড় আয়না, কাচ ও চীনামাটির থালা-বাসন, হাতির মাথার কঙ্কাল, বিভিন্ন ধরনের তৈলচিত্র, আতরদানি, ফুলদানি, পানদানসহ আহসান মঞ্জিলের মডেল।

ছবি: ফোরকান হোসাইন আরমান

উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকার মোগল সূত্রীয় নবাবের প্রতিনিধি নায়েবে নাজিম বংশের বিলুপ্তি ঘটে। তখন মুসলমানদের সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বে শূন্যতা দেখা দেয়। এই শূন্যতা পূরণে এগিয়ে আসে কুমারটুলীর খাজা পরিবার। এই পরিবার প্রায় শতবর্ষ ধরে নেতৃত্ব দেয়।

আর্থিক ও বিবিধ জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন ধরনের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ব্রিটিশ সরকার খাজা পরিবারকে 'নবাব' উপাধি ব্যবহারের অধিকার দেয়। এর ফলে পরবর্তীতে ঢাকার নবাব পরিবার হিসেবে তারা পরিচিতি লাভ করে।

ঐতিহাসিকদের মতে, প্রাক মোগল সুলতানি আমলে এলাকার নামকরণ করা হতো সাধারণত ওই এলাকার বাসিন্দাদের পেশা অনুযায়ী। রাজধানীর তাঁতিবাজার, শাখারী বাজারসহ প্রভৃতি মহল্লা আজও সেই বাসিন্দাদের পেশার পরিচিতি বহন করছে।

ছবি: ফোরকান হোসাইন আরমান

মোগল সুবেদার ইসলাম খান ঢাকায় এসে বুড়িগঙ্গার তীরে প্রথম পদার্পণ করেছিলেন। পরবর্তীতে তার নামানুসারে এই এলাকার নামকরণ করা হয় ইসলামপুর।

অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে জামালপুর পরগনার জমিদার শেখ ইনায়েতউল্লাহ আহসান মঞ্জিলের বর্তমান স্থান রঙমহল নামে একটি প্রমোদভবন তৈরি করেন। পরে তার ছেলে শেখ মতিউল্লাহ এটি ফরাসি বণিকদের কাছে বিক্রি করেন। তারপর থেকে রঙমহলটি দীর্ঘদিন বাণিজ্য কুঠি হিসাবে পরিচিত ছিল।

পরবর্তীতে ১৮৩০ সালে বেগমবাজারে বসবাসকারী নওয়াব আবদুল গণির পিতা খাজা আলীমুল্লাহ রঙমহলটি কিনে নেন। ১৮৫৯ সালে আবদুল গণি প্রাসাদটি নির্মাণ শুরু করে কাজ শেষ করেন ১৮৭২ সালে। নির্মাণের পর তিনি তার প্রিয় ছেলে খাজা আহসানুল্লাহর নামানুসারে প্রাসাদটির নামকরণ করেন আহসান মঞ্জিল।

ছবি: ফোরকান হোসাইন আরমান

টিকিট

আহসান মঞ্জিলে ঢুকতে হলে জনপ্রতি ৪০ টাকা করে টিকিট কেটে নিতে হয়। অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য জনপ্রতি ২০ টাকা। সার্কভুক্ত নাগরিকদের জন্য প্রতিটি টিকিটের মূল্য ৩০০ টাকা। অন্যান্য দেশের নাগরিকদের জন্য ৫০০ টাকা। আহসান মঞ্জিল বন্ধের আধঘণ্টা আগ পর্যন্ত টিকিট পাওয়া যায়।

সময়সূচি

আহসান মঞ্জিল প্রতি বৃহস্পতিবারসহ অন্যান্য সরকারি ছুটির দিনে বন্ধ থাকে। শীতের সময়ে (অক্টোবর থেকে মার্চ) শনি থেকে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত, শুক্রবার দুপুর আড়াইটা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

গ্রীষ্মকালে (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর) শনি থেকে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। শুক্রবার খোলা থাকে বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।

ছবি: ফোরকান হোসাইন আরমান

যেভাবে যাবেন

দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে বাস, ট্রেন, লঞ্চসহ যেকোনো বাহনে করে প্রথমে ঢাকায় আসতে হবে। বাসে সায়েদাবাদ/যাত্রাবাড়ী আসার পর সেখান থেকে রিকশা বা ট্যাক্সিক্যাব উবারে করে আসতে পারেন। এছাড়াও বাহাদুর শাহ পরিবহনের মিনি বাসে করে আসতে পারেন বাহাদুর শাহ পার্ক/জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত। পরে রিকশা বা পায়ে হেঁটে ১০-১৫ মিনিটে আহসান মঞ্জিলে আসা যাবে।

ছবি: নাইমুল হাসান মাসুম

রাজধানীর মহাখালী থেকে আসলে স্কাইলাইন ও আজমেরী পরিবহন বাসে করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত আসা যাবে।

গাবতলী থেকে এলে সাভার পরিবহন বাসে আসা যাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত। তারপর রিকশায় অথবা হেঁটে আসা যাবে।

ট্রেনে এলে কমলাপুর থেকে উবার কিংবা রিকশা নিয়ে আসা যাবে। লঞ্চে এলে সদরঘাট টার্মিনাল থেকে ১০ মিনিট হাঁটলেই আহসান মঞ্জিল।

;

ইতিহাসের পাতায় ২ মার্চ



ফিচার ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
১৯৯১ সালে তামিল টাইগারের বোমা হামলায় ১৯ জন শ্রীলঙ্কানের মৃত্যু

১৯৯১ সালে তামিল টাইগারের বোমা হামলায় ১৯ জন শ্রীলঙ্কানের মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

বছর পার হলে বার বার ফিরে আসে তারিখগুলো। সময়ের সাথে সাথে বর্তমান হয় অতীত, অতীত হয় ইতিহাস। মানবজাতির সেসব ইতিহাস, প্রতিবছর তার তিথিলগ্নে এসে স্মরণ করিয়ে দেয় ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো। 

আজ ২ মার্চ ২০২৪। ইতিহাসের পাতায় আজকের তারিখে কি ঘটেছিল, জেনে নেওয়া যাক!

স্বাধীন বাংলার পতাকা

বাংলাদেশ পাকিস্তানের অধিনে থাকাকালে তাদের বৈষম্যে বিরক্ত হয় এবং স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়। তখন দেশপ্রেমিক বাংলার ছাত্রনেতারা নিজস্ব পতাকা উত্তোলন করার সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে প্রথমবার উম্মোচিত হয় স্বাধীন বাংলার পতাকা।  

৯০ দশকে শ্রীলঙ্কার উপ-প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ছিলেন রঞ্জন উইজেরাত্নে 

শ্রীলঙ্কায় ১৯৯১ সালে তামিল টাইগাররা রাজধানী কলম্বোতে উপ-প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রঞ্জন উইজেরাত্নেকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার গাড়িবহরে বোমা হামলা চালায়। নিজ কার্যালয়ে যাওয়ার সময় রিমোট নিয়ন্ত্রিত সেই বোমায় নিহত হন ৫৯ বছর বয়সী রঞ্জনসহ আরও ১৯ জন।

রোডেশিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়ান স্মিথ

৮০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে ব্রিটেন রাজতন্ত্র থেকে রোডেশিয়াকে সম্পূর্ণ পৃথক করে ফেলেন ইয়ান স্মিথ। ১৯৭০ সালে রোডেশিয়াকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন তিনি। বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ‘ব্রিটেনের থেকে রোডেশিয়া স্বাধীনতা চায়নি। বরং তাদের উপর তা চাপিয়ে দেওয়া হয়।

বিশ্বের ত্রুটিমুক্ত সবচেয়ে গতিশীল বিমান কনকর্ম প্রথম আকাশে উড়েছিল। ১৯৬৯ সালের ২ মার্চ সুপারসনিক সেই বিমানটি প্রথমবার চালিয়ে পরীক্ষা করা হয়, যা ২৭ মিনিট শূন্যে ভেসেছিল। অ্যাংলো-ফরাসি নির্মিত এই বিমানের গতি শব্দের গতির প্রায় দ্বিগুণ। মানে প্রতি ঘণ্টায় গতি ছিলো ২১৮০ কিলোমিটার।

নেপোলিয়ান বোনাপোর্টকে ১৭৯৬ সালে ইতালিতে থাকা ফরাসি সেনাবাহিনীর কমান্ড-ইন-চিফ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

ফ্রান্স থেকে নিজেদের স্বাধীন ঘোষণা করে মরোক্কো

প্যারিসে সাক্ষর করা শান্তিচুক্তি অমান্য করে মরক্কো ফ্রান্স থেকে নিজেদের স্বাধীন ঘোষণা করে ২ মার্চ ১৯৫৬।

দিন যায়, বছর গত হয়। তবে তারিখগুলো বার বার আসে, তার  ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো স্মরণ করাতে। 

;