Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

নতুন হেয়ার কালার ‘চকলেট লাইল্যাক’

নতুন হেয়ার কালার ‘চকলেট লাইল্যাক’
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ফ্যাশন সচেতন সকলেই নিজেকে চলতি সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখতে ভালোবাসেন।

নতুন বছরে কি ট্রেন্ড চলছে বা চলতে পারে- এই সকল বিষয়ে আগে থেকেই ধারণা ও খোঁজ রাখার চেষ্টা করেন অনেকে। শুধু পোশাক কিংবা অনুষঙ্গ নয়, চুলের কাট ও কালারেও থাকা চাই আপডেটেড।

চুলে মনের পছন্দসই রঙ করার ট্রেন্ডটি নতুন কিছু নয়। ডার্ক ব্রাউন, মিডিয়াম ব্রাউন, লাইট ব্রাউন, ডার্ক ব্লন্ড, মিডিয়াম এন্ড লাইট ব্লন্ড, বারগুন্ডি, ব্রান্যেট, অউবার্ন, ডার্ক অউবার্নের পাশাপাশি ভাইব্রেন্ট রঙে প্রাকৃতিক কালো চুলকে রাঙাতে পিছ পা হচ্ছেন না কেউ।

রেড, মের‍্যুন, ম্যাজেন্টা, সি গ্রিন, গ্রিন, ব্লু, ইয়োলিশ ব্লু, আইস ব্লু, ডার্ক পারপেলের ছোঁয়া এখন অনেকের চুলেই দেখা যায়। হাইলাইটার হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি চুলের নিচের অংশে ভিন্ন রঙের মাত্রা আনতেও এই রঙগুলো বেশ স্মার্ট।

তবে ২০১৯ সালে চুলের রঙের জন্য কোন ট্রেন্ডটি আধিপত্য বিস্তার করতে যাচ্ছে সেটা এখনও জানানো হয়নি। স্মার্ট এই যুগে গতকালের স্টাইল আজকেই পুরনো হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে হেয়ার কালারের নতুন ট্রেন্ডটি আসার আগে থেকেই জেনে রাখুন।

এই বছরের শুরুর দিকে হেয়ার কালার হিসেবে ‘চককেল লাইল্যাক’ এর বিস্তার পাবে প্রবলভাবে। নামের সঙ্গে চকলেট থাকলেও, হেয়ার কালারটি অনেকটাই বেগুনী ঘরানার।

হেয়ার কালারটি বেস হিসেবে ব্রান্যেট রঙের প্রাধ্যান্য পাবে। রঙ যত নিচের দিকে নামতে থাকবে বেগুনী রঙ প্রকট হতে থাকবে। এমনকি এই হেয়ার কালারের মাঝে ব্রাউন ও ল্যাভেন্ডার রঙের ছটাও দেখা যাবে।

যারা নতুন বছরে নিজেকে নতুনভাবে সাজিয়ে নিতে চান, নতুন হেয়ার কাটের সঙ্গে নতুন এই হেয়ার কালারটি দারুণ মানিয়ে যাবে। এছাড়া একেবারেই ব্যতিক্রম ঘরানার রং বলে যারা একটু ব্যতিক্রম থাকতে পছন্দ করেন তাদের জন্য একেবারে পারফেক্ট এই হেয়ার কালারটি।

আরও পড়ুন: লাল লিপস্টিক ব্যবহার করুন সঠিক নিয়মে!

আরও পড়ুন: আইলাইনার ব্যবহারে এড়িয়ে যান এই ৫টি ভুল

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র