Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

অন্যান্য কাজেও ব্যবহার করা যায় হেয়ার ড্রায়ার

অন্যান্য কাজেও ব্যবহার করা যায় হেয়ার ড্রায়ার
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

শুধুই কি ভেজা চুল শুকানোর কাজেই হেয়ার ড্রায়ারের মতো চমৎকার একটি গ্যাজেট ব্যবহার করা হয়?

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উত্তর আসবে ‘হ্যা’। অথচ দারুণ এই যন্ত্রটি আরও বেশ কয়েকটি প্রয়োজনীয় কাজেও ব্যবহার করা যায় খুব সহজেই। হেয়ার ড্রায়ারের এমন কয়েকটি বুদ্ধিদীপ্ত ব্যবহার জানানো হলো আজকের ফিচারে।

ব্যান্ড এইড তোলার কাজে

শরীরের কোথাও কেটেছড়ে গেলে ব্যান্ড এইড ব্যবহার করা হয়। সমস্যা দেখা দেয় একদিন পর ব্যান্ড এইড তোলার সময়। ব্যান্ডের আঠা ত্বকের সঙ্গে শক্তভাবে আটকে যায়। ক্ষতস্থানের পাশের ত্বক হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই ত্বক নাজুক থাকে। তাই জোরে টান দেওয়াও সম্ভব হয় না।

সেক্ষেত্রে ব্যবহার করতে হবে হেয়ার ড্রায়ার। হেয়ার ড্রায়ারের গরম বাতাস ব্যান্ড এইডের থেকে কিছুটা উপরে ধরে রাখতে হবে মিনিট খানেক। এরপর খুব সহজেই খুলে নেওয়া যাবে ব্যন্ড এইড।

দেয়ালের আঁকাআঁকি ওঠাতে

হাতের কাছে রঙ বা কলম পেলেই দেয়ালের উপর নিজের প্রতিভা দেখানো শুরু করবে শিশুরা। যদি দেয়ালের এই আঁকাআঁকিগুলো মোমরঙের হয়ে থাকে, তবে খুব একটা চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। হেয়ার ড্রায়ারের গরম বাতাস দেয়ালে আঁকা ছবিগুলোর কাছে থেকে ব্লো করতে হবে। দেখা যাবে যে মোমগুলো গরম বাতাসে ধীরে ধীরে গলতে শুরু করেছে। মোম সম্পূর্ণ গলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত এইভাবে ব্লো করতে হবে। এরপর পরিষ্কার কাপড়ের সাহায্যে দ্রুত পরিষ্কার করে নিতে হবে।

জামার কোকড়ানো ভাব দূর করতে

পছন্দের টি-শার্টটি একেবারেই কোঁকড়ান অবস্থায় আছে, কিন্তু হুট করেই খেয়াল করলেন ইস্ত্রি নষ্ট হয়ে গেছে। এ অবস্থায় আপনাকে রক্ষা করবে হেয়ার ড্রায়ার। প্রথমে টি-শার্ট হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে তার উপরে পানি স্প্রে করতে হবে। এরপর হেয়ার ড্রায়ারের গরম বাতাস টি-শার্টের কাছ থেকে আড়াআড়িভাবে ব্লো করতে হবে। পানি শুকিয়ে আসতেই দেখা যাবে টি-শার্টের কোঁকড়ানভাব দূর হয়ে গেছে।

স্টিকার তোলার কাজে

রেডিমেড আসবাব কিংবা প্লাস্টিকের পাত্র থেকে স্টিকারের প্রাইস ট্যাগ ওঠাতে গেলে ভীষণ বিপদে পড়তে হয়। অল্প একটু স্টিকার ওঠানোর পর স্টিকারের আঠা ও কাগজ লেগে থাকে পণ্যের গায়ে। যা আরও বাজে দেখায়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে হেয়ার ড্রায়ারের গরম বাতাস সরাসরি স্টিকারের উপর ধরে রাখতে হবে মিনিট দুয়েক। এরপর খুব সহজেই সম্পূর্ণ স্টিকার তোলা সম্ভব হবে।

কাপড় থেকে মোম তোলা

টেবিল ক্লথের উপরে হুট করে গলিত মোম পড়ে গেলে সহজে ওঠানো সম্ভব হয় না। এখানেও সহজ সমাধান হিসেবে ব্যবহার করতে হবে হেয়ার ড্রায়ার। ড্রায়ারের গরম বাতাস মোমের উপর ধরে রাখতে হবে কিছুক্ষণ। মোম গলে যাওয়ার পর অন্য একটি কাপড়ের সাহায্যে মুছে নিতে হবে। শুধু কাপড় নয়, যেকোন আসবাবের উপর থেকেও একইভাবে মোম তোলা যাবে।

আরও পড়ুন: রিমুভার ছাড়াই ওঠানো যাবে নেইলপলিশ

আরও পড়ুন: ঘরেই বানিয়ে নিন পেপারমিন্ট-নারিকেল তেলের টুথপেস্ট

আপনার মতামত লিখুন :

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র