‘এফ-১৬ ইউক্রেনের সমস্যার একক সমাধান নয়’



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেনে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান পাঠানো প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির জন্য একটি বিজয় এবং এটি দেশটিকে রাশিয়ার হামলা থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করবে। তবে, এগুলো দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা জন্য তাৎক্ষণিক একক সমাধান নয়।

যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস এবং ডেনমার্ক বুধবার (১০ জুলাই) বলেছে, বিমানগুলো হস্তান্তর শুরু হয়েছে এবং ইউক্রেন এই গ্রীষ্মে এফ -১৬ পরিচালনা করবে।

উল্লেখ্য, জেলেনস্কি বারবার রাশিয়ার আগ্রাসনের মোকাবিলায় সাহায্য করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি যুদ্ধবিমানগুলোর জন্য চাপ দিচ্ছিলেন।

গত বছর প্রাথমিকভাবে স্থলভিত্তিক বিমান প্রতিরক্ষায় সম্পদের আরো ভাল ব্যবহার করার ওপর জোর দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত এফ-১৬ সরবরাহে সম্মত হয়।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের সিনিয়র উপদেষ্টা মার্ক ক্যানসিয়ান বলেছেন, ‘একটি প্রতীকী প্রচেষ্টা হিসাবে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, এটি ছিল সত্যিই শেষ আইটেম, যা জেলেনস্কি ইউক্রেনের প্রতিরক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে জোর দিয়েছিলেন।’

তিনি আরো বলেন, হাইমার্স রকেট লঞ্চার, প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স ব্যাটারি, আব্রামস ট্যাংক, এটিএসিএমএস (দীর্ঘপাল্লার) ক্ষেপণাস্ত্রের একটি সিরিজ অস্ত্র ব্যবস্থা রয়েছে, যা ওয়াশিংটন দিতে অনিচ্ছুক ছিল। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত কিয়েভকে সেসব দিতে সম্মত হয়েছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, ক্যানসিয়ান বলেন, ‘প্রতিটি ক্ষেত্রে অস্ত্র প্রদান একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীকী এবং মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব রয়েছে। আপনারা জানেন, এই অস্ত্র পাওয়ায় যুদ্ধক্ষেত্রে এর প্রভাব কী হতে পারে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি মনে করি, এটি বিমান প্রতিরক্ষার জন্য সাহায্য করবে। তবে এটি তাৎক্ষণিক একক সমাধান নয়। আত্নরক্ষায় এগুলো যথেষ্ট হবে না।’

জেলেনস্কি গত মে মাসে এএফপির সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, রাশিয়ার সঙ্গে বিমান সমতা সুরক্ষিত করতে কিয়েভের অন্তত ১৩০টি এফ-১৬ প্রয়োজন। তবে পশ্চিমা দেশগুলো এখন পর্যন্ত ১০০ টিরও কম প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং সেগুলো একবারে আসবে না।’

প্রসঙ্গত, রাশিয়া ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অভাব কাজে লাগিয়ে বেসামরিক নাগরিক এবং অবকাঠামোর উপর ধ্বংসাত্মক হামলা চালায়। সেইসঙ্গে কিয়েভের সেনাদের সামনের সারিতে (ফ্রন্ট লাইনে) আঘাত হানায় কিয়েভ অতিরিক্ত সুরক্ষার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে।

হুমকির কথা তুলে ধরে বলা হয়, চলতি সপ্তাহের শুরুতে কিয়েভের একটি শিশু হাসপাতালসহ দেশজুড়ে শহরগুলোতে রাশিয়ার কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৪০ জনেরও বেশি লোক নিহত হয়েছে।

যুদ্ধবিমানের অভাব ইউক্রেনের কার্যক্রমকেও বাধাগ্রস্ত করেছে। ২০২৩ সালের একটি দুর্বল পাল্টা আক্রমণের পরে কিয়েভ তার বাহিনীর অগ্রসর হওয়ার ক্ষমতাকে সীমিত করার একটি প্রধান কারণ হিসাবে এটি উল্লেখ করেছে।

জেলেনস্কি এফ-১৬ হস্তান্তর করার ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘বিমানগুলো ন্যায্য ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তিকে কাছাকাছি আনবে এবং প্রদর্শন করবে যে সন্ত্রাস সর্বত্র ব্যর্থ হবে।’

ক্যানসিয়ান বলেন, প্রধানত বিমান প্রতিরক্ষায় এগুলো ব্যবহারে পাশাপাশি ফ্রন্টলাইন সেনাদের সুরক্ষা এবং রাশিয়ার অভ্যন্তরে কয়েকটি বড় হামলায় ব্যবহার হতে পারে।

আরএএনডি কর্পোরেশনের বিমান ও সামুদ্রিক অধিগ্রহণ বিশেষজ্ঞ মাইকেল বোহনার্ট বলেছেন, এফ-১৬ হস্তান্তর ইউক্রেনের প্রতি দীর্ঘমেয়াদী প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করে।

তিনি বলেন, প্রশিক্ষণসহ এই বিমানগুলোর সরবরাহ এবং সহায়তা একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া এবং এটি দীর্ঘমেয়াদী প্রতিশ্রুতি দেখানোর একটি বাস্তব, পরিমাপযোগ্য উপায়।

বোহনার্ট বলেন, এফ-১৬ ‘কিয়েভের আক্রমণে ব্যবহৃত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে ছুড়তে এবং এমন অঞ্চলগুলোকে রক্ষা করতেও সক্ষম হবে, যেখানে কোনো স্থলভিত্তিক ব্যবস্থা নেই।

চীনে শপিং মলে আগুন, নিহত ১৬



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমের সিচুয়ান প্রদেশের একটি শপিং মলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৬ জন নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিনহুয়া নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানায়।

সিনহুয়া নিউজ এজেন্সি জানায়, জিগং শহরের একটি হাই-টেক জোনের ১৪ তলা বিল্ডিংয়ে বুধবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। পরে ঘন ধোঁয়ায় আশেপাশের এলাকা ঢেকে যায়।

অন্যদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারকারী সিসিটিভি জানিয়েছে, আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় ভোররাত ৩টায় উদ্ধার কাজ শেষ হয়েছে।

সিসিটিভি আরও জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে নির্মাণকাজ থেকে আগুন লেগেছে। অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ শনাক্ত করতে আরও তদন্ত করা হচ্ছে।

;

উত্তর প্রদেশে ভয়াবহ বন্যা, ২৪ ঘণ্টায় ১০ জনের মৃত্যু



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের উত্তর প্রদেশে ভয়াবহ বন্যায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১৮ জুলাই) রাজ্যের ত্রাণ কমিশনারের অফিসের বরাতে দেশটির গণমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

নিহতদের মধ্যে মোরাদাবাদ এবং গোরখপুর গ্রামের ৩ জন এবং পিলিভীত, ললিতপুর, গাজিপুর এবং ইটাতে একজন মারা গেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজ্যের ১৩টি জেলা বন্যা কবলিত। জেলাগুলো হল- লখিমপুর খেরি, কুশিনগর, শাহজাহানপুর, বারাবাঙ্কি, সিদ্ধার্থনগর, বালিয়া, গোরখপুর, উন্নাও, দেওরিয়া, হারদোই, অযোধ্যা, বুদাউন এবং মহারাজগঞ্জ। এ অঞ্চলের নদীগুলি বিপদ সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

;

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ৮১ ফিলিস্তিনি নিহত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ৮১ ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা উপত্যকায় জাতিসংঘের স্থাপনা লক্ষ্য করে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ৮১ জন নিহত হয়েছেন।

ইউএনআরডব্লিউএ প্রধান ফিলিপ লাজারিনি বলেছেন, গাজায় যুদ্ধের সব নিয়ম ভঙ্গ করা হয়েছে, গত ১০ দিনে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনি ফিলিস্তিনের অন্তত আটটি স্কুলে হামলা চালিয়েছে। এসব স্কুলে বাস্তুচ্যুত মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল।

জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের দূত রিয়াদ মনসুর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে (ইউএনএসসি) বলেছেন, গাজায় ইসরায়েলি হামলা ‘ইতিহাসের সবচেয়ে নথিভুক্ত গণহত্যা’।

জাতিসংঘ বলেছে, দেইর এল-বালাহে এলাকায় জাতিসংঘের অপারেশন সেন্টারের কাছে ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালিয়েছে। জাতিসংঘের এই অপারেশন সেন্টার থেকে গাজায় মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সমন্বয় করা হয়।

জাতিসংঘ আরও জানিয়েছে, গত ৯ মাসের যুদ্ধে গাজায় জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুলগুলোর প্রায় ৭০ শতাংশ হামলার শিকার হয়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে স্কুলগুলো বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের আশ্রয়শিবির হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত এসব স্কুলে আশ্রয় নেওয়া ৬২০ জন ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত হয়েছেন।

গত বছরের ৭ অক্টোবরে ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরায়েল। গত ৯ মাসে ইসরায়েলি হামলায় ৩৮ হাজার ৭৯৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এছাড়াও ৮৯ হাজার ৩৬৪ জন আহত হয়েছে বলে দাবি করেছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে ইসরায়েল দাবি করেছে, গত ৭ অক্টোবরের হামাসের হামলায় ১ হাজার ১৩৯ জন ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন। এছাড়া হামাসের হাতে বন্দি রয়েছেন দুই শতাধিক ইসরায়েলি নাগরিক।

;

কোটা আন্দোলনে যা ঘটছে, তা নজরে রাখছে যুক্তরাষ্ট্র: মিলার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কারের আন্দোলনে বাংলাদেশে যা ঘটছে তা ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দুতাবাস এবং ওয়াশিংটন থেকে গভীরভাবে নজর রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্টেট ডিপার্টমেন্ট। এছাড়া বাংলাদেশ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র অব্যাহতভাবে নিজেদের উদ্বেগের বিষয়টি স্টেট ডিপার্টমেন্টের পোডিয়াম থেকে জানান দিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার।

বিগত দেড় দশক ধরে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগ যে নির্যাতন এবং সহিংসতা চালিয়ে যাচ্ছে সেজন্য সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ সংগঠন হিসাবে তালিকাভুক্ত করার বিষয়ে সরাসরি কোনো কথা বলা যাবেনা বলে জানান এই মুখপাত্র।

ব্রিফিংয়ে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে ছাত্রলীগ এবং আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর দ্বারা পরিচালিত সহিংসতার বিষয়টি উত্থাপন করে স্টেট ডিপার্টমেন্ট করেসপন্ডেন্ট মুশফিকুল ফজল আনসারী জানতে চান, 'বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে হামলা অব্যাহত রেখেছে ক্ষমতাসীন সরকার। সরকারের মদদপুষ্ট আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর হাতে এখন পর্যন্ত অন্তত ৬ জন শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছেন। ক্ষমতাসীন সরকারের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ শিক্ষার্থীদের ওপর, বিশেষ করে ছাত্রীদের ওপর নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন চালাচ্ছে। গত প্রায় দেড় দশক ধরে এই সংগঠনটি এধরনের কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে যাচ্ছে। আপনারা কী ছাত্রলীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে তালিকাভুক্ত করবেন কীনা?'

জবাবে মিলার বলেন, 'আপনি যে বিষয়ের কথা বলেছেন (ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা) সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কোন কথা বলতে যাচ্ছিনা। ঢাকায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ চলাকালে যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে তা আমরা নজরে রেখেছি। আন্দোলন যেন শান্তিপূর্ণ হয় আবারও সেই আহ্বান জানাচ্ছি। একইসঙ্গে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে যেকোন ধরনের সহিংসতার নিন্দা জানাই।'

অপর এক প্রশ্নে এই প্রতিবেদক জানতে চান, 'বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র আবু সাঈদ বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের বন্দুকের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন তার সহপাঠিদের নিরাপত্তার জন্য। পুলিশ তাকে গুলি করতে কোনো দ্বিধা করেনি। তিনি নিজেও বুঝে উঠতে পারেননি যে সহপাঠিদের সুরক্ষা দেবার সময় পুলিশ তাকে এভাবে গুলি করবে। জালিয়াতির নির্বাচনের পর এরকম নির্যাতন করেই শেখ হাসিনা তার ক্ষমতা আঁকড়ে ধরেছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিংকেন বলেছিলেন, ‘পুরো বিশ্বের দৃষ্টি বাংলাদেশের নির্বাচনের দিকে। যুক্তরাষ্ট্র এই নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’ কিন্তু জনগণের অধিকারই যেখানে লুট করে নেয়া হয়েছে ঠিক সেই মুহূর্তে আপনারা একদম নিরব হয়ে গেলেন। কেনো এমন হলো?'

জবাবে মিলার বলেন, 'প্রথম কথা হচ্ছে, আপনি যেটা বলেছেন সেটা ঠিক নয়। আমরা নিরব হয়ে যাইনি। আপনি সপ্তাহজুড়ে আমাকে বারবার কথা বলতে দেখেছেন। গত সোমবার বলেছি এবং আজকে আবারও বলছি, আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের বিপক্ষে যেকোনো ধরনের সহিংসতার নিন্দা জানাই।'

তিনি বলেন, 'ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস এবং ওয়াশিংটন থেকে আমাদের কর্মকর্তারা বাংলাদেশে যা ঘটছে তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণে রেখেছে। বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা নিহত হচ্ছে, মানুষ মারা যাচ্ছে এটা আমাদের নজরে রয়েছে।'

মিলার বলেন, 'আমরা সরকারকে আহ্বান জানাবো তারা যেনো একজন নাগরিকের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অধিকারকে সম্মান জানায়।'

;