শুকনো গোলাপের পাপড়ির যত ব্যবহার



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গোলাপ শুধু দেখতেই সুন্দর নয়, তার গুণের জন্যেও অনন্য। বন্ধুত্ব, ভালোবাসা ও শান্তির প্রতিক বহনকারী গোলাপের শুকনো পাপড়ির দারুণ দশটি ব্যবহার সম্পর্কে জেনে নিন।

১. শুকনো গোলাপের পাপড়ির সঙ্গে মুলতানি মাটি মিশিয়ে চমৎকার ফেস প্যাক তৈরি করা যায়।

২. শুকনো গোলাপের পাপড়ি থেকে তৈরি করা গোলাপজল ত্বকের যত্নে ও ত্বক পরিষ্কার করতে দারুণ কার্যকর।

barta24

৩. শুকনো ও গুঁড়া করা গোলাপের পাপড়ি পানিতে মিশিয়ে ক্ষতস্থানে ব্যবহার করলে ক্ষতস্থান দ্রুত ভালো হয়।

৪. শুকনো গোলাপের পাপড়ি গুঁড়া দুধের সঙ্গে স্বল্প পরিমাণ মিশিয়ে পান করলে অ্যাসিডিটি ও স্টমাক আলসারের সমস্যা কমে যায়।

৫. শুধু অ্যাসিডিটির সমস্যাই নয়, ডায়রিয়ায় প্রকোপ কমাতেই উপকারী শুকনো গোলাপের পাপড়ি।

৬. ডায়রিয়ায় পাশাপাশি কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে উপকারী ভূমিকা রাখে শুকনো গোলাপের পাপড়ির গুঁড়া।

৭. হারবাল চা তৈরিতে শুকনো গোলাপের পাপড়ির ব্যবহার নতুন কিছু নয়। বিভিন্ন মশলার সঙ্গে শুকনো এক-দুইটি পাপড়ি বা পাপড়ি গুঁড়া ব্যবহারে অ্যাসিডিটির সমস্যাসহ দাঁতের ক্যাভিটি বা ক্ষয়রোধ রোধ করা সম্ভব।

৮. গলা ব্যথা অথবা অতিরিক্ত কাশি ও কাশির ফলে গলার ভেতরে ছিলে যাওয়ার মত জ্বলুনিভাব কমাতে চাইতে শুকনো গোলাপের পাপড়ি পানিতে জ্বাল দিয়ে ছেঁকে সেই পানিতে গার্গল করতে হবে।

৯. গোলাপের কুড়ি থেকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-সি পাওয়া যায়। তাই গোলাপের কুড়ির শুকনো পাপড়ির চা ঠান্ডাজনিত সমস্যা ও কাশির প্রাদুর্ভাব কমাতে কার্যকর।

১০. পুরো বিশ্ব জুড়েই রোজ অয়েল অন্যতম সর্বাধিক ব্যবহৃত একটি পণ্য। এই তেল ঘরেই তৈরি করে নেওয়া সম্ভব। শুকনো গোলাপের পাপড়ি এবং নারিকেল তেল জ্বাল দিতে হবে মাঝারি আঁচে। তেলের রঙ পরিবর্তন হয়ে আসলে পানিয়ে ছেঁকে নিতে হবে ভালোভাবে এবং সংরক্ষণ করতে হবে।

শুকনো গোলাপের পাপড়ি কীভাবে সংরক্ষণ করতে হবে?

ফুল থেকে পাপড়ি ছিঁড়ে টিস্যুর সাহায্যে চেপে চেপে শুকিয়ে নিতে হবে। শুকানো হয়ে গেলে রোদের আলোয় ২-৩ ঘণ্টা রেখে এরপর পুনরায় টিস্যুর সাহায্যে মুছে এয়ার টাইট বক্সে ছড়িয়ে রেখে দিতে হবে। ৪-৫ দিনের মধ্যে পাপড়িগুলো শুকিয়ে আসবে। এরপর প্রয়োজন মতো শুকনো গোলাপের পাপড়ি ব্যবহার করা যাবে।

করোনার বিরুদ্ধে লড়তে খাদ্যতালিকায় রাখুন কালোজিরা



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। একারণে বিশেষজ্ঞরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এমন খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। গবেষকদের মতে, নানা রকমের মশলা করোনার পাশাপাশি আরও অনেক জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে সংক্রমণ আটকাতে পারে। তার মধ্যে অন্যতম হলো কালোজিরা।

জেনে নিন কালোজিরার ওষধি গুণ-

একেতো শীতকাল তার ওপর করোনাভাইরাস। ফলে সর্দি-কাশি হলেই মনে অজানা আশংকা কাজ করাই স্বাভাবিক। তবে এই সর্দি-কাশি রুখতে কালোজিরা দিয়ে ঘরোয়া চিকিৎসা নতুন কিছু নয়। একটি পরিষ্কার কাপড়ে কালোজিরা জড়িয়ে তা নাকের কাছে নিয়ে গিয়ে বড় করে শ্বাস টানুন কিছুক্ষণ ধরে। এর ঝাঁজ বুকে জমে থাকা শ্লেষ্মাকে টেনে বের করতে সাহায্য করে। নাক বন্ধের সমস্যাতেও ঘরোয়া এই উপায়ের জুড়ি মেলা ভার।

কালোজিরাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ফসফরাস। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়াতে সাহায্য করে ফসফরাস। তাই জীবাণুর সংক্রমণ ঠেকাতে কালোজিরাকে অবহেলা করলে চলবে না।

শুধু কালোজিরেই নয়, এর তেলও শারীরিক নানা সমস্যা সমাধানে কাজে আসে। ক্রনিক মাথা যন্ত্রণা মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে কালোজিরার তেল কপালে মালিশ করলে আরাম পাওয়া যায়।

সর্দি-কাশি থেকে বুকে চাপ লাগলে কলোজিরার তেল গরম করে বুকে ও পিঠে মালিশ করে চাদর গায়ে থাকুন কিছুক্ষণ। কয়েকবার করলেই কষ্ট কমবে। কাশির প্রকোপ থেকেও রক্ষা পাবেন অনেকটাই।

এছাড়াও এখন আমাদের প্রধান লড়াই করোনা নামক এক ধুরন্ধর ভাইরাসের সঙ্গে, সেই যুদ্ধে জয় পেতেও প্রতিদিনের খাবারে রাখুন কালোজিরা সহ অন্যান্য মশলা।

;

রসুন বেশি খেলে হতে পারে যেসব ক্ষতি



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

স্বাস্থ্যরক্ষায় রসুন খাওয়ার প্রচলন রয়েছে অনেক আগে থেকেই। বিশেষ করে বর্তমানে করোনা মহামারিতে এর প্রচলন বেড়েছে আরও অনেক গুণ। স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে পুষ্টিবিজ্ঞানের তথ্যানুসারে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে রসুনের কয়েকটি ক্ষতিকর দিক এখানে জানানো হল।

যকৃতের ক্ষতি

রক্ত পরিশোধন, চর্বি ও প্রোটিন বিপাক, শরীর থেকে অ্যামোনিয়া অপসারণ ইত্যাদি হল যকৃতের অন্যতম কাজ। গবেষণা বলে, রসুনে থাকা ‘অ্যালিসিন’ উপাদান যকৃতে বিষক্রিয়া তৈরি করতে পারে যদি মাত্রাতিরিক্ত রসুন খাওয়া হয়।

ডায়রিয়া

খালি পেটে রসুন খেলে ডায়রিয়া হতে পারে। কারণ রসুনে আছে সালফার যা পেটে গ্যাস তৈরি করে এবং ডায়রিয়া হওয়ার পেছনে এর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা থাকে।

গর্ভবতী নারীদের সমস্যা

গর্ভবতী নারীদের রসুন খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। দুগ্ধদানকারী নারীদেরও কাঁচা রসুন এড়াতে হবে। কারণ এটি কারণ এটি দুধের স্বাদ পাল্টে দেয়।

বমি ও বুক জ্বালাপোড়া

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউট তাদের এক গবেষণায় বলেন, খালি পেটে তাজা রসুন খেলে তা বুক জ্বালাপোড়া, বমিভাব ও পেটে ব্যাথা হতে পারে।

 

;

মুখে দুর্গন্ধ? কী করবেন?



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অনেকেই ভাবেন, তাদের মুখে হয়তো দুর্গন্ধ নেই। তাদের এমন ধারণার পেছনের কারণ হলো- আমরা নিজেরা নিজেদের মুখের মাইল্ড ব্যাড স্মেল বা হালকা দুর্গন্ধ বুঝতে পারি না। ফলে আপনার মুখেও থাকতে পারে দুর্গন্ধ, যা অন্যের জন্য চরম বিরক্তিকর হতে পারে।

তবে অনেকেই মুখে স্পষ্টত দুর্গন্ধের সমস্যায় ভোগেন, যা তারা নিজেরাও বুঝতে পারেন। আবার কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়া এবং দাঁতের সমস্যা থাকলেও মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। এছাড়া মুখের ভেতরের স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে এবং ডি-হাইড্রেশনের কারণে মুখে উৎকট দুর্গন্ধ হতে পারে।

শরীরের বাইরের সৌন্দর্যকে বজায় রাখার পাশাপাশি মুখের ভেতরকে সুস্থ ও দুর্গন্ধমুক্ত রাখা জরুরি। যেসব উপায়ে মুখের দুর্গন্ধ দূর করবেন-

ব্রাশ করা জরুরি

মুখের দুর্গন্ধ দূর করা এবং দাঁত ভালো রাখার খুব প্রচলিত কাজ হলো ব্রাশ করা। দিনে অন্তত দুবার ব্রাশ করলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হতে পারে। এক্ষেত্রে ঘুম থেকে উঠেই ব্রাশ করা যেতে পারে এবং রাতের খাবারের পর ব্রাশ করে ঘুমানো উচিত।

দিনে অন্তত দুবার ব্রাশ করলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হতে পারে।

যদি স্বাভাবিকভাবে পেস্ট দিয়ে ব্রাশ করে মুখের দুর্গন্ধ না যায় তবে ভিন্ন পথে হাঁটতে হবে। দাঁত ব্রাশের পর বেকিং সোডা ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি মুখের ভেতরের অ্যাসিডকে নিয়ন্ত্রণ করবে এবং ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রুখবে। ফলে মুখ থাকলে দুর্গন্ধমুক্ত।

বেশি বেশি পানি পান

শরীর ডি-হাইড্রেটেড থাকলে মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। ফলে বেশি করে পানি পানে মুখের দুর্গন্ধ দূর হতে পারে নিমিষেই। সাধারণত বেশি বেশি পান পান করলে দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা খাবারও বেরিয়ে যায়। এজন্য জমে থাকা খাবার পচে দুর্গন্ধ হয় না।

শরীর ডি-হাইড্রেটেড থাকলে মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

জিভ পরিষ্কার করা

ব্রাশ করার সময়ে শুধু দাঁত পরিষ্কার করলেই হবে না। জিভকেও সমানভাবে পরিষ্কার করতে হবে। মুখের সার্বিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং বাজে গন্ধ দূর করতে নিয়ম করে জিভ পরিষ্কার করা জরুরি।

 বাজে গন্ধ দূর করতে নিয়ম করে জিভ পরিষ্কার করা জরুরি।

চুয়িং গাম চিবানো

চিনিবর্জিত চুয়িং গাম চিবালে মুখে লালা ভালো তৈরি হয়। ফলে মুখের ভেতরে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি বন্ধ হয়। এতে দ্রুত মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়।

চা পান

চায়ে রয়েছে নানা ধরনের অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা মুখের ভেতরের ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে ও দুর্গন্ধ দূর করে। এছাড়া পার্সলে পাতা খেলেও মুখের দুর্গন্ধ দূর হতে পারে। এ পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্লোরোফিল। ফলে মুখের দুর্গন্ধ তাড়াতে এটি বিশেষ ভূমিকা নেয়।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

দাঁতে ক্ষয় ও মাড়িতে নানান ধরনের রোগের ফলে মুখে দুর্গন্ধ হয়। এজন্য স্বাভাবিক নিয়মে মুখের দুর্গন্ধ না হলে দাঁতের ডাক্তারের পরামর্শ নিন। অনেক সময়ে শরীরের নানান সমস্যার কারণেও মুখে বাজে গন্ধ হতে পারে।

;

ত্বকের যত্নে মূলতানি মাটি



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সৌন্দর্যচর্চায় বহু যুগ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে মুলতানি মাটি। মুলতানি মাটি বা ফুলার’স আর্থ প্রাকৃতিক খনিজে ভরপুর। অ্যালুমিনিয়াম সিলিকেট, ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড সমৃদ্ধ এই মাটি ধুলোময়লা পরিষ্কার ও অতিরিক্ত তেল শোষণ করতে দূর্দান্ত কার্যকরী।

কোনো কেমিক্যাল ব্যবহার ছাড়াই প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বক পরিষ্কার এবং তৈলাক্ত ভাব দূর করতে মুলতানি মাটির ব্যবহার খুবই কার্যকর। জেনে নিন মূলতানি মাটি ব্যবহারে উপায় ও এর গুণাগুণ—

তৈলাক্ত ত্বকে

এতে মুলতানি মাটি তৈলাক্ত ত্বক থেকে নিঃসৃত হওয়া অতিরিক্ত সেবাম থেকে মুক্তি দেয়। ওপেন পোরস ও ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা দূর করে। গোলাপজলের সাথে মুলতানি মাটি মিশিয়ে সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করলে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমে যাবে।

মুলতানি মাটি মিশিয়ে সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করলে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমে যাবে।

প্রাকৃতিক স্ক্রাবার

প্রাকৃতিক স্ক্রাবার হিসেবেও মুলতানি মাটির ব্যবহার রয়েছে। সামান্য মধু ও আমন্ড গুঁড়া মিশিয়ে এটি ত্বকে লাগাতে হবে। এছাড়াও মৃত কোষ দূর করে ত্বক এক্সফোলিয়েট করতে ওটমিলের সঙ্গে মুলতানি মাটি মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়।

কম্বিনেশন ত্বকে

কম্বিনেশন ত্বকের ক্ষেত্রে মুলতানি মাটির প্যাক তৈরি করতে সামান্য হলুদ, দুধ আর মধু মিশিয়ে নিন। ব্রণ বা অ্যাকনেযুক্ত ত্বকের যত্নে মুলতানি মাটি আর চন্দন প্যাক ম্যাজিকের মতো কাজ করে।

;