Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মাখনের প্যাকেটটি ফেলে দেবেন না!

মাখনের প্যাকেটটি ফেলে দেবেন না!
সংগ্রহে রাখুন মাখনের প্যাকেটটি, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

এমন অদ্ভুত টাইটেল পড়ে অবাক হওয়াটাই স্বাভাবিক ব্যাপার।

কিন্তু যদি বলা হয় খুবই অদ্ভুত এই অভ্যাসের ফলে সময় ও টাকা উভয় বাঁচবে, তবে নিশ্চয় কিছুটা হলেও আগ্রহী হবেন বিষয়টি জানার জন্যে।

এটা একেবারেই ঠিক যে একদম সামান্য ও ছোট এই অভ্যাসটি আপনার জন্য ইতিবাচক প্রভাব আনতে সাহায্য করবে। সেটা কীভাবে? চলুন তাহলে ছোট করে ব্যাখ্যা দেওয়া যাক।

নাশতার খাবার থেকে শুরু করে পছন্দনীয় পাস্তা কিংবা বেকারি আইটেম তৈরিতে মাখন থাকা আবশ্যক। খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি মাখনের বিকল্প নেই একেবারেই। বিশেষত বেকারিজাত খাবার তথা কেক, মাফিন, পেস্ট্রি কিংবা ঝাল খাবার তৈরিতেও মাখন প্রয়োজন হয়।

কিন্তু এখানে মাখনের প্যাকেটটি কেন প্রয়োজন? খেয়াল করে দেখুন, মাখনের প্যাকেটটে বেশ অনেকখানি মাখন লেগে থাকে। যা আমরা হিসেবের বাইরে রেখে নিতান্ত বেখেয়ালে ফেলে দেই উচ্ছিষ্ট হিসেবে। অথচ কাগজের প্যাকেটে লেগে থাকা মাখন সংগ্রহ করলে পরিমাণে বেশ অনেকখানি হবে।

বেকিং এর ক্ষেত্রে প্যানে মাখনের প্রলেপ মাখানোর সময় এই প্যাকেটগুলো ব্যবহার করা যাবে খুব সুন্দরভাবেই। প্যাকেটের সাথে থাকা মাখন একটি মাঝারি আকৃতির প্যান কভার করতে যথেষ্ট। এমনকি সবজি সতে করতে চাইলে ফ্রাইং প্যানে একটি প্যাকেট ব্যবহার করলেই হবে। এমনকি দুইটি টোস্টেও স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহার করা যাবে একটি মাখনের প্যাকেট।

এর জন্য মাখনের কাগজের প্যাকেট গুলো সংগ্রহ করে এতে লেগে থাকা মাখন সহকারে ভাঁজ করে মুখবন্ধ বক্সে রেখে রেফ্রিজারেটরে সংগ্রহ করতে হবে। প্রয়োজনের সময় হাতের কাছে মাখন না থাকলে একটি প্যাকেটেই কাজ সেরে নেওয়া যাবে সুন্দরভাবে।

এতে খরচ বাঁচার পাশাপাশি সময়ও বাঁচবে। কারণ রেফ্রিজারেটরে রাখা মাখন স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আনতে বেশ অনেকখানি সময় প্রয়োজন হয়। কিন্তু প্যাকেটের সাথে থাকা মাখন ফ্রিজ থেকে বের করার মিনিটখানেকের মধ্যেই ব্যবহারযোগ্য হয়ে যাবে। তাহলে বলুন তো, সামান্য একটি জিনিস ও টিপসও কতটা উপকারে আসতে পারে!

আরও পড়ুন: বেক করতে ঘরোয়া তাপমাত্রার ডিম!

আরও পড়ুন: ফেলনা টয়লেট পেপার রোলে তৈরি আকর্ষণীয় জিনিস

আপনার মতামত লিখুন :

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম
নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম, ছবি: সংগৃহীত

আইসক্রিমের মাঝে ভ্যানিলা ফ্লেভারটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও প্রচলিত। একদম সাদামাটা ভ্যানিলা ফ্লেভারের মাঝে টুইস্ট আনতে চাইলে এভারে যোগ করতে পারেন নারিকেলের ফ্লেভার। ভ্যানিলার সাথে নারিকেলের ফ্লেভারের সংমিশ্রণে ঘরে তৈরি আইসক্রিম খুব সহজেই এই গরমে রিফ্রেশিং ভাব তৈরি করবে।

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম তৈরিতে যা লাগবে

১. দুই কাপ নারিকেল দুধ।

২. দুই কাপ পনির।

৩. আধা কাপ চিনি।

৪. ১/৪ কাপ নারিকেল কুঁচি।

৫. দুই টেবিল চামচ নারিকেল কুঁচি ভাজা।

৬. দুই চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563804441997.JPG

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম যেভাবে তৈরি করতে হবে

১. একটি পাত্রে নারিকেল দুধ, চিনি, ও পনির কুঁচি একসাথে ভালোভাবে হুইস্ক তথা ফেটাতে হবে। সকল উপাদান মিশে ঘন ক্রিমি মিশ্রণ তৈরি হবে।

২. ক্রিমি মিশ্রণে ভ্যানিলাক এসেন্স যোগ করে পুনরায় মিনিট পাঁচেকের জন্য মিশ্রণটি হুইস্ক করতে হবে। এতে করে পুরো মিশ্রণে ভ্যানিলা এসেন্স মিশে যাবে।

৩. মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে তিন ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। তিন ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করে এতে নারিকেলের কুঁচি মিশিয়ে পুনরায় ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে সারারাতের জন্য।

পরদিন ফ্রিজ থেকে জমাটবাধা নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম বের করে উপরে নারিকেল কুঁচি ভাজা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম

আরও পড়ুন: এই গরমে আমের লাচ্ছি

দুই মিনিটে চোখের সাজ!

দুই মিনিটে চোখের সাজ!
সহজ নিয়মে অল্প সময়েই সাজিয়ে নেওয়া যাবে চোখকে, ছবি: সংগৃহীত

মুখের মাধুর্যের মাঝে চোখ জোড়া সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়।

আর তাইতো সাজের মাঝে চোখের সাজটাই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। বড় ধরনের কোন অনুষ্ঠান হোক কিংবা সাধারণ ক্লাস, শপিং কিংবা অফিসের জন্য বের হওয়া হোক, চোখে কাজল বা আইলাইনারের প্রলেপ থাকা চাই-ই চাই। আইলাইনের চাইতেও কাজলের চাহিদা ও ব্যবহার অনেক বেশি। কাজল ব্যবহারেই চোখের সাজের পরিপূর্ণতা প্রকাশ পায়।

কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্যাটস আই স্টাইলটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। ড্রামাটিক ঘরানার এই স্টাইলে যেন চোখের সৌন্দর্যটি আরও ভালোভাবে ফুটে ওঠে। কিন্তু সমস্যা হলো সময়ে!

ক্যাটস আই স্টাইলে কাজল দেওয়ার জন্য হাতে বেশ অনেকখানি সময় রাখা প্রয়োজন হয়। ফলে নিত্যদিন বাইরে বের হওয়ার আগে সময় করে কাজল দেওয়া হয়ে ওঠে না। কিন্তু চোখ একেবারেই কাজলবিহীন রাখতে না চাইলে সহজ সমাধানও রয়েছে। যার জন্য ব্যয় হবে মাত্র দুই মিনিট।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563797724291.jpg

দুই মিনিটের ভেতর চোখে কাজল দিতে চাইলে চোখের পাতার উপরে নয়, দিতে হবে চোখের পাতার নিচের অংশে, যেখানে চোখের পাপড়িগুলোর মূল থাকে। চোখের পাতা আঙ্গুলের সাহায্যে কিছুটা টেনে ধরে কাজলের তীক্ষ্ণ অংশটি পাতার নিচের অংশে টেনে দিতে হবে। একইভাবে চোখের নিচের পাতাতেও পাতার ভেতরের অংশতে কাজল দিতে হবে।

এতে করে চোখ আগের চাইতে অনেক বেশি ওয়েল ডিফাইন্ডড বা আঁকানো মনে হবে। এবারে কাজলের সাহায্যে চোখের উপরের পাপড়ির একদম শেষ অংশে কিছুটা টেনে নিতে হবে। এতে করে চোখ বড় ও টানটান মনে হবে।

এভাবে কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই যত্নশীল ও সতর্ক হতে হবে। চোখে যেন আজলের খোঁচা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া ভালোমানের কাজল ব্যতীত সস্তা কাজল ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: পারফেক্ট সাজে আকর্ষণীয় আপনি!

আরও পড়ুন: গুছিয়ে রাখুন মেকআপ সামগ্রী

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র