বিদ্যুতে মাইলফলকের বছর ২০২১

  সালতামামি



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বিদ্যুতে মাইলফলকের বছর ২০২১

বিদ্যুতে মাইলফলকের বছর ২০২১

  • Font increase
  • Font Decrease

বঙ্গোপসাগরের বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়া, সন্দ্বীপ থেকে পাহাড়ের দূর্গমে এবং চরাঞ্চলের বাসিন্দারাও এখন বিদ্যুতের আলোও আলোকিত। কিছুদিন আগেও যেসব এলাকার বাসিন্দারা নিজেরাই বিদ্যুতের আলো দেখতে পাবেন আশাবাদী ছিলেন না।

সারা দেশে (৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত) ৯৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ গ্রাহক বিদ্যুতের আওতায় এসেছে। দু’একটি জায়গায় বিচ্ছিন্ন কিছু গ্রাহক রয়েছে যেখানে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলমান। এরমধ্যে রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও দ্বীপাঞ্চলে । যাদের বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে শিগগিরই। অর্থাৎ শতভাগ বিদ্যুতায়ন এখন আনুষ্ঠানিক ঘোষণার বিষয় মাত্র। সে কারণে ২০২১ সাল বিদ্যুৎ খাতের জন্য মাইলফলক।

১৯০১ সালে ৭ ডিসেম্বর আহসান মঞ্জিলে লাইট জ্বালানোর মধ্য দিয়ে বিদ্যুতের পথচলা, ১৯১৯ সালে ‘ডেভকো’ নামক ব্রিটিশ কোম্পানির মাধ্যমে ঢাকায় সীমিত আকারে বিদ্যুৎ বিতরণ শুরু, পরবর্তীতে ১৯৩৩ সালে ঢাকার পরীবাগে ৬ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ‘ধানমন্ডি পাওয়ার হাউস’ নির্মাণ করে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ বিতরণ শুরু ইতিহাস যেমন মুছে ফেলা যাবে না। তেমনি বিদ্যুৎ খাতের শতভাগ অর্জনও বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ থাকবে।

বিদ্যুতের আলো পৌঁছে যাওয়ায় দুর্গম এলাকার অর্থনৈতিক চিত্রও বদলে যাচ্ছে। গড়ে উঠছে বাণিজ্যিক কেন্দ্র, বসছে চাউল কল, স-মিল, অটোমোবাইলের মতো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। বেরিয়ে আসছে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। বদলে যাচ্ছে মানুষের জীবনযাত্রার মান।একটি বিদেশি গবেষণায় বলা হয়েছে গ্রামে বিদ্যুতায়নের ফলে বাংলাদেশের শিশুদের গড় উচ্চতা বেড়ে গেছে। প্রায় দুই বছরজুড়েই করোনা মহামারি সত্ত্বেও এই অর্জন সাধুবাদ পাওয়ার দাবি রাখে বলে মন্তব্য করেছেন এই খাতের বোদ্ধারা।

আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৮ সালে নির্বাচনী ইশতেহারে যে ঘোষণা দিয়েছেন। তখন অনেকেই একে নির্বাচনী স্ট্যান্ডবাজি বলে মন্তব্য করেছিলেন। বলেছিলেন নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার জন্য এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ২০২১ সালকে সে সব সমালোচকদের মুখে চুন-কালি লেপনের বছর বলে মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ।

ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ র্পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি সিস্টেম লসে লাগাম টেনে ধরতে সক্ষম হয়েছে সরকার। এক সময় ৩৭ শতাংশ সিস্টেম লস ছিল, সেই সিস্টেম লস এখন এক অংকে নেমে এসেছে অনেক বিতরণ কোম্পানিতে। চলতি অর্থ বছরে (২০২১-২২) এর প্রথম ৩ মাসে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সিস্টেম লস ছিল ৯ দশমিক ৫১ শতাংশ, একই সময়ে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ৯ দশমিক ৮০ শতাংশ, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ, ঢাকা ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি ৫ দশমিক ২০ শতাংশ, ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ ও নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি ১০ দশমিক ৬৮ শতাংশে নেমে এসেছে। সামগ্রিক সিস্টেম লস ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশে নেমে এসেছে।

তুলনামূলক সিস্টেম লস বেশি হয়েছে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি। ওই কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাকিউল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, চলতি অর্থ বছরের প্রথম কোয়ার্টারে গীষ্মমৌসুম থাকায় সিস্টেম লস কিছুটা বেশি হয়েছে। আশা করছি পুরো অর্থবছরে গড় সিস্টেম লস লক্ষ্যমাত্রার মধ্যেই থাকবে।

তিনি বলেন, ৫ লাখ গ্রাহককে প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আনার কাজ চলছে। আরও একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে যাতে ১২ লাখ গ্রাহককে প্রি-পেইড মিটার দেওয়া হবে। এই কাজটি শেষ হলে সিস্টেম লস অনেক কমে আসবে।

সিস্টেম লস কমানোর পাশাপাশি নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ও গ্রাহক সেবার মান বাড়াতে কাজ শুরু করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। সিস্টেম অ্যাভারেজ ইন্টারেপশন ডিউরেশন ইনডেক্স (সাইদি) ও সিস্টেম অ্যাভারেজ ফিকোয়েন্সি ডিউরেশন ইনডেক্স (সাইফি) কঠোর ভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। অতীতে এই সুচকগুলো ম্যানুয়ালি হিসাব করা হতো। তখন সংস্থাগুলোর তথ্য গোপন করার সুযোগ থেকে যেতো। সাইদি- সাইফি অটোমেশনের আওতায় আনা হচ্ছে। এতে করে গোজামিল দেওয়ার আরও কোনো সুযোগ থাকবে না। গ্রাহকের সঠিক চিত্র উঠে আসবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের উন্নয়ন ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার সেল’র মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসেন বলেন, আগে সাইদি-সাইফি ছিল বিতরণ কোম্পানি নির্ভর। এখন স্বয়ংক্রিয় মেশিনের মাধ্যমে ডাটা জেনারেট করার জন্য কাজ করা হচ্ছে। চলতি বছরেই ৫০ শতাংশ অটোমেশন হবে। সবাই কোয়ালিটি ও নিরিবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাবে, শিল্পে ডাবল সোর্স নিশ্চিত করা হচ্ছে।

কয়েক বছর আগেও বিদ্যুৎ নিয়ে হাহাকার ছিল, লোডশেডিংয়ের অভিযোগ ছিল নিত্যদিনের চিত্র। গীষ্মমৌসুমে ডিমান্ড সাইড ম্যানেজমেন্টসহ নানারকম কৌশল নিতে হতো। বিদ্যুৎ দিতে না পেরে শিল্পে ক্যাপটিভ পাওয়ার প্লান্টের অনুমোদন দেওয়া হয়। এখন সরকারের হাতে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। ২০১৮-২০১৯ সালেও বিদ্যুৎ চালিত অটো রিকশা বন্ধে গলমঘর্ম হলেও এখন বিদ্যুৎ বিভাগেই চায় বৈদ্যুতিক বাস আমদানি উন্মুক্ত করা হোক।

জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকায় বছরজুড়েই গুঞ্জন ছিল বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির খবর। শেষ পর্যন্ত গুঞ্জনেই থেকে গেছে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর খবর টি। কমে এসেছে লোডশেডিংসহ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রবনতা। সারপ্লাস উৎপাদন থাকলেও এখনও নানা সীমাবদ্ধতার কথা বলে লোডশেডিং করা হচ্ছে।

নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের জন্য আরও কিছুটা সময় চেয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেছেন, এতদিন সবার ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছানো ছিল অগ্রাধিকার। সেই কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে। এখন নিরবিচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুতের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।

  সালতামামি

ইসলামী ব্যাংকের বার্ষিক প্রীতিমিলনী ও বনভোজন অনুষ্ঠিত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ইসলামী ব্যাংকের বার্ষিক প্রীতিমিলনী ও বনভোজন অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংকের বার্ষিক প্রীতিমিলনী ও বনভোজন অনুষ্ঠিত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ের নির্বাহী, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণে বার্ষিক প্রীতিমিলনী ও বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) নরসিংদীর ড্রিম হলিডে পার্কে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. নাজমুল হাসান।

ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলার সভাপতিত্বে আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালক প্রফেসর ড. সিরাজুল করিম, মো. জয়নাল আবেদীন ও মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন।

এসময় ব্যাংকটির অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুহাম্মদ কায়সার আলী, মো. ওমর ফারুক খান, জে কিউ এম হাবিবুল্লাহ, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. নাইয়ার আজম, মো. সিদ্দিকুর রহমান ও মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার, ক্যামেলকো তাহের আহমেদ চৌধুরী এবং চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকীসহ প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

খেলাধুলা, র‌্যাফেল ড্র, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পার্কের মনোরম পরিবেশে এ প্রীতিমিলনী ও বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়।

  সালতামামি

;

৫ ডলারের এলপিজি সিলিন্ডার বিদেশে ২৫ ডলারে বিক্রি হচ্ছে



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease
আন্তর্জাতিক বাজারে পাঁচ ডলার মূল্যের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার পঁচিশ ডলারে বিক্রি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ঢাকায় নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, সারা পৃথিবীতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। আমরা তো এর বাইরে নই। তেলের দাম যদি না কমে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ যদি বন্ধ না হয়, পাঁচ ডলারের এলপিজি সিলিন্ডার আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রি হচ্ছে পঁচিশ ডলারে। এর দাম ৬০ ডলারেও উঠেছিল। পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার কাছ থেকে তেল-গ্যাস না কিনে মধ্যপ্রাচ্য থেকে কিনছে। সেখান থেকে কেনার পর তারা জমিয়ে রাখছে। এছাড়া রাশিয়ার গ্যাস কিনতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে সব জায়গাতেই এর প্রভাব পড়ছে। 

তিনি বলেন, তারা (পশ্চিমা বিশ্ব) মানবাধিকার লঙ্ঘনের কথা বলে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা আমাদেরও ক্ষতি করছে। মানবজাতির শান্তির জন্য যুদ্ধ বন্ধ হওয়া উচিত। পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়া উচিত, যাতে পৃথিবীর অর্থনীতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। কম আয়ের, সীমিত আয়ের মানুষদের অনেক কষ্ট হচ্ছে। ক্রমান্বয়ে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে জিনিসপত্রের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে অনেক জিনিসের দাম কমলেও বাংলাদেশে এর প্রভাব পড়েনি। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ওই রকম কমেনি। আমাদের পাঁচ ডলার যেটার দাম ছিল, সেটা পঁচিশ ডলারে আছে। তার মানে এখনো পাঁচ গুণ বেশি। এক টন এমওপি (সার) ছিল ২১৯ কিংবা ২৫০ ডলার। সেটা এখনো ৬০০ ডলার। আমাদের মতো দেশ কীভাবে এই ব্যয় বহন করব? এতো টাকা আমরা কোথা থেকে দেব? আমাদের তো কোনো গুপ্তধন নেই যে সেই টাকা দিয়ে সার কিনে নিয়ে আসব।

  সালতামামি

;

মার্চ আসবে আদানির বিদ্যুৎ: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease
আদানির বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কমিশনিং হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আমদানি নিয়ে কোন শঙ্কা নেই, মার্চের প্রথম সপ্তাহে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এমপি।

রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন

তিনি আরও বলেন, আদানির বিদ্যুৎ নিয়ে যেসব কথা হচ্ছে তার কোন ভিত্তি নেই। আমরা প্রতিযোগিতামুলক বাজার দরেই বিদ্যুৎ পাবো। এ নিয়ে কোন সংশয়ের সুযোগ নেই। মার্চে প্রথম ইউনিট থেকে আসবে ৭৫০ মেগাওয়াট। দ্বিতীয় ইউনিট থেকে আরও ৭৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসবে এপ্রিল মাসে।

তিনি বলেন, আসছে সেচ ও গীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই। আমাদের বেশকিছু কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে আসবে। রামপাল এসেছে, এসএস পাওয়ার আসবে, বরিশাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র আসবে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার উদ্যোগ নিয়েছি, সেচ মৌসুম নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। 
স্পর্ট মার্কেট থেকে এলএনজি আমদানি শুরু হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ বেড়ে যাবে। 
স্পর্ট মার্কেট থেকে ৮ কার্গো এলএনজি আমদানির পরিকল্পনার 
 কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।
গ্যাসের নতুন দর ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর না করার বিষয়ে ব্যবসায়ীদের দাবীর বিষয়টি নাকচ করে দেন প্রতিমন্ত্রী।

২০১৭ সালে ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের গোড্ডা জেলায় আদানি গ্রুপের কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ কেনার চুক্তি হয়।  ঝাড়খণ্ড থেকে বাংলাদেশ সীমান্ত পর্যন্ত প্রায় ৯৫ কিলোমিটারের জন্য লাইন স্থাপন করেছে আদানি গ্রুপ। ঝাড়খণ্ড থেকে বিদ্যুতের এ লাইন মূলত পশ্চিমবঙ্গের মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলার ওপর দিয়ে গেছে।

সম্প্রতি মুর্শিদাবাদে ফারাক্কার বেশ কয়েকজন কৃষক অভিযোগ করেন, বিদ্যুতের তার যাওয়ার কারণে তাদের লিচু ও আম বাগানের ফলন নষ্ট হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়ে পরপর তিন দফা বৈঠকের উদ্যোগ নেয়া হয়। কিন্তু তিনবারই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। কৃষকদের হয়ে গত ৩১ জানুয়ারি কলকাতা হাইকোর্টে মানবাধিকার সংগঠন এপিডি জনস্বার্থে একটি মামলার আবেদন করলে আদালত তা গ্রহণ করে আগামী ৭ তারিখ সব পক্ষকে ডেকে পাঠান। 

  সালতামামি

;

ইউএস-বাংলার বহরে যুক্ত হলো ৮ম বোয়িং ৭৩৭-৮০০



Mansura chamily
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease
বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারী বিমানসংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান বহরে যুক্ত হয়েছে ৮ম বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফট। আজ শনিবার বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে বোয়িং ৭৩৭-৮০০ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করে। এয়ারক্রাফটটি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ক্যাপ্টেন লুৎফর রহমান। 

নতুন যুক্ত হওয়া বোয়িং ৭৩৭-৮০০ সহ মোট ১৮টি এয়ারক্রাফট রয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে। এর মধ্যে ৮টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০, ৭টি এটিআর ৭২-৬০০ ও তিনটি ড্যাশ৮-কিউ৪০০ এয়ারক্রাফট।  

নতুন সংযুক্ত হওয়া বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফটটি কুয়েত থেকে সরাসরি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করে। নতুন যুক্ত হওয়া বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফটে ১৮৯টি আসন রয়েছে। যা দিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালিত হবে।

বর্তমানে অভ্যন্তরীণ সকল রুটসহ আন্তর্জাতিক রুট কলকাতা, চেন্নাই, মালে, মাস্কাট, দোহা, দুবাই, শারজাহ, ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর ও গুয়াংজু রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করে আসছে। 

এয়ারক্রাফটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করার সময় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  সালতামামি

;