২৪ ঘণ্টায় একজনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৪

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে অনেকাংশেই কমে এসেছে করোনার প্রকোপ। দিন দিন কমছে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস সংক্রমিত হয়ে আরও ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় দেশে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৮৯১ জনে। 

একই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৫৪ জনের। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৭০ হাজার ৮৩৫ জনে।

শনিবার (০৬ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৫৭ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৩৪ হাজার ৬৩৫ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ১৫৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৩ হাজার ৭২টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১ দশমিক ১৮ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট ১ কোটি ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৩৬৬টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ০২ শতাংশ। প্রতি ১০০ জনে সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং মৃত্যুহার ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যিনি মারা গেছেন তিনি পুরুষ। তিনি ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন। তার বয়স ছিল ৭১-৮০ বছরের মধ্যে।

দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত (কোভিড-১৯) প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। তার ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

সেন্টমার্টিন বাসের ধাক্কায় নিহত ৩, ড্রাইভার-হেলপার গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর মাতুয়াইলে সেন্টমার্টিন ট্রাভেলস বাসের ধাক্কায় সিএনজিতে থাকা একই পরিবারের ৩ জন নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাসের ড্রাইভার ও হেলপারকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। 

শনিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে র‍্যাব-১০ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি এনায়েত কবির শোয়েব এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) সকালে যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল টোটাল সিএনজি ফিলিং স্টেশনের বিপরীত পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চট্টগ্রাম দিক থেকে আসা সেন্টমার্টিন ট্রাভেলস্ এর একটি বাস দ্রুত ও বেপরোয়া গতিতে যাত্রীবাহী একটি সিএনজিকে সজোরে পিছন থেকে ধাক্কা দিয়ে গাড়ির ড্রাইভার ও হেলপার ঘটনাস্থল হতে গাড়ি চালিয়ে পালিয়ে যায়।

ওই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই সিএনজিতে থাকা একই পরিবারের মো. রহমান বেপারী (৬০), মোছা. শারমিন(৩৫) ও মো. সিরাজুল ইসলাম কুদ্দুস (৪০) নামক ৩ জনের মৃত্যু হয়।

এছাড়া মোছা. শারমিন ও মো. সিরাজুল ইসলাম কুদ্দুস এর কন্যা সন্তান শাকিরা ওরফে বৃষ্টি (৬)সহ সিএনজির ড্রাইভার গুরুতর আহত হয়।

স্থানীয়রা আহত শিশু ও ড্রাইভারকে মাতুয়াইল শিশু মাতৃসদন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। সেখানকার চিকিৎসকগন রোগীদের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তাদেরকে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

তিনি জানান, ওই দুর্ঘটনায় নিহত আব্দুর রহমান এর ছেলে বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করলে র‌্যাব-১০ ছায়া তদন্ত শুরু করে ও জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। যাত্রাবাড়ীর মিরহাজারিবাগ হতে সেন্টমার্টিন ট্রাভেলস্ এর হেলপার কোরবান আলী (২৫)কে আজ (২২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

পরবর্তীতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে একই তারিখ বিকালে মানিকগঞ্জ জেলার সদরের চিকার ঘোনা গ্রামে অভিযান করে ঘাতক ড্রাইভার মো. দেলোয়ার হোসেন ওরফে দিনার (৪০)কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলে জানান তিনি।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;

পটুয়াখালীতে সংঘবদ্ধ গরু চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, পটুয়াখালী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

গতকাল ‍শুক্রবার রাত অনুমান সাড়ে দশটায় রাঙ্গাবালী থানাধীন চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরলক্ষী সাকিনস্থ মুসলিমপাড়া ফরেষ্টের বাগান হতে গরু চুরি করে ট্রলারযোগে পলায়নকালে স্থানীয় জনগনের সহায়তায় চরমোন্তাজ তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানিক দল গ্রেফতার করে। 

অন্যান্য আসামিরা পালিয়ে গেলেও চরমোন্তাজ তদন্ত কেন্দ্রের ইচনচার্জ এসআই মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল হতে চুরি যাওয়া তিনটি গরু এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত ইঞ্জিন চালিত ট্রলার জব্দ করেন। আটককৃত গরু চোর মো. মিজানুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক আজ (২২ জানুয়ারি) পুলিশ সুপার, পটুয়াখালী মহোদয়ের নির্দেশনায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অপর আসামি মো. কালাম হাওলাদার (৪০) ও মো. আনিচ মুসলমান (৩৫), গ্রেফতার করা হয়। 

গ্রেফতারকৃত আসামিগন সংঘবদ্ধ গরু চোর চক্রের সদস্য। তারা পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু চুরি করে গলাচিপার উলানিয়া বন্দরে রাতের আধাঁরে জবাই করে বিক্রি করে মর্মে তথ্য প্রদান করে যা যাচাই পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;

শাবি শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশন কর্মসূচি চলছে। এই সংকট নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় শিক্ষামন্ত্রীর বাসভবনে এ বৈঠক শুরু হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের বৈঠক শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি তুলসী সাহার নেতৃত্বে পাঁচজন শিক্ষক সাধারণ সম্পাদক মহিবুল আলম, ভৌত বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক রাশেদ তালুকদার, ফলিত বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আরিফুল ইসলাম, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন খায়রুল ইসলাম রুবেল এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের নেতারা উপস্থিত রয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে গত ১৩ জানুয়ারি রাত থেকে তার পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন ওই হলের কয়েক’শ ছাত্রী।

সেই আন্দোলনের এক পর্যায়ে জাফরিন আহমেদ পদত্যাগ করেন। এর মধ্যেই শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগ হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। নতুন দাবি যুক্ত করে আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকেন শিক্ষার্থীরা।

গত ১৬ জানুয়ারি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা উপাচার্যকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইসিটি ভবনে অবরুদ্ধ করে রাখে শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করতে গেলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। লাঠিচার্জ, রাবার বুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে আইসিটি ভবন থেকে উপাচার্যকে উদ্ধার করে পুলিশ।

তবে ওই ঘটনার পর অজ্ঞাত কয়েক’শ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ। সেই মামলা প্রত্যাহার এবং উপাচার্যের পদত্যাগের নতুন দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখেন শিক্ষার্থীরা।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;

উচ্ছেদ অভিযানে ভূমিহীন হল শত শত পরিবার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, পটুয়াখালী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

পটুয়াখালীর লাউকাঠি নদীরপাড় সংলগ্ন খাস জমির সব স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছে জেলা প্রশাসন পটুয়াখালী।

শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয়ে এখন পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান চলমান রয়েছে। পটুয়াখালী সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা মো.শাহিন মাহমুদ এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব মোঃ মনিরুজ্জামান।

উচ্ছেদ অভিযানের ফলে শত শত পরিবার রাস্তার পাশে মাঠে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। করনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি ও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার ফলে নিম্নআয়ের মানুষ দের সামান্য ঘরে থাকা হলো না। ছোট ছোট শিশু ও বৃদ্ধ মানুষদের নিয়ে এই শীতের মধ্যে রাস্তার পাশে খোলা মাঠে অবস্থান করছে পরিবারগুলো।

লতা ইসলাম বলেন,আমার জন্মের পর থেকে দেখেছি এখানে আমাদের ঘরবাড়ি প্রধানমন্ত্রী ভূমিহীনদের জন্য ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে, আর আমরা নিজেরা ঘর স্থাপন করে বসে আছি সেগুলো ভেঙ্গে রাস্তায় নামিয়ে দিচ্ছে। একদিন আগে মাইকিং করেছে আমাদের এখান থেকে চলে যেতে হবে। কোন নোটিশ দেয় নি এত জরুরি ভাবে ভেঙে আমাদের রাস্তায় কেন নামানো হলো আমরা সেটাই বুঝতে পারছি না। আমাদের পূর্ণবাসন করুন, আমাদের থাকার জায়গা দিন, আমাদের এই জায়গা ছাড়া কোথাও থাকার মত যায়গা নেই।

ফিরোজা বেগম বলেন, শেখ হাসিনা আপনি আমার বইন আমারে ঘরছাড়া কইরেন না, আপনার বাবার নাম শেখ মুজিব আমার বাবার নাম ও শেখ চেয়ারম্যান। আমি একদিন ছিলাম বড় ঘরের মেয়ে এখন নদীর পাড়ে ঘর উঠিয়ে থাকি। আপনি আমারে ঘরছাড়া কইরেন না।

তিনি আরোও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আপনার সহযোগিতা কামনা করছি, আপনি মানুষদের ঘর করে দিচ্ছেন আর আমাদেরকে কেন রাস্তায় নামিয়ে দিচ্ছেন। বছরের পর বছর আমরা এখানে ঘর উঠিয়ে থাকি আমাদের কেন এখান থেকে উঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। আমাদের থাকার জায়গা দিন আমরা সেখানে চলে যাব। এই শীতের মধ্যে আমরা কিভাবে রাত্রিযাপন করব। গরীব মানুষের জন্য আপনি ছাড়া কেউ নেই।

পরিবারগুলো আরও বলেন,এখানের ৫০০ বেশি পরিবার সদস্যরা ১৯৮৬ সাল থেকে জেলা প্রশাসন কর্তৃক বন্দোবস্ত নিয়ে বসবাস করেছেন ২০১২ সাল থেকে জেলা প্রশাসনের দেওয়া বন্ধবস্ত বন্ধ করে দেয়। আমাদের বন্দোবস্ত দিবে তো দূরের কথা আমাদের এখন উচ্ছেদ করছে। একটু খালি জায়গা দিল এই মাল-সামানা নিয়ে ঘর উঠিয়ে থাকতে পারি। রাস্তায় থাকা ছাড়া উপায় নেই

পটুয়াখালী সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা শাহিন মাহমুদ বলেন, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন এর নেতৃত্বে সরকারি খাস জমি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আমরা এর আগে তাদেরকে মাইকিং করে জানিয়ে দিয়েছি। এছাড়াও উচ্ছেদ অভিযান এর আগে তারা আমার অফিসে এসেছিল তখন আমি তাদেরকে জানিয়ে দিয়েছি সকল ধরনের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য। ইতিমধ্যে অনেক পরিবার তারা তাদের স্থাপনা সরিয়ে নিয়েছে। বাকি যেগুলো আছে সেগুলো আমরা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছি।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;