Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

যেভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকবে আপনার ক্ষুধা

যেভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকবে আপনার ক্ষুধা
নিয়ম মেনেই ক্ষুধাভাবকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে, ছবি: বার্তা২৪
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

হুটহাট করে ক্ষুধাভাব দেখা দেওয়ার সমস্যাটি কিন্তু বেশ জ্বালায়।

ঘন্টাখানেক আগে খাবার খাওয়ার পর পুনরায় ক্ষুধাভাব দেখা দেওয়া, খাবার না খেলে অশান্তি বোধ হওয়ার সমস্যাটিতে কম কিংবা বেশি সকলেই ভোগেন। এমনটা মূলত কোন শারীরিক সমস্যা নয়। তবে ঘনঘন ক্ষুধাভাব দেখা দেয় খাদ্যাভাসের বেশ কয়েকটি কারণেই।

খুব সহজ কিছু নিয়ম মানতে পারলেই এই সমস্যাটিকে দূর করা যাবে এবং ওজনকেও নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে। আজকের ফিচারে তেমন কয়েকটি নিয়ম তুলে ধরা হলো।

আঁশযুক্ত খাবার দূর করবে অপ্রয়োজনীয় ক্ষুধাভাব

প্রত্যেককের প্রতিদিনের খাদ্যাভাসে পর্যাপ্ত আঁশযুক্ত খাবার থাকা প্রয়োজন। আঁশযুক্ত খাবার পরিপাক হতে আমাদের শরীরের বেশ লম্বা সময়ের প্রয়োজন হয়। ফলে হুটহাট এবং অকারণে ক্ষুধাভাব দেখা দেওয়ার সমস্যাটি নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই প্রতিবেলার খাবারের তালিকায় আঁশযুক্ত খাবার রাখার চেষ্টা করতে হবে।

ভাগ করে খাবার খাওয়া

খাবার খাওয়া ও ক্ষুধাভাব নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে খুব চমৎকার একটি টিপস হলো, প্রতিবেলার তথা সকালের নাশতা, দুপুর, বিকাল ও রাতেরবেলার খাবারগুলো দুইটি ভাগে ভাগ করে নিতে হবে। সকালের নাশতা দুইভাগে ভাগ করে এক-দুই ঘণ্টা অন্তর খাওয়া। এতে করে নাশতা করার ঘন্টাখানেক পর ক্ষুধা লাগলেও সমস্যা নেই। কিছু খাবার খেয়ে নেওয়া যাবে। তবে এতে ক্যালরি ইনটেকের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে না। কারণ প্রতিদিনের নাশতাকেই দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। এতে সঠিক পরিমাণ ক্যালরি গ্রহণ করা হবে।

খাবার ধীরে খাওয়া

এই সমস্যাটি আমাদের অনেকের মাঝেই আছে। খাবার অতি দ্রুততার সাথে খেয়ে ফেলা। খাবার অতি দ্রুত খেয়ে ফেলার ফলে আমাদের মস্তিষ্ক সঠিকভাবে সিগন্যাল পায় না এবং পেটে ক্ষুধাভাব বিদ্যমান থাকে। ফলে খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণের মাঝেই পুনরায় ক্ষুধাভাব দেখা দেয়। যে কারণে পরিমিত খাবার খাওয়ার পাশাপাশি অবশ্যই খাবার খেতে হবে ধীর গতিতে।

পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে

শুধু খাবার খাওয়া নয়, খেয়াল রাখতে হবে পানি পানের দিকেও। দিনের মাঝে কত গ্লাস পানি পান করছেন, তার উপরেও ক্ষুধাভাব দেখা দেওয়ার বিষয়টি নির্ভর করে। পর্যাপ্ত পানি পানের ফলে পেট ভরা থাকে এবং অকারণে ক্ষুধাভাব দেখা দেয় না। এছাড়া পানি শরীরকে সুস্থ ও আর্দ্রতাপূর্ণ রাখতেও কাজ করে। তাই পানি পানের বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে।

খেতে হবে প্রোটিন

আঁশজাতীয় খাবার তো বটেই, তার সাথেই রাখতে হবে প্রোটিনযুক্ত খাবার। প্রোটিন শুধু পেট ভরা রাখতেই নয়, শরীরে শক্তি প্রদানে ও রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও কাজ করে।

আরও পড়ুন: খাবার সঠিকভাবে চিবিয়ে খাওয়া হয় কি?

আরও পড়ুন: অমনোযোগে বেশি খাওয়া হচ্ছে?

আপনার মতামত লিখুন :

গরমে ঘামাচিকে দূরে রাখতে কী করতে হবে?

গরমে ঘামাচিকে দূরে রাখতে কী করতে হবে?
গরমে ঘামাচির সমস্যাটি খুব বেশি দেখা দেয়, ছবি: সংগৃহীত

আবহাওয়ার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকলেই দেখা দিতে শুরু করে নানাবিধ শারীরিক সমস্যা, যার মাঝে থাকে ত্বকের সমস্যাও।

ঘামাচি তেমনই গরমকালীন একটা ত্বকের সমস্যা। গরমে ত্বকে লালচে র‍্যাশ ওঠাকেই স্থানীয় ভাষায় বলা হয় ঘামাচি ওঠা। এই র‍্যাশগুলো ত্বকে চুলকানির উপদ্রব তৈরি করে এবং বেশ জ্বালাপোড়া হয় ত্বকে।

কেন ঘামচি দেখা দেয়?

শরীরের ঘর্মগ্রন্থিগুলো বন্ধ হয়ে গেলে ঘামাচি দেখা দেয়। অতিরিক্ত ঘাম হলে শরীরের কিছু অংশে ত্বকের নিচের ঘাম আটকে থাকে, যা থেকে ত্বকের সমস্যা তথা র‍্যাশ বা ঘামাচি তৈরি হয়। আক্রান্ত স্থানের ত্বক লালচে হয়ে ছোট ছোট র‍্যাশ দেখে দেয় এবং ঘামচির সমস্যাটি শিশু থেকে শুরু করে পূর্ণবয়স্ক সবারই হতে পারে।

ঘামাচি সাধারণত ঘাড়, পিঠ, গলার ভাঁজে, হাতের ভাঁজে ও দুই পায়ের মধ্যবর্তী অংশে দেখা দেয়। বলা যেতে পারে, শরীরের যে অংশগুলোতে ঘাম জমে থাকে এবং সহজে বাতাস চলাচল করতে পারে না, সে অংশগুলোতেই ঘামাচির সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া অতিরিক্ত রোদের আলোর সংস্পর্শে আসলে শরীরের অন্যান্য অংশেও ঘামাচি দেখা দিতে পারে।

ঘামাচি প্রতিরোধে কী করতে হবে?

কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করতে পারলেই ঘামাচি থেকে নিজেকে দূরে রাখা সম্ভব হবে। এছাড়া ঘামাচির প্রকোপ শিশুদের মাঝে যেহেতু বেশি দেখা দেয়, সঠিক যত্ন ও খেয়াল রাখা হলে শিশুদের ঘামাচির সমস্যাটি কমে যাবে। সেক্ষেত্রে জেনে রাখুন একদম সহজ কিছু নিয়ম, যা মেনে চললে ঘামাচির উপদ্রব কম দেখা দেবে।

১. খুব বেশি গরম ও আর্দ্রতাপূর্ণ স্থান এড়িয়ে যেতে হবে এবং যতটা সম্ভব বাইরে সরাসরি রোদের আলো থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে। কোন কারণ ঘাম তুলনামূলক বেশি হলে দ্রুত ফ্যানের নিচে বাতাসযুক্ত স্থানে বসতে হবে এবং শরীরের ঘাম শুকানোর চেষ্টা করতে হবে। এ সময়ে সাধারণ তাপমাত্রার পানি পান সবচেয়ে ভালো কাজ করবে।

২. গরম আবহাওয়ায় অন্যান্য যেকোন ধরনের তন্তুর চেয়ে সুতি তন্তুর পোশাক পরা সবচেয়ে বেশি উপকারী। সুতি কাপড় দ্রুত ঘাম শোষণ করে ও শুকিয়ে ফেলে এবং সুতি কাপড়ের ভেতর থেকে খুব ভালোভাবে বাতাস চলাচল করতে পারে। যদিও সিল্ক, লিলেন, জর্জেট কাপড়গুলো আভিজাত্যভাব আনে, এই গরমে ঘামাচিকে দূরে রাখতে চাইলে সুতি তন্তুর পোশাকই বেছে নিতে হবে।

৩. বাইরে কাজে বের হওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই সাথে ফেসিয়াল টিস্যু ও পকেট তোয়ালে রাখার চেষ্টা করতে হবে। গরমে ঘাম হলেই সাথে সাথে ঘাম মুছে ফেলতে হবে এবং শরীর ঠাণ্ডা করা ও শুকানোর ব্যবস্থা নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, ঘামে ত্বক যেন ১৫-২০ মিনিটের বেশি সময় আর্দ্র না থাকে।

৪. গরমে সবচেয়ে উপকার দেয় বেবি পাউডার। শিশুদের জন্য তো বটেই, বড়দের ক্ষেত্রেও বেবি পাউডার ত্বকে আরামদায়ক ও শীতল অনুভূতি তৈরি করে। যাদের শরীর কিছুটা ভারি গড়নের তাদের জন্য বেবি পাউডার খুব ভালো কাজ করবে।

৫. বাইরে থেকে ফিরেই শরীরে পানিতে ধুয়ে ফেলা অথবা ঠাণ্ডা পানিতে কাপড় ভিজিয়ে শরীর মুছে নেওয়ার অভ্যাস করতে হবে। এতে করে ত্বকের উপরিভাগে জমে থাকা ঘাম ও ময়লা পরিষ্কার হয়ে যাবে এবং ঘামাচির উপদ্রব দেখা দেবে না।

আরও পড়ুন: শারীরিক সুস্থতা পেতে গড়ুন ১০ অভ্যাস

আরও পড়ুন: পানিশূন্যতা রোধে কী করা প্রয়োজন?

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র