টানা চতুর্থবার ইংল্যান্ডের রাজা ম্যানসিটি



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রথম দল হিসেবে টানা চতুর্থবার প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জয়ের কীর্তি গড়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। মৌসুমের রোমাঞ্চকর শেষদিনে ওয়েস্ট হ্যামকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে পেপ গার্দিওলার দল। অন্যদিকে এভারটনকে হারিয়েও শেষ পর্যন্ত দুই পয়েন্টের আক্ষেপে পুড়তে হয়েছে আর্সেনালকে।

টানা দ্বিতীয় মৌসুম ম্যানসিটিকে লিগ শিরোপার জন্য চ্যালেঞ্জ জানিয়েও সাফল্য পায়নি আর্সেনাল। শিরোপা জিততে হলে অবশ্যই মৌসুমের শেষ দিনে এভারটনকে হারাতে হত তাদের। সে কাজটা ঠিকঠাক করেছেও তারা। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর এভারটনকে ২-১ ব্যবধানে হারের স্বাদ দিয়েছে মিকেল আরতেতার দল। কিন্তু এরপরও রাজ্যের আক্ষেপ সঙ্গী গানারদের, কারণ গার্দিওলার সিটি মেশিন যে পা হড়কায়নি!

ওয়েস্ট হ্যামের মাঠে আর্সেনালের স্বপ্নে চিড় ধরাতে মোটে দুই মিনিট খরচ করে ম্যানসিটি। একদিন আগেই প্রিমিয়ার লিগের মৌসুমসেরা ফুটবলারের খেতাব জেতা ফিল ফোডেন দুর্দান্ত এক বাঁকানো শটে ওয়েস্ট হ্যামের জালে বল জড়ান।

১৮ মিনিটে আবার ফোডেন-ম্যাজিক! জেরেমি ডকুর পাস ধরে নিখুঁত প্রথম প্রচেষ্টায় লক্ষ্যভেদ করেন। ২-০।

যদিও বিরতির আগে এক গোল হজম করে কিছুটা অস্বস্তিতে পড়ে ম্যানসিটি। দারুণ এক ওভারহেড কিকে সিটিজেনদের হতভম্ব করে ব্যবধান কমান ওয়েস্ট হ্যামের মোহাম্মদ কুদুস।

বিরতির পর ৫৯ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে করা রদ্রির গোলে স্বস্তির দুই গোলের লিড ফিরে পায় গার্দিওলার দল। সে লিড ম্যাচের শেষ পর্যন্ত ধরে রেখে আনন্দ-উৎসবে মাতে সিটিজেনরা।

   

রোহিতের ব্যাটে ঝড়, ভারতের বিশাল সংগ্রহ 

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আসরের শুরুর ম্যাচে আইরিশদের বিপক্ষে অপরাজিত ৫২ রানের ইনিংসের পর ব্যাটে ঠিক ছন্দ ফিরে পাচ্ছিলেন না ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তবে আসরে নিজেদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেই কি-না ছন্দে ফিরল হিটম্যান খ্যাত এই তারকার ব্যাট। এগোচ্ছিলেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম এই আসরের প্রথম সেঞ্চুরির দিকেই। তবে ৪১ বলে ৯২ রানে থামে রোহিতের আজকের বিধ্বংসী এই ইনিংস। সেঞ্চুরির দেখা না পেলেও তার ইনিংসেই বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত অজিদের সামনে ২০৬ রানের কঠিন চ্যালেঞ্জ দাঁড় করায় রোহিত শর্মার দল। 

সেন্ট লুসিয়ায় সুপার এইটে গ্রুপ ‘ওয়ান’-এ নিজেদের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে দল দুটি। যেখানে ম্যাচ জিতলেই সেমিতে উঠে যাবে ভারত, তবে ভারত হারলে দুটি দলকেই তাকিয়ে থাকতে হবে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচের দিকে। 

ম্যাচটিতে  টসে জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অজি অধিনায়ক মিচেল মার্শ। সেখানে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। আরও একবার ব্যাট হাতে নিস্প্রভ কোহলি। এবার ফিরলেন রানের খাতা না খুলেই। তবে শুরু থেকেই ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালাতে থাকেন রোহিত। ১৯ বলেই তুলে ফেলেন ফিফটি। যা এই আসরের দ্রুততম। এদিকে আরেক প্রান্তে কিছুটা বুঝেশুনে খেলতে থাকা রিশাভ পান্তকে অষ্টম ওভারের শেষ বলে দলীয় ৯৩ রানের মাথায় ফেরান স্টয়নিস। 

তবে তাণ্ডব জারি রাখেন রোহিত। এগোচ্ছিলেন আসরের প্রথম সেঞ্চুরির। তবে দলীয় ১২৭ রানের মাথায় ফিরলেন স্টার্কের বলে বোল্ড হয়ে। ফিরলেন রোহিত। তার ৯২ রানের এই ইনিংস বিশ্বকাপে কোনো ভারতীয় ব্যাটারের করা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে ২০১০ বিশ্বকাপে এই সেন্ট লুসিয়াতেই ১০১ রান করেছিলেন সুরেশ রায়না। এদিকে এই ইনিংসে ৮টি ছক্কা মেরেছেন রোহিত, যা বিশ্বকাপে কোনো ভারতীয় ব্যাটারের সর্বোচ্চ। একইসঙ্গে প্রথম ব্যাটার হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ছুঁলেন ২০০ ছক্কার মাইলফলক। 

সেখান থেকে রানের চাকা পরে সামলে নেয় মিডল অর্ডারের ব্যাটাররা। সূর্যকুমারের ৩১, দুবের ২৮ এবং শেষে এসে ১৭ বলে হার্দিকের ২৭ রানের ক্যামিওতে ৫ উইকেটে ২০৫ রানের বড় সংগ্রহ পায় ভারত। সেখানে অজিদের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন স্টার্ক ও স্টয়নিস। 

নেট রান রেটে বিশাল অঙ্কে এগিয়ে থাকায় এই ম্যাচে হারলেও সেমিতে ওঠার বড় সম্ভাবনা থাকবে ভারতের। এদিকে অজিরা হারলেও তারা পড়বে না বাদ, তখন সমীকরণ ঝুলে থাকবে আগামীকাল সকালের বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচের ওপর।  

;

চমক দেখানো যুক্তরাষ্ট্রের নজর এবার ২০২৬ বিশ্বকাপে

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ায় এবারই প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায় যুক্তরাষ্ট্র। তবে সুযোগটি হেলায় হারিয়ে যেতে দেয়নি তারা। বরং গ্রুপপর্বে পাকিস্তানের মতো দলকে হারিয়ে সুপার এইটে পা রেখেছে দলটি। যদিও সেখানে কোনো ম্যাচেই জিততে পারেনি তারা।

তবে সুপার এইটের সুবাদে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো বড় দলগুলোর বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা হয়েছে তাদের। যেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েই এখন নিজেদের ক্রিকেটকে আরও সমৃদ্ধ করতে চায় দলটি। সুপার এইটের সুবাদে ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত হওয়ায় সেখানে হুমকি হয়ে দাঁড়াতে চায় বাকি দলগুলোর জন্য; এমন কথায় জোর গলায় জানিয়েছেন দলটির অলরাউন্ডার হরমিত সিং।

নিজেদের দেশে ক্রিকেট অবকাঠামো উন্নয়নের তাগিদ দিয়ে হরমিত বলেন, ‘আমাদের আরও ভাল অনুশীলনের জন্য, আরও ভাল প্রশিক্ষণের অবকাঠামো দরকার। আমাদের দেশে পুরো ক্রিকেট সিস্টেম দরকার। প্রশিক্ষকদের সারা বছর আমাদের সাথে কাজ করতে সক্ষম হওয়া দরকার, এমনকি দূর থেকেও। আপনি যদি ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, সমস্ত গন্তব্য দেখেন, তাদের প্রতিটি রাজ্যে অবিশ্বাস্য ক্রিকেট অবকাঠামো রয়েছে। বাড়ির ভিতরে অনুশীলন করা সাহায্য করে না। আমাদের আরও অনেক আউটডোর সেট-আপ দরকার, ভাল প্রশিক্ষণ সুবিধা দরকার।’

যুক্তরাষ্ট্রে ক্রিকেট অবকাঠামো বাড়ানোর এটাই সঠিক সময় বলেও মনে করেন হরমিত। বলেন, ‘আমাদের দেশে ক্রিকেটিং সম্প্রদায় বড়, বিশেষ করে টেক্সাসে যেখান থেকে আমি এসেছি, বা নিউ জার্সি ও সিয়াটেলেও একটি বড় ক্রিকেট সম্প্রদায় রয়েছে। পশ্চিম উপকূল, সামগ্রিক ক্যালিফোর্নিয়া এলাকা, সর্বত্রই প্রচুর ক্রিকেট চলছে। এটা ঠিক যে আমাদের সব জায়গায় পর্যাপ্ত টার্ফ অনুশীলনের সুবিধা নেই। আমাদের বাচ্চারা কেবল ঘরের ভিতরে অনুশীলন করছে। আমি অভিভাবকদের জানি যারা তাদের বাচ্চাদের প্রশিক্ষণের জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করে, কিন্তু তারপরে সমস্যাটি হল যখন আপনি কেবল বাড়ির ভিতরে করছেন। যা মানসম্মত নয়। এবং তারপরে যখন তারা বাইরে যায়, তখন বাচ্চারা গরম অনুভব করুন ‘ওহ এটা গরম।’ হ্যা, এটা গরমই হওয়ার কথা। কাজেই ক্রিকেট খেলার দেশ গড়তে আমাদের আরও অনেক পরিকাঠামো দরকার।’

নিজেদের পরবর্তী লক্ষ্য নিয়ে হরমিত বলেন, ‘এখানে অনেক কিছু শেখার আছে এবং আমরা যেখান থেকে শুরু করেছিলাম সেখান থেকে সবাই অনেক দূর এগিয়েছে। দলের মধ্যেও অনেক আত্মবিশ্বাস বেড়েছে যে আমরা সেরাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। এবং যখন আমরা আমাদের সেরা ক্রিকেট খেলেছি তখন আমরা প্রতিপক্ষকে চাপে রেখেছি। কাজেই শেখার অনেক কিছু আছে। আর আগামীকাল নয়, আমাদের মাথায় এখন ২০২৬ বিশ্বকাপ। সেখানে আমরা কেমন করতে যাচ্ছি তা আমাদের ভাবতে হবে। এবং সেই লক্ষ্য নিয়ে আমাদের ব্যক্তিগতভাবে কাজ করতে হবে।’

;

সেমি নিশ্চিতের ম্যাচে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠাল অজিরা

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সুপার এইটের শেষ ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে শুরুতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সেমির পথে এগিয়ে থাকলেও এখনও সেমি নিশ্চিত না হওয়ায় যেখানে জয় চায় ভারতের। অন্যদিকে সেমিতে যেতে জয় ছাড়া পথ খোলা নেই অজিদের সামনেও। দু’দলের এই ম্যাচটি তাই পরিণত হয়েছে অলিখিত ফাইনালেও।

তাছাড়া এই ম্যাচের ফলের ওপর নির্ভর করছে আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের ভাগ্য। এই ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে জয় পেলে কার্যত বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচটি পরিণত হবে নিয়মরক্ষার ম্যাচে। তাই সবার চোখ থাকছে এই ম্যাচের দিকেই।

ভারত অবশ্য সবশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ম্যাচে হেরেছে অজিদের বিপক্ষে। সেই হারের শোধ নেওয়ার পালা তাদের। তাছাড়া এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচেই হারেনি তারা। দারুণ ছন্দে আছে দলটির ক্রিকেটাররা। এ ম্যাচেও তাই জয়েই চোখ রাখছে দলটি।

অন্যদিকে অজিরা হেরে বসেছে নিজেদের সবশেষ ম্যাচেই। আফগানদের বিপক্ষে ২১ রানে হেরে ঝুলে গেছে তাদের ভাগ্য। তবে এমন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর ইতিহাস আছে অজিদের। যা ভারতের বিপক্ষে ম্যাচেও আশা দেখাচ্ছে মিচেল মার্শের দলকে।

মহাগুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে অজিরা একাদশে ফিরিয়েছে মিচেল স্টার্ককে। তাকে জায়গা করে দিতে বাদ পড়েছেন অ্যাস্টন অ্যাগার। অজিরা একাদশে বদল আনলেও ভারত ভরসা রেখেছে তাদের সবশেষ ম্যাচের একাদশে।

ভারত একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), বিরাট কোহলি, রিশভ পান্ত, সূর্যকুমার যাদব, শিবম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, আরশদীপ সিং, জাসপ্রিত বুমরাহ।

অস্ট্রেলিয়া একাদশ: ট্র্যাভিস হেড, ডেভিড ওয়ার্নার, মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মার্কাস স্টয়নিস, টিম ডেভিড, ম্যাথু ওয়েড, প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, অ্যাডাম জাম্পা, জশ হ্যাজেলউড।

;

নতুন মাইলফলকের সামনে সাকিব

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বকাপে সুপার এইটের শেষ ম্যাচে বুধবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে সকাল সাড়ে ৬ টায় মাঠে নামবে বাংলাদেশ দল। এই ম্যাচ দিয়েই খুব সম্ভবত শেষ হচ্ছে টাইগারদের এবারের বিশ্বকাপ যাত্রা। এমনকি বিশ্বকাপের মঞ্চে সাকিব আল হাসানেরও এটিই হতে পারে শেষ ম্যাচ। তবে ক্যারিয়ারের শেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই সাকিব আল হাসান অপেক্ষায় আছেন এক মাইলফলকের।

ব্যাট হাতে সাকিব বেশ কয়েকদিন ধরেই আছেন অফফর্মে। যা নিয়ে সমালোচনাও হচ্ছে বেশ। ব্যাপারটা অযৌক্তিকও না। তবে বল হাতে সাকিবের অবস্থা আরও ভয়াবহ

যেমন, নেপাল ম্যাচের আগে সাত ইনিংসে সাকিবের উইকেট ছিল মাত্র একটা। নেপালের বিপক্ষে যে দুইটা উইকেট পেয়েছেন দুটোই একদম নিচের দিকের দুই বোলারের উইকেট। শেষ দুই উইকেট। অজিদের বিপক্ষে তো বলই হাতে নেননি তিনি। ভারতের বিপক্ষে তুলে নিয়েছেন এক উইকেট, তবে তিন ওভারে রান হজম করেছেন ৩৭।

সবমিলিয়ে শেষ দশ ইনিংসে তিনি শিকার করেছেন মোটে চার উইকেট। এর মধ্যে একটা ইনিংস অবশ্য ভারতের বিপক্ষে ওয়ার্ম আপ ম্যাচ। কথায় আছে- সাকিবের রান উইকেট মানেই যেন রেকর্ড। উইকেট খরার এই সময়টায় ভারতের বিপক্ষে রোহিত শর্মাকে আউট করে সাকিব গড়েছেন প্রথম বোলার হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পঞ্চাশ উইকেট নেওয়ার কীর্তি। লেগেছে ৪২ ম্যাচ আর ৪০ ইনিংস।

আরও একটা রেকর্ড অপেক্ষমাণ সাকিবের জন্য। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সাকিবের উইকেট এখন ১৪৯। খেলেছেন ১২৮ ম্যাচ আর বল করেছেন ১২৫ ইনিংস। আর মাত্র একটা উইকেট শিকার করলেই প্রথম স্পিনার আর দ্বিতীয় বোলার হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল টি-টোয়েন্টিতে দেড়শ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করবেন সাকিব। সেক্ষেত্রে হয়ে যাবেন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে আড়াই হাজার রান আর দেড়শ উইকেট শিকার করা একমাত্র অলরাউন্ডার। যেখানে একশো শিকারি বাকী পনেরো জনের কারোই নেই হাজার রান।

সর্বোচ্চ উইকেটের লিস্টে সাকিবের ওপরের নামটা টিম সাউদির। ১২৩ ইনিংসে তার শিকার ১৬৪ উইকেট।

;