১৭২ রানেই অলআউট শান্তরা 



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেট টেস্টে বোলিংয়ের আগে ব্যাট হাতেও বেশ দাপট দেখিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে সেই দাপট যেন ফিকে পরে গেল ঢাকায় এসে। নিয়মিত বিরতিতে একের পর এক বাজে আউটে ঢাকা টেস্টের প্রথম দিন শেষের আগেই অলআউট নাজমুল হোসেন শান্তর দল। পেরোতে পারল না দুই’শ রানও। 

৬৩ ওভার ২ বলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৭২ রান করেছে স্বাগতিকরা। 

টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকে সাবধানী অবস্থানে থেকে পেসারদের খেলতে থাকেন দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও জাকির হাসান। তবে বিপত্তি আসে স্পিনার এলেই। অষ্টম ওভারে একাদশে ফেরা মিচেল সান্টনারকে বলে থামান কিউই অধিনায়ক টিম সাউদি। সেখানে নিজের দ্বিতীয় ওভারেই দলকে ব্রেক থ্রু এনে দেন সান্টনার।

ব্যাটিং ব্যর্থতার আরেকটি দিনে উইলিয়ামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন জাকির (৮)। পরের ওভারের ফিরলেন আরেক ওপেনার জয়ও (১৪)। অ্যাজাজ প্যাটেলের বলে উইকেটে পেছনে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটেন এই ডানহাতি ব্যাটার।

এরপর মুমিনুল হককে নিয়ে চাপ সামলে এগোনোর আশা দেখান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে সেখানে আবারও বাঁধা দেন সান্টনার-অ্যাজাজ। দলীয় ৪১ রানের মাথায় মুমিনুল (৫) ফেরার পরের ওভারে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেরেন শান্ত (৯)। 

শুরুর সেই চাপ বেশ ভালোভাবেই সামলে নিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম ও শাহাদত হোসেন দিপু। তবে ৪১তম ওভারে দেশের ক্রিকেট সাক্ষী হলো অদ্ভুত এক ঘটনার। প্রথম বাংলাদেশি এবং ছেলেদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১২তম ব্যাটার হিসেবে  ‘অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ড’ আউট হন মুশফিক। এর আগে ব্যক্তিগত খাতায় যোগ করেন ৩৫ রান। 

বাকি ব্যাটাররাও ছিলেন যাওয়া আসার মধ্যেই। দ্বিতীয় সেশনে ১৪৯ রানে পৌঁছানোর পর তৃতীয় সেশনে ২৩ রান যোগ করে থামে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। 

সান্টনার ও ফিলিপস নেন তিনটি করে উইকেট। সান্টনার নেন দুটি উইকেট। 

   

আল্টিমেট পাওয়ারলিফটিং চ্যাম্পিয়ন আদিত্য পারভেজ



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সম্প্রতি 'শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে' অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ষষ্ঠ বাংলাদেশ পাওয়ারলিফটিং চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৩। বাংলাদেশ পাওয়ারলিফটিং এ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১২২ জন প্রতিযোগী বিভিন্ন ওজন, শ্রেনী, বয়স ও জেন্ডারভেদে মোট ১৯ ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণ করেন। এই ক্যাটাগরিগুলো হচ্ছে প্যারালিফটিং, পুরুষ সাব-জুনিয়র (১৪-১৮ বছর), জুনিয়র (১৯-২৩ বছর), ওপেন (১৯+), মাষ্টারস (৪০+ বছর), মহিলা ওপেন এবং মাষ্টারস)।

আদিত্য পারভেজ সর্বমোট ৬৯৫ কেজি ওজন উত্তোলন করে আল্টিমেট চ্যাম্পিয়ন (সেরাদের সেরা বিজয়ী) এবং এশা ফাতিম ৩১৫ কেজি ওজন উত্তোলন করে ওয়ান্ডার ওমেন খেতাব জিতে নেন। সেরা সাব জুনিয়র এবং সেরা জুনিয়র পাওয়ারলিফটার হয়েছেন যথাক্রমে আল সামি এবং সুলতান নাসরুল্লাহ। অন্যান্য ক্যাটাগরির বিজয়ীরা হলেন মো: ইলিয়াস খান, সুলতান নাসরুল্লাহ, আবদুল্লাহ, আশরাফুল রুহান, আল সামি, শাহির শাহেদ, আতিকুর রহমান, আমিন ভূঁইয়া, মেহেদী হাসান, তাসিন মুনতাকা আলী, রতন শেখ, ইমরান আহমেদ, আদিত্য পারভেজ রাতুল, আরমান বিন মাহমুদ, মো. শাম্মী নাসরিন, তানিশা আক্তার, মাহা ইকবাল, এশা ফাতেম ও ফাতেমা নিশু।

এছাড়া এবার প্রতিযোগীতায় বাংলাদেশের ৮ বিভাগীয় সেরা পাওয়ারলিফটারদের বিশেষ খেতাব দেয়া হয়।

২০১৮ সালে সূচনা থেকে, বাংলাদেশ পাওয়ারলিফটিং অ্যাসোসিয়েশন পাওয়ারলিফটিং খেলা প্রচার, প্রশিক্ষণ, আয়োজনে কাজ করে যাচ্ছে।

২০২২ সাল থেকে আন্তর্জাতিক পাওয়ারলিফটিং ফেডারেশন (আইপিএফ) এবং এশিয়ান পাওয়ারলিফটিং ফেডারেশন (এপিএফ) এর একজন গর্বিত সদস্য হিসেবে, বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণ করছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশ পাওয়ারলিফটিং দলের অর্জন দেশের অভ্যন্তরে খেলাধুলার জনপ্রিয়তাকে আরও উন্নীত করেছে। ২০২২ এবং ২০২৩ সালে বাংলাদেশ পাওয়ারলিফটিং দলটি অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং মালয়েশিয়াতে ওয়ার্ল্ড পাওয়ারলিফটিং এবং এশিয়ান পাওয়ারলিফটিং চ্যাম্পিয়নশিপে মোট ৩ টি স্বর্ণ, ৬ টি রৌপ্য এবং ৪টি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করে, বৈশ্বিক পাওয়ারলিফটিং প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের দক্ষতা প্রদর্শন করে।

;

ওয়ার্নের চলে যাওয়ার দুই বছর



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শেন ওয়ার্ন তখন ছুটি কাটাচ্ছেন থাইল্যান্ডের এক দ্বীপ কোহ সামুইয়ে। তবে মুহূর্তে তার ছুটির মুহূর্ত মলিন হয়ে এলো রডনি মার্শের মৃত্যুর খবরে। থাইল্যান্ডে বসেই টুইটারে মনের ভাব প্রকাশ করলেন রডনিকে নিয়ে। তবে কে জানত তার ঘণ্টা ১২ না পেরোতেই তাকেও ধরতে হবে একই পথ।

ওয়ার্নের সেই টুইটের অর্ধেক দিন না পেরোতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন ওয়ার্ন। ওই হার্ট অ্যাটাকই, কিছুক্ষণ আগে রডনি মার্শকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল যা। তবে ৭৪ বছর বয়সে রডনির জন্য সেটি বার্ধক্যজনিত হিসেবে মেনে নেওয়া গেলেও ৫২ বছরেই ওয়ার্নের এই বিদায় অনেকটা না চাওয়াই।

আজ ৪ মার্চ। ওয়ার্নের মৃত্যু পেরল দুই বছর। ওয়ার্নের লেগ স্পিন ঝলক পেরিয়েছে প্রায় ১৭ বছর। তবুও এই সেক্টরে যেন এখনো একক রাজত্ব এই লেগ স্পিন জাদুকরের।

১৯৯২ সালের একদম শুরুতে ঘরের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আগমন ওয়ার্নের। এরপর থেকেই তার স্পিন ঘূর্ণি রীতিমত অবাক বনে পাঠিয়েছিলেন সবাইকে। তবে পরের বছরের অ্যাশেজে যা করেছিলেন তা যেন আজীবন মনে রাখবে ক্রিকেট ভক্তরা। ১৯৯৩ সালের ৪ জুন, অ্যাশেজের প্রথম টেস্টে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে মুখোমুখি ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। সেখানে মুহূর্তে লাইমলাইট ওয়ার্নের দিকে। লেগ স্টাম্পের বাইরের এক বল উড়িয়ে দিল মাইক গ্যাটিংয়ের অফ স্টাম্প। ডানহাতি গ্যাটিং তাকিয়ে রইলেন হা করে। গ্যাটিংকে আউট করা এই বলটাই তকমা পেয়েছে 'বল অব দ্য সেঞ্চুরি' বা শতাব্দীর সেরা বল।

এই জাদুকর এখন কেবল স্মৃতিতেই। যদিও এই স্মৃতি লেগ স্পিন নিয়ে কোনো বই লেখা নিশ্চিতভাবেই থাকবে তার শিরোনামেই।

;

টেস্ট জিতল অজিরা, শীর্ষে পৌঁছাল ভারত



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

টি-টোয়েন্টির পর টেস্টেও ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার কাছে নাস্তানাবুদ নিউজিল্যান্ড। গত ২৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ওয়েলিংটন টেস্ট শেষ হয়েছে গতকাল, চার দিনেই। সেখানে দুই ইনিংসের কোনোটিতেই দুইশ পেরোতে পারেনি কিউইরা। এতে অজিদের কাছে ১৭২ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে টিম সাউদির দল।

ঘরের মাঠে চলমান এই ব্যর্থতায় সিরিজে পিছিয়ে যাওয়া ছাড়াও এক এক দুঃসংবাদ পেল কিউইরা। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ২০২৩-২০২৫ চক্রের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান হারিয়েছে দলটি। সেখানে তাদের সরিয়ে শীর্ষে উঠেছে আগের দুই চক্রের রানার্স-আপ দল ভারত।

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলের অবস্থান নির্ধারণ হয় পয়েন্টের শতকরা হিসেব বিচারে। এতে ঘরের মাটিতে সিরিজের প্রথম টেস্ট হেরে শতকরা পয়েন্ট ৬০-এ নেমে এসেছে নিউজিল্যান্ডের। এতে তালিকায় তাদের বর্তমান অবস্থান দুইয়ে। এদিকে ঘরের মাটিতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ইংল্যান্ড সিরিজ জেতা ভারতের শতকরা হিসেব ৬৪.৫৮।

এদিকে তিনে থাকা অস্ট্রেলিয়ার দশমিক ঘরের নম্বরে পিছিয়ে আছে কিউইদের। ওয়েলিংটন টেস্ট জিতে অজিদের শতকরা পয়েন্ট বেড়ে এখন ৫৯.০৯।

বাংলাদেশ ধরে রেখেছে চতুর্থ স্থান। যদিও এই চক্রে এখন পর্যন্ত কেবল ২টি টেস্ট খেলেছে শান্ত-মিরাজরা। সেখানে এক জয়ে পয়েন্ট এসেছে ১২ এবং শতকরা হিসেবে ৫০। শতকরা ৩৬.৬৬ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে আছে পাকিস্তান।

এক নজরে দেখে নিন বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের এই মুহূর্তের পয়েন্ট তালিকায় কার অবস্থান কোথায়।

দল

ম্যাচ

জয়

হার

ড্র

পয়েন্ট কাটা

পয়েন্ট

পয়েন্টের শতাংশ

ভারত

-২

৬২

৬৪.৫৮

নিউজিল্যান্ড

৩৬

৬০.০০

অস্ট্রেলিয়া

১১

-১০

৭৮

৫৯.০৯

বাংলাদেশ

১২

৫০.০০

পাকিস্তান

-২

২২

৩৬.৬৬

ওয়েস্ট ইন্ডিজ

১৬

৩৩.৩৩

দক্ষিণ আফ্রিকা

১২

২৫.০০

ইংল্যান্ড

-১৯

২১

১৯.৪৪

শ্রীলঙ্কা

 

;

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে যেমন হতে পারে শান্তদের একাদশ 



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দিন দুই আগে শেষ হয়েছে দেশের ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেটের আসর, বিপিএল। এতে স্বল্প ওভারের ফরম্যাটে বেশ চাঙ্গাই আছেন শান্ত-লিটনরা। বিরতির পর আন্তর্জাতিক যাত্রার প্রথমেই টি-টোয়েন্টি সিরিজ। তাই ছন্দে থাকা একাধিক ক্রিকেটারের বিপক্ষে সফরের এই সিরিজে বেশ কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে লঙ্কানদের। সেখানে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে আজ (সোমবার) মাঠে নামছে দুই দল। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টায়। 

বিপিএলের সদ্য শেষ যাওয়া এই আসরে বিদেশিদের ছাপিয়ে ব্যাটে-বলে বেশ এগিয়ে ছিলেন দেশিরাই। দুই বিভাগের সেরা পাঁচে জয়জয়কার হৃদয়-শরিফুলদের। শুরুতে কিছুটা ছন্দহীন থাকলেও টুর্নামেন্টটির শেষের দিকে ব্যাট হেসেছে লিটন দাসের। তাকে সঙ্গ দিতে একাদশে আরেক ওপেনার হিসেবে দেখা মিলতে পারে সৌম্য সরকারের। এই জায়গা একদম পিছিয়ে নেই এনামুল হক বিজয়ও। তবে কম্বিনেশন মেলাতে এগিয়েই থাকছে লিটন-সৌম্য জুটি। 

তিন এবং চারে জায়গাটা এক কথায় নিশ্চিত। প্রথমটি অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর এবং পরের জায়গা তাওহীদ হৃদয় অটো চয়েস। বিপিএলের এবারের আসরে তার ব্যাট থেকে এসেছে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৬২ রান, যেখানে সেরা পাঁচ ব্যাটারের মধ্যে স্ট্রাইক রেট বিবেচনায় সবার ওপরে, ১৫০ ছুঁইছুঁই। 

এবার মিডল অর্ডারে পাঁচ, ছয় এবং সাতের দৌড়ে এগিয়ে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, জাকের আলী অনিক ও শেখ মাহেদি হাসান। বিপিএলের ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতে তাদের ব্যাট থেকে এসেছে কার্যকারী সব ইনিংস। এতে মিডল অর্ডারে এই ত্রয়ীই ভরসা জোগাবে দলকে। 

শেষ চার অবস্থান পুরোদস্তুর বোলারদের। সেখানে তিন পেসার এবং এক স্পিনারের কম্বিনেশনের সম্ভাবনা সবার এগিয়ে। সাকিব না থাকায় দলের একমাত্র বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। এদিকে লেগ স্পিনার রিশাদও হতে পারে কার্যকরী অপশন। শেষে তিন পেসার তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও মুস্তাফিজুর রহমান। 

প্রথম টি-টোয়েন্টি বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ:
লিটন দাস, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), তাওহীদ হৃদয়, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, জাকের আলী অনিক, শেখ মেহেদী হাসান, তাইজুল ইসলাম/রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান।

;