পঞ্চগড়-রাজশাহী রুটে ‘বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস’ চালু হবে ১৬ অক্টোবর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস

বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহী থেকে পঞ্চগড়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম স্টেশন রুটে ‘বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস’ আগামী শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) থেকে নিয়মিত চলাচল করবে। এর আগে ১৫ অক্টোবর রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন ট্রেনটি উদ্ধোধন করবেন।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট কার্যালয় থেকে বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস ট্রেন চালু হওয়ার বিষয়ে জানানো হয়েছে।

বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস ট্রেনটিতে শোভন চেয়ার ও শোভন শ্রেণির ৭৬৪/৭৫২ আসনের ব্যবস্থা থাকবে। রাজশাহী থেকে শুক্রবার এবং পঞ্চগড় থেকে শনিবার নতুন এই ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ থাকবে।

নতুন এই ট্রেনটি রাজশাহী-পঞ্চগড় উভয় পথেই যাত্রাবিরতি করবে নাটোর, আব্দুল্লাহপুর, মাধনগর, আহসানগঞ্জ, সান্তাহার জংশন, আক্কেলপুর, জয়পুরহাট, পাঁচবিবি, বিরামপুর, ফুলবাড়ী, পার্বতীপুর জংশন, চিরিরবন্দর, দিনাজপুর, সেতাবগঞ্জ, পীরগঞ্জ, শিবগঞ্জ, ঠাকুরগাঁওরোড, রুহিয়া ও কিসমত স্টেশনে।

সিরাজগঞ্জে বেড়েই চলেছে যমুনার পানি, বন্যার শঙ্কা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জে বেড়েই চলেছে যমুনা নদীর পানি। এতে বন্যার আশঙ্কা করছেন শহরবাসী। গত ১২ ঘণ্টায় (শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত) যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ এলাকায় ২৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি বৃদ্ধির কারণে প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এতে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপক হাসানুর রহমান বলেন, সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ এলাকায় পানির বিপৎসীমা ধরা হয় ১৩ দশমিক ৩৫ সেন্টিমিটার (১৩.৩৫)। আজ শনিবার (২১ মে) সকাল ৬টায় পানি রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার (১২.১৬)। গত ১২ ঘণ্টায় ২৪ সেন্টিমিটার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ১ দশমিক ১৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

যমুনা নদীর সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ এলাকায় গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় পানি রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৩৪ সেন্টিমিটার, শুক্রবার বিকেলে ৩টায় পানি রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৮৮ সেন্টিমিটার, আজ শনিবার সকাল ৬টায় পানি রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার। যা বিপৎসীমার ১ দশমিক ১৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে পানি বৃদ্ধির কারণে প্রতিদিন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। নদীর তীব্র স্রোতের কারণে নদী তীরবর্তী অঞ্চল জেলার পানি কাজীপুর, সদর, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালীতে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনে ঘরবাড়ি ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে জেলার কাজীপুর ও এনায়েতপুরে ভাঙনের তীব্রতা বেশি। এতে করে বন্যার আশঙ্কা করছেন শহরবাসী। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে বালির বস্তা ফেলা হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, যমুনা নদীতে পানি বাড়ার কারণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। কিছু স্থানে নদী ভাঙন রয়েছে। তবে ভাঙন রোধে বালির বস্তা ফেলা হচ্ছে।

;

বগুড়ায় ৪ মিনিটের ঝড়ে লন্ডভন্ড!



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বগুড়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ায় ৪ মিনিটের ঘূর্ণিঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। শহর এবং শহরতলীতে অসংখ্য গাছ ভেঙে বিদ্যুতের তারে পড়েছে। ফলে ভোর রাত থেকে বিদ্যুৎ সরবারহ বন্ধ হয়ে গেছে পুরো জেলাজুড়ে। এছাড়াও ঝড়ে অসংখ্য আধাপাকা ঘরবাড়ির টিনের চাল উড়ে যায়।

শনিবার (২১ মে) ভোর রাত ৪টায় ঘূর্ণিঝড় শুরু হয়।

বগুড়া আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া জানান, শনিবার ভোর রাত ৪টায় ঘূর্ণিঝড় শুরু হয়। মাত্র ৪ মিনিট স্থায়ী ঘূর্ণিঝড়ে বাতাসের গতিবেগ ছিল ৮৮ দশমিক ৬ কিলোমিটার। তিনি বলেন, ৪টা ৪ মিনিটে বাতাসের গতিবেগ কমে আসলে শুরু হয় বৃষ্টিপাত। ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত দমকা বাতাসের পাশাপাশি ৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।

এদিকে মাত্র ৪ মিনিটের ঝড়ে বগুড়া শহরে বিয়াম মডেল স্কুল, আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন স্কুল ও পুলিশ লাইন্স স্কুলে ১টি করে বড় গাছ ভেঙে পড়ে। এছাড়াও শহরের শহীদ খোকন পার্ক এবং এডওয়ার্ড পার্কে বেশ কিছু গাছ ভেঙে পড়ে। শহর এবং শহরতলীর বিভিন্ন এলাকায় টিনের ঘরবাড়ি চাল উড়ে গেছে। ঝড়ে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে কৃষি বিভাগ সূত্রে জানাগেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ বগুড়া আঞ্চলিক অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক ইউছুব রানা মন্ডল বলেন, বোরো ধান কাটা মাড়াই ভরা মৌসুমে ঝড়ে পাকা ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অন্যান্য ফসলের তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

নর্দান পাওয়ার সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুক বলেন, ঝড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে পড়া ছাড়াও গাছের ডাল ভেঙে পড়েছে বিদ্যুতের তারে। ফলে ভোর রাত ৪টা থেকে পুরো জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তিনি বলেন, সকাল থেকে কাজ চলছে, পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।

;

কুষ্টিয়ায় কালবৈশাখীর তাণ্ডব



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে অনেক গ্রাম লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও বৃষ্টির সঙ্গে ভারী বজ্রপাতও হয়েছে। উপড়ে পড়েছে হাজার হাজার গাছ। ভেঙে পড়েছে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা।

শনিবার (২১ মে) সকাল সাড়ে ৫টার দিকে ঝড় শুরু হয়। প্রায় ১৫ মিনিট স্থায়ী ছিল এ ঝড়।

সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ঝড়ের তাণ্ডবে শত শত গাছপালা ভেঙে রাস্তায় পড়ে আছে। শত শত হেক্টর জমির আম, কাঁঠাল, লিচুসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফল ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের ফারাজী পাড়ায় শতবর্ষী বটগাছ উপড়ে পড়েছে। এছাড়াও অনেক ঘরবাড়ি ও গাছপালা উপড়ে গেছে।

দৌলতপুর উপজেলার আম বাগানের মালিক কামাল উদ্দিন বলেন, বাগানের সব আম ঝড়ে পড়ে গেছে। আর এক সপ্তাহ পর থেকে আম পাড়া শুরু হতো। কিন্তু ঝড়ের তাণ্ডবে আমার ব্যাপক ক্ষতি হয়ে গেল।

মিরপুর উপজেলার মশান গ্রামের কৃষক কিরামত আলী বলেন, ফসলের খেতে বেশ ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের পর দেখা গেছে, জমিতে জমে থাকা পানির ওপর লুটিয়ে পড়েছে ধান। পেঁপে বাগানের খুব ক্ষতি হয়েছে। বেশির ভাগ পেঁপে গাছ উপড়ে গেছে। আমার প্রায় হাজার হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।

আম ব্যবসায়ী আরিফুল ইসলাম বলেন, আমি প্রতি বছর বাগান ধরে আম কিনি। এ বছরও কিনেছি। ঝড়ে সব আম পড়ে গেছে। এখন লাভ তো দূরের কথা, আসল টাকাও উঠবে না।

কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কের মিরপুর উপজেলার বিভিন্ন সড়কে বড়বড় গাছ পড়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে উপজেলা চেয়ারম্যান কামারুল আরেফীন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সহায়তায় উদ্ধার কাজ তৎপরতা চালায়।

কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক জানে আলম বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে সড়কের দুপাশে শত শত গাছের ডালপালা ভেঙে পড়েছে। কিছু কিছু জায়গায় এলাকাবাসীর সহায়তায় আবার কোথাও কোথাও ফায়ার সার্ভিসের টিম গাছগুলো সড়ক থেকে সরিয়ে নিচ্ছে।

মিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামারুল আরেফীন বলেন, এমন ক্ষয়ক্ষতি হওয়া কালবৈশাখী ঝড় খুব কম দেখেছি। এর আগে একটা এলাকা বা কয়েকটা এলাকাকে কেন্দ্র করে হতো। এবারে পুরো জেলাজুড়ে মানুষের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (টেকনিক্যাল) মো. মোকসেমুল হাকিম বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে পুরো জেলা লন্ডভন্ড। বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে এবং গাছের ডাল পড়ে তার ছিঁড়ে অনেক স্থানের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে আছে।

কুমারখালী আবহাওয়া অফিসের অফিসার ইনচার্জ মামুন আর রশিদ বলেন, শনিবার সকাল সাড়ে ৫টার দিকে ৭ কেটিএফ ঝড় ও ২৫ মিমি বৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। তবে কুমারখালী উপজেলায় ঝড়ের মাত্রা অন্যান্য উপজেলার চেয়ে তুলনামূলক কম হয়েছে।

কুষ্টিয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক সুশান্ত কুমার প্রমানিক বলেন, ঝড়ে আম, লিচুসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফল ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাৎক্ষণিক ফসলের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা যায়নি। তবে কৃষি বিভাগের লোকজন মাঠে গিয়ে ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয়ে কাজ করছে।

;

গাজীপুরে পিকআপে ট্রেনের ধাক্কা, নিহত ৩



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গাজীপুরের কালীগঞ্জে একটি অরক্ষিত রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় পিকআপ ভ্যানে থাকা তিন জন নিহত হয়েছেন।

শনিবার (২১ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার আড়িখোলা রেল স্টেশনের অদূরে নলছাটা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।

দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে আড়িখোলা রেল স্টেশনের মাস্টার কামরুল ইসলাম বলেন, আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আড়িখোলা রেল স্টেশনের অদূরে নলছাটা নামক স্থানে একটি অরক্ষিত গেটে নাগরি এলাকা থেকে আসা একটি তালভর্তি পিকআপের সঙ্গে কিশোরগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী এগার সিন্দুর ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। এ সময় ট্রেনের ধাক্কায় তালভর্তি পিকআপটি দূরে গিয়ে পড়ে। এতে পিকআপে থাকা তিনজন ঘটনাস্থলেই মারা যান।

 

;