শীতের আগেই যত্ন নিন ঠোঁটের



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অক্টোবর শেষ, তবুও গরম কমছে না। রাজধানীতে এমন দশা হলেও দেশের বিভিন্ন স্থানে শীত নামছে। বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূবাঞ্চলে ঠাণ্ডা পড়তে শুরু করেছে।

তবে সারাদেশে শীত আসার কিছু দিন আগে থেকেই বাতাসে টান ধরা শুরু করে। আদ্রর্তার অভাবে ত্বক শুকিয়ে যায়। গোসলের পর শরীরে লোশন নেওয়ার প্রয়োজন দেখা দিচ্ছে।

যাদের ত্বক এমনিতেই শুষ্ক, তাদের এসময়ে ঠোঁট বারবার শুকিয়ে ফেটে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। ঠোঁটের চামড়া উঠে যাওয়া, ঠোঁট ফেটে রক্ত পড়া এবং ঠোঁটের চারপাশে শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যাও বাড়ে।

কী করে সামলাবেন এ সমস্যা?

১. বেশি করে পানি পান করে শরীর আর্দ্র রাখতে হবে এ মৌসুমে

২. ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যা এড়াতে সবসময় সঙ্গে লিপ বাম রাখুন। কয়েক ঘণ্টা অন্তর ঠোঁটে লাগান

৩. ঠোঁট শুকিয়ে গিয়ে চামড়া উঠলেও ঠোঁট কামড়ানোর অভ্যাস ত্যাগ করুন

৪. খাদ্যাভ্যাসে বদল আনতে হবে। এমন খাবার খান যাতে বেশি পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। যেমন- কমলালেবু, পাতিলেবু, গাজরের মতো ফল-সবজি।

এছাড়াও ভরসা রাখা যেতে পারে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতির। ঠোঁটের শুকনো চামড়া, মৃত কোষ সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন। সপ্তাহে অন্তত দুদিন ঠোঁটের জন্য তৈরি বিশেষ স্ক্রাব ব্যবহার করতে হবে।

তবে এ স্ক্রাব আপনি বাড়িতেই বানিয়ে ফেলতে পারেন। মধু, লেবুর রস এবং চিনির গুঁড়ো একসঙ্গে মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করে নিতে পারেন। নারকেল তেল এবং গুঁড়ো করা ওটস দিয়েও তৈরি হবে ভারো স্ক্রাব।

এছাড়া প্রতিদিন রাতে ঘুমোনোর আগে ঠোঁটে মধু কিংবা ঘি লাগিয়ে রাখতে পারেন। ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন ঠোঁট থাকবে কোমল।

সুস্থ থাকতে বেছে নিন বেগুনি রঙের সবজি ও ফল



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সুস্থতার জন্য সবসময়ই উপকারী ও প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদান গ্রহণের উপর জোর দেওয়া হয়। সেই বিষয়টিকে আরও নির্দিষ্ট করে তুলে ধরার জন্য বলা হচ্ছে বেগুনি বর্ণের খাবার গ্রহণের কথা। প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদান যত বেশি বর্ণীল, তার উপকারিতা ততই বেশি। বেগুনি বর্ণের সবজি ও ফলগুলো হৃদযন্ত্রের সুস্থতা থেকে ক্যানসার প্রতিরোধ- সবক্ষেত্রেই অবদান রাখবে।

বেগুনি সবজির মাঝে- বেগুনি বাঁধাকপি, বেগুনি পেঁয়াজ, বিটরুট, বেগুন, বেগুনি অ্যাসপারাগাস এবং বেগুনি ফলের মাঝে- বেগুনি আঙুর, বেগুনি ড্রাগন ফ্রুটস, ব্লুবেরিস, আর্টিচোকস ইত্যাদি প্রাধান্য পাবে।

আলসারের সমস্যায় উপকারী

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জার্নাল অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড ফুড ক্যামিস্ট্রি জানাচ্ছে, ব্ল্যাকবেরিতে থাকা অ্যান্থোসায়ানিন পাকস্থলীর আলসারের সমস্যা কমাতে কাজ করে। গবেশকেরা আরও জানান, অ্যান্থসায়ানিন (Anthocyanins) অক্সিডেশন প্রতিরোধ করতে ও শরীরে প্রাকৃতিকভাবে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট তথা গ্লুটাথাইওন (Glutathione) এর কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।

সুস্থ রাখে হৃদযন্ত্র

কিছু বেগুনি বর্ণের ফল রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের (LDL) মাত্রা কমাতে ও ভালো কোলেস্টেরলের (HDL) মাত্রা বৃদ্ধিতে কাজ করে। রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল আর্টারিতে স্তর তৈরি করে রক্ত স্বাভাবিকভাবে চলাচলে বাঁধা দান করে। এতে করে রক্তচাপের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সাথে বেড়ে যায় হৃদরোগ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা।

ক্যানসার প্রতিরোধ করে

একাধিক গবেষণার তথ্য জানাচ্ছে, বেগুনি ড্রাগন ফলসহ এ বর্ণের অন্যান্য খাদ্য উপাদানে থাকা রেসভেরাট্রল (Resveratrol) ক্যানসার কোষ তৈরিতে বাধা দান করে। এতে করে স্তন ক্যানসার, প্রস্টেট ক্যানসার, স্কিন ক্যানসার, লিভার ক্যানসার, লাং ক্যানসার দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা স্বাভাবিক অবস্থার চাইতে কমে আসে অন্তত ১৩ শতাংশ পর্যন্ত।

বৃদ্ধি করে স্মৃতিশক্তি

বেগুনি বর্ণের আলু স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে অবদান রাখার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত এতে থাকা অ্যান্থসায়ানিনের জন্য। এই উপাদানটি বয়সজনিত নার্ভাস সিস্টেমের দুর্বলতাকে রোধ করে এবং স্কৃতিশক্তি অক্ষুণ্ণ রাখতে কাজ করে।

প্রতিরোধ করে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন

বেগুনি বর্ণের উপকারী সবজি ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের বিরুদ্ধে কাজ করে। এতে থাকা অ্যান্থসায়ানিন H. Pylori নামক ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে। মূলত এই ব্যাকটেরিয়াই ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন তৈরির জন্য দায়ী।

কমায় রক্তচাপ

বেগুনি বর্ণের ফল যেমন আঙুর, ব্লুবেরি প্রভৃতিতে থাকা বিশেষ ধরনের ফ্ল্যাভনয়েড রেসভেরাট্রল রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করে।

;

শীতে খুশকির সমস্যা কমাতে নারিকেল তেলের দুই ব্যবহার



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চুলের যত্নে নারিকেল তেল অতুলনীয়। চুল পড়া, চুলের আগা ফাটা, চুল শুষ্ক হয়ে যাওয়া কিংবা খুশকির মতো জেদি সমস্যাতেও নারিকেল তেলের কাছেই সমাধান খুঁজতে হয়।

কিন্তু খুশকির সমস্যায় নারিকেল তেল ব্যবহার করে অনেককেই হতাশ হতে হয়। কারণ খুশকির সমস্যা দূর করার জন্য সঠিক নিয়মে নারিকেল তেল ব্যবহারের ধরণ সম্পর্কে অনেকেই জানেন না।

সবার সুবিধার জন্য ও খুশকির সমস্যাকে বিদায় জানাতে দুইটি কার্যকর উপায়ে নারিকেল তেলের ব্যবহারের বিশদ বিবরণ জানানো হল-

নারিকেল তেলের ডিপ কন্ডিশনিং

নারিকেল তেলের ডিপ কন্ডিশনিং শুষ্ক চুলকে কোমল করার পাশপাশি খুশকির সমস্যাকে দ্রুত কমিয়ে আনতে কাজ করবে। এর জন্য প্রয়োজন হবে ২-৩ টেবিল চামচ নারিকেল তেল (চুলের দৈর্ঘ্যের উপর ভিত্তি করে নারিকেল তেলের পরিমাণ কমবেশি হবে), উষ্ণ তোয়ালে ও মোটা দাঁতের চিরুনি।

প্রথমে চুল শ্যাম্পুর সাহায্য পরিষ্কার করে নিতে হবে এবং শ্যাম্পু ব্যবহারের পর কন্ডিশনার ব্যবহার করা যাবে না। এবারে মোটা দাঁতের চিরুনির সাহায্যে চুল আঁচড়ে ভেজা চুলের গোঁড়ায় নারিকেল তেল ম্যাসাজ করতে হবে। এভাবে পুরো মাথার চুলে নারিকেল তেল ম্যাসাজ করা হয়ে গেলে উষ্ণ তোয়ালের সাহায্যে পুরো মাথার চুল পেঁচিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। তোয়ালে উষ্ণ করার জন্য গরম পানিতে ভিজিয়ে এরপর পানি নিংড়ে নিতে হবে।

৩০ মিনিট হয়ে গেলে চুল শুকিয়ে নিতে হবে এবং এভাবে সারারাত চুল তেল রেখে দিয়ে পরদিন সকালে চুল শ্যাম্পু করে নিতে হবে। এই নিয়মে প্রতি সপ্তাহে একবার নারিকেল তেল ব্যবহার করতে হবে।

নারিকেল তেল ও লেবুর রসের মিশ্রণ

কিছু ক্ষেত্রে শ্যাম্পু ব্যবহারে আমাদের মাথার ত্বকের সাধারণ পিএইচ মাত্রায় তারতম্য ঘটে, যা থেকে উৎপত্তি হয় খুশকির সমস্যা। এক্ষেত্রে লেবুর রস নারিকেল তেলের মতোই উপকারী। এই ফলের রসে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড চুল ও মাথার ত্বকের pH এর মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে কাজ করে। এছাড়া লেবুর রসে থাকা ভিটামিন-সি হলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান, যা মাথার ত্বকের যেকোন ইনফেকশনের সমস্যা ভালো করতে কার্যকর। এ কারণে নারিকেল তেলের সাথে সঠিক পরিমাণ লেবুর রস মিশিয়ে ব্যবহার করলে খুশকির সমস্যায় কার্যকর উপকারিতা পাওয়া সম্ভব হবে।

এর জন্য দুই টেবিল চামচ নারিকেল তেল (চুলের দৈর্ঘ্যের উপর ভিত্তি করে নারিকেল তেলের পরিমাণ কমবেশি হবে) ও এক চা চামচ লেবুর রস মেশাতে হবে। এরপর শুষ্ক চুলের গোঁড়ায় এই মিশ্রণ ম্যাসাজ করে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে হারবাল শ্যাম্পুর সাহায্যে চুল ধুয়ে নিতে হবে।

;

সারোগোসির মাধ্যমে মা হলেন প্রিয়াঙ্কা, কী এই পদ্ধতি?



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কয়েকদিন আগে সারোগেসির মাধ্যমে মা হয়েছেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। এতে আলোচনায় এসেছে সারোগেসি পদ্ধতি। যদিও এর আগে অনেক বলিউড, হলিউড অভিনেতা ও অভিনেত্রীরা সন্তান নিয়েছেন এই পদ্ধতিতে।

কী এই সারোগেসি?

যেসব মহিলারা সন্তানধারণ করতে পারেন না কিংবা চান না তাদের হয়ে অন্য কেউ গর্ভে সন্তানধারণ করলে, তাকে বলা হয় সারোগেসি। সন্তানধারণ যিনি করছেন, তিনি হলেন সেই শিশুর সারোগেট মা। বিশেষ করে যে সকল মহিলার শরীর সন্তানধারণের ধকল নেওয়ার জন্য প্রস্তুত নয়, তারাই এই পথ বেছে নেন। কারও কারও ক্ষেত্রে অবশ্য অন্য কারণও থাকে। তবে শুনতে যত সহজ, বিষয়টি মোটেই সহজ সরল নয়। এতে যেমন রয়েছে চিকিৎসা সংক্রান্ত জটিলতা, তেমনই রয়েছে নানা আইনি বিষয়ও। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক সারোগেসির খুঁটিনাটি।

সারোগেসির নানা ধরন এবং নিয়ম রয়েছে। এ পদ্ধতি বেছে নেওয়ার আগে তা জানা জরুরি। সারোগেসি মূলত দু’ধরনের হয়। যেমন—

ট্র্যাডিশনাল সারোগেসি

এক্ষেত্রে বাবার শুক্রাণু প্রতিস্থাপিত হয় সারোগেট মায়ের শরীরে। কৃত্রিম পদ্ধতিতেই তা করা হয়। সারোগেট মায়ের ডিম্বাণুই ব্যবহৃত হয়। সারোগেট মা এখানে সন্তানের বায়োলজিক্যাল। কোনও কোনও ক্ষেত্রে বাবার শুক্রাণু কাজ না করলে অন্য ডোনারের শুক্রাণু দিয়ে কাজ চালানো হয়। তবে সেটাও প্রতিস্থাপন করা হয় কৃত্রিম পদ্ধতিতেই।

জেস্টেশনাল সারোগেসি

এক্ষেত্রে বাবার শুক্রাণু এবং মায়ের ডিম্বাণু ব্যবহার করা হয়। কৃত্রিম উপায়ে ফার্টিলাইজ করে তা প্রতিস্থাপন করা হয় সারোগেট মায়ের জরায়ুতে। এক্ষেত্রে সারোগেট মায়ের সঙ্গে সন্তানের কোনও জিনগত মিল থাকে না। এই পদ্ধতিই সবচেয়ে প্রচলিত এখন।

মূলত এই দু’টিই সারোগেসির প্রধান পদ্ধতি। যদিও এর বাইরেও রয়েছে কয়েকটি অন্য নিয়মও। তার ভিত্তিতে ভাগ করা হয় সারোগেসিকে।

সারোগেসির আগে মনে রাখতে হবে কী কী?

>এমন সারোগেট বাছা হয় যার রক্তচাপ, রক্তে শর্করার মাত্রা, থাইরয়েডের মাত্রা স্বাভাবিক। মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টিও দেখা হয় সারোগেট নির্বাচনের আগে।

>এমন সারোগেট মা নির্বাচন করা হয়, এর আগে যিনি সুস্থ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। এছাড়াও সারোগেট মায়ের বয়স হতে হবে ২৫ থেকে ৩৫-এর মধ্যে। একবারের বেশি সারোগেট সন্তান ধারণ করতে পারবেন না কেউ।

তবে সারোগেসি সংক্রান্ত নিয়ম বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রকম। যদিও বাংলাদেশে সারোগেসি সম্পর্কে সুস্পষ্ট কোনো আইন নেই। তাই এই পথ বেছে নেওয়ার আগে সবকিছু ভালোভাবে জেনে নেওয়া জরুরি, যাতে পরবর্তীকালে কোনও আইনি সমস্যায় না পড়তে হয়।

;

শরীরে আয়রনের ঘাটতি মেটায় যে ফল



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সারা বছর খেজুর খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। বিশেষত শীতকালে খেজুরের উপকারীতার শেষ নেই। রক্তে আয়রনের মাত্রা বাড়াতে রোজকার খাদ্যতালিকায় রাখুন খেজুর। এই ফলটি পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ, আবার এতে রয়েছে অসাধারণ কিছু ঔষধিগুণ।

খেজুরের যাবতীয় পুষ্টিগুণ জেনে নেওয়া যাক—

১. খেজুরে থাকা গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ও সুক্রোজের মতো প্রাকৃতিক শর্করা শরীরে তাত্ক্ষণিক শক্তি জোগায়। তাই খাদ্যতালিকায় খেজুর রাখলে সারাদিন বেশ প্রাণবন্ত থাকা যায়।

২. খেজুরে কোনও ফ্যাট নেই। নেই কোনও কোলেস্টেরলও। খেজুরে থাকা ‘ক্যাটাচিনস’ নামক অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমায় এবং ভাল কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ায়। তা ছাড়া, খেজুর ধমনীতে চর্বির স্তর জমতে দেয় না।

৩. রক্তস্বল্পতায় ভুগলে অবসাদ, শ্বাসকষ্টের সমস্যা প্রায়ই দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রেও খেজুর ভীষণ উপকারী। খেজুর আয়রনের ভাল উৎস।

৪. হৃদ্‌রোগ, ক্যানসার কিংবা ডায়াবিটিসের রোগীদের ক্ষেত্রেও খেজুর খুব উপরারী। খেজুরে আছে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ফ্ল্যাভোনয়েডস যা ক্যানসার এবং ডায়াবিটিসের ক্ষেত্রে ভাষণ উপকারী। এ ছাড়াও খেজুরে আছে আইসোফ্ল্যাভন ও ক্যারোটেনয়েডস নামক দু’টি উপাদান, যা হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধ করতে কার্যকরী। খেজুরে থাকে ফেনোলিক অ্যাসিড নামক অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট যা ক্যানসার প্রতিরোধ করে।

৫. খেজুরে বেশ ভাল মাত্রায় পটাশিয়াম থাকে, যা রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। তাই বলা য়ায়, খেজুর হল এমন এক প্রাকৃতিক প্রতিষেধক, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

৬. খেজুরে প্রচুর পরিমাণ সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে। এ সব হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবং অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগ প্রতিরোধের জন্য বেশ উপকারী।

৭. খেজুরে রয়েছে ভিটামিন এ এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ‘ক্যারোটানয়েডস’, যা দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে উপকারী। এমনকি, বয়সের সঙ্গে সঙ্গে চোখের পেশীর সঙ্কোচন-প্রসারণ ক্ষমতা কমে যাওয়া সংক্রান্ত সমস্যাও খেজুর প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

৮. সাধারণত খাদ্যে ফাইবার অভাবে পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো রোগ হয়। খেজুরে যেহেতু প্রচুর ফাইবার থাকে, তাই নিয়মিত খেজুর খেলে এ রোগগুলি থেকে সহজেই মুক্তি পেতে পারেন।

;