দুদককে শক্তিশালী করতে সামগ্রিক কার্যক্রমকে অটোমেশন করা হবে

  বাজেট অর্থবছর ২০২২-২৩



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল

  • Font increase
  • Font Decrease

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কমিশনের সামগ্রিক কার্যক্রমকে পূর্ণাঙ্গভাবে অটোমেশন করা হবে।

বুহস্পতিবার (৯ জুন) অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় বলেন, দেশব্যাপী দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমনে দুর্নীতির অস্পষ্ট এলাকাসমূহ শনাক্তকরত সেগুলো দুর্নীতি দমন কর্মসূচির আওতাভুক্তকরণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, স্বীয় কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য দুদক গোয়েন্দা ইউনিট গঠন করা হয়েছে- যা পর্যায়ক্রমে জেলা কার্যালয়সমূহেও সম্প্রসারণ করা হবে। দুর্নীতি প্রতিরোধ কর্মকৌশলের আলোকে গণসচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সমাজের সৎ ও স্বচ্ছ ব্যক্তিদের নিয়ে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ‘দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী জানান, দুর্নীতি দমন কমিশনে ২৮০ জন জনবল নিয়োগের কার্যক্রম চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় বাজেট বক্তৃতা শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। এর আগে এ বাজেটে অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। এবারের বাজেটে আকার ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের এটি চতুর্থ বাজেট। আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের নাম দিয়েছেন ‘কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় পরিবর্তন’।

  বাজেট অর্থবছর ২০২২-২৩

ইউনিয়ন ব্যাংকের পথচলায় যুক্ত হল আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর সেবা ফায়িদা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ইউনিয়ন ব্যাংকের পথচলায় যুক্ত হল আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর সেবা ফায়িদা

ইউনিয়ন ব্যাংকের পথচলায় যুক্ত হল আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর সেবা ফায়িদা

  • Font increase
  • Font Decrease

শরী‘আহ ভিত্তিক ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড এর পথচলায় যুক্ত হল ফায়িদা হবে প্রতি মাসে এই স্লোগান নিয়ে একটি আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর বিশেষ সেবা।

সেবাটি হল- মুদারাবা মাসিক প্রদেয় বিশেষ নোটিশ হিসাব (ফায়িদা)। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মুদারাবা মাসিক প্রদেয় বিশেষ নোটিশ হিসাব ফায়িদা এর শুভ উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এ. বি. এম. মোকাম্মেল হক চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ নজরুল ইসলাম এবং এসইভিপি গোলাম মোস্তফা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রধান কার্যালয়ের বিভাগীয় প্রধানগণ ও শাখা ব্যবস্থাপকবৃন্দ।

 

  বাজেট অর্থবছর ২০২২-২৩

;

গ্যাস, বিদ্যুতের পর নির্বাহী আদেশে বিতরণ চার্জ বাড়াতে তোড়জোড়



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
গ্যাস, বিদ্যুতের পর নির্বাহী আদেশে বিতরণ চার্জ বাড়াতে তোড়জোড়

গ্যাস, বিদ্যুতের পর নির্বাহী আদেশে বিতরণ চার্জ বাড়াতে তোড়জোড়

  • Font increase
  • Font Decrease

বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধির নির্বাহী ক্ষমতা যাচ্ছে তাই ব্যবহারের পথে হাঁটছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়ানোর পর এবার বিতরণ কোম্পানির চার্জ বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

প্রথম ধাপেই তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড, কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড, সুন্দরবন ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড, পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড, বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড ও জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম কোম্পানি লিমিটেডের বিতরণ চার্জ এবং গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি অব বাংলাদেশ এর সঞ্চালন চার্জ বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই এই চার্জ বাড়ানোর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। আদেশ যাই আসুক ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই কার্যকর হওয়ার কথা।

নির্বাহী আদেশে এমনটি করা হলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের শৃঙ্খলা ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কা করছে ক্যাবের জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্ট ড. শামসুল আলম। তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, কোম্পানিগুলো অনেক গোজামিল দিয়ে দাম বাড়িয়ে নিতে চায়। বিইআরসির শুনানিতে কিছুটা হলেও যাচাই-বাছাই করা হতো। এখন সেই জায়গাটিও নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে। এতে ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাবে।

গ্যাসের বিতরণ কোম্পানিগুলো অনেক বছর ধরেই মুনাফা করে চলছে। তাদের মুনাফার কিছুটা নজির পাওয়া যায় প্রফিট বোনাস প্রদানের হার থেকে। ২০২১-২২ অর্থ বছরে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড তার ৩৮৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রত্যেকটে ১৮ লাখ টাকা করে প্রফিট বোনাস দিয়েছে। যদিও তাদের বোনাস নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে রয়েছে নানা রকম প্রশ্ন। কোম্পানিগুলোর প্রফিট বোনাসে কিছুটা লাগাম টানার চেষ্টা করে চলেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

কেউ কেউ মনে করেন বিইআরসি ও কোম্পানির দ্বন্দ্বের অন্যতম কারণও এটাই। যে কারণে আইন সংশোধন করে নির্বাহী আদেশে দাম বাড়ানোর বিকল্প চালু করা হয়েছে। অনেকের ধারণা মুনাফায় লাগাম দেওয়ায় চটে গেছেন বিতরণ কোম্পানিগুলোর লোকজন। আর কোম্পানি চটে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে মন্ত্রণালয় ক্ষেপে যাওয়ার নামান্তর। কারণ যুগ্মসচিব থেকে শুরু করে সচিব পর্যন্ত প্রত্যেকেই কোন না কোন কোম্পানির বোর্ডে রয়েছেন। কেউ কেউ একইসঙ্গে একাধিক কোম্পানির বোর্ডে রয়েছেন। খোদ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব রযেছে সবচেয়ে বড় দু’টি কোম্পানির (তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ও কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি) বোর্ড চেয়ারম্যান হিসেবে। বহু বছর ধরেই এমনটি চলে আসছে, সচিব পদে ব্যক্তির রদবদল হলেও সচিবের জন্য নির্ধারিত থেকেই যাচ্ছে বোর্ড চেয়ারম্যান পদটি। যিনি সচিব হবেন তিনিই বোর্ড চেয়ারম্যান হবেন এটাই এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে।

কোম্পানির কর্মকর্তারা যেহেতু মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন, তাই সহজেই কান ভারি করার সুযোগ পান। এমনকি বোর্ড সভায় বসেও তারা তাদের মতো করে ব্যাখ্যা দাঁড় করান। কর্তাও হয়তো তা তলিয়ে দেখার সময় সুযোগ পান না। গত ১৪ ডিসেম্বর আন্ত:মন্ত্রণালয় সভার কার্যপত্রে বিইআরসিকে নিয়ে চচ্চার আলামত পাওয়া গেছে। ওই সভায় জিটিসিএল এমডি বলেন, প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের সঞ্চালন চার্জ নির্ধারিত রয়েছে ৪৭ পয়সা। এরফলে গত অর্থ বছরে ২১৬ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। চলতি অর্থবছরে ৫৫০ কোটি টাকা লোকসান হবে। তিতাস গ্যাস এমডি হারুনুর রশীদ মোল্লাহ বলেন, তাদের কোম্পানি লোকসান দিচ্ছে, বিতরণ চার্জ বাড়ানো দরকার। তাদের এমন বক্তব্যের জবাবে জ্বালানি বিভাগের তৎকালীন সিনিয়র সচিব বলেন, “ সরকার, পেট্রোবাংলা কিংবা বিপিসি মুনাফা করার জন্য কখনই ব্যবসা করে না। তবে কোম্পানিগুলি যে পরিমাণ বিনিয়োগ করবে তা রির্টাণের সুযোগ থাকতে হবে। অন্যথায় কোম্পানিগুলি বিনিয়োগ করে ক্ষতির সস্মুখিন হবে, যা কাঙ্খিত নয়।”

তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দাবি হচ্ছে বিতরণ চার্জ কম থাকায় তারা লোকসান দিচ্ছে। অথচ গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে বিইআরসি টেকনিক্যাল কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে, রেট বেজের উপর রিটার্ন বিবেচনায় ২০২১-২২ অর্থবছরে তিতাস গ্যাসের নীট রাজস্ব চাহিদা মাইনাস ১০ পয়সা। তিতাসের প্রতি ঘনমিটারের বিদ্যমান বিতরণ চার্জ ২৫ পয়সা হারে ( জুলাই ২০১৯ থেকে) বাতিল করা যেতে পারে।

অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী তিতাস গ্যাস ২০২০-২১ অর্থবছরে অন্যান্য পরিচালন আয় করেছে ২ হাজার ৬০৮ মিলিয়ন টাকা, অন্যান্য অপরিচালন আয় করেছে ১২৩ মিলিয়ন টাকা। একই বছরে ব্যাংকে জমা আমানতের সুদ থেকে আয় করেছে ২ হাজার ৫১১ মিলিয়ন টাকা। তিতাস ২০২০-২১অর্থবছরে অন্যান্য খাত থেকে সর্বোমোট আয় করেছে ১০ হাজার ৩৭১ মিলিয়ন টাকা।

বিতরণ চার্জ বিলুপ্ত করার পক্ষে বিইআরসি টেকনিক্যাল কমিটি তার ব্যাখ্যাও দিয়েছে। কমিটি বলেছে, তিতাসের রাজস্ব চাহিদায় অবচয় হার, ঋণের সুদ, রিটার্ণ অন ইক্যুইটি, পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়, সুদ আয় সিস্টেম লস বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। ভবনের অবচয় ৩ থেকে ১০ শতাংশ, ফার্ণিচার ১০ থেকে ১৫ শতাংশ, অফিস ইক্যুইপমেন্ট ১৫ শতাংশ অন্যান্য ইক্যুইপমেন্ট ১৫ থেকে ৩০ শতাংশ যানবাহন ২০ শতাংশ, অন্যান্য সম্পদ ১০ থেকে ২০ শতাংশ অবচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে ৫ শতাংশ ব্যয় বৃদ্ধি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এতে তাদের বিতরণ চার্জ বিলুপ্ত করলে কোম্পানি মুনাফায় থাকবে।

শুনানিতে বিইআরসি টেকনিক্যাল কমিটির রিপোর্টে বলা হয় সবগুলো কোম্পানিই মুনাফায় রয়েছে। কোম্পানিগুলো পরিচালন বর্হিভূত আয় এতে বেশি, তাদের বিতরণ চার্জ আদায় না করলেও মুনাফায় থাকে। অর্থাৎ হাজার হাজার কোটি টাকার ব্যাংক আমানত, নানা রকম মাশুল দিয়েই মুনাফায় থাকে কোম্পানি। এ কারণে শুধু কর্নফূলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির বিতরণ চার্জ ২৫ পয়সা থেকে কমিয়ে ৯ পয়সা করার সুপারিশ দেওয়া হয়। অন্যান্য বিতরণ কোম্পানির বিতরণ চার্জ বিলুপ্ত করার সুপারিশ দেওয়া হয়। ২০২০-২১ অর্থবছরে কোম্পানিগুলোর ব্যাংকে ফেলে রাখা উদ্বৃত্ত অর্থ নিয়ে গেছে সরকার।

অথচ এখন কোম্পানিগুলোর চার্জ বাড়ানোর তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে। অবশ্য গ্যাসের দাম বাড়ানোর পর টাকার হিস্যা পুনঃনির্ধারণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। না হলে আকাশচুম্বি দামের ক্রিম চলে যাবে কোম্পানির পকেটে। বছর থেকে শেয়ার হোল্ডারদের ডিভিডেন্ট বাড়বে, কয়েকগুণ বাড়তে পারে প্রফিট বোনাস। বিদ্যমান ফর্মুলায় গ্যাস বিক্রির অর্থ বিভিন্ন খাতে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। এখানে এলএনজি আমদানির কথা বলে যেভাবে দাম বাড়ানো হয়ে তার প্রতিফলন হওয়ার সুযোগ নেই।

বিইআরসির একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, আমরা যা দিয়েছি সেটিকে ট্যারিফ বলা হয়। ট্যারিফ নির্ধারণের কতগুলো ভিত্তি রয়েছে। ফ্রি অর্থনীতির মধ্যেও ট্যারিমের মাধ্যমে কিছুটা হলেও বাজার নিয়ন্ত্রণ করা হয়। নির্বাহী আদেশে যেভাবে দাম বাড়ানো হয়েছে, সেখানে কোম্পানিগুলো মুনাফা ফুলে ফেপে উঠবে। পেট্রোবাংলার সুবিধা পাওয়ার কোন পথ উন্মুক্ত করা হয় নি। গেজেটে বলতে হতো, বাড়তি অর্থ পুরোটা পেট্রোবাংলা পাবে, তবেই প্রকৃত সফল পাওয়া যেতো। না হলে কর্নফুলী ১৮ লাখ প্রফিট বোনাস দিয়েছে পরের বছর এক কোটি করে দেবে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছে, ইতোমধ্যেই চার্জ পুনঃনির্ধারণের কাজ শুরু হয়েছে। কোম্পানিগুলো চাপাচাপি করবে সে কারণে কিছুটা গোপনীয়তা রক্ষা করা হচ্ছে।

  বাজেট অর্থবছর ২০২২-২৩

;

ইসলামী ব্যাংকের আরডিএস ও ইউপিডিএস কর্মকর্তাদের কর্মশালা অনুষ্ঠিত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ইসলামী ব্যাংকের আরডিএস ও ইউপিডিএস কর্মকর্তাদের কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংকের আরডিএস ও ইউপিডিএস কর্মকর্তাদের কর্মশালা অনুষ্ঠিত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ একাডেমি (আইবিটিআরএ)- এর উদ্যোগে আরডিএস ও ইউপিডিএস কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন এবং লক্ষ্য অর্জনের কৌশল বিষয়ক কর্মশালা ২৯ জানুয়ারি ২০২৩, রবিবার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালার উদ্বোধন করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর জে. কিউ. এম. হাবিবুল্লাহ, এফসিএস। আইবিটিআরএর প্রিন্সিপাল এস এম রবিউল হাসানের সভাপতিত্বে কর্মশালার বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করেন ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ শাব্বির, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এ এস এম রেজাউল করিম, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এম. জোবায়ের আজম হেলালী ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জামাল উদ্দিন। ব্যাংকের আরডিএস ও ইউপিডিএস কর্মকর্তাগণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

  বাজেট অর্থবছর ২০২২-২৩

;

রিয়েল এস্টেট খাতকে নিয়ে কাজ করবে অস্ট্রেলিয়ার ডিজিটাল ক্ল্যাসিফাইডস গ্রুপ ও বিপ্রপার্টি



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট খাতকে এগিয়ে নিতে একসাথে কাজ করার ঘোষণা দিলো বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রিয়েল এস্টেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিপ্রপার্টি ও অস্ট্রেলিয়ার ডিজিটাল ক্ল্যাসিফাইডস গ্রুপ। ফ্রন্টিয়ার মার্কেটে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখা ও সম্ভাবনাময় উদ্যোগের সাথে যুক্ত হয়ে ব্যবসার পরিসর বাড়ানোর পাশাপাশি, এই চুক্তির আওতায় বিপ্রপার্টির সেবার মান বাড়ানোর পাশাপাশি স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে বিভিন্ন সেবা প্রদান করবে ডিসিজি।

প্রপার্টি ক্ল্যাসিফায়েড প্রতিষ্ঠান হিসেবে ২০০৯ সালে ফ্রন্টিয়ার মার্কেটে আবির্ভাব ঘটে ডিসিজির। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে কম্বোডিয়া, পাপুয়া নিউ গিনি, লাওস এবং ফিজিতে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে এবং একইসাথে যৌথ উদ্যোগ এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে থাইল্যান্ড-ভিত্তিক প্রপ-টেক ফাজওয়াজ গ্রুপের সাথেও কাজ করছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, ডিসিজি এর ব্যবসায়িক প্রসারকে ত্বরান্বিত করতে বিজ্ঞাপন থেকে সরে এসে লেনদেন বিষয়ক সেবা প্রদানের দিকে তাদের ব্যবসায়িক মডেলকে রূপান্তরিত করেছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে গ্রুপটির কর্মী সংখ্যা ৫৫০ ছাড়ানোর পাশাপাশি শতভাগ রাজস্ব অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। প্রযুক্তি এবং প্রপার্টি খাতে বিশ্বব্যাপী সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও এই পরিবর্তন সম্ভব করেছে গ্রুপটি ।

বাংলাদেশের বৃহত্তম রিয়েল এস্টেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিপ্রপার্টি গ্রাহকদের জন্য প্রপার্টি বিষয়ক যেকোনো লেনদেনের ক্ষেত্রে একটি নিরাপদ প্রপার্টি মার্কেট হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে, যেখানে প্রপার্টি ক্রেতা-বিক্রেতা, বাড়িওয়ালা এবং ভাড়াটিয়া নিরাপদ, সুবিন্যস্ত এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রপার্টির লেনদেন সম্পন্ন করতে পারছেন। আর এ লক্ষ্য অর্জনে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিপ্রপার্টি গ্রাহকদের প্রপার্টি বিষয়ক যেকোনো সমস্যার সমাধান দিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

সে সাথে প্রপার্টি বিষয়ক সেবা প্রদানে অনলাইন এবং অফলাইন উপস্থিতির মাধ্যমে বিপ্রপার্টির কাছে রয়েছে তথ্যের বিশাল ডাটাবেজ। যেখানে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে রয়েছে লক্ষাধিক প্রপার্টির তালিকা, যা ২০১৬ সালে যাত্রা শুরুর সময় ছিল ৯৯০টি প্রপার্টি, যা বর্তমান সময়ে অর্থাৎ, ২০২৩ সালে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখেরও অধিক প্রপার্টিতে। যেখানে গ্রাহকরা পাচ্ছেন প্রপার্টির বিস্তারিত বিবরণ, ভিডিও এবং ফ্লোর প্ল্যানসহ প্রপার্টি ক্রয়-বিক্রয় কিংবা ভাড়া নেয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে এমন সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, যার ফলে গ্রাহকরা প্রপার্টি বিষয়ক যেকোনো তথ্য পরিষ্কারভাবে এই প্ল্যাটফর্ম থেকেই পেতে পারেন খুব সহজে।

প্রপার্টি লেনদেনের প্রক্রিয়াটি সহজ এবং ঝামেলাহীন করতে, বিপ্রপার্টির রয়েছে দক্ষ এবং বিশেষজ্ঞ কর্মীবৃন্দ। যারা প্রপার্টি বিষয়ক সার্ভিস দেয়ার পাশাপাশি লিগ্যাল, ফাইন্যান্সিয়াল, এবং ইন্টেরিয়র সার্ভিস নিয়েও কাজ করে যাচ্ছেন। আর এর মূল লক্ষ্যই হলো প্রপার্টি বিষয়ক যেকোনো সেবা একই প্ল্যাটফর্মের অধীনে দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা এবং সে অনুযায়ী দক্ষভাবে কাজ করে যাওয়া।

বাৎসরিক ৪ মিলিয়নেরও অধিক ওয়েবসাইট এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ভিজিটর সহ আবসন খাত সেবায় খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিপ্রপার্টি ইতিমধ্যেই গ্রাহকদের কাছে আস্থা অর্জন করেছে।

 চুক্তি স্বাক্ষরের প্রসঙ্গে বিপ্রপার্টির সিইও, মার্ক নসওয়ার্দি বলেন, “ এই চুক্তির মাধ্যমে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে বিপ্রপার্টির প্রসারের পাশাপাশি ডিসিজি অন্যান্য মার্কেটের সাথে কাজ করে এশিয়ান ফ্রন্টিয়ার মার্কেটে অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষস্থানীয় প্রপার্টি অপারেটর হিসেবে তাদের অবস্থান আরো দৃঢ় করতে পারবে।”

অন্যদিকে ডিসিজি গ্রুপের সিইও, ম্যাথিউ কেয়ার, এ চুক্তি স্বাক্ষরকে ডিসিজি গ্রুপের প্রসারের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য একটি মাইলফলক হিসেবেই দেখছেন।

তিনি বলেন, “আমি ডিসিজি পরিবারে বিপ্রপার্টি টিমকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই, যারা প্রপার্টি লেনদেনের ক্ষেত্রে বেশ স্বনামধন্য মার্কেটপ্লেস হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। বিপ্রপার্টির সিইও মার্ক নসওয়ার্দিকে আমি ডিসিজি বোর্ডে স্বাগত জানাই; আমি বিশ্বাস করি ডিসিজির অগ্রগতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে তার অভিজ্ঞতার এ ধারা নিঃসন্দেহে আমাদেরকে আরও দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করবে।”

চুক্তি অনুযায়ী, বিপ্রপার্টি-এর সিইও মার্ক নসওয়ার্দিও ডিসিজি এর বোর্ডের সাথে যুক্ত হতে যাচ্ছেন।

গতিশীল বাংলাদেশি বাজারের সাথে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে, ডিসিজি এ যাবতকালে তাদের একক সর্ববৃহৎ ফ্রন্টিয়ার মার্কেটে প্রবেশ করেছে, যা মার্কেটে তাদের প্রসার তিনগুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। ফলে এই গ্রুপটি পাঁচটি দেশে প্রায় ২০০ মিলিয়ন গ্রাহককে সেবা দিতে সক্ষম হবে। এশিয়ান ফ্রন্টিয়ার মার্কেটে প্রপার্টি ক্ল্যাসিফাইডের নেতৃস্থানীয় অপারেটর হিসাবে সব ধরনের মার্কেটে এর অবস্থানকে আরও দৃঢ় করতে কাজ করে যাবে।

এ বিষয়ে মার্ক আরও জানান, “বাড়তি এই উৎস এবং অভিজ্ঞতাকে সাথে নিয়ে বিপ্রপার্টি এর ব্যবসায়িক লক্ষ্যকে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে, এমনকি আর্থিক ও নির্মাণ শিল্পের সাথে কাজ করা সহ বাংলাদেশের ভোক্তাদের জন্য প্রপার্টি বিষয়ক নিত্যনতুন সব সমাধানের বিষয়ে প্রপার্টি মার্কেটে অগ্রণী ভূমিকা পালন করার উদ্দেশ্যে কাজ করে যাবে।”

  বাজেট অর্থবছর ২০২২-২৩

;