Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চুলের যত্নে আমন্ড অয়েলের তিন ব্যবহার

চুলের যত্নে আমন্ড অয়েলের তিন ব্যবহার
আমন্ড অয়েল, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ত্বক ও চুলের যত্নে আমন্ড অয়েলের ব্যবহার নতুন নয়।

পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন-ই ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট চুল ও ত্বককে ফ্রি-রেডিক্যাল ড্যামেজের হাত থেকে রক্ষা করে। ফলে চুলের সমস্যায় বিচলিত না হয়ে আমন্ড ব্যবহারের সঠিক নিয়ম সম্পর্কে জানার চেষ্টা করতে হবে।

আজকের ফিচারে তুলে ধরা হলো চুল কোমল করা, চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা ও চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে দারুণ উপকারী প্রাকৃতিক এই তেলটির তিন ভিন্ন ব্যবহার।

চুল কোমল করতে আমন্ড অয়েল

যাদের রুক্ষ চুলের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য আমন্ড অয়েল ব্যবহারে তৈরি করা হেয়ার প্যাকটি খুব ভালো কাজে দেবে। এই হেয়ার প্যাকটি একইসাথে চুলে আর্দ্রতা প্রদান করবে এবং চুলে কন্ডিশনারের কাজ করবে।

হেয়ার প্যাকটি তৈরিতে ব্যবহৃত হবে- চার টেবিল চামচ আমন্ড অয়েল, ১/৪ কাপ দুধ, ১/২ কাপ কলার পেস্ট ও দুই চা চামচ মধু।

যেভাবে তৈরি ও ব্যবহার করতে হবে:

দুধ, মধু ও আমন্ড অয়েল একসাথে ভালভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এতে কলার পেস্ট মিশিয়ে নিলেই হেয়ার প্যাক তৈরি হয়ে যাবে। এই প্যাকটি চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত ম্যাসাজ করে লাগাতে হবে। আধা ঘন্টা রেখে দেওয়ার পর স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে চুল ধুয়ে নিতে হবে। প্রতি সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করতে হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/03/1556871466518.jpg
আমন্ড অয়েল। 

 

চুলের বৃদ্ধিতে আমন্ড অয়েল

ক্যাস্টর অয়েলের মতো আমন্ড অয়েলেও রয়েছে রাইসিনোলেইক অ্যাসিড। এছাড়া আরও আছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন-ই। যা চুলের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করতে কাজ করে।

চুলে ব্যবহারের জন্য সমপরিমাণ নারিকেল তেল, ক্যাস্টর অয়েল ও আমন্ড অয়েল মিশিয়ে ব্যবহার করতে হবে। রাতে সম্পূর্ণ চুলে ভালোভাবে ম্যাসাজ করে সারারাত চুলে তেল রেখে দিতে হবে। পরদিন সকালে হারবাল শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিতে হবে।

চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে আমন্ড অয়েল

ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ আমন্ড অয়েল চুলের পুষ্টি জোগানোর পাশপাশি চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতেও অবদান রাখে। তেলটি চুলের স্ক্যাল্পের pH এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে, স্ক্যাল্প থেকে ময়লা দূর করতে এবং মাথার ত্বকের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখতে কাজ করে।

উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে প্রয়োজন হবে- ১০ ফোঁটা আমন্ড অয়েল, ১/২ কাপ পানি, ১/২ কাপ অ্যাপল সাইডার ভিনেগার ও ১ চা চামচ মধু।

ব্যবহারের জন্য প্রথমেই পানিতে অ্যাপল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে নিতে হবে। পরবর্তিতে এতে মধু ও আমন্ড অয়েল মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। চুলে ব্যবহারের জন্য প্রথমেই শ্যাম্পু করে নিতে হবে। শ্যাম্পু করার পর আমন্ড অয়েলের মিশ্রণের সাহায্যে চুল ধুয়ে নিতে হবে এবং চুলে মিশ্রণটি ১০ মিনিট রেখে দিতে হবে। এরপর পানিতে চুল ধুয়ে নিতে হবে। এই মিশ্রণটি চুলে সপ্তাহে একবার ব্যবহার করতে হবে।

আরও পড়ুন: ব্রণের প্রাদুর্ভাব কমবে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহারে

আরও পড়ুন: উৎসব যেন চুলের ক্ষতি না করে!

আপনার মতামত লিখুন :

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র