ত্বকের যত্নে টমেটো



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ত্বকে প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহার সবসময়ই উৎকৃষ্ট। সে প্রাকৃতিক উপাদানটি যদি হয় টমেটো, তবে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করা যাবে ত্বকের যত্নে। এতে থাকা ভিটামিন-সি শুধু ত্বকের সমস্যা দূর করতেই নয়, ত্বকের নমনীয়তা বৃদ্ধিতে ও ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতেও কাজ করবে।

আজকে দেখে নিন ত্বকের যত্নে টমেটো রসের তিন সহজ ব্যবহার-

ব্রণ দূর করতে

ব্রণের সমস্যা দূর করতে টমেটোর রসের সাথে ব্যবহার করতে হবে শসার রস। শসাতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান ব্রণ ও ত্বকের র‍্যাশ কমাতে কাজ করে। ত্বকে ব্যবহারের জন্য এক টেবিল চামচ টমেটোর রস ও এক টেবিল চামচ শসার রস মিশিয়ে নিতে হবে। তৈরিকৃত মিশ্রণটি মুখে ভালোভাবে ম্যাসাজ করে শুকানোর জন্য অপেক্ষা করতে হবে। শুকিয়ে গেলে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে।

barta24

ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করতে

তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য অনেকেই নানা ধরণের ক্রিম ও ফেসওয়াশ ব্যবহার করেন। কিন্তু সবচেয়ে উত্তম হবে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহারে ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করা।

সেক্ষেত্রে ব্যবহার করতে হবে টমেটোর রস ও লেবুর রস। এক টেবিল চামচ টমেটোর রসের সাথে ৪-৫ ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, লেবুর রস খুব বেশি মেশানো যাবে না। তৈরিকৃত এই মিশ্রণ ত্বকে ম্যাসাজ করে ১০ মিনিট রেখে পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে এবং ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। খুব বেশি সময় এই মিশ্রণ ত্বকে না রাখাই ভালো। টমেটো ও লেবু, উভয় উপাদান অ্যাসিডিক। এছাড়া যাদের ত্বক স্পর্শকাতর, তাদের এই মিশ্রণ ব্যবহার এড়িয়ে যাওয়াই উত্তম।

ত্বকের পিগমেন্টেশন দূর করতে

টমেটোতে রয়েছে ব্লিচিং উপাদান। যা ত্বকের কালচে ভাব দূর করতে সাহায্য করে। বিশেষত ওটসের সাথে মিশিয়ে নেওয়ার ফলে, টমেটোর রস ত্বকের ভেতর থেকে মরা চামড়া ও ময়লা বের করতে ভালো কাজ করে।

পিগমেন্টেশন দূর করতে এক টেবিল চামচ টমেটোর রসের সাথে এক চা চামচ ওটসের গুঁড়া ও আধা চা চামচ দই মিশিয়ে নিতে হবে। তৈরিকৃত এই মিশ্রণটি শুধুমাত্র ত্বকের আক্রান্ত স্থানে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।

মধু ও দারুচিনি একসঙ্গে কেন খাবেন?



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মধু ও দারুচিনি গুঁড়া এমন দুইটি উপকারী উপাদান, যা যে কেউ প্রতিদিন তাদের খাদ্য তালিকায় রাখতে পারবেন সহজেই। মধু উপকারিতা ও দারুচিনির উপকারিতার সংমিশ্রণ বেশ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা এনে দেয়। এমন কিছু ইতিবাচক গুণ জেনে রাখুন।

দূর করে মুখের বাজে গন্ধ

দারুচিনি ও মধুতে উপস্থিত একাধিক উপকারী উপাদান মুখ গহ্বরে উপস্থিত নানাবিধ ক্ষতিকর জীবাণু মেরে ফেলে। ফলে মুখের বাজে গন্ধ দূর হওয়ার পাশাপাশি দাঁত ও মাড়ি সম্পর্কিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে যায় অনেকটা। তবে এই সকল উপকার পেতে সপ্তাহে অন্ততপক্ষে ২-৩ দিন নিয়ম করে এক গ্লাস গরম পানিতে পরিমাণ মতো দারুচিনি গুঁড়া ও মধু মিশিয়ে পান করতে হবে।

সুস্থ রাখে হৃদযন্ত্র

রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল এর মাত্রা কমানোর মধ্য দিয়ে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে দারুচিনি ও মধু বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, মধুতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদযন্ত্রের ভেতরের প্রদাহ কমায়। ফলে যে কোনও ধরনের হৃদরোগ দেখা দেওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। বিশেষত এর সাথে কমে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও।

নিয়ন্ত্রণে আসবে ওজন

বেশ কিছু গবেষণার ফলাফল থেকে দেখা গেছে, নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসে সাথে দৈনিক সকালে ঘুম থেকে উঠে গরম পানিতে মধু ও দারুচিনি মিশিয়ে পান করলে মেদ কমার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। এতে করে দ্রুত ওজন হ্রাস পায়। এছাড়া আলাদাভাবে দারুচিনি গুঁড়া কোমরের বাড়তি মেদ কমাতে কাজ করে।

প্রতিরোধ করবে ক্যানসার

মধুতে রয়েছে উপস্থিত পর্যাপ্ত পরিমাণ ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট শরীর থেকে টক্সিক উপাদান বের করে ক্যানসার কোষের জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা কমায়। অন্যদিকে দারুচিনিতে উপস্থিত অ্যান্টি-টিউমার প্রোপাটিজ শরীরে টিউমার হতে বাধা প্রদান করে।

 

;

মেফেয়ার ওয়েলনেস ক্লিনিক এর ৪র্থ বর্ষে পদার্পণ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
মেফেয়ার ওয়েলনেস ক্লিনিক এর ৪র্থ বর্ষে পদার্পণ

মেফেয়ার ওয়েলনেস ক্লিনিক এর ৪র্থ বর্ষে পদার্পণ

  • Font increase
  • Font Decrease

যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থাও অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। ফিজিওথেরাপি এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সেই ধারাবাহিকতা রক্ষায় ঢাকার প্রাণকেন্দ্র গুলশানে অবস্থিত মেয়ফেয়ার ওয়েলনেস ক্লিনিক ২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে। এ বছর ২০ জানুয়ারি মেফেয়ার ওয়েলনেস ক্লিনিকের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়।

‘সকলের জন্য আধুনিক ও উন্নত ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা’ প্রদান আমাদের মূল লক্ষ্য। এই লক্ষ্য সাধনে নিয়োজিত উচ্চ ডিগ্রিধারী ও দক্ষ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকগণ প্রতিনিয়ত সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এখানে রোগীর চিকিৎসার পাশাপাশি পূর্ণবাসনের উপর সম্পূর্ণ খেয়াল রাখা হয়। সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পূর্নবাসনের ভূমিকা অপরিসীম।

       যে সকল রোগের চিকিৎসা পাচ্ছেন

  • কোমড়,ঘাড়,সোল্ডার,হাটু ইত্যাদি জয়েন্ট ও মাসলের ব্যথা।
  • অটিজম,সেরিব্রাল পালসি, ডাউন সিনড্রোম ইত্যাদি।
  • স্পোর্টস ইনজুরি, লিগামেন্ট ইনজুরি।
  • স্ট্রোক, প্যারালাইসিস, মুখ বাঁকা হয়ে যাওয়া।
  • বয়স্কদের বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা।
  • গর্ভবতী মায়েদের ও প্রসবোত্তর বিভিন্ন জটিলতার চিকিৎসা।

       আপনি এখানে আরো পাচ্ছেন

  • ইরেকটাইল ডিসফাংশন।
  • ক্রনিক প্রোস্টাটাইটিস।
  • পেরোনি'জ ডিজিজ।
  • ব্যাকটেরিয়াল প্রোস্টাটাইটিস।
  • বিনাইন প্রস্টেটিক হাইপেরপ্লাসিয়া বা বি.পি. এইচ এর সর্বাধুনিক চিকিৎসা।

সর্বাধুনিক ফিজিওথেরাপি ইকুইপমেন্ট ভিত্তিক চিকিৎসাঃ

  • এক্সট্রাকোরপোরিয়াল শকওয়েভ থেরাপি (রেডিয়াল এবং ফোকাসড)
  • হাই ইনটেনসিটি লেজার থেরাপি
  • আল্ট্রাসাউন্ড থেরাপি
  • ইলেকট্রিকাল স্টিমুলেশন
  • ডিজিটাল ট্র্যাকশন থেরাপি

ম্যানুয়াল/হ্যান্ডস অন টেকনিক ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা এবং আকুপাংচার/ ড্রাই নিডেলিং করা হয়।

সপ্তাহে ৭ দিন ১০টা থেকে ৯টা পর্যন্ত ক্লিনিক খোলা থাকে।

;

নাশতার টেবিলে মসলাদার ভুনা ছোলা



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সকাল কিংবা বিকেলের নাশতার জন্য একই ধরনের খাবার খেতে বিরক্ত লাগে। তবে মসলাদার ভুনা ছোলা তৈরি করে নেওয়া যাবে যেকোন বেলার জন্যে। সকালের নাশতায় পরোটার সাথে কিংবা বিকালের নাশতায় মুড়ির সাথে ভরপেট ও মুখরোচক খাবারের জন্য ছোলা ভুনা খুবই পরিচিত একটি খাবার। সেই ছোলা ভুনাকেই কিছু বাড়তি মসলায় ভিন্নভাবে তৈরি করে নেওয়া যাবে। জেনে নিন কীভাবে-

উপকরণ

১. সারারাত ভিজিয়ে রাখা এক কাপ ছোলা, দুইটি পেঁয়াজ কুঁচি, তিন কোয়া রসুন কুঁচি, আধা ইঞ্চি আদা কুঁচি, একটি টমেটো কুঁচি, এক কাপ টমেটো বাটা, এক টেবিল চামচ তেল, একটি তেজপাতা, একটি দারুচিনি স্টিক, চারটি এলাচ, কয়েকটি লবঙ্গ, দুই চা চামচ লবন, এক চা চামচ চিনি, আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়া, এক চা চামচ জিরা গুঁড়া, এক চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া, আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়া, এক চা চামচ গরম মসলা, এক টেবিল চামচ ঘি, ৩-৪ টি কাঁচামরিচ ফালি।

মসলাদার ভুনা ছোলা যেভাবে তৈরি করতে হবে-

১. কড়াইতে তেল গরম করে এতে তেজপাতা, এলাচ, দারুচিনি ও লবঙ্গ দিয়ে হালকা ভেজে আদা, রসুন ও পেঁয়াজ কুঁচি দিয়ে সতে করতে হবে। সতে হলে হলুদ গুঁড়া, লবন ও চিনি দিয়ে এক মিনিটের জন্য নাড়তে হবে।

২. এতে ধনিয়া, জিরা ও মরিচ গুঁড়া দিয়ে দুই মিনিটের জন্য নেড়ে টমেটো কুঁচি দিয়ে দিতে হবে এবং আরও দুই মিনিতের জন্য নাড়তে হবে।

৩. এই মসলাতে ভিজিয়ে রাখা ছোলা পানি নিংড়ে দিয়ে দিতে হবে, সাথে দেড় কাপ পানি, টমেটো বাটা ও আধা চা চামচ লবন দিয়ে নাড়তে হবে এবং চুলার জ্বাল বাড়িয়ে দিতে হবে। এ অবস্থায় অন্তত ২০-৩০ মিনিটের জন্য রাখতে হবে এবং প্রথম দশ মিনিটের পর পাত্রের মুখ ঢেকে দিতে হবে।

৪. অন্তত আধা ঘন্টা পর পাত্রের মুখ খুলে ছোলার উপরে গরম মসলা ছিটিয়ে দিতে হবে। প্রয়োজন হলে লবন দিতে হবে কিছুটা।

৫. ছোলা সিদ্ধ হয়ে আসলে এর উপরে ঘি ও কাঁচামরিচ ফালি দিয়ে পাঁচ মিনিট অল্প আঁচে রেখে নামিয়ে ধনিয়া পাতা কুঁচি ছিটিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

;

বাসায় বসে অফিস: খেয়াল রাখুন শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায়



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে নাকাল দেশবাসী। সরকার ইতিমধ্যে অফিসসমূহ অর্ধেক লোকবল নিয়ে চালু রাখার পরামর্শ দিয়েছে। আর বাসায় বসে অফিস করার প্রথম প্রভাবটা মানসিক ক্ষেত্রে পড়ে। তবে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষেত্রে প্রভাবটা পড়ে শারীরিক ক্ষেত্রে। তাই আজকের ফিচার থেকে জেনে রাখুন বাসায় বসে অফিসে কাজ সামলেও নিজেকে সুস্থ রাখতে কোন বিষয়গুলোর দিকে নজর দেওয়া জরুরি।

নির্দিষ্ট চেয়ার-টেবিল ব্যবহার

প্রতিদিন ৮-৯ ঘন্টা অফিসের কাজ করার জন্য অবশ্যই নির্দিষ্ট চেয়ার-টেবিল ঠিক করে নিতে হবে। দৈনিক এতোগুলো সময় বিছানায় কিংবা সোফায় আধশোয়া হয়ে কিংবা ঝুঁকে কাজ করা হলে, পুরো মেরুদণ্ডের উপর চাপ পড়বে। যা থেকে ঘাড়, পিঠ ও কোমরে ব্যথাভাব দেখা দেবে।

স্ক্রিনের উচ্চতা ও দূরত্ব বজায় রাখুন

প্রতিটি অফিসেই ডেস্কটপের স্ক্রিন থেকে চেয়ারের দূরত্ব এবং স্ক্রিনের উচ্চতা নির্দিষ্ট করা থাকে। লম্বা সময় অফিসে কাজ করার ফলে যার সাথ অভ্যস্ততা গড়ে ওঠে। বাসাতে অফিস করার ক্ষেত্রে নিজের জন্য নির্দিষ্ট করা চেয়ার-টেবিলে ল্যাপটপের উচ্চতা ও দূরত্ব নিজের বসার স্থান থেকে অ্যাডজাস্ট করে নিতে হবে। যদি ডেস্কটপ হয় তবে মনিটর সঠিক উচ্চতায় ও দূরত্বে আছে কিনা সেটাও দেখতে হবে। নতুবা কাজের সময় চোখ ও ঘাড়ে উপর বাড়তি চাপ থেকে চোখ ও ঘাড়ে ব্যথার সমস্যা দেখা দেবে।

স্ট্রেচিং করুন নিয়ম মেনে

যতই বাসায় বসে কাজ করা হোক না কেন, কাজের ব্যস্ততা সময়কে পার করে দেয় চোখের পলকে। অনেক সময় খেয়ালও থাকে না যেন একই ভঙ্গিতে কয়েক ঘন্টা বসে কাজ করা হয়েছে। এতে করে মাসলের উপর চাপ তৈরি হয় এবং মাসল স্ট্রেইনিং হয়। যা থেকে পেশিতে চিনচিনে ও সুঁই বেঁধার মত অনুভূতি দেখা দেয়।

তাই কাজের ফাঁকে শরীরকে ঝরঝরে রাখতে কিছুক্ষণ পরপর হাঁটাচলা করতে হবে। হাত উপরের দিকে টানটান করে রেখে স্ট্রেচিং করতে হবে। পিঠ বাকিয়ে পিছনের দিকে নিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে সামনের দিকে ঝুঁকতে হবে। এতে করে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হবে এবং মাসল স্ট্রেইনের সমস্যা দেখা দেবে না।

খাওয়াদাওয়া করুন সময় মতো

বাসায় বসে অফিসের কাজ করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসে খাওয়ার সময়ে। বাসাতেই আছি, খেয়ে নিব একটা সময়ে- এই মনোভাব থেকে সকালের নাশতা দুপুরে ও দুপুরের খাবার বিকেলে খান অনেকেই। খাওয়ার এই অনিয়মে আপনার শরীর কিন্তু অভ্যস্ত নয়। হুট করে খাওয়ার সময়ের এই পরিবর্তন শরীরের উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করবে। তাই কাজ ও ব্যস্ততার সাথেই সঠিক সময়ে খাবারের কাজটি সেরে নিতে হবে। নতুবা ক্লান্তিভাব, পেটের সমস্যা, ক্ষুধামন্দসসহ অন্যান্য সমস্যা দেখা দেওয়া শুরু করতে পারে।

কাজের জিনিসগুলো রাখুন নির্দিষ্ট স্থানে

চেয়ার-টেবিলে প্রতিদিনের কাজের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো গুছিয়ে রাখুন, যেন কাজ শুরু করার পর হাতের কাছেই সবকিছু পাওয়া যায়। প্রয়োজনীয় ফাইল, ডায়েরি, কলম, ক্যালকুলেটর, মার্কার, নোটপ্যাড প্রভৃতি যেন কাজের সময় চট করে পাওয়া যায় এমনভাবে রাখতে হবে। জরুরি প্রয়োজনে এইসব ছোটখাটো জিনিস খোঁজাখুঁজি করা মানসিক চাপ তৈরি করে।

;