লম্বা চুল পেতে চান?



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

লম্বা ঘন কালো চুল যে কোনো নারীর সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয় কয়েক গুণ। তবে অতিরিক্ত দূষণ ও নিয়মিত চুলের যত্ন না নেওয়ার কারণে চুল পড়ে যাওয়া, আগা ফাটা, চুলের বৃদ্ধি কমে যাওয়া এবং ঔজ্বল্য হারিয়ে যাচ্ছে। লম্বা ঘন চুল পেতে গেলে চুলের নিয়মিত পরিচর্যা করতে হবে।

আমলকি

২ টেবিল চামচ আমলকি গুঁড়ার সঙ্গে ক্যাস্টর অয়েল এবং একটা ডিম মিশিয়ে একটা প্যাক বানান। আধ ঘণ্টা চুলে লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলবেন। আমলকির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে, যা চুলের পক্ষে দারুণ উপকারী।

নিমপাতা

নিমপাতা বেটে সেটা মাথার তালুতে লাগিয়ে রাখুন। ১৫-২০ মিনিট পর একটা ভেষজ শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন। মাথার তালু পরিষ্কার করার জন্য নিমপাতা খুবই কার্যকরী। চুল পরিষ্কার থাকলে সেটা চুলের বৃদ্ধির জন্যেও ভাল।

লেবু

শ্যাম্পু করার পর লেবুর রস মাথায় লাগাতে পারেন। তারপর আর পানি দিয়ে ধোয়ার প্রয়োজন নেই। প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে লেবুর রস খুব ভাল কাজ করে। চুল মোলায়েম হয়।

করোনা মহামারিকালে দাঁতের যত্ন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ



কনক জ্যোতি, কন্ট্রিবিউটিং করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ডা. এএফএম শহিদুর রহমান লিমন। বার্তা২৪.কম

ডা. এএফএম শহিদুর রহমান লিমন। বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দন্তরোগ বিভাগের প্রধান ডা. এএফএম শহিদুর রহমান লিমন বলেছেন, "মহামারি বা অন্য সাধারণ সময়েও সবাইকে দাঁত ও মুখের যত্ন নিতে হবে। এখানে সচেতনতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।"

করোনা মহামারিকালে দাঁতের যত্ন বিষয়ক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে বার্তা২৪.কম'কে তিনি বলেন, "শুধু বড়দেরই নয়, সন্তানদের জন্য বাবা-মায়েদের সচেতন হতে হবে। ছোটবেলা থেকে ভালো অভ্যাস গড়ে উঠলে শিশুরা বড় হলেও তা পালন করে। স্বাস্থ্যবিধি ও মহামারি প্রতিরোধমূলক প্রটোকলে তাদেরকেও দীক্ষিত করতে হবে।"

ডা. এএফএম শহিদুর রহমান লিমন বলেন, "করোনা মহামারির কারণে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় যথেষ্ট পরিবর্তন এসেছে। দাঁতের যত্নেও উদাসীন হয়েছেন মানুষ। কোয়ারেন্টিন আর লকডাউন চলাকালীন সময়ে যেমন ঘরে অবস্থাকালীন দাঁত ব্রাশ কম হয়েছে বড়দের, তেমনি শিশুদের দাঁতের যত্নেও অভিভাবকরা উদাসীন হয়েছেন। এসব সমস্যার নানা দিক গত ২০ মার্চ 'বিশ্ব মুখগহ্বর স্বাস্থ্য দিবস' বা 'ওয়ার্ল্ড ওরাল হেলথ ডে' উপলক্ষ্যে গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়েছে।"

"আমরা সব সময়ই চাই, 'বি প্রাউড অব ইওর মাউথ' নীতি বাস্তবায়ন করতে" উল্লেখ করে তিনি বলেন, "অথচ গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশে ৩১ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক দিনে দু’বার দাঁত ব্রাশ করেননি। ৩৩ শতাংশ বাবা-মা দিনে দু’বার দাঁত ব্রাশ করেননি। ৩৫ শতাংশ শিশুরা দিনে দু’বার দাঁত ব্রাশ করেনি। আর প্রাপ্তবয়স্করা স্বীকার করেছেন করোনাকালে ঘরে থেকে থেকে তাদের অভ্যাস বাজে হয়েছে ও ও শিশুদের দৈনন্দিন রুটিনে শিথিলতা চলে এসেছে। দাঁত ব্রাশ করার বিষয়ে অবজ্ঞার কথা তারা স্বীকার করেছেন।"

গবেষণা তথ্যে আরও জানা যায়, "প্রতি ২ জনের মধ্যে ১ জন (৫৪ শতাংশ) প্রাপ্তবয়স্ক বলেছেন এমনও দিন গিয়েছে তারা একবারও দাঁত ব্রাশ করেননি। প্রতি ২ জনের মধ্যে ১ জন (৫৪ শতাংশ) অলসতার কারণে তারা তাদের দাঁত ব্রাশ করেননি। চাকরিজীবী অর্ধেকের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক (৫৯ শতাংশ) বলেছেন দাঁত ব্রাশ না করেই তারা কাজে গিয়েছেন। এছাড়া অধিকাংশ বাবা-মা স্বীকার করেছেন তারা শিশুদের মুখগহ্বরের যত্নের ব্যাপারেও উদাসীন হয়েছেন। প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৭ জন (৬৯ শতাংশ) বাবা-মা বলেছেন ঘুমানোর আগে তারা সন্তানকে মিষ্টিজাতীয় খাবার খেতে দিয়েছেন।"

ডা. এএফএম শহিদুর রহমান লিমন জানান, "মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য নিয়ে সমস্যা সত্ত্বেও বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না বলে জরিপে তথ্য উঠে এসেছে। এক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা ও শারীরিক স্বাস্থ্য সমস্যা গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রতি ১০ জনের ৬ জন (৬৪ শতাংশ) জানিয়েছেন মহামারির শুরুর পর থেকে তারা মুখগহ্বরের স্বাস্থ্যের সমস্যায় পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি যে ৫টি মুখের সমস্যার মধ্য দিয়ে তারা  গিয়েছেন, তা হলো, দাঁত, মাড়ি, মুখে ব্যথার কথা জানিয়েছেন ৩০ শতাংশ, দাঁত ও মাড়িতে রক্তপাতের কথা জানিয়েছেন ২৭ শতাংশ, মুখে ব্যথার কারণে খেতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন ২৭ শতাংশ অংশগ্রহণকারী, দাঁতের ব্যথার কারণে মাথা ব্যথার কথা জানিয়েছেন ২৭ শতাংশ এবং চোয়াল ব্যথার কথা জানিয়েছেন ২৫ শতাংশ।"

"প্রাপ্তবয়স্করা অন্যান্য স্বাস্থ্য পরিচর্যার চেয়ে মুখগহ্বর স্বাস্থ্যের প্রতি কম মনোযোগী ছিলেন, অন্যান্য শারীরিক সমস্যার যত্ন নিয়েছেন ৭২ শতাংশ। মানসিক স্বাস্থ্য ও সুস্থতার প্রতি যত্নশীল ছিলেন ৭৯ শতাংশ। ওরাল বা মুখগহ্বরের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল ছিলেন ৬২ শতাংশ", জানান তিনি।

এদিকে, দাঁতের যত্নে করোনা প্রভাব ফেলেছে উল্লেখ করে তিনি জানান, "মারাত্মক ব্যথা অনুভবের পরও অনেকে ডেন্টিস্টের কাছে যাননি। প্রতি ৫ জনের ২জন (৪২ শতাংশ) মহামারির সময় তারা দাঁতের চিকিৎসকের কাছে গিয়েছেন। দাঁতের ব্যথা অনুভব করেছেন এমন  প্রতি ২ জনের ১ জন (৫১ শতাংশ) ডেন্টিস্টের কাছে গিয়েছিলেন।"

"বাবা-মা যদি দিনে দু’বার ব্রাশ না করে সন্তানের ব্রাশ না করার হার ৭ গুণ বেড়ে যায়। যখন বাবা-মা দিনে দু’বার ব্রাশ করে, সন্তানের ব্রাশ করা এড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা মাত্র ১১ শতাংশ। যখন বাবা-মা ব্রাশ করা এড়িয়ে যায়, সন্তানের ব্রাশ করা এড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ৭৭ শতাংশ" বলেন ডা. এএফএম শহিদুর রহমান লিমন।

তিনি বলেন, "করোনা মহামারির সময়ে দেশের মানুষের মধ্যে অনেক পরিবর্তন দেখা দিয়েছে।  বিশেষ করে, দুই বেলা দাঁত ব্রাশ করা, ব্রাশ ও মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করা ইত্যাদি অনেক ক্ষেত্রেই প্রতিপালিত হচ্ছে না। অর্থাৎ, দাঁত ও মুখগহ্বরের সাধারণ যত্ন উপেক্ষিত হয়েছে। মহামারির পুরোটা সময় চিকিৎসা না-করায় দেশের মানুষের দাঁত ও মুখের রোগ বেড়েছে।"

ডা. এএফএম শহিদুর রহমান লিমনের মতে, "করোনাভাইরাসের বিস্তারের এই সময়টায় দাঁতের চিকিৎসা অনেকটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। করোনা ছোঁয়াচে রোগ আর মূলত মুখনিঃসৃত তরল কণার (ড্রপলেট) মাধ্যমে ছড়ায় বলে দন্তচিকিৎসকেরা যেমন ঝুঁকিতে আছেন, তেমনি রোগীরাও। ফলে সুদক্ষ বিশেষজ্ঞ দন্তচিকিৎসকদের দ্বারা সঠিক প্রতিরোধ ব্যবস্থার মাধ্যমে দাঁতে যথাযথ যত্ন দেওয়া উচিত।"

;

পারফিউম ব্যবহারের সঠিক নিয়ম



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গরম, বর্ষা কিংবা শীত পছন্দের পারফিউম নিমেষে মনকে চাঙ্গা করে তুলতে পারে। এছাড়াও ঘামের দুর্গন্ধ দূর করে সারাদিন ফুরফুরে থাকতে ভরসা সেই পারফিউমতেই।

কিন্তু এই পারফিউম দিনের অর্ধেক যেতে না যেতেই ঘ্রাণ মিলিয়ে যায়। এই সমস্যা দূর করতে কয়েকটি উপায় মেনে চলুন। এতে অল্প পারফিউম ব্যবহারেও সারাদিন থাকবেন সুরভিত।

গোসলের পরে স্প্রে করুন

গোসলের ফলে ত্বকের লোমকূপ উন্মুক্ত থাকে। এই সময় পারফিউম স্প্রে করা হলে তা দীর্ঘক্ষণ সুবাস ছড়ায়। তাই গোসলের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পারফিউম স্প্রে করুন।

আর্দ্র ত্বক পারফিউম ভালো ধরে রাখে। তাই গোসলের পরে সরাসরি ঘ্রাণহীন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করে তার উপরে পারফিউম লাগান।

পাল্স পয়েন্ট

পাল্স পয়েন্ট বা শরীরের যেখানে যেখানে নাড়িরস্পন্দন পরীক্ষা করা যায় সেসব জায়গা উষ্ণ থাকে এবং এটা সুগন্ধ ছড়াতে সহায়তা করে। এসব স্থান আবৃত থাকায় একবারে সুগন্ধ না ছড়িয়ে ধীরে ধীরে ঘ্রাণ ছড়াতে সাহায্য করে।

ঘষে ব্যবহার করবেন না

পারফিউম লাগানোর পরে তা দুহাতের কব্জি দিয়ে ঘষে ব্যবহার করা একটা প্রচলিত ধারণা, এখান থেকে বের হয়ে আসতে হবে। পারফিউম লাগিয়ে তা ঘষা দিলে এর গঠন ভেঙে যায়।

ফলে সঠিক ঘ্রাণ পাওয়া যায় না। তাই হাতে পারফিউম লাগিয়ে হাত প্রসারিত করুন এবং নাড়ুন। এতে ত্বক প্রাকৃতিকভাবেই পারফিউমকে উষ্ণ করবে ও সুবাস ছড়াবে।

চুলে স্প্রে করা

পারফিউম দীর্ঘস্থায়ী করতে চুলে সামান্য স্প্রে করুন। চুলে পারফিউম ধরে রাখার অসাধারণ ক্ষমতা আছে। হেঁটে যাওয়ার সময় এটা দারুনভাবে ঘ্রাণ ছড়ায়।

পারফিউমতে অ্যালকোহল থাকে যা চুলকে শুষ্ক করে। তাই চুলে সামান্য পরিমাণে পারফিউম স্প্রে করতে হবে।

;

গরমে ঘর ঠান্ডা রাখবে যেসব ইনডোর প্ল্যান্ট



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলছে গ্রীস্মকাল। অতিরিক্ত গরমে আমরা সাধারণত ফ্যান কিংবা এসি ছেড়ে দেয়। এতে বিদ্যুৎ বিল বাড়ে আবার এগুলো পরিবেশ-বান্ধব ও নয়। সাশ্রয়ী মূল্যে এবং পরিবেশ বান্ধব উপায় যদি থাকত তবে তা দুর্দান্ত হত না? গরমে প্রাকৃতিক উপায়ে ঘর ঠান্ডা রাখতে পারেন ইনডোর প্ল্যান্ট লাগিয়ে।

গ্রীষ্মের সময় যে ইনডোর প্ল্যান্ট ঘরকে শীতল রাখবে—

স্নেক প্ল্যান্ট

স্নেক প্ল্যান্ট বেডরুমের জন্য উপযুক্ত। কারণ এই গাছটি অক্সিজেন শোষণ করে না। এটি অক্সিজেন নির্গত করে এবং ঘরকে শীতল ও সতেজ রাখে। এছাড়াও এই গাছটি সুচুল বাতাস থেকে টক্সিন অপসারণের জন্যও পরিচিত।

খেজুর

খেজুর, ফার্ন, পাম, তাল গাছের সবুজ পাতাগুলো কেবল দেখতে ভাল তাই নয়, এই গাছগুলো ক্ষুদ্র-অভ্যন্তরীণ ট্রপিক্যাল রেইন ফরেস্ট তৈরি করে। তাই গ্রীষ্মের সময় বাড়িতে ঠান্ডা অনুভূতি দেওয়ার উপযুক্ত উপায়। ঘর শীতল রাখতে যদি বড় ইনডোর প্লান্ট খুঁজেন তবে তাল গাছ সবচেয়ে ভালো।

অ্যালোভেরা

বাড়িতে অ্যালোভেরা থাকলে ঘর কেবল শীতলই থাকবে তা নয়। অ্যালোভেরায় রয়েছে প্রাকৃতিক ওষধি গুণ যা বিভিন্ন চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি বাতাসের তাপমাত্রা হ্রাস করে এবং ঘর গরম থেকে রক্ষা করে। অ্যালোভেরার গাছ উজ্জ্বল আলোতে ভালো হয়।

চাইনিজ এভারগ্রিন

এটি বাতাসের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে বাতাস পরিশুদ্ধ করার জন্য সুপরিচিত। এই গাছ অনেকগুলো একসাথে রাখলে নিজস্ব বায়ুমণ্ডলীয় বাস্তুতন্ত্র তৈরি করতে পারে।

মানি প্ল্যান্ট

মানি প্ল্যান্ট নামে পরিচিত, পোথোস একটি দুর্দান্ত ইনডোর প্লান্ট। কারণ এটি ঘরের বায়ু শীতল এবং বিশুদ্ধ রাখবে। এই গাছের পাতা বা কান্ড হলুদ হয়ে গেলে দ্রুত তা কেটে ফেলুন।

;

গ্রীষ্মকালে বাচ্চাকে সুস্থ রাখতে করণীয়



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রচণ্ড গরম ও রোদের কারণে এ সময় খাদ্য ও পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়। গরমকাল হলো সংক্রামক রোগ ছড়ানোর সময়। করোনা আতঙ্কের মাঝে অন্য কোনও রোগের আশঙ্কা নেই এমন নয়। বিভিন্ন ধরনের অসুখ হতে পারে শিশুদের। ফলে জেনে রাখা জরুরি এই সময়ে কোন কোন রোগ হতে পারে। শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন রোগের উপসর্গই বা কী?

বাড়ির শিশুদের দূরে রাখতে হবে কোন কোন রোগের প্রকোপ থেকে? জেনে নিন সেগুলো—

রাইনাইটিস অ্যালার্জি

গ্রীষ্মকালে জ্বর, সর্দি তো থাকেই। তবে জ্বর খুব অল্পেই বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই শিশুদের দিকে বেশি নজর রাখতে হবে।

গরমের র‌্যাশ

তাপ বাড়লে অনেক সময়েই লাল র‌্যাশ দেখা যায় শিশুদের শরীরে। বিশেষ করে কাঁধ, পিঠ, গলায়।

পরামর্শ

শিশুদের হাল্কা পোশাক পরান। নিজেদের কাজের জন্য বেরোতে হলেও ছোটদের নিয়ে বেরোবেন না। বাড়ি থেকে বেরোনো মানেই মাস্ক, পিপিই পরতে হবে। তাতে আরও কষ্ট হতে পারে।

শীতল খাবার খাওয়ান। লেবুর জল, ফলের রস, টক দই শরীর ঠান্ডা রাখবে। তাতে অন্যের থেকে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কাও কমবে।

বারবার গোসল না করালেও অবশ্যই ভালো ভাবে ঠান্ডা পানিতে কাপড় ভিজিয়ে গা মুছিয়ে দিন শিশুদের। দিনে একবার খুব ভালো ভাবে গোসল করান।

অল্প কোনো র‌্যাশ, কিংবা হাল্কা জ্বর জ্বর ভাব দেখলেই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

;