যমুনায় ৩ দিনব্যাপী হুরাইন ফেব্রিক উইক শুরু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
যমুনায় ৩ দিনব্যাপী হুরাইন ফেব্রিক উইক শুরু

যমুনায় ৩ দিনব্যাপী হুরাইন ফেব্রিক উইক শুরু

  • Font increase
  • Font Decrease

দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ শপিমংল যমুনা ফিউচার পার্কে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী হুরাইন ফেব্রিক উইক ২০২৪। যমুনা গ্রুপের গ্রুপ পরিচালক সুমাইয়া রোজালিন ইসলামফেব্রিক উইকের উদ্বোধন করেন।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পর্দা উঠেছে এ এক্সপোর। 

যমুনা ফিউচার পার্কের লেভেল ৭ এ শুরু হওয়া এই প্রদর্শনী চলবে আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা আসতে পারবেন প্রদর্শনীতে।

ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশের বায়ারদের জন্য হুরাইনের পক্ষ থেকে বসন্ত ও গ্রীষ্মের জন্য বিশ্বমানের ফেব্রিক দিয়ে তৈরি পোশাক প্রদর্শন করা হচ্ছে। বিভিন্ন গার্মেন্টসের প্রধান, বিপণন কর্মকর্তা ও বায়িং হাউজ থেকে আসছেন সংশ্লিষ্টরা। এবারের প্রদর্শনীতে ১৬৫ ধরনের নতুন ফেব্রিকের পাশাপাশি সাড়ে ৪ হাজার ফেব্রিক প্রদর্শন করা হচ্ছে। আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে এর সবই হুরাইন উদ্ভাবিত।

হুরাইন ফেব্রিক উইক সম্পর্কে যমুনা গ্রুপের গ্রুপ পরিচালক সুমাইয়া রোজালিন ইসলাম বলেন, প্রতিবছরই হুরাইন এইচটিএফ দুবার ফেব্রিক উইকের আয়োজন করে।

এ বছর ২০২৫ সালের স্প্রিং (বসন্ত) এবং সামার (গ্রীষ্ম) সিজনের ওপর ভিত্তি করে এ আয়োজন সাজানো হয়েছে। এরপর আমরা বর্ষা এবং শীতের আয়োজন নিয়ে আসব। মূলত, মৌসুম শুরুর ৮ মাস আগেই সেই মৌসুমে ব্যবহার উপযোগী নতুন রং ও ডিজাইনের হুরাইন উদ্ভাবিত ফেব্রিক সম্পর্কে ধারণা দিতে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। যাতে বিদেশি ক্রেতা এবং ডিজাইনারদের অর্ডার দিতে সুবিধা হয়। এই জন্যই আমাদের ফেব্রিক উইক করা হচ্ছে।

রোজালিন ইসলাম বলেন, হুরাইন বিশেষায়িত ফেব্রিক উৎপাদন করে। সচরাচর বাংলাদেশের অন্য টেক্সটাইল মিলগুলো এ ধরনের ফেব্রিক উৎপাদন করে না। আমাদের উৎপাদিত ফেব্রিক সম্পর্কে বিদেশি ক্রেতা ও ডিজাইনারদের জানাতে ব্যক্তি উদ্যোগের পাশাপাশি আমরা বিদেশি প্রদর্শনীতেও ফেব্রিক প্রদর্শন করে থাকি। এতে বায়ারদের ভালো সাড়া পাচ্ছি। এ বছরের শেষ নাগাদ সিনথেটিক ফেব্রিক যেমন পলিয়েস্টার, নাইলন, শিফন ও জর্জেট ফেব্রিক উৎপাদন শুরু করব।

তিনি বলেন, জন্মলগ্ন থেকেই আমাদের লক্ষ্য ছিল হুরাইন শুধু বাংলাদেশের নয় বরং বিশ্ববাজারেও নম্বর ওয়ান ব্র্যান্ড হবে। সেভাবেই আমরা কাজ করছি। শিগগিরই আমরা সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে পারব বলে আশা করছি।


হুরাইনের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা আব্দুল হাকিম বলেন, বাংলাদেশে এখন বিশ্ব মানের ফেব্রিক উৎপাদন হয়। সেটি বায়ারদের জানান দিতেই এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। যদিও সরকার প্রতি বছর রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) মাধ্যমে টেক্স ওয়ার্ল্ড প্যারিস প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের টেক্সটাইল মিলগুলোকে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেয়।

তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিক ফ্যাশনের হালচাল প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল। এখন ম্যান মেইড ফাইবারের যুগ চলছে। এখানে বাংলাদেশের অফুরন্ত সম্ভাবনা আছে। বাংলাদেশে টেক্সটাইল মিলগুলোকে সঠিক নীতি সহায়তা দিতে পারলে এ খাতে বিপুল পরিমাণ রফতানি আয় সম্ভব। হুরাইন এইচটিএফ সিনথেটিক ফাইবারের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বছরের শেষে নতুন সেট আপ চালু করছে, যাতে বছরে সাড়ে ৪ মিলিয়ন গজ কাপড় উৎপাদন সম্ভব।

হাকিম বলেন, হুরাইনের ফেব্রিক গুণগত মান সম্পন্ন হওয়ার কারণে আমেরিকা, শ্রীলঙ্কা, নিকারাগুয়া, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়াতে সরাসরি রফতানি হচ্ছে। এছাড়া দেশের গার্মেন্টসগুলোর মাধ্যমে প্রচ্ছন্ন রফতানিও হচ্ছে।

প্রদর্শনীতে আসা ফ্যাশন ডিজাইনার জান্নাতুন নাইম বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্বমানের ফেব্রিক উৎপাদনে সক্ষম। অনেক টেক্সটাইল মিল ভালো ফেব্রিক বানাচ্ছে। এর মধ্যে হুরাইনের ফেব্রিকের আলাদা বিশেষত্ব আছে। হুরাইন সব সময় উদ্ভাবনীয় শক্তি দিয়ে নতুন কিছু করতে চায়। এবারও নতুন ফেব্রিক দেখতে পেয়েছি যার রং ও ডিজাইন সত্যিই দেখতে সুন্দর, হ্যান্ডফিলও ভালো।

অপরদিকে, ফেব্রিক প্রদর্শনীতে আগত বায়ার ও দর্শনার্থীদের জন্য করা হয়েছে বিভিন্ন জোন। শুরুতেই রাখা হয়েছে পুরো এক্সপোর সামারি। তারপর পর্যায়ক্রমে সাসটেনেবল জোন, ফ্লাক্স ফাইবার, আর কটন, পাইনাপেল ফাইবার হেম্প ফাইবার, ডেনিম কাটিং ফাইবার ডবি জোন, ব্লেন্ডেড বটম, স্ট্রেস বটম, শেপিং টেকনোলজিস, লিলেন ব্লেন্ডস, নিউ ব্লেন্ডস, ইয়ার্ন ডাইড বটমস, রিজিড টুইল, স্ট্রাকচারাল জোন, ওভার ডাই জোন (আরএফডি), ক্লিনিক্যাল ফ্যাশন, টেনসিল ব্লেন্ডস, স্ট্রেট টুইলস জোন রাখা হয়েছে।

এছাড়াও হুরাইন ইতোমধ্যেই বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন ব্র্যান্ড যেমন, সিঅ্যান্ডএ, যারা, আমেরিকান ঈগল, টম টেইলার, এস অলিভার, লেভিস, বারশকাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।

   

যেসব খাবার গরম করে খাবেন না



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
খাবার গরম করে খাওয়া যাবেনা

খাবার গরম করে খাওয়া যাবেনা

  • Font increase
  • Font Decrease

খাবার জীবনযাত্রায় ব্যাপকভাবে প্রভাব বিস্তার করে। আমরা যে খাবারই খাই না কেন, শরীর এবং মস্তিষ্কে তার স্বল্পস্থায়ী এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব পরে। তাই স্বাস্থ্যে খাদ্যাভাসের বিশেষ প্রভাব পড়ে। এই কারণেই প্রতিদিনের খাবারের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হয়।

বিশ্বব্যাপী খাবার গরম করে খাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে ঠান্ডা হয়ে যাওয়া খাবার গরম করে খাওয়া একদমই উচিত নয়। বিশেষ করে বেঁচে যাওয়া বাসি খাবার কখনোই গরম করে খাওয়া উচিত নয়। কারণ সব খাবার গরম করলে ভালো থাকবে এমনটা নাও হতে পারে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে ক্লিনিকাল ডায়েটেশিয়ান গরিমা গয়াল এই ব্যাপারে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন এমন কিছু খাবারের নাম যা কখনোই গরম করে খাওয়া যাবে না।

ভাত: চালে ব্যাসিলাস সেরিয়াস ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়। সাধারণ তাপমাত্রায় এই ব্যাকটেরিয়া ভাতকে অনেক্ষণ ভালো থাকতে সাহায্য করে। কিন্তু ভাত বার বার গরম করা হলে এই ব্যাকটেরিয়া এবং তাদের টক্সিন ভাতে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি করতে পারে।

চা: বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয়। চা তে অনেক উপকারী উপাদান রয়েছে। এছাড়াও চায়ের স্বাদও অনন্য। স্বাস্থ্য ও রুচিভেদে মানুষ বিভিন্ন রকমের চা সেবন করে থাকে। এতে কিছু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পলিফেনল রয়েছে। চা যখন বানানো হয় তখন এতে ট্যানিন এবং ক্যাটেচিনের মতো কিছু যৌগ নির্গত হয়। চা আবার গরম করা হলে এতে থাকা ক্যাফিন ঘনীভূত হয়ে। এতে চায়ের স্বাদ তো নষ্ট হয়ই, তার সাথে পিএইচও পরিবর্তন হয়। স্বাস্থ্যেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলে হানি সৃষ্টি করতে পারে।

মাশরুম গরম করে খাবেন না

মাশরুম: মাশরুম অত্যন্ত উপকারী একটা খাবার হওয়ার পাশাপাশি অত্যন্ত আর্দ্রও হয়। এই কারণে ব্যাকটেরিয়ার প্রজনন করার সম্ভাবনা বেশি থাকে। মাশরুমে পলিস্যাকারাইড থাকার কারণে বার বার গরম করায় প্রোটিনগুলো পরিবর্তন হয়ে বিকৃত কাঠামো ধারণ করে।

পালং শাক: পালং শাক অত্যন্ত উপকারী খাদ্য। এতে ভিটামিন রয়েছে, বিশেষ করে ভিটামিন বি এবং সি। রান্না করা পালং শাক বার বার গরম করলে তাপের কারণে এইসব ভিটামিনের গঠন নষ্ট হয়ে যেতে পারে। পানিতে দ্রবণীয় হওয়ায় ভিটামিনের পুষ্টিমানও ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এছাড়াও শাকে নাইট্রেট থাকে। পুনরায় গরম করা হলে তা নাইট্রাইটে পরিণত হয় । এছাড়াও পালং-এ থাকা উদ্ভিদ ভিত্তিক আয়রন প্রতিক্রিয়া ঘটায়।

তেল: রান্নার সময় যখন তেল প্রথমবার ব্যবহার করা হয় তখন তা কড়াইতে ঢেলে কিছুটা গরম করে নেওয়া হয়। একবার গরম করে ঠান্ডা হওয়া তেল আবার গরম করে রান্না করলে সেটা রাসায়নিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়। বারবার গরম-ঠান্ডা চক্র অতিবাহিত করা তেলের মধে্‌য ট্রান্স ফ্যাট এবং অ্যালডিহাইড ক্ষতিকর যৌগ তৈরি হয়। এতে খাবারের স্বাদ তো নষ্ট হয়ই, তার সাথে খাবারে বিষক্রিয়া হওয়ার মতো গুরুতর সমস্যাও হতে পারে।

 

তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস                   

;

ঈদে ভিন্নধর্মী নবাবী নাটি সেমাই



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
নবাবী নাটি সেমাই

নবাবী নাটি সেমাই

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদ মানেই আনন্দ। পবিত্র রমজান মাস শেষে স্বস্তির নামাজ আদায় করে ঈদ উদযাপনে মেতে ওঠে সবাই। ভালো-মন্দ খাবার ছাড়া ঈদ যেন অসম্পূর্ণ, আর মিষ্টি ছাড়া তো কল্পনাও করা যায়না। ঈদে মিষ্টি মুখ মানেই সেমাই। প্রতিবার সেই একই দুধে ভেজা সেমাই না করে এবার ঈদে হোক ভিন্ন কিছু। জেনে নিই, কিভাবে রাধবেন নবাবী নাটি সেমাই:
সেমাই রান্না করতে আমাদের লাগবে-
১. লাচ্ছা সেমাই, ২. লিকুইড খাঁটি গরুর দুধ (জ্বাল করে ঠান্ডা করা), ৩. ঘি, ৪. কাজুবাদাম, ৫. পেস্তা বাদাম, ৬. কাঠবাদাম, ৭. গুড়া দুধ, ৮. চিনি, ৯. কর্ন ফ্লাওয়ার, ১০. টিন ক্রিম, ১১. কাস্টার্ড পাউডার, ১২. কনডেন্স মিল্ক, ১৩. কিসমিস।

পদ্ধতি: 
১. প্রথমে একটি বড় ফ্রায়িংপ্যানে ২ টেবিল চামচ ঘি নেই। তাতে কুচি করে রাখা ১/৪ কাপ কাজুবাদাম, ১/২ কাপ কাঠবাদাম এবং ১/৪ কাপ পেস্তা বাদাম কুচি ঢেলে দেই। হাল্কা রঙ করে ভেজে নেই। বাদামগুলো তুলে নেই। একই প্যানে ৩ টেবিল চামচ মাখন বা ঘি দিয়ে দিন। (তেল ব্যবহার করা যাবে না)।
২. গরম ঘি-তে ৪০০ গ্রাাম লাচ্ছা সেমাই এবং ৪ টেবিল গুড়া দুধ নিব। এর সাথে ১/২ কাপের বেশি চিনি দিন। সবকিছু একত্রে ভেজে নিব। চিনি গলে মিশে যাওয়া অবধি মিশিয়ে নেই। ভালোভাবে মিশিয়ে নেই।
৩. সার্ভিং প্লেট বা বোলে ২/৩ তৃতীয়াংশ ভাজা সেমাই তুলে রাখি। সমান ভাবে ছড়িয়ে দিয়ে লেয়ারের মতো তৈরি করে বিছিয়ে নেই। বাকি ভাজা সেমাইগুলো সরিয়ে রাখি।
৪. ফিলিং তৈরি করতে, প্রথমে ১ লিটার জ্বাল করে ঠান্ডা করে নেওয়া ল্কিুইড দুধ নেই। তাতে ২ টেবিল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার দেই। ১টি টিন-ক্রিমের ২/৩ অংশ দিন। তার সাথে ২ টেবিল কাস্টার্ড পাউডার, ৪ টেবিল চামচ গুড়া দুধ এবং ১/২ কাপ কনডেন্স মিল্ক (স্বাদ অনুযায়ী বাড়িয়ে/কমিয়ে নিন) নিয়ে নিন।
৫. সব ভালোভাবে মিশিয়ে চুলা ধরিয়ে জ্বাল করে নিন। অল্প আঁচে রান্না করতে থাকুন। এভাবে জ্বাল করে নাড়তে নাড়তে ঠান্ডা করে নিন। সার্ভিং বোলে বিছিয়ে রাখা সেমাইয়ের উপর গরম অবস্থাতেই পুরো মিশ্রন ঢেলে দিন।
৬. দুধের মিশ্রনের উপর বাকি রেখে দেওয়া সেমাইগুলোও দিয়ে দেই। এর উপর কাজু, কাঠ এবং পেস্তা বাদাম কুচি দিয়ে দিই। সাথে আস্ত কিসমিসও দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করি।

;

ঈদের সাজ-পোশাক যেমন হবে



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ঈদের সাজ-পোশাক যেমন হবে

ঈদের সাজ-পোশাক যেমন হবে

  • Font increase
  • Font Decrease

চলছে ঈদের মৌসুম। ঈদ উপলক্ষ্যে সকলেই বিভিন্ন নতুন পোশাকে সেজে ওঠে। ঈদের দিন পোশাক হতে হবে সুন্দর এবং আরামদায়ক। ঈদের পোশাকের বেলায় ফ্যাশনের দিকে বিশেষ নজর রাখা হয়।

সাধারণত ঈদের দিন সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি একই পোশাক পরে থাকতে হয়। তাই পোশাক সুন্দর হওয়ার পাশাপাশি হতে হবে আরামদায়ক। জেনে নিই, ঈদের পোশাক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে যেসব বিষয়গুলেরা মাথায় রাখতে হবে-

ঈদে ঐতিহ্যবাহী পোশাক

১. ঐতিহ্য: ঈদের জন্য সবচেয়ে উত্তম হলো ঐতিহ্যবাহী পোশাক। ইসলাম ধের্মে পোশাক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বেশ জোড়ালো ভাবে পর্দা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে যারা বোরখা পড়েন না, তারাও এতিহ্ডবাহী শালীন পোশাক পরে পবিত্র ঈদের মর্যাদা রক্ষা করতে পারেন। জাঁকজমক শাড়ি বা কারুকাজ খচিত সালোয়ার কামিজ ঈদে উৎসবের ছোঁয়া এনে দেয়। তবে কাপড় অবশ্যই আরামদায়ক হতে হবে। সেইজন্য মখমল, সিল্ক বা সিফনের মতো সমৃণ কাপড় বাছাই করুন।

২. রঙ: পোশাকের রঙে অনেক ক্ষেত্রেই অনুষ্ঠানের আমেজ ফুটে ওঠে। উজ্জ্বল রঙ উৎসবের অনুভূতি ফুটিয়ে তোলে। তাই ঈদের মতো আনন্দ উৎসবে সাদামাটা নয়, বরং উজ্জ্বল রঙ বেছে নিন। যেমন: লাল, বা মেটালিক রঙ (যেমন:সোনালী,রুপালি), মেরুন, হলুদ, কমলা, নীল, সবুজ ইত্যাদি।

ঈদের পোশাক

৩. কারুকার্য: পোশাকে কারুকাজ পুরো লুকই পরিবর্তন করে ফেলতে পারে। সিম্পল কাপড়ের উপর গ্ল্যামারাস সূক্ষ্ণ কাজও উৎসবের আভা ফুটিয়ে তোলে। এজন্য সিকুইন্সের কাজ, অ্যাম্ব্রোডারি, সুই-সুতা ও স্টোনের কাজের পোশাক বাছাই করে নিন।

৪. অস্বস্তি: অনেক সুন্দর পোশাক পরেও যদি আপনি স্বস্তিবোধ না করেন তা ঈদের লুক নষ্ট করতে যথেষ্ট। যেহেতু দীর্ঘসময় একই পোশাকে থাকতে হবে তাই পোশাকের ক্ষেত্রে আরাম অনুভব করার ব্যাপারে আপোষ করা উচিত নয়।

ঈদের সাজ 

৫. সাজগোজ: নারীদের ক্ষেত্রে সাজগোজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ঈদের দিন পোশাকের সাথে সাজগোজ অবশ্যই সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। জমকালো পোশাকের সাথে হালকা সাজলে ভালো মানায়। গহনা এবং হ্যান্ডব্যাগে কিছুটা নিজস্বতার ছোঁয়া রাখুন। বাইরে ঘুরতে বের হলে বেশি উচ্চতাসম্পন্ন হির ব্যবহার না করাই ভালো।    

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

                       

 

;

শরীরের পরিশ্রমের সাথে মস্তিষ্কের সংযোগ



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
শারীরিক ব্যায়ামে মস্তিষ্কে প্রভাব / ছবি: সংগৃহীত

শারীরিক ব্যায়ামে মস্তিষ্কে প্রভাব / ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মস্তিষ্ক সমগ্র শরীরকে পরিচালনা করার মূল যন্ত্র। মস্তিষ্ক থেকে নির্দেশ আসার ফলেই শরীরের পৃথক অংশগুলো নড়াচড়া করে। ছোট থেকে ছোট শারীরবৃত্তীয় কাজও মস্তিষ্কই পরিচালনা করে। তাই শরীরের সাথে ব্রেনের মজবুত সংযোগ রয়েছে।

এই সংযোগ কেবল একপাক্ষিক নয়। শারীরিক ব্যায়ামের কারণেও মস্তিষ্ক প্রভাবিত হতে পারে। মানসিক স্বাস্থ্যেও তার প্রভাব পড়ে। প্রতিদিন কায়িক পরিশ্রম করার ফলে মস্তিষ্ক থেকে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের নিঃসরণকে প্রভাবিত করে।

মেজাজের তারতম্য, আত্মসম্মানবোধ, ঘুম- ইত্যাদি কার্যকলাপের সাথে সম্পর্কযুক্ত হরমোনগুলো ব্যায়ামের ফলে বেশি নির্গত হয়।

জিমে গিয়ে ব্যয়াম করা ছাড়াও; অবসর সময়ে হাঁটাহাঁটি করা, বিকেলে খেলাধুলা করা, এলিভেটরের বদলে সিঁড়ি চড়া, অফিস থেকে ফেরার সময় হেঁটে বা সাইকেলে ফেরা- ইত্যাদি মাধ্যমে প্রতিদিন কিছু না কিছু ব্যয়াম করা যায়। এতে একদিকে যেমন শরীরে শক্তিমাত্রাও বাড়বে, আবার কাজে ফোকাস করাও সহজ হবে।    

প্রতিদিন ব্যায়াম করলে তা মানসিক যেসব ব্যাপারে প্রভাব ফেলে-

১. মানসিক বিভিন্ন অস্বাভাবিকতা দূর করতে পারে ব্যায়াম। যেমন- হতাশা, উদ্বেগ, হীনমন্যতা।  

২. কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ব্যায়াম শারীরিক অক্ষমতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করতে পারে। শরীরের বিভিন্ন জড়তা দূর হয় ব্যায়ামের কারণে।

৩. স্মৃতিশক্তি ভালো হয়, কাজে মনোযোগ বাড়ে এবং ধৈর্য্য ধরার ক্ষমতাও প্রভাবিত হয়।   

৪. ব্যায়ামের কারণে ঘুম ভালো হয়। শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমও ভালোভাবে সংঘটিত হয়।   

৫. প্রকৃতির সাথে সম্পর্ক গাঢ় হয়। সবুজ পরিবেশ এবং তাজা হাওয়ার খোলা পরিবেশের কারণে মানসিক বিশ্রাম এবং শান্তিলাভ হয়।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

;