Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

চুলের যত্নে ব্যবহার করুন ঘরে তৈরি তেল

চুলের যত্নে ব্যবহার করুন ঘরে তৈরি তেল
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

সবচেয়ে ঝামেলা হয় চুল নিয়ে। হয় খুশকিজনিত সমস্যা দেখা দিবে নয়তো চুল বেশি পড়বে। এর জন্য আবহাওয়াজনিত সমস্যা তো থাকেই, সঙ্গে রয়েছে পরিবেশ দূষণের সমস্যাটিও। এর মাঝেও চুলকে সুস্থ ও সুন্দর রাখার চেষ্টায় রাখতে পারেন ঘরে তৈরি স্পেজালাইজড তেল।

রিফ্রেশিং সাইট্রাস তেল

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/07/1551957031201.jpg

এই তেলটি মূলত খুশকি দূর করার কাজে সবচেয়ে ভালো কাজ করবে। যাদের খুশকিজনিত সমস্যাটি বেশি, তারা এই তেল ব্যবহার করে উপকৃত হবেন। তেলটি তৈরি জন্য প্রয়োজন হবে ১ টেবিল চামচ কমলালেবু কিংবা লেবুর খোসা গুঁড়া এবং ১০০ মিলি অলিভ অয়েল অথবা নারিকেল তেল।

তেল তৈরির পদ্ধতি

প্রথমেই ফলের খোসার গুঁড়া রোদের আলোতে শুকিয়ে নিতে হবে। ভিন্ন একটি পাত্রে তেল গরম করে এতে ফলের শুকনো গুঁড়া মেশাতে হবে। এরপর চুলার তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিতে হবে যেন তেল ও খোসার গুঁড়া ভালোভাবে মিশ্রিত হতে পারে। কিছুক্ষণ পরে চুলার আঁচ কমিয়ে তেল নামিয়ে নিতে হবে। ব্যবহারের জন্য দুই টেবিল চামচ রেখে বাকি তেল মুখবন্ধ পাত্রে রেখে দিতে হবে।

ব্যবহারের জন্য তেলটি মাথার তালুতে ভালোভালে ম্যাসাজ করতে হবে পনের মিনিট সময় নিয়ে, যেহেতু খুশকি দূর করার জন্যেই তেলটি তৈরি করা হয়েছে। চুলে ৪৫ মিনিট তেল রেখে দেওয়ার পর শুধু পানিতে চুল ধুয়ে নিতে হবে।

সপ্তাহে সাইট্রাস তেল অন্তত দুই-তিন বার ব্যবহার করতে হবে। তেলে সাইট্রাস ফলের ভিটামিন-সি উপস্থিত থাকায় তা চুলের ত্বককে সুস্থ রাখতে কাজ করবে।

আমলকির তেল

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/07/1551957015326.jpg

চুল পড়ার হার কমাতে ও চুলের সার্বিক সুস্থতার জন্য আমলকির তেল অনন্য। তেলটি তৈরির জন্য প্রয়োজন হবে ১০০ গ্রাম আমলকির পাউডার, ১ কাপ নারিকেল তেল ও চার লিটার পানি।

তেল তৈরির পদ্ধতি

৭০ গ্রাম আমলকির পাউডার ও চার লিটার পানি একসাথে মিশিয়ে উচ্চতাপে ফুটাতে হবে। মিশ্রণ টেনে ১/৪ অংশে চলে আসলে বুঝতে হবে নামিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে ছেঁকে আমলকির পানি আলাদা করতে হবে। বাকি আমলকির পাউডারের সঙ্গে পানি মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করতে হবে। এখন আমলকির পেস্ট, আমলকির পানি ও তেল একসাথে মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিতে হবে। যতক্ষণে পানি বাষ্প হয়ে যাচ্ছে, তেল জ্বাল দিতে হবে। জ্বাল দেওয়া হয়ে গেলে তেলটি ঠাণ্ডা করে মুখবন্ধ বাক্সে রেখে দিতে হবে।

এই তেলটি মাথার তালু থেকে চুলের আগা পর্যন্ত ভালোভাবে ম্যাসাজ করে ৪৫-৬০ মিনিট পর্যন্ত রেখে দিতে হবে। এরপর হারবাল শ্যাম্পুর সাহায্যে চুল ধুয়ে নিতে হবে।

আমলকির পাউডারে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন-সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট চুলের পরিপূর্ণ পরিচর্যায় কাজ করে। সপ্তাহে অন্তত দুইবার এই তেলটি ব্যবহারই চুলের সুস্বাস্থ্যের জন্য যথেষ্ট।

আরও পড়ুন: চুলের রুক্ষভাব দূর করবে চার উপাদান

আরও পড়ুন: কীভাবে দূর হবে চুলের আগা ফাটার সমস্যা?

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র