ফেনীতে জমে উঠেছে অমর একুশে বইমেলা

  ‘এসো মিলি প্রাণের মেলায়’


মোস্তাফিজ মুরাদ, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফেনী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ফেনীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে চলছে ৬ দিনব্যাপী অমর একুশে বইমেলা। লেখক, পাঠক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক, কবি ও সুশীল সমাজ, দর্শনার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ এবং সরব উপস্থিতিতে জমে উঠেছে মেলা।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দুপুর থেকেই দর্শনার্থীদের ভিড়। স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের সরব উপস্থিতিতে জমজমাট বেচাকেনা চলছে মেলায়। তবে সন্ধ্যার পর মেলায় ভিড় আরও বেড়ে যায়। মেলা উপলক্ষ্যে শহীদ বেদিতে চলছে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বই কেনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করতে ভিড় করে সাধারণ মানুষ।


অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়েও মেলায় ঢুঁ মারছেন। মেলায় বিভিন্ন স্টলে গিয়ে দেখা যায় উৎসুক পাঠকরা। অনেকেই দল বেঁধে বইমেলায় এসেছেন। কেউ কেউ বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে, কেউবা পরিবার পরিজন, প্রিয় মানুষকে নিয়ে। শিশু, কিশোর-কিশোরীরাও এসেছে। মেলায় আগতরা ঘুরে ঘুরে দেখছেন নিজের প্রিয় লেখকদেরসহ মেলায় আসা নতুন বইগুলো। এ স্টল থেকে ওই স্টলে ঘোরাঘুরিতে কাটিয়ে দিচ্ছে সময়। পছন্দমতো বইও কিনছে। অনেকে আবার দল বেঁধে এসে বিভিন্ন স্টল ঘুরে চলে যাচ্ছেন, কেউবা আবার বইয়ের পাতা উল্টে দেখছেন। আবার অনেকে বই কিনে প্রিয় মানুষদের উপহার দিচ্ছেন।


বইমেলায় আসা স্কুল শিক্ষক নুরুল আফছার বলেন, দিনের বেলা সুযোগ পাই না। সন্ধ্যা নামলেই বইমেলায় চলে আসি। স্টলে স্টলে ঘুরি আর বই কিনি। ফেনীর মানুষ বইমেলার দাবি এজন্যই জানিয়েছিল, কারণ এখানে সাহিত্যের চর্চা আছে। বই পড়ার প্রতি আগ্রহ আছে। আর একটা মেলা হলে যে বই পড়েনা তারও পড়ার ইচ্ছা জাগ্রত হয়। এমন মেলা সবসময় আয়োজন করা উচিত।

স্কুল শিক্ষার্থী সানজিদা আক্তার বলেন, বই মেলায় আসার একটি আনন্দ আছে। অনেক মেলায় তো যাওয়া হয়, তবে বইমেলা আলাদা। এখানে আসলে সময়টা এমনিতেই ভালো যায়। দুই একটি বই কিনেছি শেষ দিন আরও কিনব।


গ্রন্থকুটির স্টল এর মনোজ পাল জানান, বই বিক্রি বেড়েছে। এমনকি গত দুইদিনের চেয়ে ভালো বিক্রি হচ্ছে। কোহিনুর লাইব্রেরির হোসেন মজুমদার বলেন, বেচা বিক্রি ভালো হচ্ছে। পাঠক আসছে এবং বই নিচ্ছে।

ভাটিয়াল প্রকাশনীর আলমগীর মাসুদ বলেন, ফেনীতে বইমেলা হচ্ছে এটাই আনন্দের। পাঠক ও সাংস্কৃতিকজনদের কাছে এ মেলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাঠক এখানে এসে বই দেখেন, বই ক্রয় করেন। এ বই মেলা প্রতিবছর যেন ১৫ দিনব্যাপী আয়োজন করা হয়।


ঢাকা থেকে আসা সাহিত্যদেশ এর মিল্লাত আল জিসাদ বলেন, ফেনীতে বই পড়ার প্রতি মানুষের আগ্রহ বেশি। ঢাকাতে অনেকে শুধু ছবি তুলে। এখানে ছবি তোলার চেয়ে পাঠক বেশি। এটা দেখে আমার ভালো লাগছে এবং বিক্রিও ভালো হচ্ছে।

মেলায় কৃষ্ণচূড়া গাছের নিচে স্টল দিয়েছেন পৌর এলাকার কৃষ্ণচূড়া সাংস্কৃতিক সংগঠন। মেলার বিষয়ে সংগঠনের একজন সাংবাদিক সুরঞ্জিত নাগ জানান, মেলায় যা বিক্রি হয় তার থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ তরুণ প্রজন্ম বইকে ভালোবাসছে। বইকে সানন্দে গ্রহণ করছে। মানুষজন বইকে ভালোবেসে মেলায় আসছেঅ এটাই মেলা আয়োজনের সফলতা। প্রাণের বই মেলা প্রতিবছর আয়োজন হোক, এটি ফেনীবাসীর প্রাণের দাবি।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এর ফেনী প্রতিনিধি এবং দৈনিক ফেনী সম্পাদক লেখক, গবেষক ও সাংবাদিক আরিফুল আমিন রিজভী বলেন, ফেনীর অনেক গুণী মানুষ ভাষা আন্দোলনের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন। তার মধ্যে ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম অন্যতম। সে জেলায় বইমেলা আয়োজন ছিল সময়ের দাবি। এবারের মেলা অনিশ্চিত ছিল কিন্তু পৌর মেয়রের আন্তরিকতায় এ মেলা আয়োজিত হয়েছে এবং ফেনীর মানুষ খুব ভালোভাবে গ্রহণ করেছে। ৩ দিনের মধ্যেই বেচাবিক্রি দারুণ হচ্ছে এবং ফেনীতে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

উল্লেখ্য, ৬ দিনব্যাপী এই মেলা ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে এবং আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে। প্রতিদিন দুপুর থেকে রাত ৯ টা অবধি এ মেলা চলছে। মেলা উপলক্ষে প্রতিদিন চলছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। তবে পবিত্র শবে বরাতের জন্য রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে।

   

আনোয়ারুল আজীম হত্যায় দুই দেশের নাগরিকেরাই জড়িত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডে বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের নাগরিকেরাও জড়িত রয়েছেন বলে জানা গেছে। এর আগে হত্যাকাণ্ডে শুধু বাংলাদেশিরাই জড়িত বলে জানা গিয়েছিল।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) পুলিশের সদর দফতর ও ডিএমপির গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ভারতীয় নাগরিকদের পরিচয় এখন পর্যন্ত শনাক্ত করায় যায়নি বলে জানিয়েছে ডিবি সূত্র। তারা জানিয়েছেন, আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডে ৫ থেকে ৬ জন অংশ নিয়েছেন।

এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ওয়ারী বিভাগ। তারা হলেন- এ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া চরমপন্থি দল পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির নেতা আমানউল্লাহ আমান, মোস্তাফিজ ও ফয়সাল।

এদিকে, আমানউল্লাহ আমানের এক বান্ধবী সিলিস্তি রহমানের নামও সংসদ সদস্য হত্যাকাণ্ডে উঠে এসেছে। তবে তাকে এখনো গ্রেফতারের খবর পাওয়া যায়নি।

সংসদ সদস্য হত্যাকাণ্ডে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানাতে এবং রহস্য উদঘাটনে ভারতীয় পুলিশের এই বিশেষ দল বৃহস্পতিবার ঢাকায় এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। কখন তারা এসে পৌঁছাবেন, তা জানা যায়নি।

ডিবি সূত্র জানায়, পাঁচ কোটি টাকার চুক্তিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক আখতারুজ্জামান ভাড়াটে খুনিদের এমপি আজীমকে হত্যার দায়িত্ব দেন।

গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান এমপি আনার। তিনি পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগর থানার মণ্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে ওঠেন। পরদিন ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন আনোয়ারুল আজীম।

বাড়ি থেকে বের হওয়ার পাঁচদিন পর গত ১৮ মে বরাহনগর থানায় আনোয়ারুল আজীমের নিখোঁজের বিষয়ে একটি জিডি করেন বন্ধু গোপাল বিশ্বাস। এরপরও খোঁজ মেলে না তিনবারের এই সংসদ সদস্যের। বুধবার হঠাৎ খবর ছড়ায় কলকাতার পার্শ্ববর্তী নিউটাউন এলাকায় বহুতল সঞ্জীবা গার্ডেনস নামে একটি আবাসিক ভবনের বিইউ ৫৬ নম্বর রুমে আনোয়ারুল আজীম খুন হয়েছেন।

আনোয়ারুল আজীম আনার ভারতে খুন হওয়ার ঘটনায় রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় মামলার এজাহার দায়ের করেন তার মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন।

বুধবার বিকেলে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাটি মর্মান্তিক। এটি নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড। আনোয়ারুল আজীম আনার একজন জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি ছিলেন। তার এলাকার সাধারণ মানুষ স্তম্ভিত। অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে আমরা কাজ করছি। তিনি তিনবারের সংসদ সদস্য। নিবিড়ভাবে ভারতীয় পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। কয়েকজন আমাদের কাছে আটক আছে। তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচ্ছি। তদন্তের স্বার্থে আমরা সবকিছু বলতে পারছি না।

  ‘এসো মিলি প্রাণের মেলায়’

;

ক্রীড়া অঙ্গনে ক্রিকেট এগিয়েছে, ফুটবলও এগোতে পারত: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্ব ক্রীড়া অঙ্গনে আমাদের ক্রিকেট এগিয়ে গেলেও ফুটবল সন্তোষজনকভাবে আগায়নি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) দুপুরে তেজগাঁওয়ের ঢাকা জেলা কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের নবগঠিত যুব ও ক্রীড়া উপ-কমিটির সদস্যদের পরিচিতি সভা ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের তার ক্রীড়ামন্ত্রী থাকার কথা স্মরণ করে বলেন, আমি যখন ক্রীড়ামন্ত্রী ছিলাম তখন বাংলাদেশ ক্রিকেটে বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। তখনই বিশ্বকাপে গিয়ে ১৯৯৯ সালে পাকিস্তানের মতো শক্তিশালী দলকে হারায়। দুইটা বিজয় ছিল, একটা স্কটল্যান্ডের সঙ্গে আরেকটা পাকিস্তানের সঙ্গে। ওই সময় বাংলাদেশ ক্রিকেটে টেস্ট মর্যাদা পেয়েছে। তখনই আমাদের প্রতিবন্ধীরা বিদেশে গিয়ে ২০টি স্বর্ণপদক নিয়ে আসে। আমাদের ক্রীড়া নিয়ে হতাশ হবার কারণ নেই।

তিনি বলেন, ক্রিকেট তো আমাদের অনেক এগিয়েছে। খেলায় উত্থানপতন আছেই। কখনো ভাল খেলবে, কখনো খারাপ হবে। আমি বলব, মোটামুটি সন্তোষজনক। ফুটবলটা আরও এগোতে পারত। বিশ্বকাপে যখন আইসল্যান্ডের মতো দল খেলছে তখন ভাবি, আইসল্যান্ড! আইসল্যান্ডও বিশ্বকাপে খেলে, আমরা পারি না। আমাদের এশিয়াতেই আছে সাউথ কোরিয়া ও জাপান। এছাড়া ইরান মাঝে মাঝে যায়। সৌদি আরবও কখনো কখনো যায়। মিশরও যায় কিন্তু আমরা যেতে পারি না।

  ‘এসো মিলি প্রাণের মেলায়’

;

পিরোজপুরে সুপেয় পানির তীব্র সংকট



তরিকুল ইসলাম, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, পিরোজপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

পিরোজপুরে দেখা দিয়েছে সুপেয় পানির তীব্র সংকট। প্রতি ঘণ্টায় ১০ লক্ষ লিটার পানির চাহিদা থাকলেও শোধন হচ্ছে মাত্র দুই থেকে আড়াই লক্ষ লিটার। পরিশোধনে তীব্র ঘাটতি থাকায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

পিরোজপুর দেড়’শ বছরের পুরাতন মহাকুমা হলেও জেলার মর্যাদা পায় ১৯৮৭ সালে। ২’শ বছর আগেও পিরোজপুরের জনগণকে সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য বিভিন্ন এলাকায় নির্ধারিত পুকুর ও নলকুপ ছিল। সময়ের ব্যবধানে জনগণের চাহিদা পূরণের জন্য পিরোজপুর জনস্বাস্থ্য বিভাগ ১৯৮৩ সালে সুপেয় পানির জন্য চালু করে পানি শোধনাগার। এবং সেখান থেকে শুরু করা হয় পানি সরবরাহ। শুরুতে প্রতি ঘণ্টায় উৎপাদন হত প্রায় ৫০ হাজার লিটার। সময়ের ব্যবধানে উৎপাদন বেড়ে আড়াই লক্ষ লিটারে দাঁড়ালেও চাহিদার তুলনায় তা খুবই সামান্য। ফলে চাহিদাকৃত পানি পরিশোধনে অক্ষম ও পুরানো মেশিন দিয়ে পানি সরবারহ করায় গ্রাহক দুর্ভোগ এখন চরমে পৌঁছেছে। ফলে সুপেয় পানির চাহিদা পূরণ করতে সাধারণ মানুষকে দূরদূরান্তে যেতে হয়। তাছাড়া পানি সংকটের প্রভাব পড়ছে মানুষের আর্থিক অবস্থার ওপরও।


স্থানীয়রা বলেন, পানি নিয়ে সমস্যা র্দীঘদিনের। আগে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে পানি পাওয়া যেত, কিন্তু র্বতমানে ৩০ মিনিটের বিেশ পানি পাওয়া যায় না। যা আমাদরে জন্য র্পযাপ্ত নয়। প্রচুর পরমিাণে মানুষ পানির অভাবে কষ্ট করছে। পর্যাপ্ত পানি না পাওয়ায় দূরদূরান্ত থেকে পানি আনা হয়। আগে আমরা দশ বারো কলস পানি পেতাম, সেখানে বর্তমানে আমরা পানি দুই এক কলসের বেশি পাই না। তীব্র গরমে পানির জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে। পানরি অভাব পূরণ করার জন্য নতুন একটা প্লান দরকার। তাহলে আমরা পানির সমস্যা থেেকে মুক্তি পাবো।

পিরোজপুর জনস্বাস্থ্য বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জয়ন্ত সরকার বলেন, এ মৌসুমে খাল বিল শুকিয়ে যাওয়ায় পানির সরবারাহ কমে যায়। ফলে দেখা দেয় পানির সংকট। ফলে পানি সমস্যার সমাধানে নেয়া হয়েছে উদ্যোগ। চলছে একটি প্রোজেক্টের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া।


পিরোজপুর পৌর সভার লক্ষাধিক বাসিন্দার জন্য প্রতি ঘণ্টায় ১০ লক্ষ লিটার পানির চাহিদা রয়েছে। আর উৎপাদন হচ্ছে মাত্র দুই থেকে আড়াই লক্ষ লিটার।

  ‘এসো মিলি প্রাণের মেলায়’

;

নরসিংদীতে দু’গ্রুপের গুলি বিনিময়, আহত ১০



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নরসিংদী
নরসিংদীতে দু’গ্রুপের গুলি বিনিময়, আহত ১০

নরসিংদীতে দু’গ্রুপের গুলি বিনিময়, আহত ১০

  • Font increase
  • Font Decrease

নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালীতে সরকারি প্রকল্পের বালুর ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময়. গুলি ও টেটাবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে ১০ জন।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) ভোরে আলোকবালীর খোদাদিলায় যুবলীগ কর্মী জাকির হোসেন ও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জয়নাল আবেদিন গ্রুপের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, কুতুব উদ্দিন (৩৫), আব্দুল্লাহ (১৬), তৈয়ব মিয়া (১৮)। বাকিদের নাম জানা যায়নি।

জাকির গ্রুপের নেপথ্যে রয়েছে ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি এড, আসাদ উল্লাহ এবং জয়নাল আবেদিন গ্রুপে রয়েছে ইউপি চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দীপু, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বজলুর রহমান ফাহিম।

জানা যায়, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে মেঘনা নদী ও তার শাখা নদীর নাব্যতা বৃদ্ধিতে নদী থেকে বালু উত্তোলন গত দুই মাস আগে শুরু হয়। প্রকল্প অনুযায়ী এসব বালু নদীর পাশে রাখার কথা হলেও প্রভাব বিস্তার করে আলোকবালী ইউনিয়নের সাতপাড়া ও খোদাদিলাসহ বিভিন্ন গ্রামের ফসলী জমি, পুকুর, ডুবাসহ বিভিন্ন স্থান ভরাট করা হচ্ছে। আর এসব ভরাট করা বালুর জন্য প্রতি শতাংশ জায়গা ভরাটের জন্য জয়নাল আবেদিন ও ইউপি চেয়ারম্যান গ্রুপকে ১০-১৫ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে।

ফলে, জাকির গ্রুপ তাদের ভাগ না পাওয়া ও পূর্ব আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘ দিনের বিরোধ থেকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তাছাড়া আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জাকির গ্রুপ এলাকার বাহিরে ছিল। পুনরায় গ্রুপটি এলাকায় প্রবেশ করতে চাইলে বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে উভয় গ্রুপের সংঘর্ষ হয় এবং উভয় গ্রুপের অন্তত ১০ জন টেটাবিদ্ধ ও গুলিবিদ্ধ হয়। এদের মধ্যে কুতুব উদ্দিনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে।

নরসিংদী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভীর আহমেদ জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে দীর্ঘ দিনের বিরোধ রয়েছে। জাকির গ্রুপ এলাকায় প্রবেশ করতে চাইলে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়। খোদাদিলা গ্রামটি অনেক বড়। এক দিকে ধাওয়া করলে অন্য দিক দিয়ে পালাচ্ছে। খবর পেয়ে ভোর থেকে আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।

  ‘এসো মিলি প্রাণের মেলায়’

;