Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সৌন্দর্যচর্চায় মধুর চমৎকার চার ব্যবহার

সৌন্দর্যচর্চায় মধুর চমৎকার চার ব্যবহার
মধু, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রাকৃতিক উপাদান মধুর গুণের মতোই তার বহুবিধ ব্যবহারেরও শেষ নেই।

অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এই উপাদানটির ব্যবহার হয়ে আসছে প্রায় ৫০০০ বছর আগে থেকে। ক্ষত সারাতে, শরীর নিরোগ রাখতে ও সৌন্দর্যচর্চার বিবিধ ব্যবহারে মধুকে এগিয়ে রাখা হয় সবসময়।

সাধারণত মধুর ফেসপ্যাক কিংবা মধুর হেয়ার মাস্কের ব্যবহার নিয়ে কথা বলা হয়। তবে আজকের ফিচারে সৌন্দর্যচর্চায় মধুর চারটি ভিন্ন ব্যবহার সম্পর্কে লেখা হলো। যা উপকারে আসবে সবার।

তৈলাক্ত ভাব কমাতে

মুখের তৈলাক্তভাব বেড়ে গেলে বারংবার পানি দিয়ে মুখ ধোয়া কোন সমাধান নয়। আবহাওয়ার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ত্বকের তৈলাক্ততাও বৃদ্ধি পেতে থাকে। এই তৈলাক্তভাব কমিয়ে আনার জন্য ব্যবহার করতে শুধু দুইটি উপাদান প্রয়োজন হবে, মধু ও ওটস। পরিমাণমতো মধুতে ওটস মিশিয়ে মিশ্রণটি পুরো মুখে ম্যাসাজ করে মিনিট পনের রেখে দিতে হবে। এরপর স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। ওটস ত্বকের বাড়তি তেল নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে এবং মধু ত্বককে কোমল রাখবে।

গরম তাপে ত্বক পুড়ে গেলে

হেয়ার স্ট্রেইটনার কিংবা হেয়ার কার্লার ব্যবহারের সময় অসাবধানবশত কান, গলায়, চোয়ালের পাশে কিংবা হাতে গরম তাপের দরুন পুড়ে যায়। এই পোড়া খুব গুরুত্বর না হলেও জ্বালাপোড়া থাকে বেশ ভালোই এবং বেশ অনেকদিন পর্যন্ত ত্বকে দাগ থেকে যায়। এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ মিলবে মধুতে। হুট করে এমন দুর্ঘটনা ঘটলে দ্রুত আক্রান্ত স্থানে মধু মাখিয়ে রেখে দিতে হবে ২০ মিনিটের মতো। এরপর কুসুম গরম পানিতে ভেজানো কাপড়ের সাহায্যে ত্বক মুছে নিতে হবে। এতে জ্বালাপোড়াভাব কমার সাথে দাগও দেখা দিবে না। পোড়াভাব বেশি হলে দিনে দুইবার এইভাবে মধু ব্যবহার করতে হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/24/1556089414730.jpg
সৌন্দর্যচর্চায় মধুর ব্যবহার

 

চুলের আগার রুক্ষভাব দূর করতে

গ্রীষ্মে স্বাভাবিকভাবেই চুলের আগা খুব অতিরিক্ত শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে ওঠে। এই শুষ্কতা চুলের আগা ফাটা, আগা ভাঙা সহ চুলের বৃদ্ধির হাড়ও কমিয়ে দেয় কিছুক্ষেত্রে। চুলের আগার শুষ্কভাব দূর করতে ব্যবহার করতে হবে মধু ও অলিভ অয়েল। সমপরিমাণ মধু ও অলিভ অয়েল চুলের মাঝের অংশ থেকে আগা পর্যন্ত ভালোভাবে মাখিয়ে আধা ঘন্টা রেখে দিতে হবে। এরপর হারবাল শ্যাম্পুতে চুল ধুয়ে নিতে হবে। এই উপাদান দুইটি চুল নরম করতে ও চুলের শুষ্কভাব দূর করতে কাজ করবে।

ব্রণের উপদ্রব কমাতে

গরমে হুটহাট ব্রণের সমস্যাটি উঁকিঝুঁকি দিবে। বিশেষ করে কোন অনুষ্ঠানের অংশগ্রহণের কথা থাকলে তো কথাই নেই। কপালে, মুখের সম্মুখভাবে বিশালাকার ব্রণ দেখা দিবে। ব্রণের আকার ছোট করতে, ব্রণের ব্যথাভাব কমাতে চাইলে ব্যবহার করতে হবে মধু ও দারুচিনি গুঁড়া। দুইটি উপাদানের মিশ্রণে ঘন পেস্ট তৈরি করে সরাসরি ব্রণের উপরে মিশ্রণটির পুরু প্রলেপ দিয়ে পনের মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এরপর কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে নিতে হবে। মধুর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাংগাল উপাদান ব্রণের সমস্যাটি তাৎক্ষণিকভাবে প্রশমিত করে।

আরও পড়ুন: ত্বকের যত্নে আলুর তিন ফেস প্যাক

আরও পড়ুন: দুই উপাদানেই প্রাণবন্ত ত্বক

আপনার মতামত লিখুন :

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র