আদ্-দ্বীনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু, ডায়াবেটিস, হার্ট-প্রোস্টেট স্বাস্থ্য ক্যাম্প



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আদ্-দ্বীনের উদ্যোগে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ক্যাম্প

আদ্-দ্বীনের উদ্যোগে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ক্যাম্প

  • Font increase
  • Font Decrease

আদ্-দ্বীন আকিজ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্যোগে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গায় বিনামূল্যে চক্ষু, ডায়াবেটিস, হার্ট ও প্রোস্টেট স্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে এ সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দিন।

শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর ) সকাল ১০টায় ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি আলহাজ্ব এস এম শওকত হোসেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক মো: শাহজাহান আলী প্রমুখ।

ঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আদ্-দ্বীন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের পরিচালক মো: ফজলুল হক, আদ্-দ্বীন চক্ষু প্রকল্পের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মো: রবিউল ইসলাম। বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত পাঁচশতাধিক চক্ষু, ডায়াবেটিস, হার্ট ও প্রোস্টেট রোগী এ ক্যাম্পের মাধ্যমে সেবা গ্রহণ করেন।

আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দিন বলেন, স্বাস্থ্য সেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে আদ্-দ্বীন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা সেবার মাধ্যমে স্রষ্টার কাছে যেতে চাই। আপনাদের সেবা দিতে পেরে আমরা অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। আপনাদের কাছে অনুরোধ আপনারা আমাদের সেবার কথা অন্যদের জানিয়ে সকলকে সেবা নেওয়ার সুযোগ তৈরি করে দিন। সেটাই আমাদের স্বার্থকতা।

বক্তারা বলেন, আদ্-দ্বীন স্বাস্থ্যসেবায় অনন্য ভূমিকা পালন করছে। করোনা মহামারীসহ দেশে নানা দুর্যোগে সরকারের পাশাপাশি আদ্-দ্বীনের অবদান প্রশংসনীয়। বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশনসহ অন্যান্য সেবা পেয়ে মানুষ দৃষ্টি শক্তি ফিরে পেয়েছে। তাদের জনকল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত থাকুক এটাই প্রত্যাশা। এছাড়াও বক্তারা সাতক্ষীরায় একটি আদ্-দ্বীন হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করার অনুরোধ করেন।

   

গাফিলতিতে কারও মৃত্যু হলে জিরো টলারেন্স দেখাতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অনিয়ম-গাফিলতির জন্য শিশুসহ কোনো রোগীর মৃত্যু হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে স্বাস্থ্যখাত সংক্রান্ত সাম্প্রতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

তিনি বলেন, চিকিৎসক এবং রোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। যেখানে অপারেশনের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নেই, সেখানে অপারেশন করা যাবে না।

প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনার জন্য স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনা মানতে হবে। যে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, সেটা কঠোরভাবে মনিটরিং করা হবে। তবে অবৈধ ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য, জনগণসহ সবার সহযোগিতা দরকার বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, প্রাইভেট প্র্যাকটিসের ব্যাপারে কোনোভাবেই নিরুৎসাহিত করছে না সরকার। কিন্তু অবৈধ প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে সরকার। অতীতের বিষয় না টেনে এখন থেকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে জিরো টলারেন্স আমারও।

তিনি বলেন, অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান আছে। গত এক মাসে ১০২৭ অবৈধ ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করা হয়েছে। কোনো ধরনের অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক থাকতে পারবে না। আজকে থেকে অভিযান শুরু হবে।

তিনি আরও বলেন, এনেস্থেশিয়াসহ স্বাস্থ্যখাতের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং করণীয় ঠিক করতে কমিটি করা হবে। এদিন ব্রিফিংয়ের শুরুতেই সম্প্রতি শিশুসহ ৩ জনের মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

;

বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক পরিচালনায় নতুন নির্দেশনা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স প্রবেশপথে টানানো, কোনো অবস্থায়ই নিবন্ধিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক ছাড়া চেম্বার অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেস্থেসিয়া না দেওয়াসহ ১০ দফা নতুন নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) অধিদফতরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

নির্দেশনাগুলো হলো:

>> বেসরকারি ক্লিনিক হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিকের লাইসেন্সের কপি প্রতিষ্ঠানের মূল প্রবেশপথের সামনে দৃশ্যমান স্থানে অবশ্যই স্থায়ীভাবে প্রদর্শন করতে হবে।

>> সব বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাদি সংরক্ষণ ও সরবরাহের জন্য একজন নির্ধারিত দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকতে হবে। একইসঙ্গে তার ছবি ও মোবাইল নম্বর দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে।

>> যেসব প্রতিষ্ঠানের নাম ডায়াগনস্টিক ও হাসপাতাল হিসেবে আছে, কিন্তু শুধু ডায়াগনস্টিক অথবা হাসপাতালের লাইসেন্স রয়েছে, তারা লাইসেন্স পাওয়া ছাড়া কোনোভাবেই নামে উল্লিখিত সেবা প্রদান করতে পারবে না।

>> ডায়াগনস্টিক সেন্টার, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরির ক্ষেত্রে যে ক্যাটাগরিতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত, শুধু সে ক্যাটাগরিতে নির্ধারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া কোনোভাবেই অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যাবে না। ক্যাটারগরি অনুযায়ী প্যাথলজি বা মাইক্রোবায়োলজি, বায়োকেমিস্ট্রি ও রেডিওলজি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করতে হবে।

>> বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতালের ক্ষেত্রে লাইসেন্সের প্রকারভেদ ও শয্যাসংখ্যা অনুযায়ী সব শর্তাবলি বাধ্যতামূলকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

>>হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়োজিত সব চিকিৎসকের পেশাগত ডিগ্রির সনদ, বিএমডিসির হালনাগাদ নিবন্ধন ও নিয়োগপত্রের কপি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।

>> হাসপাতাল, ক্লিনিকের ক্ষেত্রে যে কোনো ধরনের অপারেশন বা প্রসিডিউরের জন্য অবশ্যই রেজিস্টার্ড চিকিৎসককে সার্জনের সহকারী হিসেবে রাখতে হবে।

>> কোনো অবস্থায়ই লাইসেন্সপ্রাপ্ত বা নিবন্ধিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক ছাড়া চেম্বারে অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেস্থেসিয়া দেয়া যাবে না। বিএমডিসি স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ ছাড়া যে কোনো ধরনের অপারেশন/সার্জারি/ ইন্টারভেনশনাল প্রসিডিউর করা যাবে না।

>> সব বেসরকারি নিবন্ধিত লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে লেবার রুম প্রটোকল অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

>> নিবন্ধিত বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে অপারেশন থিয়েটারে অবশাই ‘Operation Theatre Etiquette’ মেনে চলতে হবে।

এ নির্দেশনায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের অনুমোদন রয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

;

তিন মাসের মধ্যে আসতে পারে ডেঙ্গুর টিকা: আহমেদুল কবির



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

অনুমতি পেলে আগামী তিন মাসের মধ্যে ডেঙ্গুর টিকা আসতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আহমেদুল কবির।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলশান-২ নম্বরের নগর ভবনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় এডিস মশা এবং এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু মোকাবিলায় বছরব্যাপী উত্তর সিটির প্রস্তুতি এবং করণীয় শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

আহমেদুল কবির বলেন, বিভিন্ন বেসরকারি ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানি ডেঙ্গুর টিকার সিড এনেছে। মার্চে ল্যাব রেগুলারিটি পারমিশন পেলেই তিন মাসের মধ্যে আসতে পারে ডেঙ্গুর ভ্যাকসিন।

ডেঙ্গু মোবাবিলা ও কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুতি এবং পরামর্শ নিতে আলোচনায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ, নিপসম পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক আহমেদুল কবির, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক অধ্যাপক ড. কবিরুল বাসার, সিডিসি সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ, নিপসম কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. গোলাম সারোয়ার, স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (সিডিসি) অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের আইইডিসিআর বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরিন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. আবু হোসেন, মো. মোইনুল আহসান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন কামরুল ইসলাম, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, বাংলাদেশ রেলওয়ে মহাপরিচালক মো. কামরুল আহসান, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান।

এছাড়াও রয়েছে বুয়েটের নগর পরিকল্পনাবিদ ইকবাল হাবিব, পিপিডব্লিউ পরিচালক মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন, পিপিডব্লিউ উপ-পরিচালক সুব্রত কুমার দত্ত, মেট্রোরেল প্রকল্প ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম, এ, এন, ছিদ্দিক, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম, ডিএনসিসি ওয়াড কাউন্সিলর ডাঃ আব্দুল মতিন, ওয়াড কাউন্সিলর দেওয়ান আবদুল মান্নান, রিহাব সাবেক সভাপতি সামসুল ইসলাম আলামিন, আইসিডিডিআরবি বিজ্ঞানী রাশেদুল হক, ডিওএইচএস প্রতিনিধি মেজর শামস আহমেদ জিয়াসহ প্রমুখ।

;

গর্ভাবস্থায় শিশুর লিঙ্গ প্রকাশ না করতে নীতিমালা



স্টাফ করেসপন্ডেট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মাতৃগর্ভে থাকা সন্তানের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ না করার মর্মে নীতিমালা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এতে বলা হয়েছে, হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও চিকিৎসকসহ সবাইকে এ নিয়ম মানতে হবে। ইতোমধ্যে নীতিমালাটি হাইকোর্টে জমা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যার পরিচালক ডা. তাহমিনা সুলতানা

জানা যায়, ২০২০ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি মাতৃগর্ভে থাকাকালীন অবস্থায় শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। একই বছরের ২৬ জানুয়ারি এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়।

স্বাস্থ্য সচিব, নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সমাজ কল্যাণ সচিবকে এ নোটিশ পাঠান অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। নোটিশে তাদের তিন দিনের মধ্যে সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষকে মাতৃগর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় জানার উদ্দেশ্যে পরীক্ষা-লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ বন্ধ করতে নির্দেশনা জারি করতে বলা হয়।

মাতৃগর্ভের সন্তানের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা সম্পর্কে এর আগেই আইনে নিষেধ করা হয়। তবে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সোমবার (২৯ জানুয়ারি) থেকে এটি তাদের নতুন নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করে।

;