Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

প্রাকৃতিক মেকআপ রিমুভার ‘আমন্ড অয়েল’

প্রাকৃতিক মেকআপ রিমুভার ‘আমন্ড অয়েল’
আমন্ড অয়েল মেকআপ রিমুভার হিসেবে দারুণ একটি উপাদান, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

অফিসে, ক্লাসে নিত্যদিন বাইরে বের হলে ভারি মেকআপ ব্যবহার করা না হলেও,

আইলাইনার কিংবা মাশকারা ব্যবহার করা হয়। এছাড়া বিশেষ দিন কিংবা বিশেষ কোন উপলক্ষে কিছুটা হলেও মেকআপ করাই হয়। আর যেখানেই মেকআপের প্রসঙ্গ থাকবে, সেখানেই মেকআপ রিমুভার ব্যবহারের বিষয়টিও উঠে আসবে।

নিয়মিত মেকআপ ব্যবহারের পরেও ত্বককে সুস্থ ও প্রাণবন্ত রাখতে চাইলে মেকআপ রিমুভার ব্যবহারের কোন বিকল্প নেই। কিন্তু মেকআপ রিমুভার হিসেবে প্রাকৃতিক উপাদান আমন্ড অয়েল ব্যবহার করেছেন কখনো?

চুল ও ত্বকের পরিচর্যায় আমন্ড অয়েল ব্যবহার করা হলেও, মেকআপ তোলার ক্ষেত্রে আমন্ড অয়েল ব্যবহারের প্রচলন একেবারেই নেই। অথচ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই তেলটি রোদের আলোর ফলে ত্বকের ক্ষতি ও ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধে কাজ করার সঙ্গে চমৎকার মেকআপ রিমুভার উপাদান হিসেবেও কাজ করে।

আমন্ড অয়েল কেন মেকআপ রিমুভার হিসেবে ভালো?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/29/1561809325554.jpg

যখনই কোন মেকআপ রিমুভার কেনা হয়, সেটা যেন ঠিকভাবে মেকআপ তুলতে পারে সেদিকেই খেয়াল রাখা হয়। বিশেষ করে ওয়াটারপ্রুফ আইলাইনার ও মাশকারা যেন পুরোপুরি ওঠানো যায়, সেদিকে খেয়াল রাখা হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই মেকআপ রিমুভার হিসেবে নানা ধরনের তেল ব্যবহার করা হয়। নারিকেল তেল কিংবা অলিভ অয়েল এক্ষেত্রে বেশি প্রচলিত। এর পাশাপাশি আমন্ড অয়েলও সমানভাবে কাজ করে।

প্রাকৃতিক এই তেলটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে উপকারিতা হলো, মেকআপ রিমুভারের মতো এতে কোন ধরনের কেমিক্যাল পণ্য ব্যবহার করা হয় না। ফলে আমন্ড অয়েল ব্যবহারে ত্বকের কোন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয় না। সেই সাথে আমন্ড অয়েল খুব সুন্দর ও সম্পূর্ণভাবে মেকআপ তুলে ফেলতে কাজ করে।

মূলত এ কারণেই সকল ধরনের ত্বকের জন্যেই মেকআপ রিমুভার হিসেবে আমন্ড অয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে। বিশেষত যাদের ত্বক স্পর্শকাতর, তাদের জন্য আমন্ড অয়েলের ব্যবহার সবচেয়ে ভালো।

তবে আমন্ড অয়েল ব্যবহারের সবচেয়ে দারুণ সুবিধাটি হলো, এই তেল ব্যবহারে মেকআপ তুলে ফেললে ত্বক তেলতেলে হয়ে থাকবে। নারিকেল তেল কিংবা অলিভ অয়েল ব্যবহারে সাধারণত এমনটা হয়। আবার মেকআপ রিমুভার ব্যবহারের পর যেমন শুষ্ক হয়ে ওঠে, তেমনটাও হবে না। বরং মেকআপ রিমুভার হিসেবে আমন্ড অয়েল ব্যবহারে ত্বকের সাধারণ সমস্যা, মেকআপ ব্যবহারে র‍্যাশভাব, ত্বকের প্রদাহ ইত্যাদি কমবে।

কীভাবে ব্যবহার করতে হবে আমন্ড অয়েল?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/29/1561809389077.jpg

ত্বক থেকে মেকআপ তোলার জন্য হাতের আঙুলে কিছু পরিমাণ আমন্ড অয়েল নিয়ে মুখে খুব ধীরে ধীরে ম্যাসাজ করতে হবে। পুরো মুখে ম্যাসাজ করা হয়ে গেল, তুলার বল গোলাপ জলে ভিজিয়ে, ভেজা তুলার বল দিয়ে মুখ ধীরে ধীরে মুছে নিতে হবে। যদি গোলাপ জল ব্যবহারে সমস্যা থাকে, তবে পানিতে ভিজিয়ে নিলেও হবে।

এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে,  চোখের আশেপাশের অংশে তেল কিছুটা বেশি ব্যবহার করতে হবে এবং কিছুটা বেশি সময় নিয়ে ম্যাসাজ করতে হবে।

আরও পড়ুন: ব্রণের প্রাদুর্ভাব কমবে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহারে

আরও পড়ুন: চুলের যত্নে আমন্ড অয়েলের তিন ব্যবহার

আপনার মতামত লিখুন :

ভিন্নমাত্রায় কাসুন্দি ইলিশ

ভিন্নমাত্রায় কাসুন্দি ইলিশ
কাসুন্দি ইলিশ, ছবি: সংগৃহীত

মাছের বাজারে এখন ইলিশের দাপট।

এ সুযোগে ইলিশ মাছের পছন্দসই রেসিপি রাঁধার পাশাপাশি একটু ব্যতিক্রম রেসিপিও রেঁধে নিতে পারেন। আমাদের দেশে সর্ষে ইলিশ বা সরিষা ইলিশ অতি জনপ্রিয় ও প্রচলিত একটি ইলিশের রেসিপি। এবারে সেই সরিষা ইলিশের মতোই ঝাঁজ নিয়ে ভিন্ন ঘরানায় তৈরি করুন কাসুন্দি ইলিশ। কাসুন্দির ঝাঁজ ও হালকা টকভাব সহজেই ইলিশে যোগ করবে ভিন্নমাত্রা।

কাসুন্দি ইলিশ তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563883624853.JPG

১. মাথা ও লেজসহ ইলিশ মাছের ছয়টি বড় টুকরা।

২. চার টেবিল চামচ কাসুন্দি।

৩. ১০০ গ্রাম পরিমাণ টকদই।

৪. দুই টেবিল চামচ পেস্তা বাটা।

৫. ৫-৬টি কাঁচামরিচ ফালি।

৬. আধা চা চামচ রসুন বাটা।

৭. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৮. চার টেবিল চামচ সরিষা তেল।

৯. স্বাদমতো লবণ।

কাসুন্দি ইলিশ যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563883641018.JPG

১. মাছের টুকরোগুলো ভালোভাবে কেটে ও ধুয়ে এতে লবণ ও হলুদ গুঁড়া মাখিয়ে মেরিনেট করে রেখে দিতে হবে।

২. মাছের অন্যান্য টুকরাগুলো ভাজার প্রয়োজন নেই। তবে মাথা ও লেজের অংশ কিছুটা ভেজে নিতে হবে।

৩. ভিন্ন একটি পাত্রে কাসুন্দি, পেস্তা বাটা, টকদই, লবণ ও হলুদ গুঁড়া একসাথে ভালোভাবে মেশাতে হবে।

৪. চুলাতে কড়াই বসিয়ে সরিষার তেল গরম করে এতে কাসুন্দির-দইয়ের মিশ্রণ ও রসুন বাটা দিয়ে নাড়তে হবে। কিছুক্ষণ নাড়ার পর এতে কাঁচামরিচ ফালি ও স্বাদমতো লবণ দিতে হবে।

৫. মিনিট পাঁচেক নাড়ার পর মাছের টুকরোগুলো দিয়ে অল্প আঁচে পনের মিনিটের জন্য কড়াইয়ের মুখ ঢেকে রাখতে হবে।

৬. পনের মিনিট পর কড়াইয়ের ঢাকনা খুলে মাছগুলো সাবধানের সাথে উল্টে দিয়ে আবারো পনের মিনিটের জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৭. এর মাঝে মাছ সিদ্ধ হয়ে আসবে এবং ঝোল টেনে আসবে। প্রয়োজনে আধা কাপ পানি দেওয়া যাবে।

মাছ মাখামাখা হয়ে আসলে নামিয়ে ভাতের সাথে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: মাছের রেজালায় স্বাদের বদল

আরও পড়ুন: ভেটকি মাছের বেগম বাহার

পরিবারের বয়োবৃদ্ধ সদস্যের মানসিক সুস্থতায়

পরিবারের বয়োবৃদ্ধ সদস্যের মানসিক সুস্থতায়
বয়স্ক ব্যক্তিদের সাথে সময় কাটানো তাদের মানসিক সুস্থতায় ভূমিকা রাখে, ছবি: সংগৃহীত

পরিবারের একদম বয়স্ক মানুষটি হন সবচেয়ে আপন, সবচেয়ে কাছের ও ভালোবাসার।

তার কাছেই যেন শত গল্প ও মায়ার ঝুলি জমে থাকে। কিন্তু বয়সের ভারে ন্যুজ হয়ে পড়া মানুষটিও একটা সময় পরে কেমন যেন দূরের হয়ে যান। হয়ে যান বিচ্ছিন্ন ও দুর্বোধ্য।

বয়স বৃদ্ধির সাথে অবধারিতভাবে দেখা দিতে শুরু করে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা। ডায়বেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হাড়ের ক্ষয়, কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি, দৃষ্টিশক্তিজনিত সমস্যাসহ সাধারণ সমস্যাগুলোর সাথে যুক্ত হয় চেনা অথবা অচেনা ছোট-বড় আরও কয়েক ধরনের শারীরিক অসুস্থতা।

তবে বয়োবৃদ্ধদের শারীরিক সমস্যার সাথে দেখা দিতে শুরু করে মানসিক সমস্যাও। সেটা কেমন? খেয়াল করে দেখবেন, তারা সহজে কোন কিছু মনে রাখতে পারেন না। দুপুরে যদি জানতে চাওয়া হয়- সকালে কী খেয়েছেন, তবে সঠিকভাবে উত্তর দিতে পারবেন না। একইসাথে মানুষের নাম, চেহারা ভুলে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয়।

এছাড়া দেখা দেয় অকারণে ও আকস্মিক মেজাজের পরিবর্তন। পুরনো কোন কথা মনে করে অঝোরে কান্নাকাটি করা, সামান্য কোন সমস্যায় অতিরিক্ত রেগে যাওয়া, খুঁতখুঁত করা, একই কথা বারবার বলার মতো লক্ষণগুলো বয়স বৃদ্ধির সাথে সম্পর্কিত।

এ কারণে একজন বয়োবৃদ্ধ মানুষের শারীরিক সুস্থতায় যত্ন নেওয়ার সঙ্গে মানসিক সুস্থতার জন্যেও যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে ভারতের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বোপানা শ্রীধর জানাচ্ছেন কোন তিনটি বিষয়ের প্রতি বাড়তি নজর দেওয়া প্রয়োজন।

খাদ্যাভ্যাস

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563877234210.jpg

নিত্যদিনের খাদ্যাভ্যাস ও খাবারের পুষ্টির উপরে মানসিক সুস্থতা অনেকখানি নির্ভর করে। শ্রীধর পরামর্শ দেন, বয়স্কদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে কাজুবাদাম রাখার জন্য, যা মস্তিষ্কের সুস্থতায় অনেকখানি অবদান রাখে। এতে থাকা ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ অ্যাসিড সরাসরি মস্তিষ্কের সুস্থতা নিশ্চিতে কাজ করে। এছাড়া লো ফ্যাট খাদ্য উপাদান ও যথাসম্ভব প্রাকৃতিক উপাদান বেশি রাখার উপরেও জোর দেন তিনি।

শরীরচর্চা

বয়স্কদের জন্য শরীরচর্চার বিষয়টি কঠিন মনে হলেও, একদম হালকা ঘরানার ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজও তাদের জন্য অনেক বড় উপকারিতা বহন করবে। এতে করে ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকা, ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকা, হাড়ের উপকারিতার মতো সুবিধার পাশপাশি মন প্রফুল্ল ও প্রশান্ত থাকবে। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি মনোযোগেও লক্ষণীয় পরিবর্তন আসবে।

যোগাযোগ

পাশ্চাত্যে একটি বিষয়ের প্রচলন রয়েছে। সমবয়সী অনেকে একসাথে দেখা করা, গল্প করা, সময় কাটানো, একেঅপরের সাথে যোগাযোগ করা। সামাজিকতার এই আয়োজনে অংশগ্রহণে বৃদ্ধদের আগ্রহী করা হয়। এতে করে তাদের মনঃ ভালো থাকে ও মস্তিষ্কে ইতিবাচক প্রভাব পরে। সেদিক থেকে দেখতে গেলে আমাদের দেশে বয়োবৃদ্ধরা বেশ একাকী সময় কাটান ও একা হয়ে পরেন। এতে করে তারা খুব অল্পতে বিষণ্ণ হয়ে পরেন এবং বৃদ্ধ বয়সের বিষণ্ণতা থেকেই দেখা যায় মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলো। সেক্ষেত্রে পরিবারের সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে বয়োবৃদ্ধদের সাথে সময় কাটানো এবং তাদের একাকীত্ব দূর করার প্রতি।

আরও পড়ুন: আয়ুর্বেদে বাড়বে স্মৃতিশক্তি

আরও পড়ুন: পুষ্টির অভাবে বিষণ্ণতা দেখা দেয় কি?

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র