করোনা টিকা পাচ্ছেন ‘পাঠাও’র সম্মুখসারীর করোনাযোদ্ধারা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বার্তা ২৪.কম

বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণ ঊর্ধ্বগতি এই সময়ে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ডিজিটাল সার্ভিস প্ল্যাটফর্ম ‘পাঠাও’ তাঁর প্রায় ১ হাজার সেবাপ্রদানকারীকে করোনা টিকার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে। ‘পাঠাও’র সম্মুখসারির এসব যোদ্ধাকে করোনা টিকা দেয়ায় সহযোগিতা করছে বাংলাদেশ সরকারের একসেস টু ইনফরমেশন-এটুআই প্রকল্পের ‘একশপ’।

বুধবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর ‘পাঠাও’ অফিসে প্ল্যাটফর্মটির ফুড ও কুরিয়ার সার্ভিসে সেবাপ্রদানকারী করোনাযোদ্ধাদের টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করা হয়।

করোনা মহামারি শুরুর পর হতেই যথাযথ স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা মেনে নিত্যপ্রয়োজনীয় ও জরুরি পণ্য গ্রাহকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে ‘পাঠাও’ ও অন্যান্য ই-কমার্স খাতের সম্মুখসারির সেবাদাতারা। তাই ইতোমধ্যে সরকার ই-কমার্সকে জরুরি সেবার আওতাভুক্তও করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্মুখসারির করোনাযোদ্ধাদের স্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ৬ হাজার ই-কমার্স কর্মীকে টিকা রেজিস্ট্রেশনের জন্য অনুমতি দিয়েছে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর স্বাস্থ্য তথ্য ইউনিট প্রধান ডা. শাহ আলি আকবর আশরাফী বলেন, “মহামারিতে মানুষের জরুরি প্রয়োজনে ই-কমার্স খাতের কর্মীরা ঘরে ঘরে পণ্য পৌঁছে দিচ্ছেন। তাদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার কথা ভেবে এটুআই এর উদ্যোগে ই-কমার্স খাতের কর্মীদের কোভিড-১৯ টিকা দেয়ার পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ‘সুরক্ষা’ ওয়েব পোর্টালে নিবন্ধনের মাধ্যমে তারা টিকা নিতে পারবেন। এই উদ্যোগ ই-কমার্স খাতকে আরো গতিশীল করবে।”

আইসিটি বিভাগ, এটুআই এর একশপ করোনার মহামারির শুরু হতেই ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রি ঘিরে নানান পদক্ষেপ নিচ্ছে। এ প্রসঙ্গে একশপ এর টিম লিডার রেজওয়ানুল হক জামি বলেন, “করোনা মহামারি মোকাবিলায় ও লকডাউনের মতো পরিস্থিতিতে ই-কমার্স কর্মীদের সেবা খুবই জরুরি। পাশাপাশি জরুরি তাদের সুস্থ থাকা। তাই আমরা ই-কমার্স কর্মীদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় সব রকম পদক্ষেপই নিচ্ছি। ব্লাডম্যান এর সহায়তায় তাদের রেজিট্রেশন করা হচ্ছে। সম্মুখসারি এই করোনাযোদ্ধাদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় ডিজিটাল কো-অর্ডিনেশনের জন্যে আমি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক মহোদয়ের প্রতিও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।”

‘পাঠাও’ প্রেসিডেন্ট ফাহিম আহমেদ বলেন, “কোভিড-১৯ সংক্রমণের সাম্প্রতিক এই ঊর্ধ্বগতি আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছে মহামারির এই সময়ে সম্মুখসারির করোনাযোদ্ধাদের সংগ্রাম এখনো চলছে। ‘পাঠাও’ প্ল্যাটফর্মটির ব্যবহারকারী ও সম্মুখসারিতে সেবারতদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের প্রায় এক হাজার ফ্রন্টলাইনারকে করোনা টিকার আওতায় আনায় আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ, এটুআই একশপ এর কাছে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।”

এদিকে লকডাউন চলাকালে ঢাকাসহ দেশের সব সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গণপরিবহন চালুর সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ‘পাঠাও’। তাই আজ থেকে নির্দেশনা মেনে সংশ্লিষ্ট এলাকায় চালু রয়েছে পাঠাও এর ‘কার’ সার্ভিসও।

গণপরিবহন সেবায় দেশের সর্ববৃহৎ ডিজিটাল সার্ভিস প্ল্যাটফর্ম ‘পাঠাও’ মনে করে, করোনা মহামারির নিয়ন্ত্রণে অবশ্যই আমাদের সকলকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে ও মেনে চলতে হবে স্বাস্থ্যবিধিসহ অন্যান্য সুরক্ষা ব্যবস্থা।