বাংলাদেশকে ১৫৭ রানের লক্ষ্য দিলো ইংল্যান্ড



স্পোর্টস ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহের চোখ রাঙানি দিচ্ছিল ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার ফিল সল্ট ও জস বাটলার। টাইগার শিবিরে সহজ ক্যাচ মিসের আক্ষেপের মধ্যে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে ফেলেছিল ইংলিশরা। মাঝে দুই উইকেট তুলে নিয়ে ইংল্যান্ডের রানের গতি কিছুটা কমিয়েছিল বাংলাদেশের স্পিনাররা।

তবে একপ্রান্ত আগলে ধরে রেখে বাংলাদেশের বোলারদের ওপর রীতিমতো ঝড় চালিয়েছেন ইংলিশ অধিনায়ক বাটলার। তার ঝোড়ো ফিফটিতে বড় সংগ্রহের ভিত গড়েছিল সফরকারীরা। তবে বাংলাদেশি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রান সংগ্রহ করেছে ইংল্যান্ড।

বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চোধুরী টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ। প্রথম থেকেই রোটেশন পদ্ধতিতে স্পিন-পেস বোলার ব্যবধার করে শুরু করেন টাইগার কাপ্তান সাকিব। ফলে প্রথম তিন ওভারে মাত্র ২৩ রান তুলতে পেরেছিল ইংল্যান্ড।

এরপর বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে ওঠেন দুই ওপেনার। ফলে পাঁচ ওভার যেতে না যেতেই রান ৪৪ হয়ে যায়। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে জোড়া ক্যাচ মিস করে বাংলাদেশ। ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে ফিল সল্ট বোলার নাসুমের হাতে ক্যাচ তুলে দেন। তবে বাঁহাতি এই স্পিনার নিচু হয়ে হাত লাগালেও সেই ক্যাচ লুফে নিতে পারেননি।

একই ওভারে ইংলিশ অধিনায়ক বাটলারও ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন। কিন্তু বেশ উঁচু হয়ে আসা বল টাইগার দলপতি সাকিবও তা ফেলে দেন। ফলে ছয় ওভার শেষে বিনা উইকেটে ৫১ রান করেছে সফরকারীরা। এরপর কিছুটা নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন সাকিব-নাসুমরা। তবে ইংল্যান্ডের ইনিংসে দলের রান ৮০ হয়ে গিয়েছিল।

তবে ওভারের শেষ বলে প্রথম উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ। উইকেটের পিছনে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে দেন সল্ট। আম্পায়ার আউট দেওয়ার পরও ইংলিশ ওপেনার সঙ্গে সঙ্গেই রিভিউ নেন। তবে আল্ট্রা-এজে এই ওপেনারের বিদায় নিশ্চিত হয়। সল্ট ৩৫ বলে চার বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় ৩৮ রান করেন।

এরপর ১২তম ওভারে এসে ডেভিড মালানের উইকেট তুলে নেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব। তার স্পিন ঘুর্ণির বল সামনে এসে টেনে মারতে গিয়ে লং অনে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ তুলে দেন। বিদায়ের আগে ৭ বলে মাত্র ৪ রান করেন তিনি।

এরপর ১৩তম ওভারে হাসান মাহমুদকে টানা দুই ছক্কার মেরে নিজের ক্যারিয়ারের ফিফটির সঙ্গে ইংল্যান্ডের দলীয় ১০০ পেরিয়ে নিয়ে যান বাটলার। এই মাইলফলক অর্জন করতে ইংল্যান্ড অধিনায়কের লেগেছে মাত্র ৩২ বল।

এরপর দলীয় ১৩৫ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। ১৬তম ওভারের শেষ বলে মোস্তাফিজের শিকারে পরিণত হন তিনি। ফিজের ক্রস সিমের বলটি নিচু হয়েছিল বেশ, আড়াআড়ি খেলতে গিয়ে নাগালই পাননি ডাকেট। তাতে ১৩ বলে ২০ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি।

আগের ওভারের শেষ বলে মোস্তাফিজের শিকার ডাকেট, পরের ওভারের প্রথম বলে হাসান মাহমুদের বলে ফিরলেন বাটলার। লং অন দিয়ে টেনে মারার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে ইংল্যান্ড অধিনায়কের, ৪২ বলে ৬৭ রানের ইনিংস খেলেছেন এর আগে। ফলে টানা বলে উইকেট হারিয়ে কিছুটা ব্যাকফুটে চলে যায় ইংল্যান্ড।

এরপর শেষ দিকে মঈন আলী ৮, স্যাম কারান ৬, ক্রিস ওকস ১ ও ক্রিস জর্ডানের ৫ রানে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রান করেছে সফরকারীরা। বোলিংয়ে বাংলাদেশের পক্ষে ৪ ওভারে মাত্র ২৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন হাসান মাহমুদ। এছাড়া সাকিব, তাসকিন, মোস্তাফিজ ও নাসুম প্রত্যেকে একটি করে উইকেট পান।

   

ইংল্যান্ডের অপেক্ষা বাড়াল ডেনমার্ক



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আগের ম্যাচের জয়ের পাশে আজ একটা জয় যোগ করতে পারলেই সি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দল হিসেবে ইংল্যান্ড চলে যেত শেষ ষোলতে। তবে তাদের সে কাজটা করতে দেয়নি ডেনমার্ক। ১-১ গোলে রুখে দিয়েছে তাদের। ফলে ইংল্যান্ডের শেষ ষোলয় যাওয়ার অপেক্ষাটা গিয়ে ঠেকল তৃতীয় ম্যাচ পর্যন্ত।
অথচ ম্যাচে ইংল্যান্ড শুরুটা করেছিল বেশ ভালো। ফ্রাঙ্কফুর্টে আজ এগিয়ে গিয়েছিল ম্যাচের ১৮ মিনিটেই। কাইল ওয়াকারের বাড়ানো বল থেকে বায়ার্ন মিউনিখ তারকা হ্যারি কেইনের গোল এগিয়ে দেয় ইংলিশদের।
তবে তাদের সে লিড বেশিক্ষণ টেকেনি। ৩৪ মিনিটেই সমতা ফেরায় ডেনমার্ক। মর্টেন হিউলমান্ডের ওই গোলের পর ১-১ সমতা নিয়ে বিরতিতে যায় দুই দল।
সে সমতা ম্যাচের শেষ পর্যন্ত আর ভাঙেনি। তাই ইংল্যান্ডকে অপেক্ষায় থাকতে হয় শেষ ম্যাচের জন্য।

;

সুপার এইটে ভারতের শুভসূচনা

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বকাপে ভারত গেছে শিরোপা পুনরুদ্ধারের মিশনে। সে লক্ষ্য গ্রুপ পর্বটা বেশ ভালোভাবেই পার করেছে রোহিত শর্মার দল। আজ সুপার এইটের শুরুটাও তাদের হলো দুর্দান্ত। আফগানিস্তানকে ৪৭ রানে হারিয়ে দিয়েছে ২০০৭ সালের চ্যাম্পিয়নরা।

উইকেটে ঘাসের অস্তিত্ব ছিল না, বল আসছিল একটু থেমে। এমন উইকেটে ভারত শুরুতে ব্যাট করে ১৮১ রান তুলেছিল। ১৮২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তান দাঁড়াতেই পারেনি। পুরো ইনিংসের কখনও মনে হয়নি দলটা ১৮২ রানের চ্যালেঞ্জ জয় করতে পারে।

আফগানদের এই পরিণতির মূল কুশীলব যশপ্রীত বুমরাহ। পাওয়ারপ্লেতেই দুই ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ আর হজরতউল্লাহ জাজাইকে বিদায় করে আফগানদের নাড়িয়ে দেন। এরপর অক্ষর পাটেল ফেরান ইবরাহিম জাদরানকে। মাঝের সময়টায় তিনি কুলদীপ যাদব আর রবীন্দ্র জাদেজাকে সঙ্গে নিয়ে চেপে ধরে রেখেছেন প্রতিপক্ষকে। তাতে বাজে শুরুর পর আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি রশিদ খানের দল। শেষ দিকে আরশদীপ সিংও চলে আসেন দৃশ্যপটে। 

ভারতের এমন বোলিংয়ের সামনে শুরু থেকেই ধুকেছে আফগানরা। সর্বোচ্চ রান এসেছে আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ব্যাট থেকে, তাও মোটে ২৬। তাহলে বাকিদের পরিস্থিতিটা বুঝে নিন! ভারতও তাই তুলে নিয়েছে বেশ সহজ এক জয়। ৪৭ রানে জিতে দলটা শুভসূচনা করেছে বিশ্বকাপের সুপার এইটে। 

ভারতের শুরুটাও অবশ্য ভালো হয়নি। ফজলহক ফারুকীর শিকার হয়ে ১৩ বলে ৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন রোহিত। কোহলিও ব্যর্থ হন আজ। ২৪ বলে ২৪ রান করে ফেরেন। তার আগে পান্ত আক্রমণের চেষ্টা করে ফেরেন ১১ বলে ২০ রান নিয়ে।

দুজনের উইকেটই শিকার করেন রশিদ খান। এরপর শিভম দুবেও যখন রশিদের শিকার বনে গেলেন, ৯০ রানে ৪ উইকেট খুইয়ে ভারত তখন খাদের কিনারে।

ঠিক সে সময় দলের ত্রাতা হয়ে আসেন সূর্যকুমার। ২৮ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলে তিনি ভারতকে দেন বড় রানের দিশা। তাকে ফিফটির পরের বলেই বিদায় করেন ফারুকী।

তাকে সঙ্গ দেওয়া হার্দিক পান্ডিয়াও খুব বেশি দূর এগোতে পারেননি, ২৪ বলে ৩২ রানের ইনিংস খেলে তিনি বিদায় হন নাভিন উল হকের বলে আউট হয়ে। শেষ দিকে অক্ষর পাটেলের ৬ বলে ১২ রানের ইনিংসে ভর করে ৮ উইকেটে ১৮১ তোলে ভারত। যা জয়ের জন্য যথেষ্টের চেয়ে বেশিই মনে করিয়েছেন বুমরাহ-অক্ষররা।

;

আফগানদের ১৮২ রানের চ্যালেঞ্জ ভারতের

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শেষটা ভারত যেমন চেয়েছিল, তেমন হয়নি। তবে যা হয়েছে, তাও কম কীসে? সূর্যকুমার যাদবের ফিফটিতে ভর করে দলটা ৮ উইকেট খুইয়ে ২০ ওভারে তুলে ফেলেছে ১৮১ রান। তাতে আফগানদের সামনে চ্যালেঞ্জটা দাঁড়াল ১৮২ রানের। 

ভারতকে শুরুর ধাক্কাটা দিয়েছিলেন ফজলহক ফারুকী। তার শিকার হয়ে ১৩ বলে ৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন রোহিত। কোহলিও ব্যর্থ হন আজ। ২৪ বলে ২৪ রান করে ফেরেন। তার আগে পান্ত আক্রমণের চেষ্টা করে ফেরেন ১১ বলে ২০ রান নিয়ে।

দুজনের উইকেটই শিকার করেন রশিদ খান। এরপর শিভম দুবেও যখন রশিদের শিকার বনে গেলেন, ৯০ রানে ৪ উইকেট খুইয়ে ভারত তখন খাদের কিনারে।

ঠিক সে সময় দলের ত্রাতা হয়ে আসেন সূর্যকুমার। ২৮ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলে তিনি ভারতকে দেন বড় রানের দিশা। তাকে ফিফটির পরের বলেই বিদায় করেন ফারুকী।

তাকে সঙ্গ দেওয়া হার্দিক পান্ডিয়াও খুব বেশি দূর এগোতে পারেননি, ২৪ বলে ৩২ রানের ইনিংস খেলে তিনি বিদায় হন নাভিন উল হকের বলে আউট হয়ে। শেষ দিকে অক্ষর পাটেলের ৬ বলে ১২ রানের ইনিংসে ভর করে ৮ উইকেটে ১৮১ তোলে ভারত।

;

অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে সাকিবের অপেক্ষায় যেই রেকর্ড

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গ্রুপপর্বের বৈতরণী পেরিয়ে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ দল। যেখানে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচটি শুরু হবে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬ টায়। বাংলাদেশের জন্য ম্যাচটি সেমিফাইনালের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও সাকিব আল হাসানের কাছে গুরুত্ব পাচ্ছে ভিন্ন এক কারণে। দেশের ক্রিকেটের পোস্টার বয় সাকিব আছেন এই ম্যাচে অনন্য এক মাইলফলক ছোঁয়ার অপেক্ষায়।

ক্রিকেটের বহু রেকর্ড সাকিবের নিজের নামের পাশে। এবারের বিশ্বকাপে শ্রীলংকার বিপক্ষে খেলতে নেমে এখন পর্যন্ত হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবকটি আসরে খেলার গৌরব অর্জন করেছেন সাকিব। রোহিত শর্মার পর দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে এই কীর্তি গড়েছেন তিনি। এর বাইরে টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি ৪৭ উইকেটের মালিক হিসেবে আসর শুরু করেছিলেন তিনি। গ্রুপপর্ব শেষে সেই সংখ্যাটা এখন ৪৯।

অর্থাৎ অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে ফিফটির অপেক্ষায় আছেন সাকিব। যেখানে তিনি আর একটি উইকেট পেলেই প্রথম বোলার হিসেবে ৫০টি উইকেটের অনন্য এক রেকর্ড গড়বেন। এর আগে অবশ্য আরও এক রেকর্ড নিজের করেছেন সাকিব। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ফিফটি হাঁকিয়ে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০০টি ফিফটি হাঁকিয়েছেন তিনি। যা তাকে করেছে বাকিদের থেকে আলাদা।

অবশ্য কোনো কারণে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে উইকেট না পেলেও ফিফটি করার সুযোগ থাকবে সাকিবের সামনে। কেননা, এরপর ভারত ও আফগানিস্তানের বিপক্ষেও ম্যাচ রয়েছে বাংলাদেশের। কোনো রকম চোটে না পড়লে সাকিব সবকটি ম্যাচেই থাকবেন তা একরকম নিশ্চিতই বলা চলে। তাই এটা বলাই যায়, অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে সাকিবের অপেক্ষায় বিশ্বকাপে উইকেটের ফিফটির অনন্য এক রেকর্ড।

;