শনাক্তের হার ১.৩১ শতাংশ, মৃত্যু আরও ২

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস সংক্রমিত হয়ে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় দেশে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৯০৬ জনে।

একই সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ২৩৫ জন। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৫ লাখ ৭১ হাজার ৬৬৯ জনে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৩১ শতাংশ।

বুধবার (১০ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৭১ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৩৫ হাজার ৬৬১ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮ হাজার ২৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৭ হাজার ৯৮৭টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১ দশমিক ৩১ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট ১ কোটি ৫ লাখ ২৫ হাজার ৯২৯টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ। প্রতি ১০০ জনে সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং মৃত্যুহার ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১ জন, নারী ১ জন। তাদের বয়স ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে।

দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত (কোভিড-১৯) প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। তার ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

টাঙ্গাইলে বাড়ছে সরিষার আবাদ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,টাঙ্গাইল
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলে সরিষার আবাদে এসেছে এক বিপ্লবী পরিবর্তন। সাড়ে ৩৯ হাজার হেক্টর থেকে আবাদি জমির পরিমাণ বেড়ে এখন প্রায় ৫০ হাজার ৪৮৮ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ হয়েছে। সেই সাথে বাড়ছে উচ্চ ফলনশীল জাতীয় সরিষার আবাদ। টাঙ্গাইলে ২০১১ সালে প্রথম বারের মতো উচ্চ ফলনশীল বারি-১৪ সরিষার আবাদ শুরু হয়। ১০ বছরের ব্যবধানে এখন প্রায় অর্ধেক জমি দখল করে নিয়েছে এই জাতটি।বারি-১৪ জাতের সরিষার ফলন ও পুষ্টি গুণ বেশি। পোকা মাকড়ের আক্রমণ নেই বললেই চলে।চলিত মৌসুমে উচ্চ ফলনশীল বারি-১৪ জাতের সরিষার বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন চাষিরা। টাঙ্গাইলের চাষিদের উচ্চ ফলনশীল বারি-১৪ জাতের সরিষা আবাদে আগ্রহ বাড়ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,তিন-চার সপ্তাহ আগেও টাঙ্গাইলের মির্জাপুর, বাসাইল,টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী উপজেলার চাষিদের মাঠে ছিল সরিষার হলুদ ফুলের সমারোহ। আর এখন সরিষার ফুলগুলো পরিপক্ক দানায় পরিণত হয়েছে।তাই কৃষক স্বপ্নে বিভোর হয়ে আছে কখন তোলতে পারবে তাদের মাঠের সরিষা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে ৫০ হাজার ৪৮৮ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ করা হয়েছে।তারই মধ্যে চলতি মৌসুমে ২৪ হাজার ৪২০ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল বারি-১৪ জাতের সরিষা আবাদ করা হয়েছে।

কৃষক আব্দুল হামিদ বলেন, আমি চলিত মৌসুমে এক একর জমিতে উচ্চ ফলনশীল বারি-১৪ জাতের সরিষা আবাদ করেছি।বারি-১৪ সরিষা আবাদে ফলন বেশি হয়।দেশী সরিষার চেয়ে বারি-১৪ জাতের সরিষা বেশি হয়।পোকা মাকড়ে ধরে না।বারি-১৪ জাতের সরিষা আবাদ করেও আমরা বোরো আবাদ করতে পারি।

কৃষক আবু তাহের বলেন, বারি-১৪ জাতের সরিষা দেশী সরিষার চেয়ে বেশি ফলন হয়।দেশী সরিষার চেয়ে ২৫-৩০ ভাগ বেশি হয়।বৃষ্টি হলেও বারি-১৪ জাতের সরিষা হেলে পরে না।পোকা মাকড়ে আক্রমণ করে না।বারি-১৪ সরিষা আবাদ করেও আমরা বোরাে আবাদ করতে পারি। এ মৌসুমে আমি দুই একর বারি-১৪ জাতের সরিষা আবাদ করছি।সরিষা খুবই ভালো হয়েছে।

টাঙ্গাইল প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সরেজমিন গবেষণা বিভাগ ড. আব্দুল হেলিম বলেন, সরিষা আবাদ করেও চাষিরা পরে দুইটি ফসল আবাদ করতে পারেন।৮০-৯০ দিনের মধ্যে চাষিরা সরিষা তোলতে পারেন।৩৩ শতাংশ জমিতে ৫-৬ মণ সরিষা হয়।উচ্চ ফলনশীল বারি-১৪ জাতের সরিষা আবাদ করেও বোরো ধান আবাদ করা যায়।দেশী টরি-৭ জাতের সরিষার চেয়ে বারি-১৪ জাতের সরিষার ফলন ২৫-৩০ ভাগ বেশি হয়।এই সরিষার পুষ্টিগুণও বেশি।সরিষা আবাদের আগে চাষিদের বিভিন্ন পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকি।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;

আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী আজ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী আজ

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ২৪ জানুয়ারি। ২০১৫ সালের এই দিনে মালয়েশিয়ায় তার মৃত্যু হয়। 

বিএনপির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সোমবার সকালে বনানী কবর প্রাঙ্গণে কোরআনখানি, দুপুর ১২টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ও বিকেল ৫টায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া ঢাকা মহানগরের ২৬ থানায় দুস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হবে।

দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানান, করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রতিটি কর্মসূচিতে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ এবং সীমিত সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

আরাফাত রহমান কোকো ২০০৭ সালে তত্বাবধায়ক সরকারের সময় রাজনৈতিক মামলায় গ্রেফতার হন। তিনি ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড যান এবং পরবর্তীকালে সেখান থেকে মালয়েশিয়ায় গিয়ে বসবাস ও চিকিৎসা করছিলেন। ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কুয়ালালামপুরের মালয়েশিয়া জাতীয় মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন ও সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। ২৭ জানুয়ারি তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।

 

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;

১৬ ঘন্টা ধরে পানি ও বিদ্যুৎহীন শাবি ভিসি, অনশনের ১১৩ ঘন্টা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

১৬ ঘন্টা ধরে নিজ বাসভবনে অবরুদ্ধ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। একইসঙ্গে তার বাসভবনে সকল জরুরি পরিষেবা অর্থাৎ বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট ও পানি সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। পুলিশ ছাড়া কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দিচ্ছেনা আন্দোলনকরী শিক্ষার্থীরা।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) রাত ৮টায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা এসব সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এর আগে বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষার্থী নাফিজা আনজুম বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেব। এখন থেকে পুলিশ ছাড়া আর কাউকে ভিসির বাসবভনের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা উপাচার্যের বাসভবনের ভেতরে কাউকে ঢুকতে দেব না। আমরা এখানে বসে অনশন করছি, আর সবাই গিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করবেন, সেটা হয় না। এ কারণে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

এদিকে, উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশনের ১১৩ ঘণ্টা পেরিয়েছে সোমবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৮টায়। এরইমধ্যে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আন্দোলনরত ১৬ শিক্ষার্থী। অনশনকারীরা ধীরে ধীরে সুনিশ্চিত মৃত্যুর দিকে চলে যাচ্ছে। তবুও তারা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। আগের ২৩ জনের সঙ্গে শনিবার রাত থেকে আরও ৪ জন অনশনে যুক্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ জানুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন হলের কয়েক শ ছাত্রী। শনিবার সন্ধ্যার দিকে হলের ছাত্রীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। রোববার দাবি আদায়ে ছাত্রীরা উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখলে পুলিশ উপাচার্যকে উদ্ধার করতে গিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশি সংঘর্ষ হয়। এতে অর্ধশত শিক্ষার্থীসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। এর পর থেকে উপাচার্য পদত্যাগের দাবি উঠে।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;

ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ মামলা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, ভূমি জবর দখলে সহযোগিতা ও মীমাংসার নামে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ নোয়াখালীর চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের ও দুই এএসআইয়ের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় পুলিশ সদস্য ছাড়াও আরও ৯ জনকে আসামি করা হয়।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে জেলার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৭ নং আমলী আদালতে এ মামলা দায়ের করেন উপজেলার উত্তর বদলকোটের কাজী রফিক উল্লার ছেলে আবদুল ওয়াহেদ। এ ঘটনায় অভিযোগ তদন্তে আদালত পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী তাজুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, ১৩ জানুয়ারি সকালে বিবাদী পক্ষের সন্ত্রাসী বিভিন্ন দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ভূমি দখলের চেষ্টা করে। এসময় বাদী পক্ষের লোকজন ৯৯৯ এ কল কওে জানায়। পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যায়। এরপর এএসআই জাকির হোসেন ও সুমন সিভিলে এসে হুমকি দেন
কেন ৯৯৯ এ কল করা হয়েছে। ওসি সাহেবের নির্দেশে আমরা এসেছি। আপনারা কাগজপত্র নিয়ে থানায় আসেন। পরে তারা থানায় আসলে ওসি তাদের বসিয়ে রেখে সময় ক্ষেপন করেন। এসময় তিনি অন্যত্র জমি কিনে দেয়ারও প্রস্তাব করেন।

পুলিশের ওসি আবুল খায়েরসহ এএসআই জাকির হোসেন ও এএসআই সুমন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, ভূমি জবর দখলে সহযোগিতা ও মীমাংসার নামে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ করা হয়।

মামলার বাদী আবদুল ওয়াহেদ জানান, ওসি সাহেব ১৩ জানুয়ারি আমার বাবা ও ভাইকে থানায় ডেকে নিয়ে বসিয়ে রেখে আমাদের জায়গায় জোরপূর্বক আরেক পক্ষকে জায়গা দখলে নিয়ে দিয়েছে। আমাদের ওসি সাহেব খতিয়ান দেখাতে বললে আমারা খতিয়ান দেখাই পরে ওসি আমাদের অন্য জায়গায় জমি কিনে
দেয়ার কথা বলেন। ওসি কেন আমাদের কথা বলবেন?

তিনি বলেন, এএসআই জাকির হোসেন ও সুমন সিভিলে এসে হুমকি ধমকি দিচ্ছেন। ওসি সাহেব নাকি তাদের পাঠিয়েছেন আমরা দখলকারীদের কাজে কেনো বাধা দিচ্ছি।

এ বিষয়ে জানতে চাটখিল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে চাটখিল থানার পরিদর্শক তদন্ত ফোন রিসিভ করেন। তিনি জানান ওসি সাহেব অসুস্থ।
পিবিআই জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী জানান, এ বিষয়ে এখনো কাগজপত্র হাতে পাইনি। নথিপত্র হাতে পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;