৪১৭ জন পৌঁছেছেন, আজ ফিরবেন আরও ৪০৩৭ হাজি



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বিমানবন্দরে হাজিরা, ছবি: সংগৃহীত

বিমানবন্দরে হাজিরা, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পবিত্র হজ পালন শেষে বৃহস্পতিবার (২০ জুন) জেদ্দার স্থানীয় সময় রাত ৮টা ১০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রথম ফিরতি হজ ফ্লাইটে (বিজি-৩৩২) ৪১৭ জন সরকারি ব্যবস্থাপনার হাজি শুক্রবার (২১ জুন) ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছেছেন।

বিমানবন্দরে হাজিদের স্বাগত জানাতে স্বজনদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বেবিচক চেয়ারম্যান, বিমানের এমডিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় হাজিদের। এয়ারপোর্টেই দেওয়া হয় জমজমের পানি।

হজ পোর্টাল আইটি হেল্প ডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে জানা গেছে, শুক্রবার ১০টি ফিরতি হজ ফ্লাইটে দেশে ফিরবেন আরও ৪ হাজার ৩৭ জন হাজি।

এ বছর মোট ৮৫ হাজার ২২৫ জন হজযাত্রী ও ব্যবস্থাপনা সদস্য হজে যান। তারা ২১৮টি ফ্লাইটে ধারাবাহিকভাবে দেশে ফিরবেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১০৬টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৭৫টি ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৩৭টি এয়ার ফ্লাইট পরিচালনা করে হাজিদের দেশে ফিরিয়ে আনবে। এ বছর হজ অনুষ্ঠিত হয় ১৫ জুন।

হজের ফিরতি ফ্লাইট শেষ হবে আগামী ২২ জুলাই। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস অর্ধেক হজযাত্রী পরিবহন করবে। বাকি অর্ধেক পরিবহন করবে সাউদিয়া এয়ারলাইনস ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স।

আরও পড়ুন: উমরা ভিসা দেওয়া শুরু করেছে সৌদি আরব

এদিকে চলতি বছর হজে গিয়ে সৌদি আরবে এ পর্যন্ত ৩২ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা গেছেন। অন্যদিকে তীব্র তাপপ্রবাহে চলতি বছর এখন পর্যন্ত এক হাজারের বেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। হজের সময় প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন সৌদিতে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের হাজীরা।

চলতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১৮ লাখ মানুষ হজের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব সফর করছেন। তাদের মধ্যে অধিকাংশই বয়স্ক এবং দূর্বল। মরুভূমির দেশ সৌদি আরবে এবারের গ্রীষ্মের তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছায়। ফলে হজের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে গিয়ে প্রচণ্ড গরম এবং রোদের তাপে হাজিরা অসুস্থ হয়ে পড়েন।

যানবাহনে নামাজ পড়ার নিয়ম



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ভ্রমণকালেও নামাজ আদায় করতে হয়, ছবি: সংগৃহীত

ভ্রমণকালেও নামাজ আদায় করতে হয়, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মুমিনের দায়িত্ব হলো- যথাসময়ে ফরজ নামাজ আদায় করা। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘নির্ধারিত সময়ে নামাজ আদায় করা মুমিনের অবশ্য কর্তব্য।’ -সুরা আন নিসা : ১০৩

নির্ধারিত সময়ে যথাযথভাবে নামাজ আদায়ের কথা হাদিসেও এসেছে। এ বিষয়ে অবহেলা করলে জাহান্নামের হুমকি এসেছে। নবী কারিম (সা.) বলেন, ‘আল্লাহ তার বান্দাদের ওপর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করেছেন। যে ব্যক্তি তা যথাযথভাবে পালন করবে, আর অবহেলার কারণে এর কোনোটি পরিত্যাগ করবে না, মহান আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানোর অঙ্গীকার করেছেন। আর যে ব্যক্তি তা (যথাযথভাবে) আদায় করবে না, তার জন্য আল্লাহর কাছে কোনো প্রতিশ্রুতি নেই। তিনি ইচ্ছা করলে তাকে শাস্তি দেবেন কিংবা জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।’ -সুনানে আবু দাউদ : ১৪২০

সফরকালে নির্ধারিত সময়ে নামাজ আদায় করা কর্তব্য। এ ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় জেনে রাখা উচিত। তা হলো-

চলন্ত জাহাজ, ট্রেন ও বিমানে নামাজের বিধান
চলন্ত লঞ্চ, জাহাজ, ট্রেন ও বিমানে ফরজ নামাজ সম্ভব হলে কিবলামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে রুকু-সিজদাসহ আদায় করবেন। দাঁড়ানো যদি কষ্টকর হয়, তাহলে বসে স্বাভাবিক রুকু-সিজদা করে নামাজ আদায় করবেন। এভাবে নামাজ আদায় করতে পারলে পরবর্তী সময়ে তা পুনরায় পড়তে হবে না।

অপারগ হলে ইশারায় পড়া এবং পরবর্তীতে কাজা করা
আর যদি কেবলামুখী হয়ে রুকু-সিজদার সঙ্গে নামাজ আদায় করা সম্ভব না হয়, তাহলে যেভাবে সম্ভব বসে বা ইশারায় নামাজ পড়ে নেবেন। এ ক্ষেত্রে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এলে সতর্কতামূলক ওই ফরজ নামাজ পরবর্তী সময়ে আবার পড়ে নেবেন।

সম্ভব হলে যানবাহন থেকে নেমে নামাজ পড়া
আর বাসে যেহেতু সাধারণত দাঁড়িয়ে স্বাভাবিকভাবে নামাজ পড়া যায় না, তাই কাছাকাছি যাতায়াতের ক্ষেত্রে ওয়াক্ত শেষ হওয়ার আগে গন্তব্যে পৌঁছে নামাজ আদায় করা সম্ভব হবে না বলে মনে হলে এবং নেমে যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ অথবা অসুবিধাজনক না হলে পথিমধ্যে নেমে ফরজ নামাজ পড়ে নেবেন।

নামা সম্ভব না হলে ইশারায় পড়া ও পরে কাজা করা
আর দূরের যাত্রা হলে অথবা যে ক্ষেত্রে নেমে গেলে ঝুঁকি অথবা সমস্যায় পড়ার আশঙ্কা থাকে সে ক্ষেত্রে বাস না থামলে সিটেই যেভাবে সম্ভব বসে বা ইশারায় নামাজ আদায় করে নেবেন এবং সতর্কতামূলক পরবর্তী সময়ে এর কাজা করে নেবেন।

নামাজের জন্য যাত্রাবিরতি দেওয়া
দীর্ঘযাত্রায় বাসচালকদের উচিত ফরজ নামাজ আদায়ের সুবিধার্থে কোনো মসজিদে যাত্রাবিরতি করা। এ বিষয়ে বাস মালিকদেরও ইতিবাচক নির্দেশনা দিয়ে রাখা উচিত।

এ ক্ষেত্রে মালিক সমিতি ও শ্রমিক সমিতিগুলো যথাযথ ভূমিকা পালন করতে পারে। আর যাত্রীদের কর্তব্য হলো, বাসের একজন মুসল্লি নামাজ পড়তে চাইলেও তার জন্য বাস থামাতে চালককে নির্দেশনা দিয়ে রাখা।

;

দেশে ফিরলেন ৬৪ হাজার ৬৬ হাজি



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বিমানবন্দরে হাজিরা, ছবি: সংগৃহীত

বিমানবন্দরে হাজিরা, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি বছর পবিত্র হজ পালন শেষে এ পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজার ৬৬ জন হাজি। বৃহস্পতিবার আরও ৫টি ফ্লাইটে ২ হাজার ৮৩ জন হাজি দেশে ফিরবেন। এবার হজ পালন করতে সৌদি আরবে গিয়ে ৬৩ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫০ জন পুরুষ এবং ১৩ জন নারী।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) হজ পোর্টালের সবশেষ বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়।

বুলেটিনে বলা হয়, পবিত্র হজ পালন শেষে বুধবার মধ্যরাত পর্যন্ত ১৭১টি ফিরতি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজার ৬৬ জন হাজি। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৮১টি ফ্লাইটে ২৮ হাজার ৩৭১ জন, সৌদি এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৬২টি ফ্লাইটে ২২ হাজার ৪৬৬ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের ২৮টি ফ্লাইটে ১০ হাজার ৩৪৭ জন দেশে ফিরেছেন। এছাড়া অন্যান্য এয়ারলাইন্স ২ হাজার ৮৮২ জন হজযাত্রী পরিবহন করেছে।

এবার বাংলাদেশ থেকে ৮৫ হাজার ২২৫ জন (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ) হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। এ বছর হজে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৬৩ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫০ জন পুরুষ এবং ১৩ জন নারী। এর মধ্যে মক্কায় ৫০ জন, মদিনায় ৪ জন, মিনায় ৭ জন এবং জেদ্দায় দুইজন মারা গেছেন।

সর্বশেষ ৮ জুলাই মক্কায় ইন্তেকাল করেন নীলফামারী সদরের সৈয়দ জহিরুল ইসলাম (৬৯)।

হজ শেষে গত ২০ জুন থেকে দেশে ফেরার ফ্লাইট শুরু হয়। ওইদিন বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ৪১৭ হাজি নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট অব্যাহত থাকবে।

;

ব্যাংকের সুদ কী করবেন



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ইসলামের বিধান হলো, সুদের টাকা দ্বারা কোনোভাবে উপকৃত হওয়া যাবে না, ছবি: সংগৃহীত

ইসলামের বিধান হলো, সুদের টাকা দ্বারা কোনোভাবে উপকৃত হওয়া যাবে না, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আল্লাহতায়ালা ব্যবসাকে হালাল করেছেন ও সুদকে হারাম করেছেন। কোরআনে কারিমের বিভিন্ন আয়াতে ও হাদিসে নববির অসংখ্য বর্ণনায় স্পষ্ট ভাষায় সুদ হারাম ঘোষণা করা হয়েছে।

ইসলামি শরিয়তে সুদ হারাম হওয়ার কারণ হলো, মূল্যের ওপর শর্তসাপেক্ষে বিনা বিনিময়ে নির্ধারিত মুনাফা লাভ করা। অন্যদিকে হেকমত হচ্ছে, সব সম্পদ যেন ধনীদের হাতে পুঞ্জীভূত না হয়ে যায় এবং গরিবরা নিঃস্ব থেকে নিঃস্বতর না হয়ে পড়ে।

বিষয়টি সবাই জানে যে সুদ হারাম। সেটি ব্যাংক থেকে হোক বা যে কোনো কিছু থেকে হোক সেটি হারাম। যেখানে সুদের কারবার হয়ে থাকে এই ধরনের প্রতিষ্ঠানে চাকরি করাও জায়েজ নেই। সুতরাং সুদের টাকা দ্বারা কোনোভাবে উপকৃত হওয়া যাবে না।

অ্যাকাউন্টের অতিরিক্ত টাকা জনকল্যাণমূলক কাজে খরচ করার নিয়তেও প্রচলিত সুদী ব্যাংকে সঞ্চয়ী বা মেয়াদী হিসাব খোলা জায়েজ নয়। কেননা সুদী ব্যাংকে এ ধরনের একাউন্ট খুলতে হলে সুদী চুক্তিতে আবদ্ধ হতে হয়। তাই সঞ্চয়ী হিসাবে টাকা জমা রাখার বিশেষ প্রয়োজন হলে প্রচলিত ইসলামি ব্যাংকগুলোতে রেখে প্রাপ্ত মুনাফা গরীব-মিসকিনদের মাঝে বণ্টন করে দিতে হবে।

ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত সুদ গরীব-মিসকিনদের মাঝে বণ্টন করে দিতে হবে। এর দ্বারা অন্য ব্যাংক বা অ্যাকাউন্টের সুদ পরিশোধ করা বৈধ হবে না।

কখনো কখনো নিরুপায় হয়ে সুদভিত্তিক ব্যাংকের সহায়তা নিতে বাধ্য হয়। যেমন- সেলারি অ্যাকাউন্ট। সরকারি ও বেসরকারি বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাধারণত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সরাসরি হাতে হাতে দেওয়া হয় না। বরং ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া হয়। সে জন্য কোনো ব্যাংকে প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নামে পৃথক পৃথক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়।

প্রতিষ্ঠান প্রতি মাসের নির্দিষ্ট তারিখে প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে তার বেতন-ভাতা জমা দিয়ে দেয়। এরপর কর্মচারীরা ব্যাংকে গেলেই সবাই নিজ নিজ বেতন ওঠাতে পারে। এই অ্যাকাউন্ট যেহেতু সেভিংস অ্যাকাউন্ট হয়, ফলে ইচ্ছা না থাকলেও তাদের অ্যাকাউন্টে সুদের অর্থ চলে আসে।

এখানে করণীয় হলো, প্রতি মাসে সেলারি অ্যাকাউন্টে বেতনের অর্থ আসা মাত্র তা তুলে শরিয়া মোতাবেক পরিচালিত কোনো ব্যাংকে রেখে দেবে। যদি নিজের কাজে ক্যাশ রাখার কোনো নিরাপদ ব্যবস্থা থাকে সেটা আরও ভালো। কিন্তু এর পরও যদি বছর শেষে তার অ্যাকাউন্টে কোনো সুদ চলে আসে, তবে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই সেই টাকা সুদদাতাকে ফেরত দিতে হবে।

কিন্তু ব্যাংকের ক্ষেত্রে যেহেতু নির্দিষ্ট সুদদাতা বের করা অসম্ভব, তাই সওয়াবের নিয়ত না করে কোনো জাকাত খাওয়ার উপযুক্ত মিসকিনকে তা দান করে দিতে হবে। -আহসানুল ফাতাওয়া : ৭/১৬

কোনো অবস্থাতেই সেই টাকা মসজিদ, মাদরাসা বা কোনো জনকল্যাণমূলক কাজ (যেমন রাস্তাঘাট নির্মাণ, পাবলিক টয়লেট নির্মাণ) ইত্যাদিতে খরচ করা যাবে না। -ইমদাদুল মুফতিন : ৫৮৬

;

মহররমকে ‘আল্লাহর মাস’ বলার কারণ



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
মহররমকে আল্লাহর মাস বলা হয়, ছবি: সংগৃহীত

মহররমকে আল্লাহর মাস বলা হয়, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

হিজরি সনের প্রথম মাস মহররম। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত চার সম্মানিত মাসের একটি। হাদিস শরিফে এ মাসের বড় মর্যাদার কথা এসেছে। মহররম মাসের ১০ তারিখকে বলা হয় আশুরা। এটি ইসলামের ইতিহাসে ফজিলতপূর্ণ ও বরকতময় একটি দিন। এর কারণে মহররম মাসের ফজিলত বেড়েছে বহুগুণ।

রমজানের পর হিজরি সনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ মাস এটি। এই মাসকে নবী কারিম (সা.) ‘আল্লাহর মাস’ আখ্যা দিয়েছেন। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রমজানের পর সবচেয়ে উত্তম রোজা হলো- আল্লাহর মাস মহররমের রোজা। আর ফরজ নামাজের পর সবচেয়ে উত্তম নামাজ হলো- রাতের নামাজ (তাহাজ্জুদ)।’ -সহিহ মুসলিম

প্রশ্ন জাগতে পারে, সব মাসই তো আল্লাহর। মহররমকে বিশেষভাবে আল্লাহর মাস বলার কারণ কী? এর জবাবে বলা হয়, এই মাসের বিশেষ ফজিলত বোঝাতেই মূলত একে আল্লাহর মাস হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

বর্ণিত হাদিসে বলা হয়েছে, মহররম মাসের রোজা রমজানের পর সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ। আল্লাহর মাস বলার এটিও একটি কারণ।

মহররম মাসের রোজার মধ্যে আশুরার রোজার ফজিলত আরও বেশি। আশুরার রোজার ফজিলত সম্পর্কে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘আমি আল্লাহর রাসুল (সা.)-কে রমজান ও আশুরার দিন যেমন গুরুত্ব দিয়ে রোজা রাখতে দেখেছি, অন্য সময় তা দেখিনি।’ -সহিহ বোখারি

অন্য এক হাদিসে এই মাসে তওবা কবুল হওয়ার কথাও এসেছে। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রমজানের পর যদি তুমি রোজা রাখতে চাও, তবে মহররম মাসে রাখো। কারণ এটি আল্লাহর মাস। এ মাসে এমন একটি দিন আছে, যে দিনে আল্লাহতায়ালা একটি জাতির তওবা কবুল করেছেন এবং ভবিষ্যতেও অন্য জাতিগুলোর তওবা কবুল করবেন।’ -জামে তিরমিজি

;