Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

খাবার খাওয়ার পর গ্রিন টি পানে কী হয়?

খাবার খাওয়ার পর গ্রিন টি পানে কী হয়?
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর পানীয়ের মধ্যে গ্রিন টির নাম অবশ্যই প্রথম সারিতে থাকবে।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অন্যান্য নানবিধ স্বাস্থ্য উপকারিতা সমৃদ্ধ এই পানীয়টি নিয়মিত পানের পরামর্শ দেওয়া হয় সবাইকে। পানীয় কিংবা খাদ্য উপাদান যাই হোক না কেন, সবকিছু গ্রহণের নির্দিষ্ট ও সঠিক সময় থাকে। ঠিক তেমনভাবেই গ্রিন টি পানের জন্যেও রয়েছে নির্দিষ্ট সময়।

অনেকেই হয়তো জানেন না, খাবার খাওয়ার পরপর ও খাবার খাওয়ার মাঝে গ্রিন টি পান করা উচিৎ নয়। কারণ এই অভ্যাসটি একেবারেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়। কিন্তু কেন?

স্বাস্থ্যকর গ্রিন টিতে থাকে ফেনল নামক এক ধরনের কেমিক্যাল উপাদান। খাবার গ্রহণের কিছুক্ষণের মাঝে গ্রিন টি পানে যে সমস্যাটি দেখা দেয়- এতে উপস্থিত ফেনল গ্রহণকৃত খাদ্য উপদান থেকে শরীরকে আয়রন শোষণে বাধাদান করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/16/1555410228786.jpg
খাবার খাওয়ার পর গ্রিন টি পান করা থেকে বিরত থাকতে হবে। 

 

আরও জেনে রাখা ভালো, খাবার খাওয়ার পর ও খাবার খাওয়ার মাঝে গ্রিন টি পান করা থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার পরেও গ্রিন টি পান করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ গ্রিন টি দুধ বা দুগ্ধজাত খাবারের প্রোটিনকে শরীরে তার উপকারিতা বিস্তার করতে বাধা প্রদান করে এবং গ্রিন টি পানের ফলে মেটাবলিজম বৃদ্ধি পাওয়া ব্যহত হয়। যারা ওজন কমানোর উদ্দেশে গ্রিন টি পান করেন, তাদের এ বিষয়ের প্রতি বাড়তি খেয়াল রাখা প্রয়োজন।

যাদের শরীরে আয়রনের ঘাটতি রয়েছে, গ্রিন টি পানের সময়ের বিষয়ে তাদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। নতুবা শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। মূলত এই সকল কারণ বিবেচনা করেই সকালে খালি পেটে কিংবা বিকালে হালকা ঘরানার নাশতার সঙ্গে গ্রিন টি পানের পরামর্শ দেওয়া হয়। যা একইসাথে শরীর সুস্থ রাখতে, মেটাবলিজম বৃদ্ধিতে ও ওজন কমাতে সহায়তা করবে।

আরও পড়ুন: ভিটামিন-সি কেন জরুরি?

আরও পড়ুন: কফির পরিবর্তে চা পানে যা ঘটতে পারে!

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র