সর্বজনীন পেনশন পদ্ধতি প্রবর্তনের ঘোষণা

  বাজেট অর্থবছর ২০২২-২৩



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সর্বজনীন পেনশন পদ্ধতি প্রবর্তনের ঘোষণা

সর্বজনীন পেনশন পদ্ধতি প্রবর্তনের ঘোষণা

  • Font increase
  • Font Decrease

 

২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে সর্বজনীন পেনশন পদ্ধতি প্রবর্তনের ঘোষণার পাশাপাশি ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় একাদশ জাতীয় সংসদের ১৮তম (বাজেট) অধিবেশন শুরুর পর স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর অনুমোদনক্রমে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন শুরু করেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় আমি সর্বজনীন পেনশন পদ্ধতি প্রবর্তনের ঘোষণা দিয়েছিলাম। আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা দিচ্ছি যে সরকার আগামী অর্থবছরে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বয়স্ক জনগোষ্ঠীকে একটি টেকসই ও সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় বৃদ্ধকালীন সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতীয়ভাবে একটি সর্বজনীন পেনশন পদ্ধতি প্রবর্তনের অঙ্গীকার করেছিলেন।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালে সরকার জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশলপত্রে একটি ব্যাপকভিত্তিক সমন্বিত অংশগ্রহণমূলক পেনশন ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব করে। অবশেষে আগামী অর্থবছরে এটি চালু হচ্ছে।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের ষাটোর্ধ্ব সব নাগরিকের জন্য একটি সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রণয়ন এবং কর্তৃপক্ষ স্থাপনের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পেনশন স্কিমের মৌলিক দিকগুলো তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, বাংলাদেশের নাগরিক ১৮ থেকে ৫০ বছরের সবাই অংশ নিতে পারবেন। তবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিষয়টি আমরা পরে বিবেচনা করব। জাতীয় পরিচয়পত্রের ওপর ভিত্তি করে নাগরিকরা পেনশন হিসাব খুলতে পারবেন। প্রাথমিকভাবে এ পদ্ধতি ঐচ্ছিক থাকবে, পরে বাধ্যতামূলক করা হবে।একজন নাগরিক এ সুবিধা পাবেন জীবিত অবস্থায় ৮০ বছর পর্যন্ত। এ স্কিমে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে বয়সভেদে আর্থিক সুবিধার অঙ্কও কম-বেশি হবে।

  বাজেট অর্থবছর ২০২২-২৩

২৭ দিনে রেমিট্যান্স এল ১৬৭ কোটি ডলার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২৩ সালের শুরুতে রেমিট্যান্সের পালে ইতিবাচক হাওয়া লেগেছে। চলতি জানুয়ারির প্রথম ২৭ দিনে ১৬৭ কোটি লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলমান বছরের প্রথম মাস শেষে রেমিট্যান্স ১৭০ কোটি ডলার অতিক্রম করবে। গত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে তা এসেছিল ১৬৯ কোটি ৯৭ লাখ ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, জানুয়ারির ২৭ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২২ কোটি ৬ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ কোটি ৮৯ লাখ মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৪০ কোটি ৫২ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৮ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

রেমিট্যান্স আহরণ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রকাশিত সাপ্তাহিক রিপোর্টে দেখা যায়, ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে ২০৯ কোটি ৬৩ লাখ ডলার প্রবাসী আয় আসে। পরের মাসে কিছুটা কমে দাঁড়ায় ২০৩ কোটি ৬৯ লাখ ডলারে। সেপ্টেম্বরে মাসের ব্যবধানে এক লাফে ৫০ কোটি ডলার কম আসে। ওই মাসে প্রবাসী আয় ছিল ১৫৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার।

অক্টোবরে আরেক দফা নিম্মমুখী হয়ে রেমিট্যান্স আসে ১৫২ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। তবে নভেম্বরে আবার ঊর্ধ্বমুখী হতে থাকে প্রবাসীদের আয়ের অঙ্ক। সেই মাসে তা আসে ১৫৯ কোটি ৫২ লাখ ডলার। আর বিদায়ী বছরের শেষ মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬৯ কোটি ৯৬ লাখ ডলার।

বিদায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ ডলার। এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠান ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ ডলার।

দেশে ডলার সংকট বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সবশেষ ২৫ জানুয়ারি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩২ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে হিসাব করলে তা আরও কম।

সেই হিসাবে এখন প্রকৃত রিজার্ভ সাড়ে ২৪ বিলিয়ন ডলার। গত ৮ বছরের মধ্যে যা সর্বনিম্ন। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বিদেশি মুদ্রার সঞ্চায়ন ছিল ২৫ বিলিয়ন ডলার।

  বাজেট অর্থবছর ২০২২-২৩

;

রিজার্ভ থেকে আপাতত আর কোনো ফান্ড গঠন করা হবে না: গভর্নর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে আপাতত আর কোনো ফান্ড গঠন করা হবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার।ইডিএফ ফান্ড থেকে দেওয়া অর্থ সমন্বয় করে এর আকার ধীরে ধীরে কমানো হবে বলেও জানান তিনি।

এরই মধ্যে ইডিএফে ১ বিলিয়ন ডলার সমন্বয় হয়েছে বলে জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের রফতানি সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন তহবিল বিষয়ক একটি চুক্তি সম্পাদন অনুষ্ঠানে গভর্নর এসব কথা বলেন।

রফতানিমুখী শিল্পের বিকাশ ও প্রসারের চলমান ধারা অব্যাহত রাখতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ তহবিল থেকে প্রাক-অর্থায়ন সুবিধা দেওয়া হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ‘রফতানি সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন তহবিলে’ অংশগ্রহণকারী ৪৯টি তফসিলি ব্যাংকের অংশগ্রহণ চুক্তি হয়েছে।

গভর্নর বলেন, কোভিড-১৯ বা করোনা মহামারি পরবর্তী অর্থনৈতিক অভিঘাত ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে বিরূপ অবস্থা বিরাজ করছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে দেশের রফতানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহকে অধিকতর অভিঘাত সহনশীল করার পাশাপাশি এ খাতের বিকাশ ও প্রসারের চলমান ধারা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্পূর্ণ অর্থায়নে ১০ হাজার কোটি টাকার একটি রফতানি সহায়ক ‘প্রাক-অর্থায়ন তহবিল’ গঠন করা হয়।

এই সুদের মেয়াদ হবে ১৮০ দিন ও ব্যাংক পর্যায়ে সুদহার হবে ১ দশমিক ৫ শতাংশ।

এ অনুষ্ঠানে ডেপুটি গভর্নর আবু ফরাহ মো. নাছের স্বাগত বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যে তিনি নতুন এই তহবিলের বৈশিষ্ট্য ও সুবিধার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো. আফজাল করিম এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও সেলিম আর এফ হোসেন তহবিলটি যথাযথভাবে বাস্তবায়নের আশা প্রকাশ করেন।

  বাজেট অর্থবছর ২০২২-২৩

;

জিওর্দানোর প্রিমিয়াম কোয়ালিটির পোশাক পাওয়া যাবে দারাজে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

হংকং ভিত্তিক বৈশ্বিক লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড GIORDANO ‘জিওর্দানো’প্রিমিয়াম পণ্য দেশের জনপ্রিয় ই-কমার্স ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম দারাজে পাওয়া যাবে। এ বিষয়ে জিওর্দানো বাংলাদেশ (“নীরা ইন্টারন্যাশনাল” বাংলাদেশে নিরঙ্কুশ মালিক) এবং দারাজ বাংলাদেশ লি: ঐক্যমতে পৌঁছেছে।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানী আশফিয়া টাওয়ার দারাজ কর্পোরেট অফিসে জিওর্দানোর পণ্য বাজারজাতকরণ এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্রেতার হাতে সুলভ মূল্যে তুলে দিতে এক যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জিওর্দানো বাংলাদেশ’র সিইও শাহ্ ইস্কান্দার আলী এবং দারাজ বাংলাদেশ লি:’র কমার্শিয়াল ডাইরেক্টর কামরুল হাসান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এ সভায় নেতৃত্ব দেন। জিওর্দানো বাংলাদেশ ও দারাজ বাংলাদেশ লি: নিজেদের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে শীঘ্রই সারাদেশে জিওর্দানো পোশাক পরিবেশন ও উন্নত গ্রাহক সেবার কার্যক্রম শুরু করবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জিওর্দোনো’র তৈরি প্রিমিয়াম পণ্য পুরুষ মহিলা শিশুদের পোশাক, ঘড়ি, চশমা, জুতা, বেল্ট, ব্যাগ, ছাতাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৃথিবীর প্রায় সকল দেশে পরিচিত,সমাদৃত ও জনপ্রিয়।

প্রিমিয়াম কোয়ালিটির এসব পণ্য স্বল্প মুনাফায় দারাজে বাজারজাতকরণের এ উদ্যোগের শুরুতে জিওর্দানো পোশাক ক্রেতাদের জন্য আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট অফার দেওয়া হবে বলে জানান জিওর্দানো বাংলাদেশ’র সিইও শাহ্ ইস্কান্দার আলী।

প্রসঙ্গত,  ১৯৮১ সালে হংকং এ প্রতিষ্ঠিত লাইফস্টাইল পণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান GIORDANO ‘জিওর্দানো। প্রতিষ্ঠানটির মূল স্লোগান (World Without Strangers) ‘অপরিচিত বিহীন পৃথিবী। জিওর্দানো উন্নত মানের পণ্য ও গ্রাহক সেবা দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

GIORDANO’জিওর্দানো’র ব্যবসা সম্প্রসারণ ও পৃথিবীর মানুষকে সংযুক্ত ও পরস্পর পরিচিত করার সফলতার ইতিহাস এখন আমেরিকার হার্বার্ড ইউনিভার্সিটিতে কেইস স্টাডি হিসেবে ছাত্রদের পড়ানো হয়।

সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্য ও বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ১২টি দেশে সফল ব্যবসার জন্য দুবাই ভিত্তিক রিটেইল এম.ই এওয়ার্ডে ভূষিত হন জিওর্দানো মধ্যপ্রাচ্য ম্যানেজিং ডিরেক্টর ঈশ্বর চুগানী।

যৌথ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, দারাজ বাংলাদেশ’র হেড অব এ্যকুইজিশন অপারেশন- কমার্শিয়াল সাইমুন সানজিদ চৌধুরী, হেড অব এ্যকুইজিশন পারফরমেন্স - কমার্শিয়াল মোহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন, চিফ কমার্শিয়াল অফিসার সাব্বির হোসেন, অ্যাসিসন্টেন্ট ম্যানেজার অক্যুইজিশন-কমার্শিয়াল আফতাফ আহমেদ ,এক্সিকিউটিভ কমার্শিয়াল আহমেদ আল মোহাইমিন এবং জিওর্দানো বাংলাদেশ’র সেলস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার মোহাম্মদ মামুন আহমেদ ও অনলাইন সেলস ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার আবু সাঈদ আল সাকিব ।

  বাজেট অর্থবছর ২০২২-২৩

;

চলতি সপ্তাহে আরেক দফায় বাড়বে বিদ্যুতের দাম!



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নির্বাহী আদেশে আবারও বিদ্যুতের দাম বাড়াতে তৎপরতা শুরু করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এ দফায় গ্রাহকের পাশাপাশি পাইকারি পর্যায়েও দাম বাড়ানো হতে পারে। চলতি সপ্তাহেই নতুন আদেশ আসতে পারে বলে মন্ত্রণালয় সুত্র জানিয়েছেন।

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, আমরা বলেছি প্রত্যেক মাসেই দাম সমন্বয় করা হবে। আগামী মাসেই হতে পারে, আবার দেখা যাবে পরের মাসে দাম কমে যেতে পারে।

এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি গ্যাসের দাম বাড়ানোর যে আদেশ দেওয়া হয়েছে, সেটি ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর করার কথা। স্পর্ট মার্কেটের এলএনজি আমদানি না করা পর্যন্ত দর কার্যকর না করার বিষয়ে চিন্তা করা হচ্ছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ সুত্র জানিয়েছে, আগের মতোই ৫ শতাংশ হারে দাম বাড়তে পারে। গেজেট প্রকাশের জন্য প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সর্বশেষ গত ১২ জানুয়ারি নির্বাহী আদেশে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৫ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়। নতুন দর জানুয়ারি মাস থেকেই কার্যকর করা হয়। সে হিসেবে ৩ সপ্তাহের কম সময়ে আবারও দাম বাড়াতে যাচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

আবাসিকের লাইফলাইন গ্রাহকের (৫০ ইউনিট ব্যবহারকারি) ইউনিট প্রতি ১৯ পয়সা বাড়িয়ে ৩.৯৪ টাকা, প্রথমধাপে ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারির ২১ পয়সা বাড়িয়ে ৪.৪০ টাকা করা হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে ৭৬-২০০ ইউনিট পর‌্যন্ত ২৯ পয়সা হারে বাড়িয়ে ৬.০১ পয়সা, ২০১-৩০০ ইউনিট পর‌্যন্ত ৩০ পয়সা বাড়িয়ে ৬.৩০ টাকা, ৩০১-৪০০ ইউনিট ব্যবহারির বিল ৩২ পয়সা বাড়িয়ে ৬.৬৬ টাকা, ৪০১-৬০০ ইউনিট পর‌্যন্ত ৫০ পয়সা বাড়িয়ে ১০.৪৪ টাকা এবং সর্বশেষ ধাপ ৬০০ ইউনিটের উর্ধে ব্যবহারকারিদের ১১.৪৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২.০৩ টাকা করা হয়েছে। উল্লেখিত দর নিম্নচাপ শ্রেণির গ্রাহকদের জন্য প্রযোজ্য হবে। মধ্যম ও উচ্চচাপের গ্রাহকদের জন্য পৃথক দর নির্ধারণ করা হয়েছে। মধ্যমচাপে ৫০ কিলোওয়াট থেকে ৫ মেগাওয়াট পর‌্যন্ত গ্রাহকদের ফ্ল্যাট রেটে ৮.৮২ টাকা, অফ-পীকে ৭.৯৪ এবং পীকে ১১.০৩ টাকা ধরা হয়েছে।

কৃষি সেচের দর ২১ পয়সা বাড়িয়ে ৪.৩৭ টাকা। এই ধরণের গ্রাহকের মধ্যমচাপে (১১ কেভি) ফ্ল্যাট রেটে ৫.২৫ টাকা, অফ-পীকে ৪.৭৩ টাকা, পীকে ৬.৫৬ টাকা করা হয়েছে।

শিল্প গ্রাহকদের ফ্ল্যাট রেটে ৮.৫৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮.৯৬ টাকা, অফ পীকে ৭.৭৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮.০৬ টাকা, পীকে ১০.২৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০.৭৫ টাকা করা হয়েছে। শিল্পে মধ্যমচাপে (১১ কেভি) ফ্ল্যাট রেটে ৮.৯৮ টাকা, অফ-পীকে ৮.০৯ টাকা এবং পীকে ১১.২২ টাকা দর নির্ধারণ করা হয়েছে। উচ্চচাপ (৩৩ কেভি) গ্রাহকদের ফ্ল্যাট রেটে ৮.৮৭ টাকা, অফ-পীকে ৭.৯৯ টাকা এবং পীকে ১১.০৯ টাকা দর নির্ধারণ করা হয়েছে।

শিক্ষা, ধর্মীয়, দাতব্য প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে নিম্নচাপে ৩০ পয়সা বাড়িয়ে ৬.৩২ টাকা, রাস্তার বাতি ও পানির পাম্পে ৭.৭০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮.০৯ করা হয়েছে। বাণিজ্যিক ও অফিসের বর্তমান দর ফ্ল্যাট রেটে ১০.৮২ টাকা, অফ-পীকে ৯,৭৩ টাকা, পীকে ১২.৯৮ টাকা করা হয়েছে।

অতি উচ্চচাপ (শিল্প) ২০ মেগাওয়াট থেকে ১৪০ মেগাওয়াট পর‌্যন্ত ফ্ল্যাট রেটে ৮.৭৮ টাকা, অফ-পীকে ৭.৯০ টাকা, পীকে ১০.৯৭ টাকা দর নির্ধারণ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিতরণ কোম্পানিগুলোর দাম বৃদ্ধির আবেদনের উপর গত ৮ জানুয়ারি শুনানি নেয় বিইআরসি। দ্রুত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত দিতে চাপ দেওয়া হচ্ছিল মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে। শেষ পর‌্যন্ত তড়িঘড়ি করে নির্বাহী আদেশেই বাড়িয়ে দেওয়া হয় বিদ্যুতের দাম।

বিইআরসি প্রতিষ্ঠার পর আর কখনও নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর নজীর নেই। বিইআরসি সর্বশেষ ২১ নভেম্বর বিদ্যুতের পাইকারি দাম ১৯.৯২ শতাংশ বাড়িয়ে প্রতি ইউনিট ৫.১৭ টাকা বাড়িয়ে ৬.২০ টাকা নির্ধারণ করেছে।

  বাজেট অর্থবছর ২০২২-২৩

;