Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

ছুটির মাঝেও থাকা চাই ফিট!

ছুটির মাঝেও থাকা চাই ফিট!
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামীকাল থেকে বেশ লম্বা সময়ের ছুটি পেতে যাচ্ছেন বেশিরভাগ চাকরিজীবী।

সঙ্গে রয়েছে নতুন বছরের আমেজও। ছুটির সময় মানেই হলো ইচ্ছামতো আনন্দময় সময় পার করা। ইতোমধ্যে দেশে ও দেশের বাইরে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনাও করে ফেলছেন অনেকেই। যারা কোথাও ঘুরতে যাচ্ছেন না, তারাও নিজ বাসাতে স্বপরিবারে কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে গেটটুগেদার করে ছুটির সময়গুলো কাটানোর পরিকল্পনা করে ফেলেছেন নিশ্চয়।

কোথাও ঘুরতে যাওয়া হোক কিংবা বাসাতেই থাকা হোক না কেন, অন্যান্য সময়ের নিয়ন্ত্রিত জীবনব্যবস্থা থেকে কিছুটা অবসর পাওয়া গেলেও, নিয়মের হেরফের হয়ে যায় খুব বেশি। নিজেকে ফিট ও সুস্থ রাখার জন্য সুনিয়ন্ত্রিত জীবনব্যবস্থার কোন বিকল্প নেই। দুই দিন কিংবা কয়েকদিনের জন্যেও যদি নিয়মের ব্যত্যয় হয় তবে তার প্রভাব শরীরে থেকে যায় বেশ অনেকদিন।

সামনের ছুটির দিনগুলো আনন্দ ও হইহুল্লোড়ের সঙ্গে কাটানোর পাশপাশি কিছু নিয়ম মেনে চলার চেষ্টাও অব্যাহত রাখতে হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/27/1545891863441.jpg

ঘুম থেকে উঠতে হবে সঠিক সময়ে

ছুটির সময় বলে সকালে দেরী করে ওঠা যাবে না। এতে করে ‘বডি ক্লক’ এর সময়ে ওলটপালট হয়ে যাবে। দুই দিনের ছুটিতে দেরী করে ঘুম থেকে ওঠার ফলে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত সকালে ঘুম থেকে উঠতে বেগ পেতে হবে। তাই ছুটির সময়েও সকালে একই সময়ে উঠে যেতে হবে। বাড়তি ঘুমের প্রয়োজন হলে রাতে দ্রুত ঘুমাতে হবে অথবা বিকালে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে হবে।

রেড মিট থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকা

উপলক্ষ্য আয়োজনে গরুর কালা ভুনা কিংবা খাসির রেজালা না হলে হয় নাকি! পছন্দের খাবার খাওয়ার মোক্ষম সময় ও সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইবে না কেউই। কিন্তু রেড মিট তথা গরু ও খাসির মাংস খাওয়ার বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। মাঝারি আকৃতির দুই টুকরো মাংসের বেশি খাওয়া একেবারেই উচিৎ হবে না।

পানি পানের কথা ভোলা যাবে না

ভ্রমণে থাকলে কিংবা বাসায় কোন আয়োজন থাকলে পানি পানের কথা মনে না থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তার জন্য পরবর্তি সময়ে শারীরিক অসুস্থতার মুখোমুখি হওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায় অনেক বেশি। তাই দিনের মাঝে অন্তত আট গ্লাস পানি পানের বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে অবশ্যই।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/27/1545891903478.jpeg

নজর দিতে হবে ভারি খাবারে

ছুটির বিকালে কিংবা রাতের খাবারে বেশি পনির ও ক্রিম দেওয়া পাস্তা হতে পারে পারফেক্ট খাবার। একইসাথে মনে রাখতে হবে, এই খাবার খুব দ্রুত রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।, কিছুক্ষেত্রে রক্তে চিনির মাত্রাও বাড়িয়ে দেয়। ক্রিম চিজ পাস্তার বদলে বেজিটেবল পাস্তা কিংবা রেড সস পাস্তা তৈরি করা যেতে পারে। এতে ক্যালোরি ইনটেকও হবে সীমিত।

তেলে ভাজা খাবারে সতর্কতা

ডুবোতেলে ভাজা খাবার সত্যিকার অর্থেই ভীষণ মুখরোচক হয়। কিন্তু এই খাবারগুলো খুব সহজেই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা তৈরি করে দেয়। ফলে বুক জ্বালাপোড়া, বমি ভাব, পেট ফোলা সহ নানান ধরণের উপসর্গ দেখা দেয়। এতে করে ছুটির সময়টাই নষ্ট হয়ে যাবে একদম। তাই তেলে ভাজা খাবারের পরিবর্তে স্টিমড খাবারের দিকে নজর দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

চায়ের মাঝে থাকুক গ্রিন টি

চা কিংবা কফির কাপে সময়ে সময়ে আড্ডা হবে অবসর সময় জুড়ে। পছন্দসই চা পানের মাঝে গ্রিন টির কথাও মাথায় রাখতে হবে। যতই নিয়ম মেনে চলার চেষ্টা করা হোক না কেন, হাবিজাবি খাবার খাওয়া হয়ে যাবেই। তার টক্সিসিটি কিছুটা প্রশমিত করার জন্য গ্রিন টিকে রাখতে হবে প্রতিদিনের খাদ্যাভাসে।

সুযোগ বুঝে শরীরচর্চা

এতো আয়োজন ও ঘোরাঘুরি মাঝে হয়তো আলাদাভাবে সময় পাওয়া কষ্টকর হয়ে যাবে। তবে যখনই কিছুটা অবসর সময় মিলবে ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ করে নিতে হবে মিনিট দশেকের জন্য। এতে শরীর ফিট থাকবে খুব ভালোভাবেই।

আরো পড়ুন: ভ্রমণে কী রাখবেন সাথে?

আরো পড়ুন: ওজন কমবে ডায়েট ছাড়াই!

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র