'শিশু স্নায়ুরোগীদের বিশ্বমানের সেবা দিচ্ছে বিএসএমএমইউ'



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
শিশু স্নায়ুরোগীদের বিশ্বমানের সেবা দিচ্ছে বিএসএমএমইউ

শিশু স্নায়ুরোগীদের বিশ্বমানের সেবা দিচ্ছে বিএসএমএমইউ

  • Font increase
  • Font Decrease

'শিশু স্নায়ুরোগীসহ সকল বিভাগে বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) বর্তমান প্রশাসন বেশ মনোযোগী। শিশু স্নায়ুরোগীদের সেবার জন্য বিশ্বে যে ধরনের সেবা দেয়া হয় সেটিও এখানে দেয়া হচ্ছে। সামনে আরও উন্নতমানের সেবা দেবার লক্ষ্যে কাজ চলছে।' 

বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) বিএসএমএমইউয়ে শিশু স্নায়ুরোগের সেবায় ইএমজি সেবা ও নিউরো-মাসকুলার ডিজঅর্ডার ক্লিনিক উদ্বোধনকালে ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, 'আজ ইনিস্টিটিউট-অব পেডিয়াট্রিক নিউরোডিসঅর্ডার এন্ড অটিজম (ইপনা) ও শিশু নিউরোলজি বিভাগের জন্য একটি স্মরণীয় দিন। ইপনায় সেবা নিতে আসা বিশেষ শিশুরা বেশ সংবেদনশীল। তাদের বাড়তি যত্নের প্রয়োজন। চিকিৎসকরা যেমন বিশেষ শিশুদের যত্ন দেবেন, তার চেয়ে বেশি সেবা পরিজনদের মাধ্যমে দিতে হবে। এতে করে বিশেষ শিশুরা দেশের সম্পদে পরিণত হবে। বিশেষ শিশুদের মেধার বিকাশে কাজ করছে ইপনা।' 

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব পেডিয়াট্রিক নিউরোডিজঅর্ডার এন্ড অটিজম (ইপনা) ও শিশু নিউরোলজী বিভাগের যৌথ উদ্যোগে ক্লিনিকটি চালু করার মাধ্যমে শিশু স্নায়ু রোগীদের চিকিৎসা ও গবেষণার জন্য নতুন একটু দ্বার উন্মোচিত হলো।

প্রসঙ্গত, নার্ভ কনডাকশন স্টাডি (এনসিএস) ও ইলেকেট্রোমায়োগ্রাম (ইএমজি) পরীক্ষার মাধ্যমে শিশুদের স্নায়ুরোগ ও মাংসপেশির রোগ শনাক্ত করনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

অনুষ্ঠানে ইপনার পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহীন আকতার, শিশু নিউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. কানিজ ফাতেমা, অধ্যাপক ডা. গোপেন কুমার কুন্ডু, অধ্যাপক ডা. সাঈদা তাবাস্সুম আলম, সহকারি অধ্যাপক ডা. বিকাশ চন্দ্র পাল, সহকারী অধ্যাপক ডা. সানজিদা আহমেদসহ বিভাগের সকল ফ্যাকালটি ও চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন।

   

নিউরোস্পাইন সোসাইটির যুগ্ম সম্পাদক হলেন ডাক্তার বারী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের সকল নিউরোসার্জনদের সমন্বয়ে গঠিত চিকিৎসকদের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ সংগঠন নিউরোস্পাইন সোসাইটি অব বাংলাদেশ। সংগঠনটির কার্য নির্বাহী কমিটির ২০২৪-২০২৫ মেয়াদের জন্য যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এর নিউরোসার্জারী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. শাহনেওয়াজ বারী।

শনিবার (২ মার্চ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. শাহনেওয়াজ বারী দ্বিতীয় বারের মতো এই সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটিতে নির্বাচিত হওয়ায় সংগঠনের সম্মানিত সকল নিউরোসার্জনদের প্রতি সশ্রদ্ধ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এসময় তিনি স্পাইন সার্জারীতে বাংলাদেশের নিরোসার্জনদের অবদান সমুন্নত রাখতে এবং দক্ষতা ও সম্পৃক্ততা উত্তরোত্তর বৃদ্ধিতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার দৃড় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

;

চট্টগ্রামে অভিযানে শাস্তির মুখে ৮ ল্যাব-হাসপাতাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামে স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযানের প্রথমদিনেই বিভিন্ন ল্যাব পরিদর্শন শেষে ৬টি ল্যাব ও ২টি হাসপাতালের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) নগরীর বিভিন্ন ল্যাব-হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরীর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

সিভিল সার্জন কার্যালয় জানায়, এন্ডোস্কোপি ও ইসিজি বিভাগে চিকিৎসক না থাকার কারণে পাঁচলাইশের জেনেটিক ল্যাবের কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া একই এলাকার মেডিহেলথ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এক্সরে বিভাগ ও আলট্রাসনোগ্রাফি বিভাগে চিকিৎসক ছিলেন না।

ওই বিভাগগুলোর কার্যক্রম বন্ধের পাশাপাশি পাঁচলাইশের এ দুটি প্রতিষ্ঠানকে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে। তাছাড়া ইসিজি বিভাগে চিকিৎসক না থাকায় পাঁচলাইশের ঈগলস আই ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের ইসিজি কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং লাইসেন্স না থাকায় একই এলাকার সিপিআরএল ল্যাব বন্ধ ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, স্বাস্থ্য বিভাগের লাইসেন্স না থাকা, দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা না রাখা, দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়োগসংক্রান্ত কোনো তথ্য না রাখা, ডিপ্লোমাহীন টেকনিশিয়ান দিয়ে রক্ত সংগ্রহসহ বিভিন্ন ত্রুটি-বিচ্যুতি এবং অনিয়মের পাওয়ায় জামালখান এলাকার ল্যাব এক্সপার্ট, সেনসিভ (প্রাইভেট) লিমিটেড, ইনোভা হসপিটাল লিমিটেড অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ওআর নিজাম রোডের মেট্রোপলিটন হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেডকে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী বলেন, সম্প্রতি দেশে যেহেতু কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে, সে কারণে এ অভিযান শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ এর আগেও এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানে যাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম পাওয়া গেছে, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

;

গাফিলতিতে কারও মৃত্যু হলে জিরো টলারেন্স দেখাতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অনিয়ম-গাফিলতির জন্য শিশুসহ কোনো রোগীর মৃত্যু হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে স্বাস্থ্যখাত সংক্রান্ত সাম্প্রতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

তিনি বলেন, চিকিৎসক এবং রোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। যেখানে অপারেশনের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নেই, সেখানে অপারেশন করা যাবে না।

প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনার জন্য স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনা মানতে হবে। যে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, সেটা কঠোরভাবে মনিটরিং করা হবে। তবে অবৈধ ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য, জনগণসহ সবার সহযোগিতা দরকার বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, প্রাইভেট প্র্যাকটিসের ব্যাপারে কোনোভাবেই নিরুৎসাহিত করছে না সরকার। কিন্তু অবৈধ প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে সরকার। অতীতের বিষয় না টেনে এখন থেকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে জিরো টলারেন্স আমারও।

তিনি বলেন, অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান আছে। গত এক মাসে ১০২৭ অবৈধ ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করা হয়েছে। কোনো ধরনের অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক থাকতে পারবে না। আজকে থেকে অভিযান শুরু হবে।

তিনি আরও বলেন, এনেস্থেশিয়াসহ স্বাস্থ্যখাতের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং করণীয় ঠিক করতে কমিটি করা হবে। এদিন ব্রিফিংয়ের শুরুতেই সম্প্রতি শিশুসহ ৩ জনের মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

;

বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক পরিচালনায় নতুন নির্দেশনা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স প্রবেশপথে টানানো, কোনো অবস্থায়ই নিবন্ধিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক ছাড়া চেম্বার অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেস্থেসিয়া না দেওয়াসহ ১০ দফা নতুন নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) অধিদফতরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

নির্দেশনাগুলো হলো:

>> বেসরকারি ক্লিনিক হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিকের লাইসেন্সের কপি প্রতিষ্ঠানের মূল প্রবেশপথের সামনে দৃশ্যমান স্থানে অবশ্যই স্থায়ীভাবে প্রদর্শন করতে হবে।

>> সব বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাদি সংরক্ষণ ও সরবরাহের জন্য একজন নির্ধারিত দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকতে হবে। একইসঙ্গে তার ছবি ও মোবাইল নম্বর দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে।

>> যেসব প্রতিষ্ঠানের নাম ডায়াগনস্টিক ও হাসপাতাল হিসেবে আছে, কিন্তু শুধু ডায়াগনস্টিক অথবা হাসপাতালের লাইসেন্স রয়েছে, তারা লাইসেন্স পাওয়া ছাড়া কোনোভাবেই নামে উল্লিখিত সেবা প্রদান করতে পারবে না।

>> ডায়াগনস্টিক সেন্টার, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরির ক্ষেত্রে যে ক্যাটাগরিতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত, শুধু সে ক্যাটাগরিতে নির্ধারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া কোনোভাবেই অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যাবে না। ক্যাটারগরি অনুযায়ী প্যাথলজি বা মাইক্রোবায়োলজি, বায়োকেমিস্ট্রি ও রেডিওলজি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করতে হবে।

>> বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতালের ক্ষেত্রে লাইসেন্সের প্রকারভেদ ও শয্যাসংখ্যা অনুযায়ী সব শর্তাবলি বাধ্যতামূলকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

>>হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়োজিত সব চিকিৎসকের পেশাগত ডিগ্রির সনদ, বিএমডিসির হালনাগাদ নিবন্ধন ও নিয়োগপত্রের কপি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।

>> হাসপাতাল, ক্লিনিকের ক্ষেত্রে যে কোনো ধরনের অপারেশন বা প্রসিডিউরের জন্য অবশ্যই রেজিস্টার্ড চিকিৎসককে সার্জনের সহকারী হিসেবে রাখতে হবে।

>> কোনো অবস্থায়ই লাইসেন্সপ্রাপ্ত বা নিবন্ধিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক ছাড়া চেম্বারে অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেস্থেসিয়া দেয়া যাবে না। বিএমডিসি স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ ছাড়া যে কোনো ধরনের অপারেশন/সার্জারি/ ইন্টারভেনশনাল প্রসিডিউর করা যাবে না।

>> সব বেসরকারি নিবন্ধিত লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে লেবার রুম প্রটোকল অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

>> নিবন্ধিত বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে অপারেশন থিয়েটারে অবশাই ‘Operation Theatre Etiquette’ মেনে চলতে হবে।

এ নির্দেশনায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের অনুমোদন রয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

;