কোস্টারিকার সহজ হিসাব, জার্মানির জটিল সমীকরণ

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
কোস্টারিকার সহজ হিসাব, জার্মানির জটিল সমীকরণ

কোস্টারিকার সহজ হিসাব, জার্মানির জটিল সমীকরণ

  • Font increase
  • Font Decrease

রাশিয়া বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্যায় থেকে বাদ পড়েছিল জার্মানি। কাতার বিশ্বকাপেও শঙ্কা এখনও তাদের। গ্রুপের শেষ রাউন্ডের ম্যাচে তাদের সামনে এখন কোস্টারিকা। এই ম্যাচে কেবল জিতলেই হবে না, তাকিয়ে থাকতে হবে অন্যদের দিকেও।

বিশ্বকাপের ‘ই’ গ্রুপে জার্মানির জন্যে মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি মাঠে গড়াবে বৃহস্পতিবার রাত ১টায়। আল বাইত স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দুই দল।

ফিফা র‍্যাঙ্কিং বলছে জার্মানির স্থান ১১ নম্বর, অন্যেদিকে কোস্টারিকার অবস্থান ৩১ নম্বরে। তবে র‍্যাঙ্কিংয়ের এই অবস্থান অনুযায়ী এখনও খেলতে পারছে না চারবারের বিশ্বকাপজয়ীরা।

কাতারে নিজেদের প্রথম খেলায় জাপানের বিপক্ষে অঘটনের শিকার হয়েছিল জার্মানি। ২-১ গোলে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে দিয়েছিল এশিয়ার দেশটি। পরের ম্যাচে স্পেনের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে জার্মানি।

অন্যদিকে, কোস্টারিকার এবারের বিশ্বকাপ শুরু হয়েছে দুঃস্বপ্নে। স্পেনের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তারা হেরেছে ৭-০ গোলে। পরের ম্যাচে অবশ্য জাপানকে হারিয়েছে তারা একমাত্র গোলে।

বিশ্বকাপের ‘ই’ গ্রুপের পয়েন্ট তালিকায় দুই ম্যাচ থেকে মাত্র ১ পয়েন্ট নিয়ে জার্মানি আছে তলানিতে। স্পেন আছে শীর্ষ স্থানে, তাদের পয়েন্ট ৪, কোস্টারিকা ও জাপানের পয়েন্ট ৩। পয়েন্ট তালিকার এই অবস্থানের কারণে চার দলের জন্যেই শেষ ষোলোর সুযোগ উন্মুক্ত রয়েছে। তবে দলগুলোর মধ্যে গোলপার্থক্যে সবচেয়ে সুবিধাজনক স্থানে রয়েছে স্পেন।

জার্মানি ও কোস্টারিকার মধ্যে খেলায় ভালো অবস্থানে রয়েছে কোস্টারিকাই। জিতলেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত তাদের। আবার ড্র করলেও থাকবে সুযোগ, সেক্ষেত্রে স্পেন-জাপানের খেলায় জিততে হবে স্পেনকে।

আরও হিসাব আছে, কোস্টারিকা যদি ড্র করে এবং স্পেন যদি হারে, তাহলে দুই দলের মধ্যে গ্রুপ রানার্সআপ প্রথমে নির্ধারিত হবে গোল ব্যবধানে; বর্তমানে স্পেনের গোল ব্যবধান (+৭) আর কোস্টারিকার (-৬)।

কোস্টারিকা যখন একটা জয় পেলেই সহজেই যেতে পারছে শেষ ষোলোতে, সেখানে জার্মানির জন্যে রয়েছে অনেক হিসাব। জার্মানিকে প্রথমে জিততেই হবে। এরপর অপেক্ষা করতে হবে স্পেন-জাপানের ম্যাচের ফল। অন্য ম্যাচে জাপান যদি হারে, তবেই নিজেরা জিতে যেতে পারবে পরের ধাপে।

আবার অন্য ম্যাচে জাপান ড্র করলে, নিজেদের ম্যাচে ২ গোলের ব্যবধানে জিতে লক্ষ্য পূরণ হবে জার্মানির। জাপান ড্র করল আর জার্মানি ১ গোলের ব্যবধানে জিতল, সেক্ষেত্রে দুই দলের গোল ব্যবধান হবে সমান (০), তখন বিবেচনায় আসবে কারা বেশি গোল করেছে।

এরপরের হিসাব জার্মানির জন্যে আরও জটিল, স্পেন হারলে এবং জার্মানি জিতলেও সুযোগ তৈরি হতে পারে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের; তবে গোল ব্যবধানে অনেক এগিয়ে স্পানিশরা। স্পেনের গোল ব্যবধানে (+৭), জার্মানির (-১)। এক্ষেত্রে জার্মানি যদি ৮ গোলের ব্যবধানে জিতে কিংবা স্পেন ৮ গোলের ব্যবধানে হারে, তাহলে এ দুই ক্ষেত্রেই গ্রুপ রানার্সআপ হবে জার্মানি।

   

সিলেটের জয়ে শেষ বিপিএলের লিগ পর্ব



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

খুলনা টাইগার্স বনাম সিলেট স্ট্রাইকার্স ম্যাচটি এককথায় ছিল ‘ডেড রাবার’। যার অর্থ টুর্নামেন্টের সমীকরণ বিবেচনায় গুরুত্বহীন ম্যাচ। কারণ দুই দলের টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছিল আগেই। সিলেট তো আগেই বিদায় নিয়েছিল, দিনের প্রথম ম্যাচে বরিশাল জেতায় খুলনারও বিপিএলের পাট চুকিয়ে যায়। এমন ম্যাচে সান্ত্বনার জয় পেয়েছে সিলেট। খুলনাকে তারা হারিয়েছে ৬ উইকেটে।

মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে টসভাগ্য সঙ্গ দেয় সিলেটের। টস জিতে আগে খুলনাকে ব্যাটিংয়ে পাঠান সিলেট অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। কিন্তু শুরুতেই শফিকুল ইসলামের বলে এনামুল হক বিজয় (১০) বোল্ড হয়ে গেলে বিপদ দেখে খুলনা।

তিনে নামা হাবিবুর রহমান সোহান এবং চার নম্বর ব্যাটার মাহমুদুল হাসান জয় দলের স্বস্তির কারণ হতে পারেননি। বিজয়ের সঙ্গে ইনিংস শুরু করতে নামা আফিফ হোসেনই হয়ে ওঠেন দলের বড় ভরসা। অন্য প্রান্তের ব্যাটাররা সমর্থন দিতে না পারলেও একাই দলের রানের চাকা সচল রাখেন। খণ্ডকালীন বোলার নাজমুল হোসেন শান্তকে ছক্কা হাঁকিয়ে ৩১ বলে ফিফটি করেন এই ব্যাটার।

তবে ফিফটির পর আর ইনিংসটিকে এগিয়ে নিতে পারেননি আফিফ। সামিট প্যাটেলের বলে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে মিডউইকেটে ইয়াসির আলির হাতে ধরা পড়েন তিনি। আউট হয়ে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৩৫ বলে ৩ চার এবং ৪ ছক্কা সহযোগে ৫২ রান।

৯৮ রানে প্রথম পাঁচ ব্যাটারকে হারানো খুলনা একশ ছাড়ায় ওয়েইন পারনেলের ১৪ বলে ২১ রানের ক্যামিওর কল্যাণে।

সিলেটের রান তাড়ার শুরুটাই হয় বড়সড় হোঁচট দিয়ে। প্রথম দুই ওভারে সাজঘরের পথ ধরে দলটির দুই ওপেনার জাকির হাসান (০) এবং কেনার লুইস (৫)। তবে তৃতীয় উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্ত এবং ইয়াসির আলি চৌধুরী রাব্বির জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় সিলেট। তাদের ৭০ রানের জুটি ভাঙেন আরিফ আহমেদ। তার বলে ব্যাকফুট পাঞ্চ করতে গিয়ে বোল্ড হয়ে ফেরেন শান্ত (৩৯)।

জেসন হোল্ডারের বলে নাহিদুল ইসলামের ক্যাচ হয়ে ৪৬ রানে থামেন রাব্বি। তবে দুই সেট ব্যাটারে খুব একটা বিপদে পড়তে হয়নি সিলেটকে। অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন (১৯*) এবং অলরাউন্ডার বেনি হাওয়েল (১২*) মিলে ২ ওভার হাতে রেখেই তাদের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

আফিফের ফিফটির পরও খুলনার কষ্টেসৃষ্টে ১২৮



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দিনের প্রথম ম্যাচে কুমিল্লাকে বরিশাল হারিয়ে দিতেই খুলনা-সিলেট ম্যাচটি ‘ডেড রাবার’-এ পরিণত হয়। বরিশালের জয়ের সঙ্গে সঙ্গে টুর্নামেন্টে বিদায়ঘণ্টা বাজে খুলনার। সিলেটের বিদায় তো আরও আগেই নিশ্চিত হয়ে গেছে। প্লে-অফের দৌড় থেকে ছিটকে যাওয়া দুই দলের ম্যাচে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১২৮ রান করেছে খুলনা টাইগার্স।

মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে টসভাগ্য সঙ্গ দেয় সিলেটের। টস জিতে আগে খুলনাকে ব্যাটিংয়ে পাঠান সিলেট অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। কিন্তু শুরুতেই শফিকুল ইসলামের বলে এনামুল হক বিজয় (১০) বোল্ড হয়ে গেলে বিপদ দেখে খুলনা।

তিনে নামা হাবিবুর রহমান সোহান এবং চার নম্বর ব্যাটার মাহমুদুল হাসান জয় দলের স্বস্তির কারণ হতে পারেননি। বিজয়ের সঙ্গে ইনিংস শুরু করতে নামা আফিফ হোসেনই হয়ে ওঠেন দলের বড় ভরসা। অন্য প্রান্তের ব্যাটাররা সমর্থন দিতে না পারলেও একাই দলের রানের চাকা সচল রাখেন। খণ্ডকালীন বোলার নাজমুল হোসেন শান্তকে ছক্কা হাঁকিয়ে ৩১ বলে ফিফটি করেন এই ব্যাটার।

তবে ফিফটির পর আর ইনিংসটিকে এগিয়ে নিতে পারেননি আফিফ। সামিট প্যাটেলের বলে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে মিডউইকেটে ইয়াসির আলির হাতে ধরা পড়েন তিনি। আউট হয়ে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৩৫ বলে ৩ চার এবং ৪ ছক্কা সহযোগে ৫২ রান।

৯৮ রানে প্রথম পাঁচ ব্যাটারকে হারানো খুলনা একশ ছাড়ায় ওয়েইন পারনেলের ১৪ বলে ২১ রানের ক্যামিওর কল্যাণে।

সিলেটের পক্ষে ৪ ওভার বোলিং করে ১৫ রান খরচ করে ৩ উইকেট নেন ইংলিশ বেনি হাওয়েল। দুটি উইকেট যায় দুই পেসার শফিকুল ইসলাম এবং তানজিম হাসান সাকিবের ঝুলিতে।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

রুটের সেঞ্চুরিতে রাঁচি টেস্টের প্রথম দিন ইংল্যান্ডের 



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দিনটা যেন হয়েও হলো না ভারতের। অভিষেকে আকাশ দীপের চমক দেখানো পেসে ১১২ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে ইংলিশরা। এতে দ্বিতীয় দিন শেষের আগেই প্রথম ইনিংস শেষের আশঙ্কা জাগে সফরকারী দলে। তবে জো রুটের সেঞ্চুরিতে দিনটা ঘুরে গেল ইংল্যান্ডের দিকে। সিরিজের প্রথম তিন টেস্টের ৬ ইনিংস মিলিয়ে ৭৭ রানের পর রাঁচি টেস্টে সেঞ্চুরির। লাল বলের ক্রিকেটে এই তারকা ব্যাতারের ৩১তম সেঞ্চুরির দিনে তিনশ পেরিয়েছে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ। 

রাঁচিতে প্রথম দিনে ইংল্যান্ড ব্যাট করেছে পুরো ৯০ ওভার। সেখানে ৭ উইকেটে ৩০২ রান তুলেছে বেন স্টোকসের দল। ১০৬ রানে অপরাজিত আছেন রুট। 

টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামা ইংলিশ ব্যাটারদের শুরতে পেস ভেল্কীতে ভোগান ২৮ বছর বয়সী অভিষিক্ত আকাশ। ৫৭ রানেই সাজঘরে পাঠান শুরুর তিন ব্যাটার বেন ডাকেট, ওলি পোপ ও জ্যাক ক্রলিকে। সেখান থেকে চাপ কিছুটা সামলে নিলে ১০৯ থেকে ১১২ এই তিন রানের ব্যবধানে জনি বেয়ারস্টো ও বেন স্টোকসকের ফেরান জাদেজা ও অশ্বিন। 

একপ্রান্তে উইকেটের মিছিল চললেও রুট হন থিতু। উইকেটরক্ষক বেন ফোকসকে নিয়ে দেখান চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহের আশা। তবে দিনশেষে হয়ে আসে ভালোর কাতারেই। ফিফটির আগে ৪৭ রান ফোকস ফিরলেও রানে ফেরার দিনে ২১৯ বলে সেঞ্চুরি তোলেন রুট। ফোকসের সঙ্গে তার ১১৩ রানের জুটিি মূলত ম্যাচে ইংলিশদের ফিরিয়ে আনে। এদিকে মার্ক উডের বদলে সিরিজে প্রথমবারের মতো একাদশে জায়গা পাওয়া ওলি রবিনসন বোলিংয়ের আগে ব্যাটিংয়ের দেখিয়ে দিলেন নিজের সক্ষমতা। রুটকে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে ৩১ রানে অপরাজিত থেকে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করবেন এই ডানহাতি ব্যাটার। 

ম্যাচের আগে স্টোকসের মাঠ পরখের মন্তব্যের পর পিচ স্পিন সহায়ক মনে হলেও রাঁচিতে প্রথম দিনে সফল পেসাররাই। আকাশের ৩ দিন উইকেট ছাড়া এদিন মোহাম্মদ সিরাজ নিয়েছনে ২টি উইকেট

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

তামিমের ‘ক্যাপ্টেনস নকে’ প্লে-অফে বরিশাল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অধিনায়ক হিসেবে দলের রান তাড়ায় নেতৃত্ব দিলেন তামিম ইকবাল। ফরচুন বরিশালের সামনে আহামরি কোনো লক্ষ্য দাঁড় করাতে পারেনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। তামিমের ফিফটিতে কুমিল্লার দেয়া ১৪১ রানের লক্ষ্য ৬ উইকেট হাতে রেখেই পেরিয়ে গেছে বরিশাল। এই জয়ে নিজেদের প্লে-অফে খেলা নিশ্চিত করেছে তারা, আর শেষ ম্যাচে মাঠে নামার আগেই প্লে-অফে খেলার সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে খুলনা টাইগার্সের।

মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে টসে জিতে আগে কুমিল্লাকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বরিশাল। শুরু থেকেই ধীরগতিতে ইনিংস গড়ে তোলার চেষ্টা করেন কুমিল্লার ব্যাটাররা। তবে সে ফর্মুলা কাজে দেয়নি মোটেও। উইকেটে কিছুটা থিতু হয়েও উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে এসেছেন তারা।

দলটির প্রথম পাঁচ ব্যাটারের মধ্যে মাত্র দুইজন ১০০-র বেশি স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করেছেন। তাদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১০৯ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করে ২২ বলে ২৪ রান করেন ইংলিশ ব্যাটার মঈন আলি। দলীয় সর্বোচ্চ ২৫ রান আসে তাওহিদ হৃদয়ের ব্যাটে।

শেষদিকে জাকের আলি অনিকের দুই চার এবং চার ছক্কায় ৩৮* রানের ক্যামিওতে ১৪০ পর্যন্ত পৌঁছায় কুমিল্লার রান।

১৪১ রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং করেন তামিম ইকবাল। ওপেনিং সঙ্গী আহমেদ শেহজাদ (১) এবং তিনে নানা কাইল মায়ার্স (২৫) খুব একটা সমর্থন জোগাতে না পারলেও আপন ছন্দে এগোতে থাকেন বরিশাল অধিনায়ক। ৪০ বলে ম্যাথু ফোর্ডকে ছক্কা হাঁকিয়ে ফিফটি স্পর্শ করেন দেশসেরা এই ওপেনার।

তামিমের ঝোড়ো ফিফটির পরও অন্য ব্যাটাররা ধীরগতিতে খেলায় শেষদিকে চাপে পড়ে বরিশাল। শেষ ৩ ওভারে যখন ২৮ রান প্রয়োজন তখন আন্দ্রে রাসেলকে ছক্কা হাঁকানোর পরের বলেই বাউন্ডারিতে ক্যাচ হন তামিম। ৪৮ বলে ৬ চার এবং ৩ ছয়ে ৬৬ রানের ইনিংস খেলে ফেরেন বরিশাল অধিনায়ক।

তামিম ফিরলেও মাহমুদউল্লাহ এবং সৌম্য সরকারের নিয়ন্ত্রিত আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ২ বল হাতে রেখেই চতুর্থ এবং শেষ দল হিসেবে প্লে-অফের টিকিট পায় বরিশাল।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;