বাজেট বক্তৃতায় অনুপস্থিত দেশীয় খনিজ সম্পদ

  বাজেট অর্থবছর ২০২১-২২



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বাজেট বৃক্তৃতায় অনুপস্থিত দেশীয় খনিজ সম্পদ

বাজেট বৃক্তৃতায় অনুপস্থিত দেশীয় খনিজ সম্পদ

  • Font increase
  • Font Decrease

অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় অনুপস্থিত দেশের খনিজ সম্পদ আহরণের বিষয়টি। গ্যাসের ঘাটতি মোকাবিলায় এলএনজি আমদানিকে সামনে এনেছেন।

গ্যাস ঘাটতির কারণে এখনই হিমশিম খেতে হচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগকে। আরও উৎপাদন হ্রাসের শঙ্কা করা হচ্ছে। গ্যাস সরবরাহ কমে গেলে, বিদ্যুতের উৎপাদন ও শিল্পকারখানা সংকটে পড়তে পারে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের এমন শঙ্কা সঠিক হলে সরকারের সবচেয়ে বড় সফলতা ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ গলার কাঁটায় পরিণত হতে পারে। দেশীয় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দাবি জানিয়ে আসলেও বাজেট বক্তৃতায় তার কোনই প্রতিফলন নেই।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন এক সেমিনারে বলেছেন, আমাদের গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে ১১ হাজার মেগাওয়ার্ট। এসব কেন্দ্রে ১৫শ এমএমসিএফডি চাহিদার বিপরীতে গ্যাস সরবরাহ পাচ্ছি ১২শ এমএমসিএফডি (আগস্ট ২০২০)। যা দিয়ে ৬ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন করতে পারি। প্রায় ২৫ শতাংশ গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসে থাকছে। গ্যাস থেকে পাওয়া যাচ্ছে সর্বোচ্চ ৮২৫০ মেগাওয়াটের মতো।

বাংলাদেশে ২৭টি গ্যাস ফিল্ড আবিষ্কৃত হয়েছে। এসব ফিল্ডে প্রমাণিত মজুদের পরিমাণ ২১ দশমিক ৪ টিসিএফ, আরও ৬ টিসিএফ রয়েছে সম্ভাব্য মজুদ। এরমধ্যে প্রায় সাড়ে ১৮ টিসিএফ উত্তোলন করা হয়েছে। সে হিসেবে প্রমাণিত মজুদ অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ৩ টিসিএফ, আর সম্ভাব্য মজুদ রয়েছে আরও ৭ টিএসএফ’র মতো। আর প্রতি বছরে উত্তোলিত হচ্ছে প্রায় ১ টিসিএফ’র মতো।

আন্তর্জাতিক জালানি বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী খন্দকার সালেক সূফী বার্তা২৪.কম-কে বলেছেন, গ্যাসের উৎপাদন কমতে শুরু করেছে। এক সময় ২৭০০ এমএমসিএফডি উৎপাদিত হতো এখন আড়াই হাজারের নিচে নেমে এসেছে। বর্তমানে দৈনিক উত্তোলিত গ্যাসের প্রায় ৫০ শতাংশ আসছে শেভরনের ফিল্ড থেকে। বহুজাতিক কোম্পানি শেভরন বিবিয়ানা ফিল্ডে পানি আসা শুরু করেছে। যে কোনো সময় ফিল্ডটির গ্যাস উৎপাদন ব্যাপক আকারে কমে যেতে পারে। কি হারে হ্রাস পাবে তা ধারণাতীত হতে পারে।

২০২৩ সাল নাগাদ গ্যাস উৎপাদন বড় ধরনের হ্রাস পেতে পারে। তেমন পরিস্থিতির জন্য পেট্রোবাংলার কোনো প্রস্তুতি ‍দৃশ্যমান নয়। তারা এখনই গ্যাসের যোগান দিতে পারছে না। এলএনজি আমদানি করেও ঘাটতি সামাল দিতে পারছে না। গ্যাসের চাহিদা বাড়ছে দ্রুতগতিতে, সেখানে যদি দেশীয় গ্যাস হ্রাস পায় তা সামাল দেওয়া কঠিন হবে। বর্তমানে এলএনজি আমদানি করে ঘাটতি মোকাবিলা করার চেষ্টা চলছে। এলএনজি আমদানির সক্ষমতা বাড়ানো বিষয়টিও সময় সাপেক্ষ এবং ব্যয় বহুল।

২০২৫ সালের আগে এলএনজি আমদানি বাড়ানো সম্ভব না। বর্তমানে ১০০০ এমএমসিএফডি এলএনজি আমদানি করার সক্ষমতা অর্জন করেছে। এই এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা ছিল ২০১৪ সালে। বাস্তবায়ন হতে আর ৫ বছর বেশি সময় লেগে গেছে। ২০১৮ সালের আগস্টে প্রথম ইউনিট ৫০০ এমএমসিএফডি আনতে সক্ষম হয়। দ্বিতীয় ইউনিট এসেছে ২০১৯ সালের এপ্রিলে। মাতারবাড়িতে ১০০০ এমএমসিএফডি ক্ষমতা সম্পন্ন ল্যান্ড বেজড এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা। মাত্র কনসালটেন্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে নির্ধারিত সময়ে আসবে সে কথা বলা জটিল। পূর্বের অভিজ্ঞতা নেগেটিভ উত্তর দেয়। অর্থাৎ ঘাটতি বেড়ে গেলেও বাড়তি এলএনজি আমদানির ‍পথ প্রায় বন্ধ।

অথচ অর্থমন্ত্রী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ প্রসঙ্গে বাজেট বক্তৃতায় বলেছেন, বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের মোট চাহিদার অবশিষ্ট এলএনজি আমদানি করে যুক্ত করা হচ্ছে। সরবরাহ বৃদ্ধির জন্য মাতারবাড়িতে ১০০০ মিলিয়ন ঘনফুট ক্ষমতার ল্যান্ড-বেইজড একটি এলএনএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গ্যাসের ঘাটতি মোকাবিলায় সবচেয়ে ভালো উপায় হতে পারতো কয়লা উত্তোলন ও বেশি বেশি কূপ খনন করা। কিন্তু সেই ট্রেন মিস করেছে বলে মনে করে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। কয়লা এখনই না তোলার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। আর বেশি কূপ খনন থেকেও রয়েছে অনেকটা পিছিয়ে। সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানও হতাশাজনক।

জ্বালানি বিভাগের যখন বেহাল অবস্থা, তখন বিদ্যুৎ বিভাগ নতুন নতুন গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাস্তবায়ন করে চলেছে। ২০১৬ সালের রিভাইস মাস্টারপ্লানে ২০২১ সালে ২৬৬১ মেগাওয়াট ও ২০২২ সালে ১১৮৮ মেগাওয়াট নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র যুক্ত হওয়ার কথা।

  বাজেট অর্থবছর ২০২১-২২

বিদ্যুতের এই সংকট খুব বেশিদিন থাকবে না: নসরুল হামিদ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভুলে যাওয়া লোডশেডিং গত কয়েকদিন ধরে আবারও ফিরে এসেছে। এবিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, আশা করি বিদ্যুতের এই পরিস্থিতি খুব বেশিদিন থাকবে না। 

তিনি বলেন, কয়লাভিত্তিক তিন বিদ্যুৎকেন্দ্র-পায়রার দ্বিতীয় ইউনিট, রামপাল ও ভারতের গোড্ডা থেকে আমদানিকৃত বিদ্যুৎ এ বছরের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। তখন এই পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে।

মঙ্গলবার রাতে নসরুল হামিদ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এসব কথা বলেন। সেখানে তিনি দেশের গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের একটি চিত্র তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেছেন, গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ এর প্রভাব সব জায়গাতে পড়েছে। কোভিড-১৯ এর ধাক্কা যখন সবাই কাটিয়ে উঠছিল তখনই রাশিয়া-ইউক্রেইন যুদ্ধ পরিস্থিতি সারা বিশ্বকেই গভীর এক সংকটে ফেলেছে। এই সংকট শুধু উন্নয়নশীল দেশেই না অনেক উন্নত দেশেও এর আঁচ লেগেছে। যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি মার্কেট চরম অস্থিতিশীল করে তুলেছে। আন্তর্জাতিক খাদ্য পণ্যের বাজারও বেসামাল। বৈশ্বিক এই সংকট আমাদেরকেও বিপদে ফেলে দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আপনারা জানেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ ৫২ বিলিয়ন ডলারের রফতানির অনন্য মাইল ফলক অর্জন করেছে। অর্থাৎ গত একযুগে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের কারণে আমাদের শিল্পায়ন অতীতের সকল সময়কে ছাড়িয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে ‘দিন বদলের ইশতেহারে’ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সবার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিবেন। সেই রূপকল্প আমরা বাস্তবায়ন করেছি। মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস বিদ্যুতের কোন বিকল্প নাই। আমরা সে লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু যুদ্ধের কারণে হঠাৎ করেই কিছুটা ছন্দপতন সব জায়গাতেই।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাপানের মত উন্নত ও অর্থনৈতিভাবে সমৃদ্ধ দেশও তাদের সাড়ে তিন কোটির বেশি মানুষকে নিয়মিত বিদ্যুৎ সুবিধা দিতে পারছে না। একই অবস্থা আরেক উন্নত দেশ অস্ট্রেলিয়ারও। ভারত-পাকিস্তানের কথা না হয় নাইবা বললাম। অর্থাৎ সবাইকেই এই সংকটকালীন সময়ে রেশনিং করতে হচ্ছে।

নসরুল হামিদ বলেন, আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ১৬০০-১৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন। সেখানে আমরা দিতে পারছি মাত্র ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। এর বেশি গ্যাস আমরা দিতে পারছি না কারণ আমাদের অগ্রাধিকার দিতে হচ্ছে কৃষি ও শিল্পখাতকে। কৃষির জন্য সার অপরিহার্য। সার উৎপাদনেও আমাদেরকেও অনেক পরিমাণ গ্যাস দিতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে গ্যাসের দৈনিক উৎপাদন ২৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট। চাহিদার বাকি বৃহৎ অংশ এলএনজি আমদানি করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার সময়ও গ্যাসের উৎপাদন ছিল মাত্র দৈনিক ১৭৪৪ মিলিয়ন ঘনফুট। সেখান থেকে আমরা উৎপাদন সক্ষমতা বাড়িয়েছিলাম দৈনিক ২৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুট পর্যন্ত। ২০১৮ সাল পর্যন্ত আমরা এ সক্ষমতায় গ্যাস উৎপাদন করেছি। কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্য যে, আমাদের নিজস্ব গ্যাস উৎপাদন কমতে শুরু করেছে আমাদের খনিগুলোর রির্জাভ কমে যাওয়ার কারণে।

এলএনজি আমদানির জন্য কাতার ও ওমানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় আমরা এলএনজি পাচ্ছি। এর পাশাপাশি আমরা আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকেও এলএনজি আমদানি করতাম। কোভিড-১৯ এর আগে আমরা এক ইউনিট এলএনজি ৪ ডলারেও আমদানি করেছি কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটা ৪১ ডলারও ছাড়িয়ে গেছে। এত উচ্চমূল্যে আমদানি করলে আমাদের অর্থনীতির উপর বিশাল চাপ তৈরি হবে। শুধু গ্যাসের দামই না। বেড়েছে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম। ২০২১ সালের জুলাইয়ে ডিজেল ব্যারেল প্রতি ৭৭ ডলার ছিল; সেটা এ বছরের জুনে ১৭১ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার নিজস্ব জ্বালানির অনুসন্ধান, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বিদ্যমান কূপগুলোতে আরও গভীরে খনন করে গ্যাসের অনুসন্ধান কাজ চালাচ্ছে। এরই মধ্যে আগামী ৩ বছরের একটা আপগ্রেডেশন, ওয়ার্কওভারের স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছি যাতে করে ৪৬টি কূপ থেকে দৈনিক ৬১৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস নতুন করে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতি খুব বেশিদিন থাকবে না আশা করি। এবছরের মধ্যেই পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ভারত থেকে ১৬০০ মেগাওয়াট আমদানিকৃত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।

  বাজেট অর্থবছর ২০২১-২২

;

মার্সেল টেলিভিশনে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত মূল্যছাড়



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
মার্সেল টেলিভিশনে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত মূল্যছাড়

মার্সেল টেলিভিশনে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত মূল্যছাড়

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের অন্যতম শীর্ষ ও জনপ্রিয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড মার্সেল টেলিভিশনে ব্যাপক মূল্যছাড় দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির ‘বেস্ট টিভি ডিল’ ক্যাম্পেইনে ২৪ থেকে ৪৩ ইঞ্চির বেসিক এলইডি এবং অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট টিভিতে এই ছাড় চলছে। ক্যাম্পেইনের আওতায় মার্সেল টিভিতে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাচ্ছেন ক্রেতারা। ১ জুলাই ২০২২ থেকে পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত দেশের যে কোনো মার্সেল শোরুম থেকে টিভি কেনায় মূল্যছাড়ের এই সুবিধা থাকছে।

মার্সেল সূত্রে জানা গেছে, বেস্ট টিভি ডিলে ৪৩ ইঞ্চির বেসিক এলইডি টিভিতে ৮,০০০ টাকা মূল্যছাড় দেয়া হচ্ছে। ফলে এই টিভি গ্রাহকরা পাচ্ছেন মাত্র ২৭,৯০০ টাকায়। আর ৪৩ ইঞ্চির অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট টিভিতে মূল্যছাড় মিলছে ৬,০৯০ টাকা। ফলে এই টিভি গ্রাহকরা পাচ্ছেন মাত্র ৩২,৯০০ টাকায়। ৩২ ইঞ্চির বেসিক এলইডি টিভি এবং অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট উভয় টিভিতে ৫,০০০ টাকা মূল্যছাড় দেয়া হচ্ছে। ফলে এই দুই ধরনের টিভি মিলছে যথাক্রমে মাত্র ১৩,৯০০ এবং ২২,৯০০ টাকায়।

এদিকে, ৪০ ইঞ্চির বেসিক এলইডি টিভিতে ৫ হাজার টাকা ডিসকাউন্ট থাকছে। ফলে এই টিভি মিলছে ২৫,৯০০ টাকায়। আর ৪০ ইঞ্চির অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট টিভি ৪,০০০ টাকা মূল্যছাড়ে মাত্র ২৮,৯০০ টাকায় কেনা যাচ্ছে। আর ২৪ ইঞ্চির সাশ্রয়ী মূল্যের বেসিক এলইডি টিভির দাম পড়ছে মাত্র ১১,৯০০ টাকা। গ্রাহকদের ঈদুল আযহা বা কোরবানির ঈদকে রাঙিয়ে দিতেই মার্সেল টিভিতে এই ব্যাপক মূল্যছাড় দেয়া হচ্ছে।

মার্সেলের হেড অব সেলস ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচারে সমৃদ্ধ মার্সেল টেলিভিশন। সাশ্রয়ী মূল্য ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবার কারণে সারা দেশে মার্সেল টিভি দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। মার্সেল টিভির সর্বাধুনিক মানের স্ক্রিন কোয়ালিটি নিশ্চিত করছে ঝকঝকে উজ্জ্বল ছবি। ডলবি সারাউন্ড সাউন্ড সিস্টেম থাকায় মার্সেল টিভিতে তৈরি হয় অনন্য এক আবহ। রয়েছে গুগল অ্যান্ড্রয়েড সার্টিফিকেশন। লার্জ ভিউইং অ্যাঙ্গেল সুবিধা থাকায় ১৭৮ ডিগ্রি কোন থেকেও স্পষ্ট ছবি দেখা যায়।

তিনি জানান, বর্তমানে মার্সেলের রয়েছে ২৪ থেকে ৫৫ ইঞ্চি পর্যন্ত ২৫ মডেলের বেসিক এলইডি এবং অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট টিভি। এইচডি, ফুল এইচডি এবং আল্ট্রা এইচডি ফোর-কে রেজুলেশনের এসব টিভির দাম ১১,৯০০ টাকা থেকে ৯৪,৯০০ টাকা পর্যন্ত।

টিভিতে ছয় মাসের রিপ্লেসমেন্টসহ ৫ বছরের প্যানেল গ্যারান্টির পাশাপাশি ৫ বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা দিচ্ছে মার্সেল। ক্রেতাদের দ্রুত ও সর্বোত্তম সেবা দিতে সারা দেশে প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে ৭৯টি সার্ভিস পয়েন্ট।

  বাজেট অর্থবছর ২০২১-২২

;

ইসলামী ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ইসলামী ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক ট্রেইনিং অ্যান্ড রিসার্চ একাডেমি (আইবিটিআরএ) এর উদ্যোগে “মহামারী পরবর্তী বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা এবং বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টরের চ্যালেঞ্জ” শীর্ষক এক্সিকিউটিভ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম সম্প্রতি ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

মূল আলোচনা উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের চিফ ইকোনমিস্ট ড. মোঃ হাবিবুর রহমান। আরও বক্তব্য রাখেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ কায়সার আলী ও মোঃ ওমর ফারুক খান এবং ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী।

এতে সভাপতিত্ব করেন আইবিটিআরএর প্রিন্সিপাল এসএম রবিউল হাসান। ব্যাংকের নির্বাহীগণ প্রোগ্রামে অংশগ্রণ করেন।

  বাজেট অর্থবছর ২০২১-২২

;

‘নগদ’-এ দেওয়া যাবে মাস্টারকার্ড ক্রেডিট কার্ডের বিল



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘নগদ’-এ দেওয়া যাবে মাস্টারকার্ড ক্রেডিট কার্ডের বিল

‘নগদ’-এ দেওয়া যাবে মাস্টারকার্ড ক্রেডিট কার্ডের বিল

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড এবং মাস্টারকার্ড যৌথভাবে ক্রেডিট কার্ড বিল প্রদান সুবিধা চালু করেছে। এর ফলে এখন ‘নগদ’-এর মাধ্যমে বাংলাদেশে ইস্যু হওয়া যেকোনো মাস্টারকার্ড ক্রেডিট কার্ডের বিল ‘নগদ’ অ্যাপের মাধ্যমে প্রদান করা যাচ্ছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সচিবালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ খলিলুর রহমান। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘নগদ’ লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক, নির্বাহী পরিচালক মো. সাফায়েত আলম, মাস্টারকার্ড দক্ষিণ এশিয়ার চিফ অপারেটিং অফিসার ভিকাস ভার্মা, মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, সাউথইস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামাল হোসেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

মাস্টারকার্ডের ‘মানিসেন্ড’ প্ল্যাটফর্মে সাউথইস্ট ব্যাংকের মাধ্যমে ‘নগদ’ অ্যাপকে সংযুক্ত করায় ব্যববহারকারীরা যেকোনো বাংলাদেশি ব্যাংকের ইস্যু করা মাস্টারকার্ড ক্রেডিট কার্ডের বিল ‘নগদ’ অ্যাপ থেকে প্রদান করতে পারবেন। নতুন এই সংযোজনের ফলে বাংলাদেশে কার্ড ও মোবাইল ওয়ালেটের মধ্যকার ইন্টারোপেরেবিলিটি বৃদ্ধি পাবে।

এই সেবার ফলে ‘নগদ’ গ্রাহক এবং মাস্টারকার্ডের কার্ডহোল্ডাররা ‘নগদ’ অ্যাপে তাদের তথ্য সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন এবং যেকোনো পরিমাণের বিল তারা ‘নগদ’-এর ‘বিল পে’ অপশনে গিয়ে প্রদান করতে পারবেন। প্রতিবার বিল প্রদানের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের বারবার নিজেদের কার্ডের তথ্য দিতে হবে না। বাংলাদেশে ইস্যুকৃত যেকোনো ব্যাংকের মাস্টারকার্ড ক্রেডিট কার্ডহোল্ডাররা কেবলমাত্র দেশের ভেতরে লেনদেনের জন্য এই সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন। সুবিধাটি বিল পে কাউন্টারে বাড়তি ভিড় কমিয়ে গ্রাহকের মূল্যবান সময় বাঁচাতে সাহায্য করবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, প্রযুক্তি এখন মানুষের জীবনকে সহজ করেছে। ‘নগদ’-এর মাধ্যমে মাস্টারকার্ডের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীরা এখন থেকে সাউথইস্ট ব্যাংকের সহযোগিতায় বিল প্রদান করতে পারবেন। এর মাধ্যমে মানুষের সময় ও অর্থ বাঁচবে, মানুষের জীবন সহজ হবে। এমন উদ্যোগের জন্য আমি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।

‘নগদ’ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক বলেন, আরও বেশি বেশি মানুষকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনার জন্য এবং লেনদেনকে আরও সহজ করার জন্য ‘নগদ’ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাস্টারকার্ড ও সাউথইস্ট ব্যাংকের সাথে এই অংশীদারীত্ব আমাদের জন্য আরেকটি উল্লেখযোগ্য অর্জন। কারণ এর ফলে আমাদের গ্রাহকেরা যেকোনো জায়গা থেকে নিজের সুবিধামতো মাস্টারকার্ড ক্রেডিট কার্ডের বিল প্রদান করতে পারবেন।

মাস্টারকার্ডের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-এর সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কার্ডহোল্ডারদের কার্ডের বিল প্রদানের সুবিধাটি ঘোষণা করতে পেরে আমি গর্বিত। ‘নগদ’ ও সাউথইস্ট ব্যাংকের সাথে আমাদের এই অংশীদারিত্ব মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল খাতের সাথে আমাদের সংযুক্তির পথে আরেকটি মাইলফলক হয়ে থাকল।

চুক্তির বিষয়ে সাউথইস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামাল হোসেন বলেন, এসইবিএল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে চায়। বাংলাদেশকে ২০২৬ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করতে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। সেই সাথে আজকের এই অংশীদারীত্ব আমাদের এই লক্ষ্যকে আরেক ধাপ এগিয়ে নেবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

  বাজেট অর্থবছর ২০২১-২২

;