Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

এই শীতে ডায়বেটিস থাকুক নিয়ন্ত্রণে

এই শীতে ডায়বেটিস থাকুক নিয়ন্ত্রণে
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ঘরে ঘরে ডায়বেটিসের রোগী থাকা যেন খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শরীরে ইনস্যুলিনের প্রোডাকশন কমে যাওয়ার ফলেই মূলত এই সমস্যাটি দেখা দেয়। টাইপ-১ ও টাইপ-২, এই দুই ধরণের ডায়বেটিসে আক্রান্তদের সংখ্যা নেহাত কম নয়। ‘লাইফস্টাইল ডিজিজ’ হিসেবে পরিচিত এই শারীরিক সমস্যাটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব সঠিক জীবনব্যবস্থা ও খাদ্যাভাসের মাধ্যমে। শীতকালে ডায়বেটিসের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। এর জন্য আবহাওয়ার পরিবর্তন ও আবহাওয়া জনিত বিষণ্ণতা অনেকখানি দায়ী।

তবে উপকারী ও শীতকালীন কিছু খাদ্য উপাদানের মাধ্যমে সহজেই সমস্যাটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এমন পাঁচটি খাদ্য উপাদানের নাম জেনে রাখুন।

দারুচিনি

গবেষকদের মতে, দারুচিনি গ্রহনে শরীরের ইনসুলিন সেন্সিটিভিটি বৃদ্ধি পায়। দারুচিনিতে থাকে উচ্চমাত্রার অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়। মূলত এই স্টেসটি ডায়বেটিস বৃদ্ধির জন্য দায়ী। দারুচিনি খাওয়ার জন্য আধা চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া এক কাপ পানিতে মিশিয়ে পান করতে হবে।

বিটরুট

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/27/1543299823856.jpg

ভীষণ উপকারী এই খাবারে থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ স্বাস্থ্যকর খাদ্যআঁশ। গবেষণা সুপারিশ করে, বিটের আঁশ টাইপ-২ ডায়বেটিসের জন্য বিশেষভাবে উপকারী। ডায়বেটিস আক্রান্ত অনেকেই বিটের হালকা মিষ্টি স্বাদের জন্য এটা খাওয়া থেকে বিরত থাকেন এই ভেবে যে, বিট খাওয়ার ফলে ডায়বেটিস বৃদ্ধি পাবে। যা একেবারেই ভ্রান্ত একটি ধারণা। বিটে থাকা আঁশের পাশাপাশি আয়রন, পটাশিয়াম ও ম্যানগানিজ স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে ও ডায়বেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

গাজর

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/27/1543299873426.jpg

প্রাকৃতিক বিভিন্ন ধরণের খাদ্য উপাদানের মাঝে শীতকালীন সবজী গাজরের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স সবচেয়ে কম। এই গ্লাইসেমিক ইনডেক্স এর মাধ্যমে খাদ্য উপাদানে থাকা কার্বোহাইড্রেট ও রক্তে গ্লুকোজের মাত্রায় তার প্রভাব চিহ্নিত করে। এছাড়া বিটরুটের মতো গাজরেও থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ আঁশ। যা পরিপাক হতে লম্বা সময় নেয় এবং রক্তে চিনির মাত্রায় হুটয় করে বৃদ্ধি পেতে বাধা প্রদান করে।

মেথী

ভিটামিন এন্ড নিউট্রিশন রিসার্চের উপর প্রকাশিত হওয়া আন্তর্জাতিক একটি জার্নাল থেকে জানা যায়, প্রতিদিন ১০ গ্রাম মেথী বীজ গরম পানিতে ভিজিয়ে, সেই পানি পান করলে টাইপ-২ ডায়বেটিসকে খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা সম্ভব হয়। ডায়বেটিসের পাশাপাশি পরিপাকজনিত সমস্যাও দূর করে মেথী।

বিভিন্ন ধরণের শাক

বলার অপেক্ষা রাখে না, শাকে থাকা পর্যাপ্ত পরিমাণ আঁশ ডায়বেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করে। তবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা হুট করে বৃদ্ধি পেলে, শাক গ্রহনে দ্রুত উপকার পাওয়া সম্ভব। এছাড়া গাজরের মতো শাকও লো-গ্লাইসেমিক ইনডেক্স সমৃদ্ধ একটি খাদ্য উপাদান। যা ডায়বেটিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য বিশেষ উপকারিতা বহন করে।

আরও পড়ুন: ওয়ার্ল্ড ডায়বেটিস ডে: প্রতিরোধে প্রয়োজন সচেতনতা

আরও পড়ুন: সময় এখন কমলালেবুর!

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র