Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

এই ফাগুনে খোঁপার সাজে…

এই ফাগুনে খোঁপার সাজে…
বাগান বিলাসেও সাজাতে পারেন খোঁপাকে। ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

উৎসব আয়োজনে সাজসজ্জার অনেক বড় একটি অংশ নির্ভর করে চুলের সাজের ওপর।

চুলকে সুন্দর, সঠিক ও পরিপাটিভাবে না বাঁধলে, পুরো সাজটিই নষ্ট হয়ে যায়। আর উৎসবটি যেহেতু বসন্ত বরণের, চুলের সাজে ফুলেল আভাস না থাকলেই নয়।

সাধারণত শাড়ির সঙ্গে হাত খোঁপাই বেশি মানায়। সেই সঙ্গে খোঁপার ভাঁজে বর্ণীল ফুল। অবশ্য অনেকেই চুল ছেড়ে রাখতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। অথবা ছোট চুলের ক্ষেত্রে হাতে তৈরি ফুলের মুকুটকেই চুলের অনুষঙ্গ করে নেন।

তবে শাড়ি ও সাজের সঙ্গে মিলিয়ে চুলেও বসন্তের আভা আনতে চাইলে, খোঁপা ও চুলে ফুলের সেটিং এ বৈচিত্র আনতে পারলে সবচেয়ে বেশি ভালো হয়।

প্রথমে একেবারে সহজ খোঁপা সাজ দিয়ে শুরু করা যাক। যেহেতু এখনকার সময়ে ফাগুনে হলুদ-কমলা-বাসন্তী রঙের পাশাপাশি অন্যান্য রঙে প্রাধান্য পাচ্ছে সমানতালে, খোঁপার সাজে বাগানবিলাসের ব্যবহার করা যেতেই পারে। এতে করে রঙ ও খোঁপার সাজে বৈচিত্র আসবে দারুণ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/11/1549867182230.JPG

পরবর্তী খোঁপার সাজে গাজরার ব্যবহারটাই প্রাধান্য পাবে বেশি। চুলে হাত খোঁপা কিংবা বেণী খোঁপা করে, খোঁপার চারপাশে গাজরা গুঁজে দিলেই বেশ ছিমছাম চুলের সাজ হয়ে যাবে। চাইলে চুলের সামনের অংশ কিছুটা ফুলিয়ে নেওয়া যাবে হেয়ার স্প্রে ব্যবহার করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/11/1549867198317.JPG

এই খোঁপার সাজের ক্ষেত্রে ছিমছাম খোঁপার একপাশে পছন্দসই গোলাপ কিংবা অন্যান্য ফুল গুঁজে দিলেই দারুণ চুলের বাঁধা হয়ে যাবে। যেহেতু এক্ষেত্রে ফুলের সংখ্যা দুই-তিনটি হবে, খোঁপা ও সামনের অংশের চুলের সাজটি হওয়া চাই একটু জমকালো।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/11/1549867227412.JPG

এরপরের খোঁপার সাজের জন্য দুই ধরণের ফুলের প্রয়োজন হবে। খোঁপার উপরের অংশে এক ধরণের ফুল এবং নিচের দিকের অংশে অন্য ফুল বা জিপসি গুঁজে নিতে হবে। ব্যতিক্রমী এই খোঁপার সাজে খুব একটা বাড়তি ঝামেলা নেই বললেই চলে। অথচ সমস্ত চুলের সাজটিই দারুণ আকর্ষণীয় দেখাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/11/1549867242511.JPG

দুইটি ভিন্ন ধরণের ফুলের সমন্বয়ে খোঁপা সাজাতে চাইলে আরও একটি নতুন খোঁপার সাজ ট্রাই করতে পারেন। খোঁপার চারপাশে গাজরা,  বুনোফুল বা জিপসি ফুল দিয়ে মুড়ে দিতে পারেন। এবং খোঁপার মাঝখানের খালি অংশটুকুতে পছন্দসই গোলাপ, গ্ল্যাডিওলাস, কাঠগোলাপ দিয়ে সাজিয়ে নিতে পারেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/11/1549867328918.jpg

ফুল সংগ্রহ করা যদি কঠিন হয়ে যায়, তবে বেলিফুলের কয়েকটি ছড়া সমস্ত খোঁপার উপর ছড়িয়ে দিয়ে খোঁপা ঢেকে ফেলুন। এতে করে খোঁপার অংশটুকু বেশ অভিজাতপূর্ণ বলে মনে হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/11/1549867345012.JPG

উপোরক্ত খোঁপার সাজগুলো যদি ঝামেলাযুক্ত মনে হয়, তবে গাঁদা ফুলের লম্বা একটি মালা খোঁপার সঙ্গে এঁটে নিলেই ঝামেলা শেষ। সেক্ষেত্রে খোঁপার সাজে একটু জমকালো ভাব আনতে চাইলে স্টাইলিশ খোঁপার কাটা যোগ করে নিতে পারেন।

সর্বোপরি ফাগুনের সাজে খোঁপার আয়োজনকে জমকালো করতে চাইলে ফুলই হওয়া চাই প্রথম পছন্দ। সমগ্র সাজের মাঝে ফুলের উপস্থিতি উৎসবের আমেজকে তো বাড়িয়ে দিবেই, সাথে সাজের মাঝেও স্নিগ্ধতা নিয়ে আসতে সাহায্য করবে।

আরও পড়ুন: ফাগুনে সতেজতা সারাদিন

আপনার মতামত লিখুন :

অবিবাহিত নারীরাই সবচেয়ে সুখী!

অবিবাহিত নারীরাই সবচেয়ে সুখী!
একা থাকলেই সুখে থাকা যাবে সবচেয়ে ভালোভাবে, ছবি: সংগৃহীত

এই ২০১৯ সালে এসে ‘কুড়িতেই বুড়ি’ প্রবাদটি না খাটলেও,

বয়স পঁচিশের গণ্ডি পেরোনোর আগেই এ দেশের প্রতিটি মেয়ের বিয়ের জন্য তোরজোড় শুরু হয়ে যায়।

নিজের পরিবার, সংসার, সন্তানসন্ততির স্বপ্ন সবারই থাকে। জীবনের একটা পর্বে এসে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই চায় বিয়ে করে থিতু হতে। কিন্তু সমস্যাটা হলো, বিয়ে করে সুখী কতজনে? নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, বিয়ে করে সুখী কতজন নারী?

নিজের চিরচেনা গণ্ডির বাইরে এসে সম্পূর্ণ অথবা আধা-পরিচিত একটি পরিবারের সাথে মানিয়ে নেওয়া, দায়িত্ব নেওয়া, সবকিছু সামলানোর ঝক্কি মাথায় নেওয়া, সবার মন রক্ষা করে চলা- একজন নারীর জন্য কতটা সুখ বয়ে আনে?

এতদসত্ত্বেও বান্ধবীর বিয়ে হয়ে যাচ্ছে, ছোট ভাই-বোনদের বিয়ে আটকে আছে, বয়স বেড়ে যাচ্ছে, সময় চলে যাচ্ছে- এমন নানান চিন্তায় বিয়ে করার জন্য প্রতিটি অবিবাহিত নারীই নিজের ভেতর থেকে বিয়ে করার তাগিদ অনুভব করেন, পুরোপুরিভাবে বিয়ে জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত না হলেও।

তবে এ বিষয়ে একটি চমৎকার সুখবর জানানো যায়। বিহাভিয়েরাল সায়েন্সের প্রফেসর পল ডল্যান দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন, ‘অন্যান্য গোষ্ঠীর মাঝে বিবাহিতরা তুলনামূলক সুখী। তবে তা শুধু তখনই, যখন সঙ্গী তাদের সাথে একই ঘরে থাকে এবং তাদের সামনে প্রশ্ন করা হয়- কেমন আছেন তারা। কিন্তু যখনই সঙ্গী ঘরে থাকেন না বা ঘরে থেকে বাইরে যান, তখনই ঘটনা পাল্টে যায়।’

এই বক্তব্যের সাথে তিনি যোগ করেন, ‘সবচেয়ে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ও সুখী হলেন অবিবাহিত ও নিঃসন্তান নারীরা।’

তার লেখা ‘হ্যাপি এভার আফটার: এস্কেপিং দ্য মিথস অব দ্য পারফেক্ট লাইফ’ বইটা প্রকাশের কিছুদিন পরেই তিনি এমন বক্তব্য রাখেন। দ্য গার্ডিয়ানের মতে যেখানে অ্যামেরিকান টাইম ইউজ সার্ভে (ATUS) এর তথ্য ও পরিসংখ্যান উঠে আসে। যে পরিসংখ্যানে অবিবাহিত, বিবাহিত, সেপারেটেড, ডিভোর্সি ও বিধবাদের সুখে থাকার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল।

চমকপ্রদভাবে দেখা গিয়েছে, বিবাহিত পুরুষরা বেশ সুখী হয়। কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে, বিয়ে ও বিবাহিত জীবনের ফলে নারীদের তুলনায় পুরুষরা বেশি সুবিধা পেয়ে থাকেন।

ডল্যান বলেন, ‘পুরুষরা গাঁটছড়া বাঁধার পর তুলনামূলক কম ঝুঁকি নেন, কাজ করেন, টাকা আয় করেন এবং তাদের আয়ুও বেশ কিছুটা বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে বিয়ের ফলে নারীদের আয়ু কমে যায় বেশ অনেকটা।’

এ বিষয়ে আরও বড় ও বিষয় গবেষণা ও তথ্য সংগ্রহের কাজে জোরেশোরে নামবেন বলেও জানান প্রফেসর।

আরও পড়ুন: নারীদের জন্য বিশ্বের সেরা ১৯ দেশ!

আরও পড়ুন: মস্তিষ্কের সুস্থতায় মিউজিক!

কীভাবে দূর হবে অবসাদ?

কীভাবে দূর হবে অবসাদ?
অবসন্নতা দূর করতে সঠিক নিয়ম মেনে চলতে হবে।

শারীরিক অবসাদ বা ক্লান্তি, পরিশ্রান্ত বোধ হওয়ার সমস্যাটি মূলত মধ্যবয়স্কদের মাঝে বেশি দেখা দিলেও,

এখনকার সময়ে তরুণদের মাঝেও শারীরিক অবসাদ দেখা দেওয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। শারীরিক কাজের চাপ অথবা মানসিক চাপের দরুন অবসাদ তৈরি হয়। কিছু ক্ষেত্রে লুকায়িত শারীরিক সমস্যার লক্ষণ হিসেবে দেখা দেয় অবসাদ। যেমন- রক্তস্বল্পতা, হৃদরোগ, থাইরয়েডের সমস্যা, ডায়বেটিস ইত্যাদি। দীর্ঘদিন যাবত অবসাদভাব অনবরত দেখা দিতে থাকে তবে অবশ্যই চিকিৎসকের শরাপন্ন হতে হবে এবং তার পরামর্শ অনুযায়ী পথ্য গ্রহণ করতে হবে।

কাজের চাপ, মানসিক অশান্তি ও দুশ্চিন্তা থেকে যদি কিছুদিন পরপরই এই অবসাদভাব দেখা দিয়ে থাকে, সেক্ষেত্রেও নিজেকে সতেজ ও প্রাণবন্ত রাখতে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।

শারীরিক কার্যক্রম শুরু করতে হবে

গবেষণায় তথ্য জানাচ্ছে, শারীরিক কার্যক্রম এনার্জির মাত্রা বৃদ্ধিতে অনেকখানি অবদান রাখে। প্রতিদিন পনেরো মিনিটের হালকা ঘরানার শারীরিক কার্যক্রমও শারীরিক অবসাদ দূর করার পাশাপাশি হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের গবেষণার ফলাফল সুপারিশ করে, শারীরিক কার্যক্রম শারীরিক অবসাদ দূর করার সঙ্গে আত্মবিশ্বাসকেও দৃঢ় করতে কাজ করে।

এছাড়া অফিসে কর্মরত অবস্থায় যখনই শ্রান্তিভাব দেখা দেবে, চেয়ার ছেড়ে উঠে অফিস পরিসরে কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করতে হবে। সম্ভব হলে বাইরে থেকে মিনিট পাঁচেকের জন্য ঘুরে আসতে হবে। এতে অবসন্নতা কমে যাবে।

পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/27/1561616943465.jpg

জানেন কি, শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেওয়া থেকেও অবসন্নতা ও ক্লান্তিভাবের তৈরি হতে পারে। কাজের চাপে, সারাদিনের ব্যস্ততায় অনেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পানের বিষয়টি একেবারেই ভুলে যান। যা থেকে শরীরে দেখা দেয় তরলের অভাব। যেহেতু আমাদের শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য পানি প্রয়োজন হয়, তাতে ঘাটতি দেখা দিলেই এই অবসন্নতা কাজ করে।

ঘুমাতে হবে দ্রুত

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/27/1561617035879.jpg

সবসময় পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে, নিয়ম করে প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর জন্য। একজন প্রাপ্ত বয়স্কের শরীরে চাহিদা অনুযায়ী ঘুমে কমতি থাকলেই অবসন্নতা দেখা দিয়ে থাকে। ২০০৪ সালে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণা জানাচ্ছে, অপরিমিত ঘুম অবসন্নতা দেখা দেওয়ার অন্যতম বড় একটি কারণ। কাজের চাপ ও বিভিন্ন ধরণের চিন্তা ও দুশ্চিন্তার দরুন ঘুমের কমতি শরীর একেবারেই নিতে পারে না।

অল্প পরিমাণে কয়েকবারে খেতে হবে

যারা দিনের মাঝে দুই-তিনবারে অনেক বেশি খাবার খান তাদের চাইতে যারা দুই-তিন ঘন্টা অন্তর অল্প পরিমাণ খাবার গ্রহণ করেন, তাদের মাঝে শারীরিক অবসন্নতা কম দেখা দেয়। এমনকি এই অভ্যাসের দরুন রক্তে চিনির মাত্রায় নিয়ন্ত্রণে থাকে। কয়েকবার খাবার খাওয়া হলেও প্রতি বারেই অল্প পরিমাণে খাবার খেতে হবে।

যোগব্যায়ামের অভ্যাস করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/27/1561619951015.jpg

যেকোন ঘরানার যোগব্যায়ামই অবসন্নতাকে দূর করতে কার্যকর। শুধু দূর করতেই নয়, শারীরিক শক্তি বৃদ্ধিতেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। সপ্তাহে অন্তত পাঁচ-ছয় দিন যোগব্যায়ামের অভ্যাস শরীর ও মনকে প্রাণবন্ত রাখতে কাজ করবে।

আরও পড়ুন: প্রতিনিয়ত অকাল মৃত্যুকে ডেকে আনছি যার মাধ্যমে!

আরও পড়ুন: সুস্থতার জন্যে বিশ্রাম ও ঘুম কতটা জরুরি?

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র