Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

উফ খুশকি!

উফ খুশকি!
আবহাওয়ার বদলে দেখা দিতে পারে খুশকি, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

খুশকির সমস্যাটি শুধু যে বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে তাই নয়, এর ফলে মুখের ত্বকেরও নানাবিধ সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে।

অ্যান্টি-ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহারেও বেশিরভাগ সময় খুশকির সমস্যা থেকে পরিত্রান পাওয়া সম্ভব হয়না।

নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল বয়সীর চুলেই এই কমন সমস্যাটি আবহাওয়ার বদলে বেড়ে যেতে পারে বা নতুনভাবে দেখা দিতে পারে। খুশকির সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে কী করা যেতে পারে, সেটাই জানানো হলো আজকের ফিচারে।

তেল ব্যবহার করতে হবে পরিমিত

মাথার ত্বক শুধু শুষ্ক থাকলেই নয়, অতিরিক্ত তৈলাক্ত থাকলেও দেখা দেয় খুশকির প্রাদুর্ভাব। চুলের সুস্থতায় তেলের বিকল্প নেই অবশ্যই। তবে তেলের ব্যবহার যেন মাত্রাতিরিক্ত না হয় সে বিষয়েও খেয়াল রাখতে হবে। সপ্তাহে দুই দিন চুলে তেল দিতে হবে এবং অবশ্যই নিয়মিত চুল শ্যাম্পু করে ফেলতে হবে।

লেবুর রসের ব্যবহার

খুশকি দূরীকরণে প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে লেবুর রস সবচেয়ে উপকারী। তেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে মাথার তালুতে ভালোভাবে ঘষে ম্যাসাজ করে পনের মিনিট রাখতে হবে। এরপর চুল ধুয়ে নিতে হবে। লেবুর অ্যাসিডিক ধর্ম খুশকিকে দূর করে।

ব্যবহার করতে হবে বেকিং সোডা

বেকিং সোডার চমৎকার ও হাজারো ঘরানার ব্যবহারের মাঝে অন্যতম চমৎকার ব্যবহারটি হলো চুলের খুশকির প্রকোপ কমাতে বেকিং সোডার ব্যবহার। চুলে ব্যবহারের জন্য এক টেবিল চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে অল্প পরিমাণ পানি মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করতে হবে। এই পেস্টটি মাথার তালুতে ঘষে ঘষে ম্যাসাজ করতে হবে। ম্যাসাজ শেষে মিনিট পনের অপেক্ষা করে চুল ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/18/1555581090811.jpg
বেকিং সোডা খুশকি দূর করতে উপকারী। 

 

অলিভ অয়েলের ব্যবহার

সাধারণ নারিকেল কিংবা সরিষার তেল অনেক সময় চুল ও মাথার ত্বকের সুস্বাস্থ্যের জন্য যথেষ্ট নয়। মাথার ত্বকের খুব সাধারণ সমস্যা হলো খুশকির প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়া। খুশকির সমস্যা দেখা দিলে নারিকেল তেলের সঙ্গে অলিভ অয়েল মিশিয়ে ব্যবহার করতে হবে। অলিভ অয়েলের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বককে সুস্থ রাখে ও খুশকির সমস্যা কমায়।

ব্যবহার করতে হবে সঠিক চিরুনি

যে চিরুনি মাথার ত্বকে ব্যাথাভাব তৈরি করে, সে চিরুনি ব্যবহার করা বাদ দিতে হবে। এমন ধরনের চিরুনি মাথার ত্বককে শুষ্ক ও রুক্ষ করে তোলে। ফলে খুশকিজনিত সমস্যা বৃদ্ধি পায়।

খেতে হবে ভিটামিনযুক্ত খাবার

মাথার ত্বকের মরা চামড়া থেকেই খুসকির উদ্ভব হয়। অনেকের ভিটামিনের অভাবে খুশকির সমস্যাটি দেখা দেয়। তাই খাদ্যাভাসে ভিটামিনযুক্ত খাবার রাখার চেষ্টা করতে হবে।

আরও পড়ুন: চুলের সুস্থতায় আদা!

আরও পড়ুন: চুল পড়ছে বেশি?

আপনার মতামত লিখুন :

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম
নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম, ছবি: সংগৃহীত

আইসক্রিমের মাঝে ভ্যানিলা ফ্লেভারটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও প্রচলিত। একদম সাদামাটা ভ্যানিলা ফ্লেভারের মাঝে টুইস্ট আনতে চাইলে এভারে যোগ করতে পারেন নারিকেলের ফ্লেভার। ভ্যানিলার সাথে নারিকেলের ফ্লেভারের সংমিশ্রণে ঘরে তৈরি আইসক্রিম খুব সহজেই এই গরমে রিফ্রেশিং ভাব তৈরি করবে।

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম তৈরিতে যা লাগবে

১. দুই কাপ নারিকেল দুধ।

২. দুই কাপ পনির।

৩. আধা কাপ চিনি।

৪. ১/৪ কাপ নারিকেল কুঁচি।

৫. দুই টেবিল চামচ নারিকেল কুঁচি ভাজা।

৬. দুই চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563804441997.JPG

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম যেভাবে তৈরি করতে হবে

১. একটি পাত্রে নারিকেল দুধ, চিনি, ও পনির কুঁচি একসাথে ভালোভাবে হুইস্ক তথা ফেটাতে হবে। সকল উপাদান মিশে ঘন ক্রিমি মিশ্রণ তৈরি হবে।

২. ক্রিমি মিশ্রণে ভ্যানিলাক এসেন্স যোগ করে পুনরায় মিনিট পাঁচেকের জন্য মিশ্রণটি হুইস্ক করতে হবে। এতে করে পুরো মিশ্রণে ভ্যানিলা এসেন্স মিশে যাবে।

৩. মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে তিন ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। তিন ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করে এতে নারিকেলের কুঁচি মিশিয়ে পুনরায় ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে সারারাতের জন্য।

পরদিন ফ্রিজ থেকে জমাটবাধা নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম বের করে উপরে নারিকেল কুঁচি ভাজা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম

আরও পড়ুন: এই গরমে আমের লাচ্ছি

দুই মিনিটে চোখের সাজ!

দুই মিনিটে চোখের সাজ!
সহজ নিয়মে অল্প সময়েই সাজিয়ে নেওয়া যাবে চোখকে, ছবি: সংগৃহীত

মুখের মাধুর্যের মাঝে চোখ জোড়া সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়।

আর তাইতো সাজের মাঝে চোখের সাজটাই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। বড় ধরনের কোন অনুষ্ঠান হোক কিংবা সাধারণ ক্লাস, শপিং কিংবা অফিসের জন্য বের হওয়া হোক, চোখে কাজল বা আইলাইনারের প্রলেপ থাকা চাই-ই চাই। আইলাইনের চাইতেও কাজলের চাহিদা ও ব্যবহার অনেক বেশি। কাজল ব্যবহারেই চোখের সাজের পরিপূর্ণতা প্রকাশ পায়।

কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্যাটস আই স্টাইলটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। ড্রামাটিক ঘরানার এই স্টাইলে যেন চোখের সৌন্দর্যটি আরও ভালোভাবে ফুটে ওঠে। কিন্তু সমস্যা হলো সময়ে!

ক্যাটস আই স্টাইলে কাজল দেওয়ার জন্য হাতে বেশ অনেকখানি সময় রাখা প্রয়োজন হয়। ফলে নিত্যদিন বাইরে বের হওয়ার আগে সময় করে কাজল দেওয়া হয়ে ওঠে না। কিন্তু চোখ একেবারেই কাজলবিহীন রাখতে না চাইলে সহজ সমাধানও রয়েছে। যার জন্য ব্যয় হবে মাত্র দুই মিনিট।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563797724291.jpg

দুই মিনিটের ভেতর চোখে কাজল দিতে চাইলে চোখের পাতার উপরে নয়, দিতে হবে চোখের পাতার নিচের অংশে, যেখানে চোখের পাপড়িগুলোর মূল থাকে। চোখের পাতা আঙ্গুলের সাহায্যে কিছুটা টেনে ধরে কাজলের তীক্ষ্ণ অংশটি পাতার নিচের অংশে টেনে দিতে হবে। একইভাবে চোখের নিচের পাতাতেও পাতার ভেতরের অংশতে কাজল দিতে হবে।

এতে করে চোখ আগের চাইতে অনেক বেশি ওয়েল ডিফাইন্ডড বা আঁকানো মনে হবে। এবারে কাজলের সাহায্যে চোখের উপরের পাপড়ির একদম শেষ অংশে কিছুটা টেনে নিতে হবে। এতে করে চোখ বড় ও টানটান মনে হবে।

এভাবে কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই যত্নশীল ও সতর্ক হতে হবে। চোখে যেন আজলের খোঁচা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া ভালোমানের কাজল ব্যতীত সস্তা কাজল ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: পারফেক্ট সাজে আকর্ষণীয় আপনি!

আরও পড়ুন: গুছিয়ে রাখুন মেকআপ সামগ্রী

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র