মুখের ভেতর সেই বরফের দেশে



তানিয়া চক্রবর্তী
গ্রাফিক: বার্তা২৪.কম

গ্রাফিক: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মুখের ভেতরে তিনি আমাদের জন্য নিজেই গলে যান, এই এত বিগলিত ভালোবাসাতে আমরা যাকে বলে অভিভূত! প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতায় তিনি পৃথিবীতে এমনি ছিলেন কিন্তু মানুষের মুখের ভেতর আসতে তার একটু সময় লেগেছে বৈকি! তো যার কথা বলছি তিনি হলেন আইসক্রিম। আইসক্রিমের আগমন পর্ব যে খুব সুষ্পষ্ট তা কিন্তু নয়। তবে বিশেষ বিশেষ ঘটনা ও তথ্যের প্রাসঙ্গিকতা থেকে একটা হালকা ধারণার জায়গায় পৌঁছোনো যায়। শোনা যায় ৫০০ খ্রিঃপূঃ সময় থেকে মানুষ মধু, প্রকৃতিতে জমে ওঠা বরফের কণা, ফল মিশিয়ে খাদ্য পরিবেশন করত। এবং এই খাদ্য খুব উন্নত শ্রেণীর নাগরিকদের হস্তগত হওয়ার সুযোগ ছিল কেবল। এও শোনা যায় হিপোক্রেটিস তার নিজের খাদ্যাভাসে বরফ খাওয়ার পর্ব রেখেছিলেন এবং এটি সেইসময় তার কারণে প্রচারিত হয়েছিল যে বরফ খেলে শরীর মন উজ্জীবিত হতে পারে।

যাকে আমরা আইসক্রিম বলি জায়গাভেদে তার নামের হেরফের রয়েছে কিছু, যেমন ফ্রোজেন কাস্টার্ড, ফ্রোজেন ইয়োগার্ট, সরবেট, জিলাটো। আজ যাকে আমরা আইসক্রিম বলি তার প্রথম নাম ছিল ‘ক্রিম আইস’। গ্রিসের পর এই তালিকায় আসে চীন এবং চীনকেই তথ্য ধরে প্রথম স্বীকৃতি দেওয়া হয় আইসক্রিমের ব্যবহারের জন্য। চীনে ২০০ খ্রিঃপূ এটির ব্যবহার শুরু হয়। চীনে কিং তাং শাংয়ের সময় ৯৪ জন পাচক ছিলেন যারা কেবল মোষের দুধ থেকে আইসক্রিম তৈরির ব্যাপারটিকে তদারকি করতেন। রোমের সম্রাট নিরোর রাজত্বকালেও এর ব্যবহারের উল্লেখ পাওয়া যায়; সেইসময় পাহাড় থেকে তুষার সংগ্রহ করা ছিল একটি বিশেষ কাজ। দক্ষিণ এশিয়া মহাদেশের দিকে আইসক্রিমের ব্যবহার এরও কিছু পরে প্রায় ষোড়শ শতাব্দীর সময় মুঘল রাজত্বকালে। ইতিহাসবিদদের মতে এই ষোড়শ শতাব্দী থেকেই আইসক্রিমের ব্যবহারিক প্রচার শুরু হয়।

দ্য গ্রেট আলেকজান্ডার ফুলের মধুর সঙ্গে বরফ মিশিয়ে খেতে খুব ভালোবাসতেন বলে জানা যায়। মোঘল রাজত্বকালে কুলফি ছিল আইসক্রিমের এক নতুন বিকল্প। প্রাথমিকভাবে মুঘল রাজত্বের সময় তথা সম্রাট কুবলাইখানের সময় ঘোড়সওয়ারীদের পাঠিয়ে হিন্দু কুশ পর্বত থেকে দিল্লিতে বরফ আনা হতো। ইংল্যান্ডে প্রথম চার্লসের রাজত্বের সময় তিনি আইসক্রিমের খাদ্যপ্রণালিকে গোপনভাবে অন্দরমহলে ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এটি এতই তার প্রিয় ছিল। আজ থেকে প্রায় ৭০০ বছর আগে মার্কোপোলো তাঁর দেশ পরিভ্রমণকালে চীন থেকে ইটালিতে আইসক্রিমের বিস্তার ঘটান। ইটালিয়ান ডে মেডিচি যখন দ্বিতীয় হেনরিকে বিবাহ করেন তখন ফ্রান্সের ডেজার্টদের মধ্যে এটি আবার জায়গা করে নেয়, সময়টা ১৫৫৩ সাল।


আরো পড়ুনঃ নোনতা মায়ার মুচমুচে চিপস


একইভাবে যখন ফ্রান্সের হেনরিয়েটা মারিয়া ১৬৩০ সাল নাগাদ দ্বিতীয় চার্লসকে বিবাহ করেন তখন ইংল্যান্ডেও আইসক্রিম খাওয়া শুরু হয়। ঊনবিংশ শতাব্দীর পর থেকে এর ব্যবহার চূড়ান্তহারে বাড়ে। ১৮০০ শতক অবধি এটি অভিজাত মানুষদের খাদ্য হিসেবেই বেশি প্রচলিত ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সৈনিকদের খাদ্যের মধ্যে আইসক্রিম ছিল এনার্জি ও মনোবল বাড়ানোর বিশেষ খাদ্য। ১৭৪৪ সাল থেকে আমেরিকায় আইসক্রিমের ব্যবহার শুরু হয় সর্বসাধারণের মধ্যে তবে সীমিত অর্থে; সেই আমেরিকার বিখ্যাত ব্যতিক্রমী আইসক্রিম ফ্লেভার হলো ‘ হটডগ ফ্লেভারড আইসক্রিম’; আর সেই আমেরিকায় এখন আইসক্রিমের জনপ্রিয়তা তথা বিক্রির পরিমাণ বিশাল। বর্তমানে আইসক্রিমের জনপ্রিয়তা সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই; তার প্রকারভেদ, তার সৌন্দর্য, তার স্বাদ, তার প্রকরণ তার যে কত সম্ভার তার ইয়ত্তা নেই। বৃদ্ধ থেকে শিশু, মানুষ থেকে পোষ্য সকলের কাছে চূড়ান্ত আনন্দ উত্তেজনার খাদ্য হলো আইসক্রিম। ভলতেয়ার বলেছিলেন—“ICE CREAM IS EXQUISITE.WHAT A PITY IT ISN’T ILLEGAL.”

যারা পেলেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার ২০২২



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২২ ঘোষণা করা হয়েছে। সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় এ বছর ১১টি ক্যাটাগরিতে ১৫ জন এই পুরস্কার পাচ্ছেন।

মঙ্গলবার বাংলা একাডেমির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়।


বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২২ প্রাপ্তরা হলেন— কবিতায় ফারুক মাহমুদ ও তারিক সুজাত, কথাসাহিত্যে তাপস মজুমদার ও পারভেজ হোসেন, প্রবন্ধ বা গবেষণায় মাসুদুজ্জামান, অনুবাদে আলম খোরশেদ, নাটকে মিলন কান্তি দে ও ফরিদ আহমদ দুলাল, শিশুসাহিত্যে ধ্রুব এষ, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় মুহাম্মদ শামসুল হক, বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণায় সুভাষ সিংহ রায়, বিজ্ঞান, কল্পবিজ্ঞান বা পরিবেশ বিজ্ঞানে মোকারম হোসেন, আত্মজীবনী, স্মৃতিকথা বা ভ্রমণকাহিনীতে ইকতিয়ার চৌধুরী, ফোকলোরে আবদুল খালেক ও মুহম্মদ আবদুল জলিল।

;

মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মবার্ষিকী আজ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত

মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত

  • Font increase
  • Font Decrease

মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৯তম জন্মবার্ষিকী আজ মঙ্গলবার। মাইকেল মদুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোরের কেশবপুর উপজেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে বিখ্যাত দত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

মহাকবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার জন্মভূমি যশোরের সাগরদাঁড়িতে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলার আয়োজন করা হয়েছে। সকালে মহাকবির প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সাগরদাঁড়ির মধুমঞ্চে কবির জীবনীর ওপর আলোচনা সভা। এছাড়া রয়েছে কবিতা আবৃত্তি।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকালে মেলা উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ। দুই বছর পর মেলা ঘিরে মধুপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। এ ছাড়াও মধুসূদন দত্তের নামে সংস্কৃতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন করছে যশোরবাসী।

মধুসূদনের পিতা রাজনারায়ণ দত্ত ছিলেন জমিদার। মা ছিলেন জাহ্নবী দেবী। তার প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় মা জাহ্নবী দেবীর কাছে। তেরো বছর বয়সে মদুসূদন দত্ত কলকাতা যান এবং স্থানীয় একটি স্কুলে কিছুদিন পড়াশোনার পর তিনি সেসময়কার হিন্দু কলেজে (বর্তমানে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হন।

তিনি বাংলা, ফরাসি ও সংস্কৃত ভাষায় শিক্ষালাভ করেন। এরপর তিনি কলকাতার বিশপস কলেজে অধ্যয়ন করেন। সেখানে তিনি গ্রিক, ল্যাটিন ও সংস্কৃত ভাষা শেখেন। পরবর্তীতে আইনশাস্ত্রে পড়ার জন্য তিনি ইংল্যান্ড যান।

মাইকেল মদুসূদন দত্ত বাংলা ভাষায় সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক ছিলেন। তিনি বাংলা সাহিত্যের পাশাপাশি ইংরেজি সাহিত্যেও অসামান্য অবদান রাখায় বিশ্ববাসী এ ধীমান কবিকে মনে রেখেছে কৃতজ্ঞচিত্তে। তার সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রামায়ণের উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত মেঘনাদবধ কাব্য নামক মহাকাব্য।

তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থাবলি হলো দ্য ক্যাপটিভ লেডি, শর্মিষ্ঠা, কৃষ্ণকুমারী (নাটক), পদ্মাবতী (নাটক), বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ, একেই কি বলে সভ্যতা, তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য, বীরাঙ্গনা কাব্য, ব্রজাঙ্গনা কাব্য, চতুর্দশপদী কবিতাবলী, হেকটর বধ ইত্যাদি।

এ মহাকবির জন্মের কারণেই সাগরদাঁড়ি ও কপোতাক্ষ নদ জগৎবিখ্যাত। কালের প্রবাহে কপোতাক্ষ নদের যৌবন বিলীন হলেও মাইকেলের কবিতার কপোতাক্ষ নদ যুগে যুগে বয়ে চলেছে।

১৮৭৩ সালে ২৯ জুন কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এ মহাকবি। কলকাতায় তাকে সমাধিস্থ করা হয়।

;

কলকাতা আলিপুর জেলে নজরুল স্মৃতির শতবর্ষ স্মরণে ছায়ানট



মায়াবতী মৃন্ময়ী, কন্ট্রিবিউটিং করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
কলকাতা আলিপুর জেলে নজরুল স্মৃতির শতবর্ষ স্মরণে ছায়ানট

কলকাতা আলিপুর জেলে নজরুল স্মৃতির শতবর্ষ স্মরণে ছায়ানট

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামে জীবন, কর্ম ও সৃষ্টির বহুমাত্রিক প্রভা শুধু সাহিত্য ক্ষেত্রেই নয়, অবিভক্ত বঙ্গদেশের সামাজিক-রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক অঙ্গনকেও প্রবলভাবে আলোড়িত করে। শতবর্ষের আলোকধারায় স্নাত নজরুল প্রতিভা বাঙালির চিরকালের দ্রোহ, সংগ্রাম ও সঙ্কল্পের প্রতিধ্বনি হয়ে জাগ্রত ও প্রাণিত করে জাতিসত্তাকে।

কলকাতার নজরুলচর্চায় নিবেদিত সংস্থা 'ছায়ানট' বিভিন্ন আয়োজনে নজরুল-স্মৃতি ও অধ্যায়গুলোকে জীবন্ত রাখার প্রয়াসে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে পালন করেছে কলকাতা আলিপুর জেলে নজরুল স্মৃতির শতবর্ষ।

কারাদণ্ড প্রাপ্ত কাজী নজরুল ইসলামের আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে আগমনের শতবর্ষ উপলক্ষ্যে গত ১৭ জানুয়ারি,২০২৩ আলিপুর মিউজিয়ামে ছায়ানট (কলকাতা) - 'বিদ্রোহী নজরুল' শীর্ষক একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সমগ্র অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনা ও পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন ছায়ানট (কলকাতা) - এর সভাপতি সোমঋতা মল্লিক। অনুষ্ঠানটির বিশেষ সহযোগিতায় আলিপুর মিউজিয়াম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন WBHIDCO - এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর দেবাশিস সেন, বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী এবং সমাজসেবী অলকানন্দা রায়, প্রেসিডেন্সি জেলের ডিআইজি অরিন্দম সরকার এবং আলিপুর মিউজিয়ামের কিউরেটর অনিমেষ ভট্টাচার্য্য।

'ধূমকেতু' পত্রিকায় প্রকাশিত 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতার জন্য ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকচক্রের দ্বারা কারাদণ্ড প্রাপ্ত কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ১৯২৩ সালের ১৭ জানুয়ারি আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে নিয়ে আসা হয়। প্রায় ৮৭ দিন তিনি এখানে ছিলেন।

নজরুল জীবনের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণ করেই ছায়ানটের এই বিশেষ আয়োজনটি সাজানো হয়েছিল কাজী নজরুল ইসলামের দেশাত্মবোধক গান এবং কবিতা দিয়ে। সমগ্র অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন সৌভিক শাসমল।

;

‘বাঙালির অহংকার বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা’ বই প্রকাশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী ২৯ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজশাহীতে আগমন উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে 'বাঙালির অহংকার বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা' গ্রন্থটি। গ্রন্থটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের হাতে তুলে দেন আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট এর পরিচালক প্রফেসর মো. মতিউর রহমান এবং উপ-পরিচালক ও বইটির লেখক মুসতারী হাকিম ইভা।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু গবেষক, বরেন্দ্র রিসার্চ মিউজিয়ামের সাবেক পরিচালক প্রফেসর ড. আলী রেজা মুহাম্মদ আবদুল মজিদ এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সালেহ মো. নুর-ই-সাইদ।


‘বাঙালির অহংকার বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা’ গ্রন্থটিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাঙ্গালি জাতির আদ্যন্ত পরিচয় ফুটে ওঠেছে। নারী তত্ত্বের সার্বিক বিশ্লেষণসহ জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা নির্মাণে তার জ্যেষ্ঠ কন্যার রাজনৈতিক দূরদর্শিতার মানদণ্ড ও জাতির টেকসই উন্নয়নের সার্বিক অগ্রগতি প্রকাশ করা হয়েছে। সর্বোপরি গ্রন্থটিতে বাংলার গরিব দুঃখী মেহনতি মানুষের শেষ ঠিকানা 'বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা'— তা প্রতিফলিত হয়েছে।

বইটি সর্ম্পকে এএইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন জানিয়েছেন, পতিসরের এই ইনস্টিটিউটটি সবসময়ই ভালোমানের বই প্রকাশনা করে। বিভিন্ন সময়ে তাদের প্রকাশিত বিভিন্ন বই আমি পড়েছি। মুসতারীর রচনায় এই বইটিও নিশ্চয়ই পাঠকের মনের চাহিদা পূরণ করবে।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত নওগাঁর পতিসরে আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হয়েছে।

;