আড়াই মাস পর শনাক্ত একশ ছাড়াল

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মহামারি করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় কারো মৃত্যু না হলেও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। সারা দেশে আরও ১০৯ জন শনাক্ত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত মৃত্যু ২৯ হাজার ১৩১ জন এবং শনাক্ত ১৯ লাখ ৫৪ হাজার ১১৫ জন।

রোববার (১২ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ২৮০টি নমুনা পরীক্ষা করে মোট ১০৯ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে।পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২ দশমিক ০৬ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৯১ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৫ হাজার ২৬৬ জন।

শনাক্তের মধ্যে ১০১ জনই ঢাকার বাসিন্দা। এর বাইরে নারায়ণগঞ্জে ২ জন, চট্টগ্রামে ২ জন, জয়পুরহাটে ৩ জন, নওগাঁয় ১ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

এর আগে সর্বশেষ ২৫ মার্চ একশর বেশি কোভিড রোগী শনাক্ত হয়েছিল দেশে। সেদিন ১০২ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়েছিল।

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রমনের দাপট কমলে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হাজারের নিচে নামে। ধারাবাহিকভাবে কমতে কমতে এক পর্যায়ে তা একশার নিচে নেমে আসে।

দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত (কোভিড-১৯) প্রথম রোগী শনাক্ত হয় ২০১৯ সালের ৮ মার্চ। তার ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

   

চট্টগ্রামেও ভূমিকম্প অনুভূত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

শনিবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটের দিকে এ ভূকম্পন অনুভূত হয়। ৩ থেকে ৪ সেকেন্ড স্থায়ী ছিল এই ভূমিকম্প।

ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রাম অঞ্চলের কন্ট্রোল রুম জানায়, সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর আমরা পায়নি।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;

পার্বত্য শান্তি চুক্তি বিশ্বে অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত: রাষ্ট্রপতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, পার্বত্য শান্তি চুক্তি শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে বিশ্বে একটি অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।  

শনিবার (২ ডিসেম্বর) পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের ২৬ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে শুক্রবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেন, পার্বত্য জেলাগুলোর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও এ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সরকার কর্তৃক গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে এক ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর ফলে পার্বত্য জেলাসমূহে দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটে; সূচিত হয় শান্তির পথচলা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ উদ্যোগ শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে বিশ্বে একটি অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ি নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপার আধার। যুগযুগ ধরে পাহাড়ে বসবাসরত বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর বর্ণিল জীবনাচার, ভাষা, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি এ অঞ্চলকে বিশেষভাবে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত করেছে।

রাষ্ট্রপতি পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের ২৬ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে পার্বত্য এলাকার সকল অধিবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

তিনি আরও বলেন, প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় অঞ্চল। শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় এ অঞ্চলের উন্নয়নে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হয়েছে। ফলশ্রুতিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক, অবকাঠামো ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে। পার্বত্য জেলাসমূহের উন্নয়ন কর্মকান্ডকে টেকসই ও বেগবান করতে আমি দলমত নির্বিশেষে সংশ্লিষ্ট সকলকে আরও নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানাচ্ছি।

রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ধারাবাহিকতায় পার্বত্য অঞ্চল উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে এগিয়ে যাবে।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;

ঢাকার বায়ু আজও অস্বাস্থ্যকর, দুর্যোগপূর্ণ পর্যায়ে দিল্লি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বায়ুদূষণের পরিস্থিতি নিয়মিত তুলে ধরে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স- (আইকিউএয়ার)। আজ সকাল নয়টার দিকে বায়ুদূষণে বিশ্বের ১০০টি শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান চতুর্থ। শহরটির স্কোর ১৮১ অর্থাৎ এখানকার বায়ুর এ মান ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।  

শনিবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার দিকে দুষিত বায়ুর শহরগুলোর তালিকায় ৪২৩ স্কোর নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে ভারতের রাজধানী দিল্লি। শহরটির এ স্কোর বায়ু দুর্যোগপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে।

১৯১ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের করাচি। এর অর্থ সেখানকার বায়ুর মানও অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। তৃতীয় অবস্থানে ছিল পাকিস্তানের লাহোর। সূচকে শহরটির স্কোর ১৮৯।

বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা এই লাইভ বা তাৎক্ষণিক একিউআই সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং সতর্ক করে।

আইকিউএয়ারে দেওয়া আজকের তালিকায় বলা হয়েছে, ঢাকার বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণাই (পিএম ২.৫) দূষণের প্রধান উৎস। ঢাকার বাতাসে যতটা এই বস্তুকণা আছে, তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মানদণ্ডের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৪ গুণ বেশি।

আইকিউএয়ারের বায়ু নিয়ে তৈরি প্রতিবেদনে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দূষণ থেকে রক্ষা পেতে আজ ঢাকাবাসীর জন্য পরামর্শ, বাইরে বের হলে মাস্ক পরে বের হবেন।

উল্লেখ্য, স্কোর ৫১ থেকে ১০০ হলে তাকে ‘মাঝারি’ বা ‘গ্রহণযোগ্য’ মানের বায়ু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে, তা ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তাকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু ধরা হয়। ৩০১ থেকে তার ওপরের স্কোরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ধরা হয়। ঢাকায় গত জানুয়ারি মাসে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক দিন দুর্যোগপূর্ণ বাতাসের মধ্যে কাটিয়েছে নগরবাসী। জানুয়ারির মোট ৯ দিন রাজধানীর বাতাসের মান দুর্যোগপূর্ণ ছিল, যা গত ৭ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;

ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৫। এর উৎপত্তিস্থল কুমিল্লা থেকে ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণে। প্রাথমিকভাবে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।  

শনিবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটের দিকে এ কম্পন অনুভূত হয়। 

ইউরোপীয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) ও মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা- ইউএসজিএস জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল কুমিল্লা থেকে ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণপশ্চিমে এবং লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ থেকে ৮ কিলোমিটার উত্তরপূর্বে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৫। 

এদিকে রাজশাহী, সিলেট, রংপুর, চুয়াডাঙ্গা, নোয়াখালী, কুষ্টিয়া থেকে ভূমিকম্পের খবর পাওয়া গেছে।

ভূমিকম্পের সময় রাজধানীতে অনেকেই আতঙ্কে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। 

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;