একদিনে শনাক্ত ৩৬ জন, মৃত্যু নেই

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কেউ মারা যাননি। ফলে মৃত্যু সংখ্যা ২৯ হাজার ১২৩ অপরিবর্তিত আছে।

তবে একই সময়ে ৩৬ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৫১ হাজার ৯০৩ জনে। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৬১ শতাংশ।

বুধবার (০৬ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ৯৫৯টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৫ হাজার ৯১৬টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৬১ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ০৮ শতাংশ।

আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৭৮৫ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৮৬ হাজার ০৩৬ জন।

দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত (কোভিড-১৯) প্রথম রোগী শনাক্ত হয় ২০১৯ সালের ৮ মার্চ। তার ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

   

বীমা শিল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সকল নাগরিকের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার প্রয়াসে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গঠনের জন্য প্রযুক্তির ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। সেকারণে বীমা সেক্টর ডিজিটালাইজেশনে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট বাস্তবায়নের কাজ চলছে। এতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গ্রাহকসেবা উন্নত করা সম্ভব হবে। বর্তমান সরকারের বিগত ১৫ বছরে দেশের অর্থনীতিতে প্রভূত উন্নতি সাধিত হলেও, বীমাশিল্পে পেনিট্রেশনের হার কাঙ্খিত পর্যায়ে পৌঁছেনি। বীমা শিল্পের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো সমাধানের জন্য সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

জাতীয় বীমা দিবস উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।

এ বছরের বীমা দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে, “করবো বীমা গড়বো দেশ, স্মার্ট হবে বাংলাদেশ।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পরপরই দেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে আর্থিক খাত সংস্কারের অংশ হিসেবে বীমা শিল্পকে জাতীয়করণ করেন।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বীমা খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বীমা মানুষের জীবন ও সম্পদের ঝুঁকি হ্রাস করে থাকে। মূলত: আজকে বাংলাদেশের বীমা শিল্পের যে প্রসার ও ব্যাপ্তি তার শক্ত ভিত রচনা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত বিশ্বের কাতারে সামিল করা। ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’; যেখানে দেশের প্রতিটি মানুষ বিশ্ব পরিমণ্ডলে নিজের অবস্থান দৃঢ় করতে সক্ষম হবে। এ লক্ষ্যে উন্নত দেশের ন্যায় জিডিপিতে বীমার অবদান বৃদ্ধি করতে হবে। এ অভিষ্ট সামনে রেখে আমাদের সরকার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

সরকার প্রধান বলেন, দেশে প্রয়োজনীয় সংখ্যক একচ্যুয়ারি সৃষ্টির লক্ষ্যে বৃত্তি প্রদান করে ইতোমধ্যে ৩ জন শিক্ষার্থীকে যুক্তরাজ্যে প্রেরণ করা হয়েছে। ব্যাংকের মাধ্যমে বীমা পণ্য বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ব্যাংকাস্যুরেন্স নীতিমালা জারি করা হয়েছে। ব্যাংকাস্যুরেন্স চালু হলে বিপুল সংখ্যক মানুষকে বীমার আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আমার বিশ্বাস।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এছাড়া প্রবাসী কর্মীদের আর্থিক নিরাপত্তার জন্য ‘প্রবাসী কর্মী বীমা’, অভিভাবকদের অকাল মৃত্যুতে শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন ঝরে যাওয়া রোধকল্পে ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বীমা’ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ‘বঙ্গবন্ধু সুরক্ষা বীমা’ চালু করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বীমাশিল্পের মান উন্নয়নে সর্বোত্তম গ্রাহকসেবার মাধ্যমে দ্রুত বীমা দাবি নিষ্পত্তি করতে হবে। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে বীমার আওতায় আনার উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলাসহ উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবন ও জীবিকার জন্য ক্ষুদ্র বীমা, কৃষি বীমা, গবাদি পশু বীমা, স্বাস্থ্য বীমা ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি বীমার ব্যবস্থা করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের আর্থিক খাতের অন্যতম স্তম্ভ হচ্ছে বীমা খাত; যা জাতীয় সম্পদের ও নাগরিকদের জীবনের ঝুঁকি প্রশমনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সুরক্ষা প্রদান করে থাকে।

বীমার শুভ বার্তা দেশের সকল নাগরিকের নিকট পৌঁছে যাক, দেশের সকল মানুষ এবং সম্পদ বীমা সেবার আওতায় আসার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;

চট্টগ্রামে নিরাপদ ও দখলমুক্ত ফুটপাতের দাবিতে রাস্তায় শিক্ষার্থীরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম নগরীতে নিরাপদ ও দখলমুক্ত ফুটপাতের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ১৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরীর সাতটি পয়েন্টে মানববন্ধনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর দুই শতাধিক শিক্ষকও অংশ নেন। এসময় পথচারীরাও শিক্ষার্থীদের দাবির সাথে সহমত পোষণ করেন।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, ফুটপাতের মালিক জনগণ। কিন্তু অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে রাখায় শিক্ষার্থীদের বাধ্য হয়ে ফুটপাত ছেড়ে রাস্তায় হাঁটতে হয়। ফলে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনায় পড়তে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা নিরাপদে স্কুলে যেতে চায়, নিরাপদে ঘরে ফিরতে চায়। অবৈধ দখলদারদের কারণে কোন মাকে যাতে সন্তানহারা হতে না হয়। কোন শিক্ষার্থীকে যাতে পঙ্গু হতে না হয় সে বিষয় দায়িত্বশীলদের নিশ্চিত করতে হবে।

এদিন নগরীর রাইফেল ক্লাব থেকে জিপিও মোড় পর্যন্ত অপর্ণাচরণ সিটি করপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, কৃষ্ণ কুমারী সিটি সিটি করপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষাথীরা মানবন্ধন করে।

একই সময়ে ফিরিঙ্গি বাজার মোড় থেকে আলকরণ হয়ে দোস্ত বিল্ডিং পর্যন্ত আলকরণ নুর আহমদ সিটি করপোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়, আলকরণ সুঃ আহমদ সিটি করপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষাথীরা মানবন্ধনে অংশ নেয়। এছাড়াও পুরাতন রেলওয়ে স্টেশন থেকে নতুন রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত রেলওয়ে হাসপাতাল কলোনী সিটি করপোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় এবং লালদিঘী থেকে কোতওয়ালী পর্যন্ত পাথরঘাটা মেনকা সিটি করপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, পাথরঘাটা সিটি করপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করে।

এছাড়া আন্দরকিল্লা থেকে লালদিঘী পর্যন্ত পাথরঘাটা সিটি কর্পোরেশন কলেজ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কায়সার নিলুফার কলেজ এবং আন্দরকিল্লা মোড় থেকে চেরাগী পাহাড় মোড় পর্যন্ত জামালাখান কুসুম কুমারী সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, গুল-এজার বেগম সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং চেরাগী পাহাড় থেকে প্রেসক্লাব পর্যন্ত কদম মোবারক সিটি কর্পোরেশন বালক উচ্চ বিদ্যালয় এবং সরাইপাড়া সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধনে অংশ নেয়।

এ বিষয়ে চসিকের শিক্ষা স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি ও কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু বলেন, ‘ফুটপাত দখলমুক্ত করতে আমাদের শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা অনেকদিন ধরেই দাবি করে আসছিল। ফুটপাতগুলোতে হকাররা বসে থাকায় তারা রাস্তায় হাঁটতে বাধ্য হত। এতে অনেকেই দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ওড়না বা কাপড় গাড়ির সঙ্গে লেগে ছিঁড়ে গিয়েছে। এরকম অনেক অভিযোগ আছে।’

তিনি আরও বলেন, আমাদের মেয়র তাদের সব অভিযোগ শুনে চট্টগ্রাম নগরীকে হকারমুক্ত করতে রাস্তায় রাস্তায় অভিযান চালাচ্ছে। তবুও কিছু কিছু জায়গায় আবারও হকার বসছে। তাদেরকে স্থায়ীভাবে উচ্ছেদ করার দাবিতে সিটি করপোরেশনের সব স্কুল আজ মানববন্ধন করবে বলে শুনেছি। তবে সব স্কুল ও কলেজ নেমেছে কিনা সেটা বলতে পারব না।

প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি নগরীর নিউমার্কেট মোড় থেকে নতুন রেলস্টেশন, রিয়াজউদ্দিন বাজার, পুরাতন রেলস্টেশন, ফলমণ্ডি, তামাকমুণ্ডি লেইন ও আমতলসহ প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা থেকে হাজারেরও বেশি হকার উচ্ছেদ করে সিটি করপোরেশন। এসব এলাকার ফুটপাত থেকে সড়কের একাংশ দখলে নিয়ে এসব হকার পোশাক, মোবাইল, জুতা, তৈরি খাবারসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করে আসছিল। ফুটপাত ও সড়কে বিভিন্ন অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের কারণে এসব এলাকায় নিয়মিত যানজট লেগে থাকতো।

উচ্ছেদ অভিযানের সময় হকাররা বিক্ষোভ করেছিলেন। পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ নিয়ে হকাররা ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। পর দিন হকারদের কেউ কেউ আবারও বসতে চাইলে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা গিয়ে তাদের সরিয়ে দেন। এরপরও হকাররা সড়ক ও ফুটপাতের বিভিন্ন অংশ দখলে নিতে শুরু করলে ১২ ফেব্রুয়ারি ফের অভিযান চালায় সিটি করপোরেশন। এ সময় হকারদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ভাঙচুর করা হয় সিটি করপোরেশনের যানবাহন। পুলিশসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনায় হকারদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের হয়েছে।

এ অবস্থায় উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের পুনর্বাসনের দাবি তোলেন নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী। হকাররাও ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে আসছে।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;

ত্রিশালে পৌরসভা নির্বাচন: মেয়র প্রার্থীগণের সাথে ইসি সচিবের মতবিনিময়



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন ত্রিশাল পৌরসভা নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন সচিব মো: জাহাংগীর আলম এর সাথে মেয়র প্রার্থীগণের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ের অফিস কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুয়েল আহমেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রিটার্নিং অফিসার মোঃ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিগণ, উপজেলা চেয়ারম্যানসহ পৌরসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী মেয়র প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় মেয়র পদপ্রার্থীগণ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করেন।

এ সময় মেয়র পদপ্রার্থী শামীমা আক্তার বলেন, আমরা চাই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মত এ নির্বাচনও একটি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে। তবে ইভিএম এর মাধ্যমে ভোট হওয়ার কারণে জনগণের মধ্যে কিছুটা অসন্তুষ্টি দেখা দিয়েছে। নির্বাচনের আগে যদি এ সম্পর্কে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হয় তাহলে ভোটারদের সন্তুষ্টি ও ভোটে আরো আগ্রহী করে তোলা সম্ভব।

মেয়র প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বলেন, আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন উপলক্ষে ত্রিশাল পৌরসভা এলাকার পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক।‌ নির্বাচন পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত যাতে স্বাভাবিক অবস্থায় থাকে তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সহযোগিতার আহ্বান করেন।

আসন্ন পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে ৩ জন পদপ্রার্থী রয়েছেন। এ সময় ইভিএম, অবৈধ অর্থের ব্যবহার, পেশীশক্তির ব্যবহার, নির্বাচন-আচরণ বিধি সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রার্থীগণ মিশ্র প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন।

প্রার্থীদের মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে ইসি সচিব জানান, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান সুস্পষ্ট। দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সুষ্ঠু নির্বাচনের বিকল্প নেই।

তিনি প্রার্থীগণের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের কাজ হচ্ছে জনগণের কাছে যাওয়া, জনগণকে ভোটের ব্যাপারে আগ্রহী করে তোলা। জনগণই আপনাদের ভোটের ফলাফল নির্ধারণ করবেন।

ইসি সচিব আরও বলেন, ইভিএমের মাধ্যমে ভোট প্রদান সহজ ও নির্ভরযোগ্য। এতে ভোট কারচুপি হওয়ার কোন সুযোগ নেই। আগামী ৬ মার্চের পর থেকে পৌর এলাকার ৯টা ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে ইভিএম ব্যবহারের প্রদর্শনী করা হবে। যাতে করে ভোটাররা সহজেই তাদের ভোট প্রয়োগ করতে পারেন। এছাড়াও নির্বাচনকালীন সময়ে দুই ঘণ্টা পর পর কেন্দ্রের ভোটের পরিস্থিতি নির্বাচন কমিশন মনিটরিং করবে।

ইসি সচিব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশ্যে বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন এর স্বার্থে নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর। নির্বাচনে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতা এড়াতে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;

পিটার হাসকে হত্যার হুমকি দেওয়া সেই চেয়ারম্যান বরখাস্ত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে হত্যার হুমকি দেওয়া চট্টগ্রামের বাঁশখালীর চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের সেই চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরীকে তার স্বীয় পদ হতে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সই করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, যেহেতু, চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলাধীন চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মুজিবুল হক চৌধুরী বাংলাদেশে নিযুক্ত মান্যবর মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে হুমকি প্রদান করে অসদাচরণের অপরাধ করায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ৩৪ (৪) (খ) (ঘ) ধারা অনুযায়ী জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করেছেন।

যেহেতু, চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলাধীন চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মুজিবুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে উল্লিখিত অভিযোগে তার দ্বারা ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষমতা প্রয়োগ প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণে সমীচীন নয় মর্মে সরকার মনে করে।

সেহেতু, চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলাধীন চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মুজিবুল হক চৌধুরী কর্তৃক সংঘটিত অপরাধমূলক কার্যক্রম ইউনিয়ন পরিষদসহ জনস্বার্থের পরিপন্থী বিবেচনায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ৩৪(৪) (খ) (ঘ) ধারা অনুযায়ী উল্লিখিত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে তার স্বীয় পদ হতে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

এর আগে পিটার হাসকে প্রকাশ্যে পেটানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৩ নভেম্বর ঢাকায় ও ১৮ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালতে মামলার আবেদন খারিজ করে দেন।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;