Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মাছ কতদিন পর্যন্ত ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যাবে?

মাছ কতদিন পর্যন্ত ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যাবে?
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

মাছে-ভাতে বাঙালি বলে কথা।

তাইতো সবার বাসার ফ্রিজেই মাছের দেখা পাওয়া যাবে। মাসের শুরুতেই কয়েক ধরণের মাছ না কিনলে, মাসের বাজার করা হয় নাকি! বাজার থেকে পছন্দসই মাছ বেছে বেছে কেনার মজাটাই আলাদা।

কিন্তু সমস্যা হলো, মাছ সংরক্ষণের বিষয়ে। বাজার থেকে কেনা সদ্য কাটা মাছ কতদিন পর্যন্ত রেফ্রিজারেটরে রাখা যাবে, জানেন না অনেকেই। তাইতো মাসের পর মাস ফ্রিজে পড়ে থাকে বহুদিন আগে কেনা মাছগুলো।

রেফ্রিজারেটরে কতদিন পর্যন্ত মাছ রাখা যাবে সেটা জানানোর আগে মাছ কীভাবে সঠিক উপায়ে প্যাকিং করতে হবে সেটা জেনে নিন। মাছ কেটে বেছে পরিষ্কারভাবে ধুয়ে নিতে হবে। যদি বক্সে রাখতে হয় তবে মাছের টুকরোগুলো ভালোভাবে সাজিয়ে এরপর সংরক্ষণ করতে হবে। আর যদি পলিথিনের ব্যাগে মাছ সংরক্ষণ করতে হয়, তবে ব্যাগে মাছ রেখে ব্যাগের ভেতর থেকে বাতাস বের করে তবেই ব্যাগের মুখ মুড়ে নিতে হবে। এরপর মাছ রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করা যাবে।

কিন্তু মাছ রেফ্রিজারেটরে কতদিন পর্যন্ত রাখা স্বাস্থ্যকর ও সঠিক? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FDA) জানাচ্ছে, ফ্রেশ মাছ, চিংড়ি কিংবা অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ রেফ্রিজারেটরে বড়জোর ৩-৪ দিন পর্যন্ত রাখা স্বাস্থ্যসম্মত। এছাড়া অতিরিক্ত তেলযুক্ত মাছের ক্ষেত্রে সেই সময়সীমা কমে ২-৩ দিনে আসবে।

এমনটা হবার কারণ হলো, দীর্ঘদিন রেফ্রিজারেটরে মাছ রেখে দেওয়ার ফলে মাছের গুণাগুণ কমে যায় এবং মাছের পচন প্রক্রিয়া দ্রুততর হয়। যে কারনে দীর্ঘদিন মাছ রেফ্রিজারেটরে রেখে দিলে মাছের আঁশটে গন্ধ বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।

এ কারণে অনেকেই ফ্রিজে রাখা মাছ একেবারেই খেতে পারেন না। বাজার থেকে আনা ফ্রেশ মাছ রান্না করে তবেই খান। নিয়ম কিন্তু এটাই সঠিক। তবে প্রতিদিন যেহেতু বাজার করা সম্ভব হয় না, তাই অনেকেই দীর্ঘসময়ের জন্য মাছ ফ্রিজে রেখে দেন। যা ভীষণ অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস।

আরও পড়ুন: আপেল রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করতে হবে যে কারণে

আরও পড়ুন: গাড়ির যেখানে রাখা যাবে না মোবাইল ফোন

আপনার মতামত লিখুন :

রৌদ্রজ্জ্বল দিনের শুরুটা হোক সচেতনায়

রৌদ্রজ্জ্বল দিনের শুরুটা হোক সচেতনায়
নিত্যদিনের অনুষঙ্গ হোক পছন্দসই সানগ্লাস, ছবি: সংগৃহীত

প্রতিদিনের শুরুটা হচ্ছে প্রচণ্ড রোদ মাথায় নিয়ে।

ধারাবাহিক বৃষ্টিবাদলার পর রোদের তাপ ভালোলাগা তৈরি করলেও সরাসরি রোদের আলো ও তাপ ত্বকের উপর স্থায়ীভাবে ক্ষতিকর প্রভাব তৈরি করে দেয়।

রোদের জন্য কাজ নিশ্চয় থেমে থাকবে না। কাজে, ক্লাসে কিংবা অফিসের জন্য বাইরে বেরুনোর আগে নিজেকে বাইরে রোদের মাঝে চলাচলের জন্য প্রস্তুত করে নিতে হবে। কারণ রোদের আলোর ক্ষতিকর আল্ট্রাভায়োলেট রে তথা রশ্মির জন্য ত্বকের ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন ও ভুগছেন লাখো মানুষ।

রোদের হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করার বিষয়টি বেশ কৌশলের। সেক্ষেত্রে খুব সাধারণ কিছু টিপস মাথায় রাখতে পারলেই নিজেকে এই ক্ষতিকর রোদের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। আপনাদের সুবিধার জন্য তেমন ছয়টি বিষয় জানানো হলো।

১. অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। এক্ষেত্রে একেবারেই ছাড়া দেওয়া যাবে না। সানস্ক্রিন ক্রিম অথবা পাউডার কেনার আগে পণ্যের গায়ে SPF50 দেখে নিতে হবে। এ মাত্রার সানস্ক্রিন রোদের ক্ষতিকর প্রভাবকে ভালোভাবে বাধা দিতে পারে। যাদের ত্বক অতিরিক্ত তৈলাক্ত তাদের জন্য সানস্ক্রিন পাউডার ব্যবহার করাই শ্রেয়। মুখ, গলা, ঘাড়, হাত ও পায়ের পাতার খোলা অংশে সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে এবং দীর্ঘসময় বাইরে অবস্থান করতে হলে প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর অবশ্যই সানস্ক্রিন রি-এপ্লাই তথা পুনরায় ব্যবহার করতে হবে।

ঠোঁটে ব্যবহার করতে হবে সানস্ক্রিন প্রটেক্টেড লিপবাম। লিপবামের SPF30 হলেও কাজ করবে।

২. সান্সক্রিনের সাথে সানগ্লাসকে সঙ্গী করে নিতে হবে। রোদের ক্ষতিকর প্রভাব সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে চোখ ও চোখের চারপাশের অংশের ত্বকে। কারণ এ অংশের ত্বক তুলনামূলক পাতলা ও নাজুক হয়। সানস্ক্রিন ব্যবহার করা হলেও সানগ্লাস পরতে হবে বাড়তি সতর্কতার জন্য। এছাড়াও অনেকে সময় সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে ভুলে গেলেও সাথে সানগ্লাস থাকলে দ্রুত পরে নেওয়া যাবে ও ক্ষতির মাত্রা কমিয়ে আনা যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563865899008.jpg

৩. গরমে ঘাম বেশি হওয়ার দরুন পাতলা ও সুতি তন্তুর কাপড় পরার পরামর্শ দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে রোদের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে পাতলা তন্তুর কাপড়ের হাতার ঝুল লম্বা করে তৈরি করতে হবে। তাহলে হাতের ত্বক রোদের ক্ষতিকর আলোর প্রভাব থেকে অনেকটাই সুরক্ষিত থাকবে।

৪. শুধু বৃষ্টির সময়ে নয়, প্রখর রোদেও ছাতা রাখতে হবে নিজের সাথে। ছাতা সাথে থাকার ফলে উন্মুক্ত ও খোলা স্থানে সরাসরি রোদের হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে খুব সহজেই।

৫. যতটা সম্ভব চেষ্টা করতে হবে সরাসরি রোদের নিচে না থেকে ছায়াযুক্ত স্থানে থাকার জন্য। বাইরে দীর্ঘসময় থাকার প্রয়োজন হলে তুলনামূলক ছাইয়াযুক্ত স্থান খুঁজে বের করতে হবে এবং সেখানে থাকার চেষ্টা করতে হবে।

৬. খেয়াল করে দেখবেন, যারা নিয়মিত বাইরে চলাচল করেন ও স্লিপার তথা স্যান্ডেল পরেন, তাদের পা রোদে পুড়ে কালচে দাগ বসে যায়। এ থেকে খুব সহজেই অনুমেয়, রোদের আলো ত্বকে কতটা ক্ষতিকর প্রভাব তৈরি করে। তাই রোদের ভেতর চলাচলের জন্য পুরো পায়ের পাতা ঢেকে থাকার মতো জুতা নির্বাচন করুন। এতে করে পায়ে ছোপ ছোপ পোড়াভাব তৈরি হবে না এবং রোদের হাত থেকে পায়ের ত্বক সুরক্ষিত থাকবে।

আরও পড়ুন: রোদ কিংবা বৃষ্টি, ছাতা হোক সঙ্গী

আরও পড়ুন: সানগ্লাস ব্যবহারে যে তিন ভুল আপনিও করছেন!

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম
নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম, ছবি: সংগৃহীত

আইসক্রিমের মাঝে ভ্যানিলা ফ্লেভারটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও প্রচলিত। একদম সাদামাটা ভ্যানিলা ফ্লেভারের মাঝে টুইস্ট আনতে চাইলে এভারে যোগ করতে পারেন নারিকেলের ফ্লেভার। ভ্যানিলার সাথে নারিকেলের ফ্লেভারের সংমিশ্রণে ঘরে তৈরি আইসক্রিম খুব সহজেই এই গরমে রিফ্রেশিং ভাব তৈরি করবে।

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম তৈরিতে যা লাগবে

১. দুই কাপ নারিকেল দুধ।

২. দুই কাপ পনির।

৩. আধা কাপ চিনি।

৪. ১/৪ কাপ নারিকেল কুঁচি।

৫. দুই টেবিল চামচ নারিকেল কুঁচি ভাজা।

৬. দুই চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563804441997.JPG

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম যেভাবে তৈরি করতে হবে

১. একটি পাত্রে নারিকেল দুধ, চিনি, ও পনির কুঁচি একসাথে ভালোভাবে হুইস্ক তথা ফেটাতে হবে। সকল উপাদান মিশে ঘন ক্রিমি মিশ্রণ তৈরি হবে।

২. ক্রিমি মিশ্রণে ভ্যানিলাক এসেন্স যোগ করে পুনরায় মিনিট পাঁচেকের জন্য মিশ্রণটি হুইস্ক করতে হবে। এতে করে পুরো মিশ্রণে ভ্যানিলা এসেন্স মিশে যাবে।

৩. মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে তিন ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। তিন ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করে এতে নারিকেলের কুঁচি মিশিয়ে পুনরায় ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে সারারাতের জন্য।

পরদিন ফ্রিজ থেকে জমাটবাধা নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম বের করে উপরে নারিকেল কুঁচি ভাজা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম

আরও পড়ুন: এই গরমে আমের লাচ্ছি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র