Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

এখন প্রয়োজন অ্যাপল সাইডার ভিনেগার!

এখন প্রয়োজন অ্যাপল সাইডার ভিনেগার!
অ্যাপল সাইডার ভিনেগার
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

আপেল থেকে তৈরিকৃত অ্যাপল সাইডার ভিনেগার একই সাথে তার কটু গন্ধ ও বিবিধ স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য জনপ্রিয় ও সুপরিচিত।

বিশেষত বাড়তি ওজনকে কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে বলে প্রায় প্রতি ঘরেই এসিভির দেখা পাওয়া যায়।

ঘরে থাকলেও নিয়মিত এসিভি পান করা বেশ চ্যালেঞ্জিং একটি বিষয়। ফলে আগ্রহ নিয়ে কেনা হলেও ঘরের এক কোনে রয়ে যায় উপকারী এই তরলটি। কোরবানি ঈদের এই সময়টিতে এসিভি খুঁজে বের করে নিন নিজের সুস্বাস্থ্যের জন্য।

স্বাভাবিকভাবেই ঈদের এই সময়টিতে রেড মিট (গরু ও খাসির মাংস) খাওয়া হয় বেশ অনেকখানি। যার ফলস্বরূপ ঈদ পরবর্তী সময়ে অনেকেরই কোলেস্টেরলের মাত্রা ও প্রেশার বেড়ে যায়। এমনকি সমস্যা দেখা দেয় ব্লাড সুগারেও। এই সকল সমস্যার সমাধান মিলবে অ্যাপল সাইডার ভিনেগারে। প্রতিদিন দুই চা চামচ পরিমাণ অ্যাপল সাইডার ভিনেগার এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে পান করলে উপরোক্ত সমস্যা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকিকে অনেকটাই দূরে সরিয়ে নিশ্চিন্তে থাকা সম্ভব হবে। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক অ্যাপল সাইডার ভিনেগার পানের কয়েকটি জরুরী উপকারিতা।

কমায় কোলেস্টেরলের মাত্রা

উচ্চমাত্রার ট্রাইগ্লিসারাইড ও কোলেস্টেরল হৃদরোগের ঝুঁকিকে অনেকখানি বাড়িয়ে দেয়। ২০১২ সালে অনুষ্ঠিত একটি বড় ধরনের গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করেছে, টানা আট সপ্তাহ নিয়মিত এসিভি পান করা হলে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। এছাড়া বেশ কিছু গবেষণার ফল জানাচ্ছে, এসিভি পানে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধিতেও বাধাদান করে। ফলে আকস্মিকভাবে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায় অনেকটা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/14/1565762427865.jpeg

নিয়ন্ত্রণে রাখে রক্তচাপ

রক্তচাপকে স্বাভাবিকের কাঁটায় রাখার মাঝে কোলেস্টেরলের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণের গণ্ডিতে রাখা হলো অন্যতম একটি উপায়। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধিতে খুব সহজেই রক্তচাপের উপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়। এতে করে সহজেই উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দেয়। যেহেতু উপরেই জানানো হয়েছে এসিভি পানে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে থাকে, একই সূত্রানুসারে খুব সহজেই রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

কমায় রক্তে চিনির মাত্রা

রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কার্যকরি ও উপকারি অন্যতম প্রাকৃতিক উপাদানটির নাম হলো এসিভি। বেশ কিছু গবেষণা ও পরীক্ষা থেকে দেখা গেছে, এসিভির অ্যাসিডিক ধর্ম রক্তে বাড়তি চিনির মাত্রাকে কমাতে কাজ করে। এতে করে ডায়বেটিসের সম্ভাবনার পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনাও কমে যায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/14/1565762456667.jpg

কমায় বাড়তি ওজন

পেট ভরে মাংস ও অন্যান্য মুখরোচক খাবার খাওয়ার ফলে শুধু কোলেস্টেরল নয়, ওজনও বেড়ে যায় অনেকখানি। উচ্চমাত্রার ফ্যাট ও লবণযুক্ত খাবার প্রস্তুতের ক্ষেত্রে অ্যাপল সাইডার ভিনেগারের ব্যবহার খাবারের ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে দেবে অনেকটা।

আরও পড়ুন: উপকারের আধার অ্যাপল সাইডার ভিনেগার

আরও পড়ুন: এসিভি পানে এই ভুলগুলো কী আপনিও করছেন?

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র